আমেরিকা-ইরান চুক্তি: বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত

https://www.linkedin.com/pulse/hearty-congratulations-behalf-wistr-reaching-usa-iran-hossain-yya7c/?published=t https://youtu.be/MAL0SCWeNqghttps://youtu.be/fg_u5iHlWo0?si=PGVB9eCv4YIt9Es9 Contact info ☘Clarity’s profile linkedin.com/in/☘clarity-hearn-a-better-world-for-humanity🌐-b1b85061 Email chearn12367@my.pmi.edu ☘Clarity (🧱 Haus) Hearn "A better world for humanITY"🌐 · 1st Miracle Worker PNW | Certified Veterinary Assistant| Climate Pledge Arena Seattle, Washington, United States Els de Bruijn · 1st Psychiatrist/ family therapist Netherlands · Contact info Russell Murphy · 3rd . Monroe, Washington, United States · Contact info murcada threepoint University of WashingtonContact info Russell’s profile linkedin.com/in/russellbmurphy Website discord.gg (Personal) calendly.com (Other) https://www.linkedin.com/in/russellbmurphy/overlay/contact-info/ Email Dear Sheikh Ramzan, About a month ago, you signed up for the Gatehouse Satcom webinar "IoT NTN from Idea to Orbit". I hope you’ve had a chance to watch the webinar and browse the slides that Torben and I used during the live session. If not, feel free to use this special link to access the webinar and materials without signing up again. Recommended reading: How Gatehouse Satcom is advancing IoT from space Since you participated in our 5G NB-IoT webinar, I thought you might be interested in learning more about the topic. I’d like to recommend an article by our Product Manager, Svend Holme Sørensen: “How Gatehouse Satcom is advancing IoT from space.” In this short, interview-style piece, Svend shares how we support clients in bringing 5G NB-IoT NTN services to life – from early feasibility studies to a fully operational satellite service. It’s a great follow-up if you're looking to explore the practical steps and technologies involved. In the recent webinar we briefly mentioned three of our newer customer cases, where we had the pleasure of working together with companies such as Iridium, Omnispace and Space42 on their NB-IoT services. Read more about each case below. Recent customer milestones in IoT NTN Click announcement to learn more Omnispace, Gatehouse Satcom and Nordic Semiconductor advance 5G NN-IoT capability over Non-Geostationary S-band Satellite - Read article. Space42 and Gatehouse Satcom advance Direct-to-Device satellite messaging - Read article Gatehouse Satcom's 5G NB-IoT NodeB announced as key component in the Iridium NTN Direct service - Read article Do you want us to have a look at your 5G NTN roadmap? Given our experience in not only the 5G NTN software, but in the entire eco-system behind 5G NTN solutions, we know that we can offer you advice and guidance in your pursuit of realizing any 5G NTN service. Use this link to book a meeting with yours truly and discuss where you are in the process – and how we might be of assistance. Thanks for reading this (rather long) newsletter. I hope you have an amazing day. Best Regards, Raphaela Teixeira Sales Executive russell.b.murphy@gmail.com Faiza Sihem🇵🇸 Bouazouzi 🍉🇩🇿 · 1st Freelance Simultaneous Interpreter -Translator - Transcriptionist - Reviewer - Editor -Proofreader - Subtitler Arabic - English - French Algiers, Algiers, Algeria About I am an expert interpreter and translator proficient in Arabic, English, and French, with over 19 years of professional experience. My career spans roles at the African Union Commission (Political Affairs, Peace and Security Department), as well as English-speaking Embassies of Algeria like Pakistan and Gambia Embassies, Sonatrach Company, Université d’Alger 2 (Institute of Translation), and International Translation Agencies across Europe and Asia (Italy, The Netherlands, France, UK, Denmark, and Singapour). I am a referenced translator at UNESCO Paris. Throughout my career, I have excelled in simultaneous and consecutive interpreting and translation roles across a wide range of sectors including general, diplomacy, United Nations systems, African Union system, environment, energy (oil, gas, electricity), gas pipelines' welding, seawater desalination, legal, administration, IT, medical, pharmaceutical, telecommunications, history, dentistry, psychology, geology, construction, automotive, sales, marketing, tenders, international security, finance, and accountancy... Additionally, I have extensive experience in administrative support, coordination, liaison, conference management, protocol services, and communication. I thrive in multicultural environments and am adept at working under pressure while maintaining respect for diverse perspectives. I hold a Baccalaureate in Foreign Languages (Arabic, English, French, and Spanish) from Aisha Um al Muminin Secondary School, and a Bachelor's degree in Interpreting and Translation (Arabic, English, French) from Université d’Alger 2, Institute of Translation. Services Project Management Public Relations Copywriting Translation Writing Editing চুক্তি: বিশ্বজুড়ে প্রশংসিতযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি না থাকলে ইসরাইলের অস্তিত্বই থাকত না। একই সঙ্গে ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আরও ‘দায়িত্বশীল’ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।এমন একটি সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা নিয়ে ঐকমত্য হয়েছে। তবে ইসরাইলের অনেক নেতা এই সমঝোতার সমালোচনা করেছেন। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি সেভেন সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র না থাকলে ইসরাইল থাকত না। আর আমি না থাকলেও ইসরাইল থাকত না, কারণ আমি যা করেছি, তা করতে অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট প্রস্তুত ছিলেন না। নেতানিয়াহুর সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তবে এখন লেবাননের বিষয়ে বিবিকে (নেতানিয়াহু) আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘লেবানন ও হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরাইলের আচরণ আমার ভালো লাগেনি। তাদের আরও দ্রুত কাজটি শেষ করা উচিত ছিল। বিষয়টি অনেক বেশি দীর্ঘায়িত হয়েছে। এমন হলে ইরানের সঙ্গে বড় ধরনের সমঝোতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’https://www.jugantor.com/international/1114622ইরান চুক্তি নিয়ে ইসরাইলে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যাযুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা চুক্তি করেছে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে রোববার (১৪ জুন) পাকিস্তান এ ঘোষণা দেওয়ার পরই ইসরাইলে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।’এরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান— উভয় দেশ চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন চুক্তিটি ‘সম্পূর্ণ’। অন্যদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘিরাবাবাদি বলেন, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত স্বাক্ষর হবে। ইসরাইলের দাবি: তারা চুক্তিতে বাধ্য নয় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার পর ইসরাইলি কর্মকর্তারা জানান, তারা এই চুক্তির শর্ত মানতে বাধ্য নয়। একই সময়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননে একাধিক হামলা চালায়। ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নাকি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, ইসরাইলি এই চুক্তির দ্বারা বাধ্য নয় এবং লেবানন সংক্রান্ত কোনো শর্ত মানবে না। নেতানিয়াহুর এ বক্তব্যের সুর ধরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেন, ইসরাইলি সেনারা লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় ‘নিরাপত্তা জোনে’ অনির্দিষ্টকাল থাকবে। কাটজ আরও বলেন, ইসরাইলের দখলে থাকা এলাকাগুলো থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া হবে। ওই এলাকার বেসামরিক বাড়িঘরগুলো ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সেগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, এসব এলাকার কিছু অংশ থেকে বেসামরিক মানুষ সরানো হবে এবং সেগুলোকে ‘সন্ত্রাস অবকাঠামো’ হিসেবে ধ্বংস করা হবে।ইসরাইলি নেতাদের কড়া প্রতিক্রিয়া দেশটির অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ বলেন, এই চুক্তি ইসরাইল ও ‘সমগ্র মুক্ত বিশ্বের জন্য খারাপ’। সেইসঙ্গে ইসরাইলকে একাই ইরানের বিরুদ্ধে লড়তে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতেমার বেন গাভির বলেন, ‘ট্রাম্পের চুক্তি আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। ইসরাইল কোনো অধীন রাষ্ট্র নয়।’সংস্কৃতি-বিষয়ক মন্ত্রী মিকি জোহার বলেন, ‘ইসরাইল কেবল তখনই ব্যবস্থা নেবে যখন তার নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।’ মিডিয়া ও বিশ্লেষকদের তীব্র মন্তব্য ইসরাইলি সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তীব্র ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। কিছু মন্তব্যে ট্রাম্প ও মার্কিন নেতৃত্বকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করা হয় এবং বলা হয় ইসরাইল এখন একা হয়ে পড়েছে। একজন সাংবাদিক এমন মন্তব্যও করেন যে, ইসরাইলের এখন সবচেয়ে বেশি দরকার ‘সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা’। সেই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেও আখ্যা দেন। ইসরাইলের ‘চ্যানেল ১৪ নিউজ’-এর সাংবাদিক ইনন মাগাল, যাকে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র হিসেবে গণ্য করা হয়, এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ইরান ও লেবাননের যুদ্ধে ইসরাইলকে একা ফেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি ট্রাম্পকে পরাজিত ব্যক্তি এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে ঘৃণ্য ব্যক্তি বলে আখ্যা দেন।ইসরাইলের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘ইসরাইল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ফোরাম’ (আইডিএসএফ) এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইরানের ‘সন্ত্রাসী’ সরকারের সঙ্গে যেকোনো চুক্তিই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে বাধ্য এবং বর্তমান চুক্তিটির পরিণতিও ভিন্ন কিছু হবে না।’ আইডিএসএফ আরও বলেছে, ‘এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর, সামনে কী আসছে তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার এবং লেবানন ও ইরান থেকে হুমকি দূর করার ক্ষেত্রে ইসরাইলের স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস না করার উপযুক্ত সময়।’ বিরোধীদের সমালোচনা ইসরাইলের বিরোধী নেতা ইয়ার গোলান বলেন, এই চুক্তির ফলে ইসরাইল আরও দুর্বল অবস্থানে পড়েছে। সেইসঙ্গে তিনি সরকারের নীতিকে ’ব্যর্থ বলে সমালোচনা করেন। আরেক সাবেক সেনাপ্রধান ও রাজনৈতিক নেতা গাদি আইজেনকট বলেন, এই চুক্তি ইসরাইলের নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেন, বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম এবং ইসরাইলকে যুদ্ধ ও অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আইhttps://www.jugantor.com/international/1114529 আরও পড়ুনIran deal beneficial for Americans: JD Vance US Vice President JD Vance has called the agreement between the United States and Iran a 'great peace deal'. He also called it a 'win-win' agreement for the American people. Middle East Eye reports. In a video message on social media, Vance said that as a result of this agreement, the important waterway of Hormuz will be opened to normal traffic again soon. He also claimed that at the same time, this agreement will ensure that Iran will never be able to develop nuclear weapons. He also said that this agreement includes an 'immediate and permanent cessation' of military operations on all fronts - including Lebanon. ইরান চুক্তি মার্কিনিদের জন্য লাভজনক: জেডি ভ্যান্সযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা চুক্তিকে ‘চমৎকার শান্তি চুক্তি’ বলে অভিহিত করেছেন করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সেইসঙ্গে এটিকে আমেরিকান জনগণের জন্য ‘উভয় পক্ষের লাভজনক (উইন-উইন) সমঝোতা’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায় ভ্যান্স বলেন, এই চুক্তির ফলে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দ্রুতই আবার স্বাভাবিকভাবে চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তিনি আরও দাবি করেন, একইসঙ্গে এই চুক্তি নিশ্চিত করবে যে ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। তিনি আরও জানান, এই চুক্তিতে সব ফ্রন্টে—লেবাননসহ—সামরিক অভিযান ‘তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধ’ করার বিষয় রয়েছে। শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘আলোচনায় তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরব ভূমিকা রেখেছে এবং চুক্তিটি শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে স্বাক্ষরিত হবে।’ মধ্যপ্রাচ্যের এ চরম সংঘাতের সময় পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার বারবার প্রশংসা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধরত দুই দেশকে কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে এনে শান্তি চুক্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের নেতৃত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছেন বিশ্বনেতারাও। জাতিসংঘ, সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জাপান, নিউজিল্যান্ড এবং জার্মানির রাষ্ট্রপ্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে বহুল প্রতিক্ষিত অআমেরিকা-ইরানের মধ্যে সম্পাদিত ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আশা করেন, এ চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শান্তি ও প্রশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি জাতিসংঘ মহাসচিব জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ওয়াশিংটন ও তেহরানকে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এ চুক্তি অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং পরবর্তী আলোচনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করবে’। বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলা এ সংঘাত নিরসনে সালিশকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জাতিসংঘ প্রধান। এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে গুতেরেস মন্তব্য করেন, ‘এটি সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’। সৌদি আরব সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সামরিক অভিযান বন্ধ এবং একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে ৬০ দিনের বিস্তারিত আলোচনা শুরু করতে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতাকে রিয়াদ স্বাগত জানায়’। বিবৃতিতে শান্তির পথ সচল রাখতে অন্যান্য প্রধান দেশের পাশাপাশি পাকিস্তানের শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। কাতার কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খুলাইফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমর্থনের পাশাপাশি এ প্রক্রিয়াটিকে সহজতর করার ক্ষেত্রে ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তানের গঠনমূলক প্রচেষ্টার আমরা উচ্চ প্রশংসা করি’। উপসাগরীয় এ দেশটি আশা প্রকাশ করে যে, এ শান্তি চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে ত্বরান্বিত করবে এবং অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে একটি ‘গঠনমূলক আলোচন’ এগিয়ে নেবে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপর এক বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ে ‘ইউএস-ইরান সমঝোতা স্মারক’ তৈরিতে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়। তুরস্ক তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ চুক্তিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শান্তি ও প্রশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কাঙ্ক্ষিত কূটনৈতিক ফলাফল আনার পেছনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যতিক্রমী মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার জন্য আমি পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানাই’। একই সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে এমন যেকোনো উসকানিমূলক বক্তব্য ও নাশকতা সম্পর্কে সতর্ক করেন তিনি। যুক্তরাজ্য যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং পাকিস্তান, কাতার ও অন্যান্য দেশের মধ্যস্থতাকারীদের অভিনন্দন জানাই- যারা এ যুগান্তকারী সাফল্যে অবদান রেখেছেন’। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এ পদক্ষেপকে যুদ্ধ অবসান ও হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘একটি বিশাল গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হিসেবে অভিহিত করেন। অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং অন্যান্য মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর এ পর্যন্ত নেওয়া প্রচেষ্টার আমরা প্রশংসা করি’। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অস্ট্রেলিয়া দীর্ঘদিন ধরেই উপসাগরীয় অঞ্চলের পাশাপাশি লেবাননেও উত্তেজনা হ্রাস ও সংঘাতের অবসানের আহ্বান জানিয়ে আসছিল। ফ্রান্স ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের ভূমিকার কথা স্বীকার করে বলেন, এ চুক্তিটি একটি সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল, যেখানে বেশ কয়েকটি অংশীদার অবদান রেখেছে। তিনি যুদ্ধরত সব পক্ষকে এটি দ্রুত এবং সম্পূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। জাপান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘পরিস্থিতি সমাধানের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে আমরা এ সমঝোতা স্মারককে স্বাগত জানাই। এটি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কূটনৈতিক সমাধান এবং অবিরাম আলোচনার ফল’।তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ সমঝোতা স্মারকটি বাস্তবায়িত হলে হরমুজ প্রণালিতে মুক্ত ও নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত হবে। জার্মানি জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্প এবং ইরান পক্ষকে এ কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটি বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধার এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার পথ প্রশস্ত করতে পারে’। নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ চুক্তিকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাস এবং স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, এখন এটি খুলে দেওয়ার ফলে প্রধান সরবরাহ চেইনগুলোতে আস্থা ফিরে আসবে। সংঘাতের শুরু থেকেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির যুদ্ধরত দেশ দুটির মধ্যে শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার জন্য সক্রিয় প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত এপ্রিলেও পাকিস্তান সরকারের প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্ভব হয়েছিল।ইরানের ফুটবল দলকে আমেরিকায় বেশি ক্ষণ থাকতে দিতে রাজি নয় ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের ফুটবল দলের অভিযোগ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-২ ড্রয়ের পর ২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে ফিফাও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। ইরানের কোচ আমির ঘালেনোয়েই বলেন, খেলা শেষে আমাদের বলা হল, ২ ঘণ্টা সময় আছে। তার মধ্যে মেক্সিকো রওনা হয়ে যেতে হবে। খেলা শেষে ফুটবলারদের বিশ্রামের প্রয়োজন। শারীরিক ধকল সামলাতে হয়। কিন্তু খেলা শেষে ফুটবলারদের আবার বিমানযাত্রার ধকল সামলাতে হবে। এটা অন্যায়। কোচ আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি অন্যায় আমাদের সঙ্গে হচ্ছে। আমাদের ফেডারেশনকে আসতে দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকদের আসতে দেওয়া হয়নি। ম্যানেজমেন্টকে আসতে দেওয়া হয়নি। প্রথমে ইরানের শিবির করার কথা ছিল আমেরিকায়। কিন্তু আমেরিকা-ইরান সংঘাতের জেরে সেই শিবির মেক্সিকোতে সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়। ইরানের ফুটবলারদের ভিসা দিলেও অনেক কর্তাকে ভিসা দেয়নি আমেরিকা। ফলে তাদের ছাড়াই আমেরিকায় খেলতে যেতে হয়েছে তাদের। সেই তালিকায় ইরান ফুটবল সংস্থার সভাপতি মেহদি তাজও রয়েছেন। মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় খেলতে যেতে বিমানে প্রায় ৫ ঘণ্টা লাগছে। অর্থাৎ, খেলার আগের দিন ৫ ঘণ্টা বিমানযাত্রা করতে হচ্ছে ইরানের ফুটবলারদের। তার পর ম্যাচ খেলে ২ ঘণ্টার মধ্যে আবার ৫ ঘণ্টার বিমানযাত্রার জন্য তৈরি হতে হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’বার এত দীর্ঘ বিমানযাত্রায় ফুটবলারেরা ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। তার প্রভাব খেলায় পড়বে বলেই জানিয়েছেন আমির।ইরানের খেলোয়াড়দের সাথে সবচেয়ে বেশি অন্যায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ম্যাচ শেষে ফুটবলারদের ন্যূনতম বিশ্রাম নিতেও দেওয়া হচ্ছে না। এর প্রভাব খেলায় পড়তে পারে।ইরানের ফুটবল দলকে আমেরিকায় বেশি ক্ষণ থাকতে দিতে রাজি নয় ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের ফুটবল দলের অভিযোগ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২-২ ড্রয়ের পর ২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে ফিফাও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। ইরানের কোচ আমির ঘালেনোয়েই বলেন, খেলা শেষে আমাদের বলা হল, ২ ঘণ্টা সময় আছে। তার মধ্যে মেক্সিকো রওনা হয়ে যেতে হবে। খেলা শেষে ফুটবলারদের বিশ্রামের প্রয়োজন। শারীরিক ধকল সামলাতে হয়। কিন্তু খেলা শেষে ফুটবলারদের আবার বিমানযাত্রার ধকল সামলাতে হবে। এটা অন্যায়। কোচ আরও বলেন, সবচেয়ে বেশি অন্যায় আমাদের সঙ্গে হচ্ছে। আমাদের ফেডারেশনকে আসতে দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকদের আসতে দেওয়া হয়নি। ম্যানেজমেন্টকে আসতে দেওয়া হয়নি। প্রথমে ইরানের শিবির করার কথা ছিল আমেরিকায়। কিন্তু আমেরিকা-ইরান সংঘাতের জেরে সেই শিবির মেক্সিকোতে সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়। ইরানের ফুটবলারদের ভিসা দিলেও অনেক কর্তাকে ভিসা দেয়নি আমেরিকা। ফলে তাদের ছাড়াই আমেরিকায় খেলতে যেতে হয়েছে তাদের। সেই তালিকায় ইরান ফুটবল সংস্থার সভাপতি মেহদি তাজও রয়েছেন। মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় খেলতে যেতে বিমানে প্রায় ৫ ঘণ্টা লাগছে। অর্থাৎ, খেলার আগের দিন ৫ ঘণ্টা বিমানযাত্রা করতে হচ্ছে ইরানের ফুটবলারদের। তার পর ম্যাচ খেলে ২ ঘণ্টার মধ্যে আবার ৫ ঘণ্টার বিমানযাত্রার জন্য তৈরি হতে হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু’বার এত দীর্ঘ বিমানযাত্রায় ফুটবলারেরা ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। তার প্রভাব খেলায় পড়বে বলেই জানিয়েছেন আমির।https://www.jugantor.com/sports/1114657সংসদে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোতে আপত্তি জামায়াত এমপির জাতীয় সংসদ অধিবেশন কক্ষে ঢোকার সময় ‘মাথা ঝোঁকানো’ নিয়ে আপত্তি তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ-সদস্য (এমপি) অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। মঙ্গলবার সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি এ বিষয়ে আপত্তি তোলেন। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৈঠকের শুরুতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জামায়াতের সংসদ-সদস্য বলেন, তৃতীয় জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদে ঢোকার পর মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করার কথা বলা ছিল। এরপর এটি নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে সংশোধনী আনা হয়। তিনি বলেন, মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করার বিষয়টি ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, এটি শিরকের কাছে চলে যায়। সেজন্য এটা বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি মাঝেমধ্যে খেয়াল করি, আপনি সুন্দরভাবে সালাম দেন। আমরাও সালাম দিই, জবাব দিই। কিন্তু পরে দেখা যায় আগের মাথা ঝোঁকানো... এখনো আছে। আপনারও আছে, ডেপুটি স্পিকারেরও আছে। কার্যপ্রণালি বিধিতে ‘শিরককে উৎখাত’ করার জন্য যে বিধি করা হয়েছে, সেটা সবার মেনে চলা উচিত-মন্তব্য করে জামায়াতের এই সংসদ-সদস্য আরও বলেন, এতে নেকি হবে, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যাবে, কাল-কেয়ামতে এটা থেকে আমরা উপকার লাভ করব। মুজিবুর রহমানের এই আপত্তির বিষয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, কার্যপ্রণালি বিধি আরেকটু দেখে এ বিষয়ে জানাব। তবে এটা সবার ব্যক্তিগত বিষয়। কেউ সালাম দেবে, কেউ মাথা ঝোঁকাবে। সারা পৃথিবীর সংসদে এ রকম রেওয়াজ আছে। তা-ও তিনি দেখবেন বিগত সংসদে এটা বাতিল করা হয়েছে কি না।যুক্তরাষ্ট্রের নবঘোষিত ইরান চুক্তি নিয়ে খোদ ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ নীতি-নির্ধারক ও গোয়েন্দা মহলে তীব্র সংশয় ও মতভেদ তৈরি হয়েছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অনুযায়ী পারমাণবিক ছাড় দেওয়ার বিষয়ে ইরানের সদিচ্ছা নিয়ে গভীর সন্দেহ রয়েছে। অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন।hযুক্তরাষ্ট্রের নবঘোষিত ইরান চুক্তি নিয়ে খোদ ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ নীতি-নির্ধারক ও গোয়েন্দা মহলে তীব্র সংশয় ও মতভেদ তৈরি হয়েছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত অনুযায়ী পারমাণবিক ছাড় দেওয়ার বিষয়ে ইরানের সদিচ্ছা নিয়ে গভীর সন্দেহ রয়েছে। অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই সিআইএ প্রধান জন র‍্যাটক্লিফ এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। রোববারের (১৪ জুন) আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে হোয়াইট হাউজে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠকে এই সংশয় প্রকট হয়ে ওঠে। গোয়েন্দা নথিতে দেখা গেছে, ইরানি কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এই চুক্তি নিয়ে যেভাবে কথা বলছেন, তা মধ্যস্থতাকারী দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সম্পূর্ণ বিপরীত। সিআইএ প্রধান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মনে করেন, তেহরানের এই দ্বিচারিতার কারণে তারা শেষ পর্যন্ত মার্কিন শর্ত মেনে চূড়ান্ত চুক্তিতে সই করবে না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও এই সমঝোতা স্মারক নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার এই চুক্তির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব পক্ষের মতামত শুনলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একক ক্ষমতা তারই। এই সমঝোতা স্মারকে প্রশাসনের সব রেড লাইন বজায় রাখা হয়েছে যেন ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র ও উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধরে রাখতে না পারে। তবে এই অন্তর্বর্তীকালীন ১৪ দফার চুক্তিটি মূলত আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত ও বিস্তারিত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর ওপর নির্ভর করছhttps://www.jugantor.com/international/1114641ে।ttps://www.jugantor.com/politics/1114685

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Holy Romado-n 1445 Hijrah/2024 News

Article