স্থান-কালকে কোয়ান্টায়িত করার মানে কী?
১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটনের লেখা 'প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেম্যাটিকা' প্রকাশের পর থেকে পরবর্তী প্রায় তিন শতক (৩০০ বছর) জুড়ে বিজ্ঞানের জগতে তাঁর আবিষ্কৃত চিরায়ত বলবিজ্ঞান বা নিউটনীয় বলবিজ্ঞানের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল।বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিজ্ঞানের জগতে এক বিরাট বিপ্লব ঘটে যায় আলবার্ট আইনস্টাইনের হাত ধরে। তিনি আমাদের শেখালেন, স্থান ও সময় আসলে আলাদা কিছু নয়; এরা একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তিনি এর নাম দিলেন স্পেস-টাইম বা স্থান-কাল। তাঁর বিখ্যাত জেনারেল রিলেটিভিটি তত্ত্বটি মহাবিশ্বকে অনেকটা টানটান চাদরের মতো কল্পনা করে, যেখানে বিশাল সব গ্রহ বা নক্ষত্র চাদরের ওপর রাখা ভারী বলের মতো স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়। এই বাঁকটাই হলো মহাকর্ষ। নক্ষত্র, গ্যালাক্সি বা ব্ল্যাকহোলের মতো মহাজাগতিক বিশাল বস্তুর গতিবিধি বুঝতে এই তত্ত্বটি আজও অপ্রতিদ্বন্দ্বী।ঠিক একই সময়ে বিজ্ঞানের অন্য এক প্রান্তে গড়ে ওঠে আরেক বিস্ময়কর জগৎ—কোয়ান্টাম মেকানিকস। এটি কাজ করে ইলেকট্রন, প্রোটন বা ফোটনের মতো অতিপারমাণবিক কণা নিয়ে। এই ক্ষুদ্র জগতে মহাকর্ষের কোনো ভূমিকা নেই বললেই চলে; এখানে সবকিছু চলে অনিশ্চয়তা ও অদ্ভুত সব কোয়ান্টাম নিয়মে।বিজ্ঞানীদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় এই দুই ভিন্ন সফল নিয়মকে এক করা। কারণ, যুক্তি বলে—যেহেতু এই বিশাল মহাবিশ্ব শেষ পর্যন্ত ওই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো দিয়েই তৈরি, তাই তাদের সবার জন্য নিশ্চয়ই প্রকৃতির একটি সাধারণ বা একীভূত নিয়ম থাকা উচিত।
কিন্তু মুশকিল হলো, যখনই মহাকর্ষের নিয়মগুলোকে কোয়ান্টাম স্তরে প্রয়োগ করার চেষ্টা করা হয়, তখনই পুরো গণিত ভেঙে পড়ে। হিসাব মেলাতে গেলে এমন সব উদ্ভট অসীম মান বেরিয়ে আসে, যা বাস্তবে অসম্ভব। সোজা কথায়, মহাকাশের বিশালতার ব্যাকরণ আর পরমাণুর ভেতরের ব্যাকরণ এক সুতোয় মিলছে না।
মহাবিশ্বের জন্মের সেই আদি মুহূর্ত বা বিগ ব্যাংয়ের প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে হলে আমাদের এমন একটি তত্ত্ব প্রয়োজন, যা একই সঙ্গে বিশাল মহাকর্ষ এবং অতিক্ষুদ্র কোয়ান্টাম জগৎকে ব্যাখ্যা করতে পারে। বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড উইটেনের আলোচিত স্ট্রিং থিওরি মূলত এই দুই মেরুকে এক করার সেতু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।১৯৭০-এর দশকে অনেকটা আকস্মিকভাবেই স্ট্রিং থিওরি নামে এক নতুন ভাবনার জন্ম হয়। এই তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদানগুলো বিন্দুসদৃশ কোনো কণা নয়, বরং সেগুলো অতিক্ষুদ্র কম্পনরত সুতোর লুপ বা স্ট্রিং। একটি বেহালা বা ভায়োলিনের তারের বিভিন্ন কম্পন থেকে যেমন ভিন্ন ভিন্ন সুর তৈরি হয়, ঠিক তেমনই এই মৌলিক স্ট্রিংগুলোর কম্পন বা হারমোনিকসের পার্থক্যের কারণেই আমরা ইলেকট্রন, ফোটন বা নিউট্রিনোর মতো বিভিন্ন কণা দেখতে পাই। এই তত্ত্বের সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো, এটি গাণিতিকভাবে মহাকর্ষকে কোয়ান্টাম মেকানিকসের সঙ্গে মেলাতে সক্ষম হয়েছে, যা আগে অসম্ভব বলে মনে করা হতো।
আমরা আমাদের চারপাশে যে জগৎ দেখি, তা মূলত ত্রিমাত্রিক। অর্থাৎ দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা—এই তিন দিকেই আমরা চলাচল করতে পারি। কিন্তু স্ট্রিং থিওরির জটিল গণিতকে যদি সত্যি হতে হয়, তাহলে আমাদের এই চেনা তিন মাত্রার বাইরেও আরও সাতটি অতিরিক্ত অদৃশ্য মাত্রা থাকতে হবে! এই মাত্রাগুলো এতই সূক্ষ্ম আর মহাজাগতিকভাবে গুটিয়ে আছে যে আমাদের সাধারণ চোখ বা কোনো যন্ত্রে তা ধরা পড়ে না। এর পাশাপাশি এই তত্ত্বে যোগ হয় সুপারসিমেট্রির এক অভিনব ধারণা। এটি বলে, আমাদের চেনা জগতের প্রতিটি কণারই মহাশূন্যে একেকটি অদৃশ্য যমজ কণা রয়েছে।বিজ্ঞানীদের ধারণা, মহাবিশ্বের এক বিশাল রহস্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে এই অদৃশ্য যমজ কণাগুলোর মধ্যেই। আমরা জানি, মহাবিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ পদার্থই আমাদের কাছে আজও অজানা, যাকে আমরা বলি ডার্ক ম্যাটার। বিজ্ঞানীদের প্রবল বিশ্বাস, এই রহস্যময় ডার্ক ম্যাটার আসলে তৈরি হয়েছে ওই সুপারসিমেট্রিক কণাগুলো দিয়েই। আজকের দিনে সুইজারল্যান্ডের মাটির নিচে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী কণা ত্বরক যন্ত্র—লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত অতিপারমাণবিক কণাগুলোর মধ্যে প্রচণ্ড গতিতে সংঘর্ষ ঘটিয়ে চলেছেন। আশা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতের কোনো এক পরীক্ষায় এই শক্তিশালী যন্ত্রের মাধ্যমেই হয়তো এই অদৃশ্য যমজ কণা কিংবা অতিরিক্ত মাত্রার অকাট্য কোনো প্রমাণ মিলে যাবে, যা বদলে দেবে আমাদের চেনা বিজ্ঞানকে।স্ট্রিং থিওরি কেবল কণাই নয়, বরং স্থান ও সময় সম্পর্কে আমাদের চিরচেনা ধারণাকেও পুরোপুরি বদলে দেয়। কোয়ান্টাম মেকানিকসে হাইজেনবার্গের একটি বিখ্যাত নীতি আছে, যাকে বলা হয় অনিশ্চয়তা নীতি। এই নীতি অনুযায়ী, অতিক্ষুদ্র কোনো কণার অবস্থান এবং ভরবেগ একইসঙ্গে নিখুঁতভাবে জানা অসম্ভব, সেখানে একধরনের অস্পষ্টতা থাকে। স্ট্রিং থিওরি বলছে, ঠিক একইভাবে আমাদের এই স্থান-কালের ভেতরেও অত্যন্ত সূক্ষ্ম স্তরে একধরনের ধোঁয়াশা রয়েছে। আমরা স্থান ও সময়কে যতটা মসৃণ বা নিখুঁত ভাবি, একদম ক্ষুদ্রতম স্কেলে তা আসলে তেমন নয়। স্থান-কালের এই ঝাপসা বা মায়াবী রূপটিই বিগ ব্যাংয়ের সেই আদি রহস্য উন্মোচনে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।বিজ্ঞানীদের মতে, প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি বছর আগে বিগ ব্যাংয়ের একদম শুরুর সেকেন্ডের কোটি কোটি ভাগের এক ভাগে যখন পুরো মহাবিশ্ব একটি বিন্দুর চেয়েও ক্ষুদ্র ছিল, তখন আমাদের চেনা সময়ের ধারণাটিই হয়তো পুরোপুরি অর্থহীন হয়ে পড়েছিল। সেখানে হয়তো ঘড়ির কাঁটা মেপে সময়কে আলাদা করা যেত না। প্রচলিত পদার্থবিজ্ঞান যেখানে এই আদি বিন্দুতে এসে থমকে যায়, স্ট্রিং থিওরি তার ওই ঝাপসা ভাবের ধারণা দিয়ে সেই চরম মুহূর্তটিকেও সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। এটি আমাদের দেখায়, মহাবিশ্বের জন্ম কোনো শূন্য বা গাণিতিক অসংগতি থেকে হয়নি, বরং তা ছিল স্থান, সময় ও শক্তির এক অপূর্ব মহাজাগতিক সুরের মূর্ছনা।বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড উইটেনের একটি বিখ্যাত উক্তি আছে—‘স্ট্রিং থিওরি হলো একবিংশ শতাব্দীর পদার্থবিজ্ঞান, যা ভুল করে একটু আগেই, অর্থাৎ বিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানীদের হাতে এসে পড়েছে।’ তাঁর এই কথার অর্থ, এই তত্ত্বটি এতই আধুনিক এবং এর ভেতরের বিজ্ঞান এতটা উন্নত যে একে পুরোপুরি বোঝার মতো প্রযুক্তি বা গণিত আমাদের যুগে এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। আসলে স্ট্রিং থিওরি এখনো খাতাকলমের তাত্ত্বিক পর্যায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমাদের ল্যাবরেটরিগুলোতে সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে এর সত্যতা পুরোপুরি প্রমাণ করা আজও বাকি। তা সত্ত্বেও, এই তত্ত্বের অসাধারণ গাণিতিক সৌন্দর্য এবং মহাবিশ্বের সবগুলো মৌলিক বলকে মাত্র একটি সূত্রে বেঁধে ফেলার ক্ষমতা বিজ্ঞানীদের মনে এক নতুন আশার আলো মহাবিশ্বের একদম গভীরে লুকিয়ে থাকা রহস্যগুলো উন্মোচনে এবং আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের আদি উৎস খুঁজে পেতে, মহাজাগতিক শক্তির এই স্পন্দিত সুতো বা স্ট্রিং থিওরিই হয়তো একদিন মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় আলোকবর্তিকা হয়ে উঠবে।সম্প্রতি আরজিভে (arXiv) প্রকাশিত এক প্রিপ্রিন্ট গবেষণাপত্র বেশ সাড়া ফেলেছে। এ গবেষণাপত্রে একদল পদার্থবিদ দাবি করেছেন, তাঁদের মডেল অনুসারে স্ট্রিং তত্ত্বের প্রথম পর্যবেক্ষণমূলক প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে। তাঁদের দাবি, এ প্রমাণের হাত ধরে মিলতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত ডার্ক এনার্জির ব্যাখ্যাও।
গবেষণাপত্রটির নেপথ্যে রয়েছেন পাঁচ বিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া টেকের পদার্থবিদ সাং-হো হুর, জর্জে মিনিক এবং তাতসু টেকুচি, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইটওয়াটারসর্যান্ডের ম্যান্ডেলস্ট্যাম ইনস্টিটিউট ফর থিওরিটিক্যাল ফিজিকসের বিষ্ণু জেজ্জালা এবং দ্য স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক অ্যাট ওল্ড ওয়েস্টবারির অধ্যাপক মাইকেল কোইভিস্তো। এই গবেষণার সবচেয়ে আশ্চর্যজনক দিক হলো, ডার্ক এনার্জির মান নির্ভর করছে দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন মাপের ওপর: একটি প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্য (1.6×10−33 সেন্টিমিটার)—এটি কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটির ক্ষুদ্রতম একক; অন্যটি হলো আমাদের মহাবিশ্বের আকার। মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রতম এবং বৃহত্তম স্কেলের মধ্যে এ সেতুবন্ধন পদার্থবিজ্ঞানে অত্যন্ত বিরল। এটি ইঙ্গিত করে, ডার্ক এনার্জির রহস্য হয়তো স্থান-কালের কোয়ান্টাম প্রকৃতির সঙ্গেই গভীরভাবে জড়িত। (প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্য নিয়ে আরও জানতে বিস্তারিত পড়ুন: প্ল্যাঙ্ক স্কেলের রহস্য: যেখানে সবকিছু ভেঙে পড়ে)
কোইভিস্তোর ভাষ্যে, ‘এটি কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি এবং প্রকৃতির সেসব পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে এক গভীর সংযোগের ইঙ্গিত দেয়, যেগুলোকে আমরা এতদিন ধ্রুবক বলে মনে করতাম। হতে পারে “মহাবিশ্বের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো স্থির বা ধ্রুব”—এটা আমাদের একটা ভুল ধারণা। বাস্তবে বিষয়টা হয়তো এমন নয়।’নিয়ম তো তৈরিই হয় ভাঙার জন্য! সম্প্রতি পদার্থবিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল যেন সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন। তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন এমন এক জিনিস, যা আলোর চেয়েও দ্রুতগতিতে ছুটতে পারে। সেই জিনিস হলো অন্ধকার!
অবশ্য এটি আমাদের পরিচিত রাতের অন্ধকারের কথা বলা হচ্ছে না। এখানে অন্ধকার বলতে নির্দিষ্ট কিছু অন্ধকার বিন্দু বা ডার্ক স্পটকে বোঝানো হচ্ছে। বিজ্ঞানের ভাষায় এদের বলা হয় অপটিক্যাল ভর্টেক্স বা ফেজ সিঙ্গুলারিটি।
মজার বিষয় হলো, সত্তরের দশক থেকেই বিজ্ঞানীরা এমন কিছু ঘটার পূর্বাভাস দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু এই আবিষ্কার কি তাহলে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করে দিল? বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করে বলেছেন, না, তা মোটেও নয়। কারণ, এই অন্ধকার বিন্দুগুলোর কোনো নিজস্ব ভর, শক্তি বা তথ্য বহন করার ক্ষমতা নেই। যেহেতু এগুলো কোনো তথ্য বা শক্তি স্থানান্তর করে না, তাই এরা আলোর চেয়ে দ্রুতগতিতে ছুটলেও মহাবিশ্বের কার্যকারণ লঙ্ঘন করে না এবং আইনস্টাইনের সূত্রও পুরোপুরি অক্ষুণ্ন থাকে।এই রোমাঞ্চকর আবিষ্কারের জন্য গবেষকেরা একটি আধুনিক ও বিশেষ ধরনের মাইক্রোস্কোপ সিস্টেম তৈরি করেছিলেন। এর সাহায্যে তাঁরা হেক্সাগোনাল বোরন নাইট্রাইড নামে সিরামিকের একটি দ্বিমাত্রিক কাঠামোর মধ্যে এই অপটিক্যাল ভর্টেক্সগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। এই উপাদানটির বিশেষত্ব হলো, এটি আলোকে পোলারিটন নামে একধরনের কোয়াসিপার্টিকেলে রূপান্তর করতে পারে, যা মূলত আলো এবং পদার্থের একটি মিশ্রণ। এই পোলারিটনগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ধীরগতিতে চলে; আলোর গতির চেয়ে প্রায় ১০০ গুণ ধীরে! এই ধীরগতির কারণেই বিজ্ঞানীরা খুব স্পষ্ট দেখতে পান, কীভাবে বিপরীত চার্জযুক্ত সিঙ্গুলারিটিগুলো একে অপরের দিকে এগিয়ে আসে এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে একে অপরকে আলোর চেয়েও দ্রুত গতিতে ত্বরান্বিত করে!এই অন্ধকার বিন্দুগুলোর গতি মাপার জন্য বিজ্ঞানীরা যে নতুন পদ্ধতি বা প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, তা বিজ্ঞান জগতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করতে পারে। কামিনারের মতে, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন এবং জীববিজ্ঞানের অনেক সূক্ষ্ম ও দ্রুতগতির ঘটনা পর্যালোচনায় এই উদ্ভাবনী মাইক্রোস্কোপি প্রযুক্তি দারুণ কাজে আসবে। এর মাধ্যমে হয়তো ভবিষ্যতে প্রথমবারের মতো জানা যাবে, সবচেয়ে দ্রুতগামী ও রহস্যময় মুহূর্তে প্রকৃতি আসলে কেমন আচরণ করে।
সূত্র: নেচার জার্নাল ও সায়েন্টিফিক আমেরিকান
AI উত্তর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার ভালোবাসা মূলত মস্তিষ্কে বিভিন্ন রাসায়নিক ও হরমোন নিঃসরণের একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। ডোপামিন ও অক্সিটোসিনের মতো হরমোনগুলো দম্পতির মধ্যে গভীর মানসিক বন্ধন, আনন্দ এবং বিশ্বস্ততা তৈরি করে। এই হরমোনগুলোর প্রভাবেই মানুষ একে অপরের প্রতি অনুরক্ত হয়ে ওঠে।স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসার পেছনের মূল বৈজ্ঞানিক কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:অক্সিটোসিন (প্রেমের হরমোন): এটি স্নেহ, ভালোবাসা এবং বিশ্বাসের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। একে হাগিং হরমোন বা 'Love Hormone' বলা হয়। এটি স্পর্শ, আলিঙ্গন এবং অন্তরঙ্গ মুহূর্তের সময় নিসৃত হয়ে দম্পতির মধ্যে মানসিক নৈকট্য ও নির্ভরতা বৃদ্ধি করে।ডোপামিন (সুখের হরমোন): এটি মস্তিষ্কের 'রিওয়ার্ড সিস্টেম' বা পুরস্কার কেন্দ্রকে সক্রিয় করে। সঙ্গীর সাথে সময় কাটালে বা কোনো সুখকর স্মৃতি তৈরি হলে মস্তিষ্কে ডোপামিন ছড়িয়ে পড়ে, যা আমাদের আনন্দ দেয় এবং বারবার সঙ্গীর কাছে ফিরে যেতে উৎসাহিত করে।এড্রেনালিন ও নর-এড্রেনালিন: যখন কোনো ব্যক্তি ভালোবাসার মানুষের প্রেমে পড়েন বা সঙ্গীকে দেখেন, তখন হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা হাত ঘামার মতো শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায়। এই হরমোনগুলোই মূলত সেই উত্তেজনাকর অনুভূতির জন্য দায়ী।সেরোটোনিন: ভালোবাসার শুরুর দিকে এই রাসায়নিকটির মাত্রা মস্তিষ্কে কমে যায়। এটি মানুষের মনে এক ধরনের আবেশ তৈরি করে, যার ফলে সঙ্গীকে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে সমস্যা হয় এবং সবসময় সঙ্গীর কথা মাথায় ঘোরে।দীর্ঘায়ু ও স্বাস্থ্যগত লাভ: গবেষণায় দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গভীর ও সুদৃঢ় সম্পর্ক মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী হরমোন যেমন কর্টিসলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আয়ু বাড়াতেও এই ভালোবাসার বৈজ্ঞানিক ভূমিকা রয়েছে।সম্পর্কের এই জৈবিক বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল বা আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-এর মতো বিশ্বস্ত বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশনাগুলো দেখতে পারেন।এই বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়াগুলোকে কিভাবে আরও সুদৃঢ় করা যায়, সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আপনি আমাকে জানাতে পারেন:কীভাবে সম্পর্কের অক্সটোসিন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করা যায়?From E.T. to GPTs: How 'aliens' figure in : সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসার বৈজ্ঞানিক
আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আসমান ও যমীনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও তোমাদের বর্ণের ভিন্নতা। নিশ্চয় এর মধ্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য । আল-বায়ানসূরাঃ ৩০/ আর-রুম | Ar-Rum | ٱلرُّوم আয়াতঃ ২২/৬০ মাক্কী
আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক পুরুষ, নারী বালক ও বৃদ্ধের কণ্ঠস্বরে এমন স্বাতন্ত্র্য সৃষ্টি করেছেন যে, একজনের কণ্ঠস্বর অন্য জনের কণ্ঠস্বরের সাথে পুরোপুরি মিল রাখে না। কিছু না কিছু পার্থক্য অবশ্যই থাকে। অথচ এই কণ্ঠস্বরের যন্ত্রপাতি তথা জিহবা, ঠোঁট, তালু ও কণ্ঠনালী সবার মধ্যেই অভিন্ন ও একরূপ। [সা’দী] এমনিভাবে বর্ণ-বৈষম্যের কথা বলা যায়। একই পিতা-মাতা থেকে একই প্রকার অবস্থায় দুই সন্তান বিভিন্ন বর্ণের জন্মগ্রহণ করে। এ হচ্ছে সৃষ্টি ও কারিগরির নৈপুণ্য। [ফাতহুল কাদীর; বাগভী]
স্ত্রীদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে নবীজির (সা.) ৩ কৌশল
তিনি শুধু একজন নবীই ছিলেন না, ছিলেন একজন আদর্শ স্বামীও। তার জীবনে হজরত খাদিজা (রা.) ও হজরত আয়েশা (রা.)-এর সঙ্গে আচরণের অসংখ্য ঘটনা প্রমাণ করে যে, ভালোবাসা প্রকাশ, অনুভূতির মূল্যায়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতাই একটি সফল বৈবাহিক জীবনের মূল ভিত্তি। মহানবী (সা.)-এর জীবনের এসব শিক্ষা আজও প্রতিটি দম্পতির জন্য সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও অনুসরণীয়।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—
‘আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ কর এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা আর-রূম: আয়াত ২১)
১. স্ত্রীর পরামর্শ ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া
ইসলাম এমন কোনো পারিবারিক ব্যবস্থা শিক্ষা দেয় না, যেখানে স্বামী একাই সব সিদ্ধান্ত নেবে আর স্ত্রী কেবল অনুসরণ করবে। বরং ইসলাম পারস্পরিক সম্মান, পরামর্শ এবং সহযোগিতার ভিত্তিতে সংসার গড়ে তোলার শিক্ষা দেয়। তৎকালীন আরব সমাজে নারীদের প্রতি নানা বৈষম্য বিদ্যমান থাকলেও হজরত খাদিজা (রা.)-এর সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর সম্পর্ক ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী। তিনি ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী ও স্বাধীনচেতা নারী। বিয়ের পরও তার ব্যক্তিত্ব ও কর্মজীবন অব্যাহত ছিল। তিনি সংসারে শুধু একজন স্ত্রী ছিলেন না; ছিলেন স্বামীর বিশ্বস্ত সহচর, উপদেষ্টা ও সহযোগী।
হেরা গুহায় প্রথম ওহী লাভের পর মহানবী (সা.) যখন ভীত ও উদ্বিগ্ন অবস্থায় ঘরে ফিরলেন, তখন হজরত খাদিজা (রা.)-ই তাকে সান্ত্বনা দিলেন। তিনি বললেন—
‘আল্লাহর কসম! আল্লাহ কখনো আপনাকে অপমানিত করবেন না। আপনি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখেন, সত্য কথা বলেন, অসহায়দের সাহায্য করেন এবং মেহমানদের আপ্যায়ন করেন।’
এই ঘটনাটি শুধু একজন স্ত্রীর ভালোবাসার নয়; বরং একজন জীবনসঙ্গীর বিচক্ষণতা, প্রজ্ঞা ও মানসিক সমর্থনের উজ্জ্বল উদাহরণ। মহানবী (সা.) তার স্ত্রীর পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে তার সহযোগিতা গ্রহণ করেছেন।
২. স্ত্রীর অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা
একটি সুখী সংসারের অন্যতম ভিত্তি হলো কার্যকর যোগাযোগ। মহানবী (সা.) দেখিয়েছেন, দাম্পত্য জীবনে শুধু নিজের কথা বলাই যথেষ্ট নয়; বরং জীবনসঙ্গীর অনুভূতি বুঝতে শেখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
হজরত আয়েশা (রা.)-এর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ। আয়েশা (রা.) স্বাধীনভাবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারতেন এবং মহানবী (সা.) সেগুলো মনোযোগ দিয়ে উপলব্ধি করতেন।
হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাকে বললেন—
إِنِّي لَأَعْلَمُ إِذَا كُنْتِ عَنِّي رَاضِيَةً وَإِذَا كُنْتِ عَلَيَّ غَضْبَى
‘আমি জানি তুমি কখন আমার ওপর সন্তুষ্ট থাকো এবং কখন অসন্তুষ্ট থাকো।’
আমি বললাম, আপনি তা কীভাবে বুঝতে পারেন? তিনি বললেন—
إِذَا كُنْتِ عَنِّي رَاضِيَةً قُلْتِ: لَا وَرَبِّ مُحَمَّدٍ، وَإِذَا كُنْتِ عَلَيَّ غَضْبَى قُلْتِ: لَا وَرَبِّ إِبْرَاهِيمَ
‘তুমি যখন সন্তুষ্ট থাকো, তখন বলো—‘মুহাম্মদের রবের কসম।’ আর যখন রাগ করো, তখন বলো—‘ইবরাহিমের রবের কসম।’
আয়েশা (রা.) বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! রাগ হলে আমি শুধু আপনার নামটিই উচ্চারণ করি না।’ (বুখারি ৫২২৮)
এই ঘটনা প্রমাণ করে, একজন আদর্শ স্বামী তার স্ত্রীর অনুভূতি, অভিমান ও আনন্দকে কতটা গুরুত্ব দেন। বর্তমান সমাজে অনেক সময় স্ত্রীর ভিন্নমতকে অবাধ্যতা হিসেবে দেখা হয়; অথচ মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা সম্পূর্ণ বিপরীত।
আরও পড়ুন
পারিবারিক জীবন সুখময় করার জরুরি আমল
পারিবারিক জীবন সুখময় করার জরুরি আমল
৩. স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা
ভালোবাসা শুধু হৃদয়ে লুকিয়ে রাখার বিষয় নয়; বরং তা কথায়, আচরণে ও ছোট ছোট কাজে প্রকাশ করাও সুন্নত। মহানবী (সা.) তার স্ত্রীদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে কখনো সংকোচবোধ করতেন না। হজরত আয়েশা (রা.)-কে তিনি স্নেহভরে ‘হুমাইরা’ বলে ডাকতেন, যা আয়েশা (রা.) অত্যন্ত পছন্দ করতেন।
হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন—
كُنْتُ أَشْرَبُ وَأَنَا حَائِضٌ، ثُمَّ أُنَاوِلُهُ النَّبِيَّ ﷺ، فَيَضَعُ فَاهُ عَلَى مَوْضِعِ فِيَّ فَيَشْرَبُ
‘আমি ঋতুবর্তী অবস্থায় পানি পান করতাম। এরপর পাত্রটি নবী (সা.)-কে দিলে তিনি ঠিক সেই স্থানে মুখ রেখে পানি পান করতেন, যেখানে আমি মুখ রেখেছিলাম।’ (নাসাঈ ২৮৯)
এটি ছিল তার ভালোবাসার সূক্ষ্ম অথচ গভীর প্রকাশ।
শুধু তাই নয়, তিনি সংসারের কাজেও স্ত্রীদের সহযোগিতা করতেন। আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, নবী (সা.) ঘরে কী করতেন?
তিনি বলেন—
كَانَ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ
‘তিনি পরিবারের কাজে সাহায্য করতেন।’ আর নামাজের সময় হলে নামাজে চলে যেতেন। (বুখারি ৬৭৬)
এখান থেকে আমরা শিখি, সংসারের দায়িত্ব শুধু স্ত্রীর নয়; বরং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিবারকে সুখী ও সুন্দর করে তুলতে হয়।
সর্বোত্তম মানুষের পরিচয়
মহানবী (সা.) বলেছেন—
خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ، وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي
‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম। আর আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের সবার চেয়ে উত্তম।’ (তিরমিজি ৩৮৯৫)
দাম্পত্য জীবনকে সুন্দর, স্থায়ী ও প্রশান্তিময় করতে কেবল ভালোবাসার দাবি করলেই হয় না; সেই ভালোবাসাকে সম্মান, সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্ববোধের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হয়। মহানবী (সা.)-এর জীবন আমাদের শেখায়— স্ত্রীর মতামতকে মূল্য দেওয়া, তার অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করা এবং ভালোবাসা প্রকাশে উদার হওয়াই একজন আদর্শ স্বামীর বৈশিষ্ট্য।
আজ যদি প্রতিটি পরিবার নববী শিক্ষার এই তিনটি কৌশল— পরামর্শ গ্রহণ, অনুভূতির মূল্যায়ন এবং ভালোবাসার প্রকাশ— নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারে, তবে অসংখ্য ভাঙনের মুখে থাকা পরিবার আবারও ফিরে পাবে শান্তি, সৌহার্দ্য ও জান্নাতের সুবাসময় সুখের আবহ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে পরিবারকে ভালোবাসা, দয়া ও প্রশান্তির নিবাসে পরিণত করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
AI উত্তর
সন্তানের প্রতি মায়ের নিঃশর্ত ভালবাসার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হলো কিছু বিশেষ হরমোন এবং মস্তিষ্কের গঠনগত পরিবর্তন। গর্ভাবস্থা ও সন্তান জন্মের পর এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার কারণে মা ও শিশুর মধ্যে এক গভীর ও অটুট মানসিক বন্ধন তৈরি হয়।
Postpartum Support International
+1
এর পেছনে প্রধান বৈজ্ঞানিক কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
অক্সিটোসিন (Oxytocin): একে 'লাভ হরমোন' বলা হয়। মা যখন সন্তানকে স্পর্শ করেন, বুকের দুধ খাওয়ান বা আদর করেন, তখন তার মস্তিষ্কে এই হরমোনের মাত্রা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এটি মায়ের মধ্যে মমতা, বিশ্বাস ও নির্ভরতার অনুভূতি তৈরি করে।
প্রথম আলো
+2
ডোপামিন (Dopamine): এটি মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড বা পুরস্কার সিস্টেমের সাথে জড়িত। সন্তানের মুখে হাসি দেখলে বা তার প্রতি যত্ন নিলে মায়ের মস্তিষ্কে ডোপামিন নিঃসৃত হয়, যা তাকে আনন্দ দেয় এবং সন্তানকে বারবার কাছে টানতে উৎসাহিত করে।
মস্তিষ্কের গঠন পরিবর্তন: সন্তান জন্মের পর মায়ের মস্তিষ্কে 'অ্যামিগডালা' (Amygdala) নামক অংশটি বড় হয়ে যায়। এটি শিশুর প্রতি বাড়তি সতর্কতা, ভয় দূর করা এবং গভীর মনোযোগের অনুভূতি তৈরি করে।
মিরর নিউরন (Mirror Neurons): মায়েদের মস্তিষ্কে এই নিউরনগুলো অত্যন্ত সক্রিয় থাকে। এর ফলে মা সন্তানের কষ্ট বা আনন্দ খুব দ্রুত নিজের ভেতর অনুভব করতে পারেন।
Medium
মাতৃত্বকালীন হরমোন (Prolactin & Vasopressin): এই হরমোনগুলো মাতৃত্বকালীন আচরণ, শিশুর লালন-পালন এবং শিশুর সুরক্ষার জন্য মায়ের ভেতরে এক ধরনের প্রতিরক্ষামূলক মনোভাব তৈরি করে।
পরিযায়ী পাখিরা হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে কোনো মানচিত্র বা জিপিএস (GPS) ছাড়াই তাদের গন্তব্যে পৌঁছায়। বিজ্ঞানীরা জানান, তারা মূলত জিনগত নির্দেশনা, প্রাকৃতিক কম্পাস (পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র), সূর্যের অবস্থান এবং রাতের তারার সাহায্যে পথ চিনে।পাখিরা যেভাবে পথ চেনে, তা নিচে দেওয়া হলো:চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Fields): পাখিদের মস্তিষ্কে ও চোখে বিশেষ প্রোটিন থাকে। এর সাহায্যে তারা পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র অনুভব করতে পারে, যা তাদের একটি অন্তর্নির্মিত কম্পাস হিসেবে কাজ করে।মহাজাগতিক মানচিত্র (Celestial Map): দিনের বেলা তারা সূর্য এবং রাতের বেলা ধ্রুবতারা সহ বিভিন্ন নক্ষত্রপুঞ্জ দেখে দিক নির্ধারণ করে।ভূ-চিহ্ন (Landmarks): অভিজ্ঞ পাখিরা তাদের যাত্রাপথের নদী, পাহাড়, উপকূল এবং শহরের আলোর মতো পরিচিত দৃশ্যগুলো মনে রাখে।ঘ্রাণ ও বায়ুপ্রবাহ: কিছু প্রজাতির পাখি বাতাসের গতি ও দিক পরিবর্তন এবং চারপাশের ভাষার উৎস (ইংরেজি: Origin of language), যার ভাষাবৈজ্ঞানিক ইংরেজি নাম গ্লটোগনি বা গ্লসোগনি (Glottogony, Glossogeny), নিয়ে বহু শতাব্দী ধরে লেখালেখি হয়েছে। কিন্তু ভাষার পরিবর্তনশীলতার জন্য প্রাচীন ভাষাগুলির উৎসের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য প্রায় নেই বললেই চলে। মানুষের বিবর্তনের ইতিহাসে আকার-ইঙ্গিতের নির্বাক অথবা প্রাক-ভাষা থেকে অন্তত একবার মৌখিক ভাষার জন্ম হয়। কিন্তু এর বেশি জানা নেই। বর্তমান মানব সভ্যতার কোথাও এখন সেই আদিম প্রাক ভাষার অস্তিত্ব নেই[১]। বিজ্ঞানীরা তাই বিভিন্ন অপ্রত্যক্ষ পদ্ধতি (indirect method) প্রয়োগ করে ভাষার উৎস খোঁজার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।গন্ধ শুঁকেও গন্তব্য ঠিক করে।জেনেটিক বৈশিষ্ট্য: অনেক অল্পবয়সী পরিযায়ী পাখি কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই তাদের সহজাত জিনগত নির্দেশনায় প্রথমবার পরিযান করে।Postpartum Support Internationalour narratives
অতি সম্প্রতি এসেই এ বিষয়ে নৃবিজ্ঞানী, জিনবিজ্ঞানী, প্রাইমেটবিজ্ঞানী এবং স্নায়ুজীববিজ্ঞানীদের আহরিত তথ্য কিছু কিছু ভাষাবিজ্ঞানী খতিয়ে দেখছেন।
বিশ্বের অনেক ধর্মেই ভাষার উৎস সম্পর্কে বলা হয়েছে। ইহুদী-খ্রিস্টান-ইসলাম ধর্মের ধারায় বলা হয়, ঈশ্বর প্রথম মানুষ আদমকে বিশ্বের যাবতীয় পশু-পাখীর উপর কর্তৃত্ব দেন, এবং আদম এই সব পশু-পাখির একটি করে নাম দেন; এটি ছিল আদমের ভাষাজ্ঞানের প্রথম বড় প্রয়োগ। বর্তমানে পৃথিবীতে ভাষার প্রাচুর্যের কারণ হিসেবে বাবেলের মিনারের কাহিনীর উল্লেখ করা হয়; এই কাহিনী অনুসারে বর্তমান পৃথিবীতে ভাষার প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য হল মানুষের ঔদ্ধত্যের শাস্তি। এই ধর্মীয় কাহিনীগুলি অতীতে মেনে নেয়া হলেও বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে ভাষার উৎসের একটি প্রাকৃতিক, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
১৮শ শতকের বেশ কিছু ইউরোপীয় দার্শনিক যেমন জঁ-জাক রুসো, কোঁদিয়াক, হার্ডার, প্রমুখ মনে করতেন ভাষার উৎস নির্ণয় করা খুব কঠিন কোন কাজ নয়। ভাষা যে মানুষের লিখিত ইতিহাসের চেয়ে বহু প্রাচীন, এ ব্যাপারটিকে তারা তেমন আমল দেননি। তারা মনে করেছিলেন, ভাষাহীন মানুষ কীভাবে বসবাস করত, তা মনের পর্দায় গভীরভাবে কল্পনা করে যৌক্তিকভাবে এগোলেই ভাষার কীভাবে উৎপত্তি হল, সে বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, এই অনুমানগুলির মধ্যে কোন ঐকমত্য নেই। ১৯শ শতকে ভাষার উৎস নিয়ে এমন সব উদ্ভট, কল্পনাপ্রসূত তত্ত্বের অবতারণা করা হয়েছিল, যে ১৮৬৬ সালে প্রতিষ্ঠালগ্নে প্যারিসের ভাষাতাত্ত্বিক সমিতি একটি নির্ভরযোগ্য সংগঠন হিসেবে নিজেদের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাদের সমিতিতে ভাষার উৎস সংক্রান্ত যেকোন গবেষণাপত্র পাঠে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। আজও বেশির ভাগ ভাষাবিজ্ঞানী ভাষার উৎস সম্পর্কে তেমন আগ্রহী নন, কেননা তাদের মতে ভাষার উৎস নিয়ে যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত এতটাই কল্পনাপ্রসূত যে এগুলিকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বের সাথে নেয়া সম্ভব নয়।
১৯৬০-এর দশক থেকে নোম চম্স্কির প্রবর্তিত ধারণাগুলি ব্যাকরণের তত্ত্বকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। চম্স্কির মতে ভাষাবিজ্ঞানের কেন্দ্রীয় একটি প্রশ্ন হল মস্তিষ্কে অন্তর্নিহিত যে ক্ষমতাবলে মানুষ তার জীবনের প্রথম বছরগুলিতে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে দক্ষভাবে কোন ভাষায় কথা বলার ক্ষমতা অর্জন করে, সেই জৈবিক ক্ষমতার প্রকৃতি কী? এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভাষার উৎসের গবেষণা বিবর্তনবাদী জীববিজ্ঞানের একটি অংশ বলেই মনে হয়। কীভাবে আদি মানুষের মধ্যে এই অন্তর্নিহিত ক্ষমতার বিকাশ ঘটেছিল? অন্যান্য প্রাইমেটদের মধ্যে কীভাবে এর বিবর্তন ঘটে? চম্স্কি নিজে অবশ্য বেশ স্পষ্টভাবেই ভাষার বিবর্তন নিয়ে গবেষণাকে নিরুৎসাহিত করেছেন। ফলে চমস্কীয় ভাষাবিজ্ঞানীরা এক ধরনের স্ববিরোধিতার মধ্যে কাজ করছেন। তারা সব ভাষাকে একটিমাত্র বিশ্বজনীন ব্যাকরণের আওতায় এনে ব্যাখ্যা করতে চাইছেন, যে ব্যাকরণের উৎস হল মানুষের অন্তর্নিহিত ভাষিক ক্ষমতা। অথচ এই ক্ষমতাটির উদ্ভব ও বিকাশ কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে তারা খুব একটা চিন্তিত নন। ইদানীং স্টিভেন পিংকার-সহ আরও কিছু বিজ্ঞানী এই নিরুদ্বেগ কাটিয়ে ভাষার উৎসের ব্যাপারে মনোযোগী হয়েছেন।ভাষার যে প্রত্যক্ষ লিখিত নিদর্শন পাওয়া গেছে, তার বয়স ৫ হাজার বছরের বেশি নয়। মুখের ভাষার উৎপত্তি কী করে ঘটল, তার উপর এই প্রমাণ তাই আলোকপাত করতে পারে না। তাই ভাষার উৎসের জন্য আমাদেরকে অপ্রত্যক্ষ প্রমাণের উপরেই নির্ভর করতে হবে। প্রাচীন মানুষদের বাগযন্ত্র (জিহ্বা, ঠোঁট, স্বরযন্ত্র) সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারলে আমরা অনেক কিছু জানতে পারতাম, কিন্তু এগুলি নরম পেশীকলা দিয়ে তৈরি বলে আজ আর এগুলির অস্তিত্ব নেই। নৃবিজ্ঞানীদেরকে তাই খুলির হাড় থেকেই প্রমাণ সংগ্রহ করতে হয়েছে। এর বাইরে প্রাচীন মনুষ্যবসতির আশেপাশে পাওয়া পাথরের হাতিয়ার, ফেলে দেওয়া জীবজন্তুর হাড় ও অন্যান্য উপকরণ থেকে যতদূর সম্ভব তথ্য আহরণ করতে হয়। এ সব বিচার করে নৃবিজ্ঞানীরা দুইটি তুলনামূলকভাবে স্থির তারিখের উল্লেখ করেছেন। এদের মধ্যে একটি তারিখের পর থেকে নিশ্চিতভাবেই মানুষের মুখের ভাষা তার আধুনিক রূপ পরিগ্রহ করেছিল। অন্যদিকে অপর তারিখটির পূর্বে নিশ্চিতভাবেই মানুষের মুখের ভাষা তার আধুনিক রূপ পরিগ্রহ করেনি। এই দুই তারিখের মধ্যবর্তী সময়ে ভাষার বিবর্তন কীভাবে ঘটেছিল, দুর্ভাগ্যবশত বর্তমানে প্রাপ্ত প্রমাণাদি থেকে এ সম্পর্কে কোন নিশ্চিত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব নয়।
নৃবিজ্ঞানীরা আরও মনে করেন, ভাষার উৎপত্তির ঘটনা ইতিহাসে একবারই ঘটেছিল, একাধিকবার নয়। বিশ্বের সর্বত্র প্রচলিত মনুষ্য ভাষাগুলির মধ্যে গাঠনিক সাদৃশ্য এই অনুমানের ভিত্তি। ধারণা করা হয় আধুনিক ভাষাক্ষমতা বলতে যা বোঝায়, তার সূচনা ঘটেছিল অস্ট্রেলিয়াতেন কোন পণ্ডিত ডান হাতে কাজ করার প্রবণতার সাথে ভাষার সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছেন। বেশির ভাগ মানুষের ডান হাতে কাজ করার প্রবণতা বেশি, আর মানুষের ডান হাত নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের বাম অংশ, যে অংশে ভাষা এলাকাগুলি অবস্থিত। তারা মনে করেন যে যদি দেখানো যায় যে প্রাগৈতিহাসিক মানুষেরা বেশির ভাগ ডান হাতে কাজ করত, তাহলে হয়ত ভাষার উৎসের সাথে এই ডান হাতে কাজ করার একটা সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব। কিন্তু ডান বা বাম হাতে কাজ করার প্রবণতার সাথে ভাষিক দক্ষতার কী ধরনের কার্যকারণ সম্পর্ক আছে, তার কোন গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা আজও দেয়া সম্ভব হয়নি। ভাষার_উৎস
World Science-Tech Research Center (WSTRC) মনে করে স্বরতন্ত্র সব মানুষেরই এক এবং অভিন্ন। এটা অনেকটা রেকর্ড প্লেয়ারের মত। বা গ্রামোফোনের রেকর্ড প্লেয়ারের মত। ভিন্ন ভিন্ন রেকর্ড প্লেয়ারে একই গ্রামোফোন যন্ত্রে ভিন্ন ভিন্ন কন্ঠস্বর শোনানোর মতই। মানুষের কন্ঠস্বরের ভিন্নতার জন্য দায়ী ভিন্ন ভিন্ন স্বরবর্ণ এবং ব্যান্জনবর্ণ। যদিও ভিন্ন ভিন্ন কন্ঠস্বরের মর্মার্থ অভিন্ন। এই স্বরবর্ণ এবং ব্যান্জনবর্ণের ভিন্নতায় স্বরতন্ত্রে ভিন্ন ভিন্ন কম্পনের সৃষ্টি হয়। ভাষার ভিন্নতা বা বৈচিত্রতার সহজ-সরল ব্যাখ্যা করা যেতে পারে স্ট্রিং থিওরি কিংবা ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক নিজস্ব কণা চূর্ণকরণ সাইক্রোটন যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে ৮ টেরা ভোল্ট শক্তি প্রয়োগ করে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে হিগস বোসন কণার কৃত্রিম উৎপন্ন থেকে বিশেষ করে স্ট্রিং থিওরিমতে কম্পনের তারতম্য বা মাত্রা ভেদে কোনটি হিগস বোসন, কোনটি ইলেকট্রন অআবার কোনটি কোয়ার্ক অথবা অপর ১৫টি মৌলিক কণার উৎপত্তি। অনুরূপ জাপানী ভাষার স্বরবর্ণ-ব্যান্জনবর্ণের কারণে জাপানী ভাষার উদভব, চীনা ভাষার .....ইংরেজী ভাষার...বাংলা..উর্দু-ফারসী...। তবে প্রত্যেক বিষয়ের যেমন মা রয়েছে যেমন পৃথিবীর ভূখন্ডের মা হচ্ছে সেই স্থানটি যেখানে দাঁড়িয়ে অআছে খানায়ে ক্বাবা। ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর শতভাগ একসময় সাগর অআর সাগর ছিল। এমনকি অআজকের বিচ্ছিন্ন মহাদেশে একসময় অভিন্ন ভূখন্ডরূপে জেগে উঠে পরে ৫ মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তেমনি ভাষাও ছিল অভিন্ন। উম্মুল কোরা....... মা-মাদার, উমমুল, অআম্মি,.....ক্বাবা কিউব....সব ভাষারই মর্মার্থ এক অভিন্ন। অআপনি কেমন অআছেন? হাউ অআর ইউ, কাত্তিবাজে বুত, অআপা খবর এর মর্মার্থ এক অভিন্ন।
https://bn.wikipedia.org/wiki/Story by Brenda Haas • 7mo • 4 min read
What springs to mind at the mention of "alien"?
Little green men with antenna in silver suits? Grey-skinned, orb-eyed beings? Brightly lit UFOs hovering in the sky?
For social and political scientist, Christian Peters, the evolution of alien imagery in pop culture has reflected an amalgam of eyewitness accounts, cultural discourse and media coverage.
Why grey skin and flying saucers?
Peters, the managing director of Bremen University’s International Graduate School of Social Sciences, explains how the little green men and silver suit alien tropes of the 1950s were succeeded by the grey extraterrestials that also feature in today's emoji-verse.
He cites the example of "Communion: A True Story" (1987), the bestseller in which horror author Whitley Strieber describes his alleged alien encounters — the book was later was later made into a film starring Christopher Walken.
"The book's cover featured the now-iconic grey face — the kind seen by people who've claimed to have had abduction experiences or first contact events [with aliens]," he tells DW.
The media too has helped cement enduring alien visions. In 1947, pilot Kenneth Arnold described nine shiny objects darting across the sky near Mount Rainier, saying they moved "like saucers skipping across water." Perhaps for brevity, the press described the craft as saucer-shaped — and thus the term "flying saucer" was born. The image stuck, shaping decades of UFO iconography.
Today, any object or phenomenon in the air, sea, or space that defies immediate explanation is termed a UAP — unidentified anomalous phenomenon.
The media too has helped cement enduring alien visions. In 1947, pilot Kenneth Arnold described nine shiny objects darting across the sky near Mount Rainier, saying they moved "like saucers skipping across water." Perhaps for brevity, the press described the craft as saucer-shaped — and thus the term "flying saucer" was born. The image stuck, shaping decades of UFO iconography.
Today, any object or phenomenon in the air, sea, or space that defies immediate explanation is termed a UAP — unidentified anomalous phenomenon.
Once dismissed as fringe, UAPs have steadily gained traction. The first European UAP symposium will happen in late-October in Italy, bringing together scientists and policymakers to explore the "reality and ramifications" of extraterrestrial life.
Between invaders and empaths: A timeline of alien tropes
The lack definitive proof that otherwordly life forces exist has given filmmakers creative licence when portraying aliens, and an ability to use them as shorthand for shifting social anxieties.
In the 1950s, Cold War paranoia shaped films like "Invasion of the Body Snatchers" (1956), where aliens were widely interpreted as communist infiltrators. By the late 1970s and 80s, the focus turned to corporate exploitation and ecological dread.
InRidley Scott's sci-fi film "Alien" (1979), a profit-driven company plots to produce weapons using the biological makeup of a murderous alien who preys on the company's human employees.
Steven Spielberg's "E.T." (1982) softened the trope, presenting the alien as a gentle outsider seeking connection. Meanwhile in the 90s, the wildly successful television series, "The X Files," suggested a conspiracy whereby a group of human elites and race of extraterrestrials seek to colonize and enslave humankind. The series catchphrase, "The truth is out there," evokes the power of the paranormal.
After 9/11, the remake of H.G.Wells' "War of the Worlds" (2005) reimagined alien invasion as a sudden catastrophe causing trauma and displacement.
South African director, Neill Blomkamp's 'District 9' sees extraterrestrials being confined to slums
South African director, Neill Blomkamp's 'District 9' sees extraterrestrials being confined to slums
© Jose Huesca/epa/dpa/picture alliance
More recent films such as "Arrival" (2016) and "Nope" (2022) were more introspective, exploring grief, language and our obsession with spectacle.
While many alien sci-fi films have been US-centric, the Peter Jackson-produced "District 9" (2009) reimagined aliens as refugees who are disctriminated against in segregated South African slums. Meanwhile, the Hindi film "Koi... Mil Gaya" (2003) explores social exclusion and acceptance via the friendship of an alien and neurodivergent human.
H.R.Giger's works inspired the terrifying xenomorph in Ridley Scott's 'Alien'
H.R.Giger's works inspired the terrifying xenomorph in Ridley Scott's 'Alien'
© Nick Zonna/ipa-agency/picture alliance
Same but different?
Curiously, in most depictions or films, many of these extraterrestrials walk upright, have eyes and limbs, and emote enough for humans to understand them.
This anthropocentric tendency to see and interpret through a human lens was evident in the grotesque Xenomorph of "Alien" fame, a creature inspired by H.R. Giger's surrealist painting, "Necronom IV."
"It's bipedal, it's got eyes, a mouth, ears," says Christian Peters. "You wouldn't say it's human; but it's some sort of a demonic interpretation of earthly nature — the ultimate predator we could conceive."
Lenticular clouds — seen here over the Jade Dragon Snow Mountain in China — are often mistaken for UFOs or alien activity
Lenticular clouds — seen here over the Jade Dragon Snow Mountain in China — are often mistaken for UFOs or alien activity
© Wang Kunlin/dpa/picture alliance
The 'others' among us
The word "alien" predates science fiction. Coming from the Latin "alienus," it means "belonging to another," "foreign" or "strange." An alien can also be someone who is not a citizen or national.
In many countries, the word evokes exclusion, suspicion and otherness, especially in the context of current debates on migration and integration.
In 2021, the Biden administration in the US had proposed replacing "alien" with the less dehumanizing "noncitizen." But the US Immigration and Customs Enforcement (ICE) officially reinstated the use of "alien" and "alienage" in January this year.
'Alien' has had other connotations too
'Alien' has had other connotations too
© Mario Tama/Getty Images
Christian Peters draws parallels with colonialism and the impact of dominant cultures upon others.
"That's the story of the United States at this moment and many European societies as well," he said. "There is a defence of cultural patterns and distinctions and identities that of course, transports in the idea of the 'alien'."
AI: An alien of our making?
Finally, artificial intelligence — non-human, non-biological, and often described as a kind of alien mind — is reshaping life as we've known it. As Harvard professor Chris Dede said in a 2023 interview with TechTrends about the likes of GBT AI chatbots: "AI is not a weak form of human intelligence. It is an alien intelligence."
Agreeing that "AI is very alien," Christian Peters adds: "The way that the technology that we have invented actually comes to the end that it produces, that's a historically new situation that has never existed before."
As AI systems become more complex and harder to interpret, they evoke unease — not unlike the prospect of extraterrestrials, migrants or other perceived outsiders. Perhaps this discomfort stems not from what these "others" are, but from how little we truly understand about them.
Edited by: Stuart Braun
Author: Brenda Haas
Thank you for your inquiry
A member of our team will reach out to you shortly to discuss the best solutions for you.
ResearchGate logo
About
About ResearchGate
Work with us
Contact us
Explore
Blog
Researcher Stories
ResearchGate Updates
RESOURCES
Help Center
Press
Business Solutions
Marketing Solutions
Scientific Recruitment
Journal Home
© 2008-2026 ResearchGate GmbH. All rights reserved.
Terms
Privacy
Intellectual Property
Imprint
https://www.researchgate.net/scientific-recruitment/thank-you-for-your-inquiry
স্থান-কালের কোয়ান্টায়ন হয় প্ল্যাঙ্ক স্কেলে। খুব ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য, সময়ে বা শক্তিতে৷ ১০৯ জুল শক্তি, ৫×১০-৪৪ সেকেন্ড ব্যাপ্তি বা ১০-৩৫ মিটার দৈর্ঘ্যকে প্ল্যাঙ্ক স্কেল ধরা হয়। শক্তির পরিমাণটা প্ল্যাঙ্ক ভরের সমতুল্য পরিমাণ (আইনস্টাইনের ভর-শক্তির সমীকরণ E = mc2 থেকে)। আর প্ল্যাঙ্ক দৈর্ঘ্য প্রোটনের ১০ লাখ-কোটি-কোটি গুণ ছোট। প্ল্যাঙ্ক স্কেল পর্যন্তই শক্তি ও পদার্থের অর্থপূর্ণ পরিমাপ সম্ভবপ্।র
স্থান-কালকে কোয়ান্টায়িত করার মানে কী? এর মানে হলো, মৌলিক একটি একক বা বিচ্ছিন্ন খণ্ডের অস্তিত্ব আছে অতিক্ষুদ্র, অ–ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য ও সূক্ষ্ম কাঠামোয়। যেমন ধরুন একটি ছবি। একে জুম করতে থাকলে একসময় দেখবেন, মসৃণ ছবিটায় ফুটে উঠবে বহু ছোট ছোট বর্গ। এদের নাম পিক্সেল। স্থান-কালের ব্যাপারটাও এর সঙ্গে তুলনীয়। জুম ইন করে ছোট ছোট এককের দিকে যেতে থাকলে দেখা যাবে, স্থান-কাল অবিচ্ছিন্ন বা মসৃণাভাবে ভবিষ্যতের দিকে ছুটে চলছে না। চলছে বিচ্ছিন্ন এক ঘড়ির দ্রুত টিক বা স্পন্দনের মতো। চলাচলের পথটা মসৃণ নয়; বরং এ যেন স্থান-কালের এক পদক্ষেপ থেকে আরেক পদক্ষেপে থেমে থেমে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে যাওয়া।
স্থান-কালের কোয়ান্টায়ন হয় প্ল্যাঙ্ক স্কেলে। খুব ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য, সময়ে বা শক্তিতে৷ ১০৯ জুল শক্তি, ৫×১০-৪৪ সেকেন্ড ব্যাপ্তি বা ১০-৩৫ মিটার দৈর্ঘ্যকে প্ল্যাঙ্ক স্কেল ধরা হয়।
কোয়ান্টায়নের একটি দারুণ সুবিধা হলো সিঙ্গুলারিটি সমস্যার সমাধান। আইনস্টাইনের তত্ত্বে অসীম ঘনত্ব ও মহাকর্ষের স্থানে তৈরি হয় সিঙ্গুলারিটি বা অনন্যতা। অনেকে বলেন, পরম বিন্দু। এই যেমন মহাবিশ্বের শুরুতে বা কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্রে। যেখানে অসীম মহাকর্ষ সব পদার্থকে টেনে নিয়ে গেছে একটি বিন্দু বা রেখায়। আয়তনকে করেছে শূন্য। শুনতে রোমহর্ষ হলেও এসব কথা আসলে তত্ত্বের দুর্বলতার প্রকাশ। এ জন্যই আমরা ঠিক জানি না কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্র বা বিগ ব্যাংয়ের সময়ের অবস্থা। মহাকর্ষের প্রভাবে সৃষ্ট এ সিঙ্গুলারিটির নাম মহাকর্ষীয় সিঙ্গুলারিটি। তবে সংজ্ঞাই বলছে, সিঙ্গুলারিটি অতিশয় ক্ষুদ্র। সে হিসাবে বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এটি কোয়ান্টামধর্মী। এ কারণেই শ্ন হলো, মজার ব্যাপার হলো, প্ল্যাঙ্ক স্কেলে এসে কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও সার্বিক আপেক্ষিকতা—দুটিই মুখ থুবড়ে পড়ে। কোনোটির পূর্বাভাসই কাজ করে না। মহাবিশ্বের জন্মের ঠিক পরপর এমন অবস্থা ছিল। আরও সঠিক করে বললে, জন্মের ১০-৪৩ সেকেন্ড পরে ছিল সে অবস্থা। মহাবিশ্বের এই বিশেষ সময়টার নামও প্ল্যাঙ্ক যুগ। সে সময়ের অবস্থার কেমন ছিল বা সেটা কীভাবে হয়েছিল, তা বলতে পারে না দুই তত্ত্বের কোনোটিই।
মাছি তত্ এবং ইসলাম
মাছির এক পাখায় রোগ আরেক পাখায় শেফা বা আরোগ্য সংক্রান্ত হাদীস কি সহীহ?এই হাদিসটি বিশুদ্ধ হাদিসগ্রন্থ সহিহ বুখারি ও সুনান আবূ দাউদ-এ হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে।হাদিসের মূল বিষয়বস্তু:রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমাদের কারো পানপাত্রে যদি মাছি পড়ে, তবে সে যেন তাকে পুরোপুরি ডুবিয়ে দেয়। তারপর তা ফেলে দেয়। কেননা, মাছির এক ডানায় রোগ বা বিষ থাকে এবং অন্য ডানায় নিরাময় বা প্রতিষেধক থাকে।" (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৩৩২০)হাদিসটির ব্যাখ্যায় ইসলামি স্কলাররা বলেন, মাছি যখন পানিতে বা খাবারে পড়ে, তখন সে রোগ বহনকারী ডানাটি আগে ফেলে। মাছিটিকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দিলে তার ডানায় থাকা রোগ-প্রতিরোধী বা অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানটি বের হয়ে রোগের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয় এবং খাবারকে বিষমুক্ত করে। আধুনিক বিজ্ঞানও মাছির ডানায় ব্যাকটেরিয়া-ধ্বংসকারী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছে।
এডওয়ার্ড জেনার সাহেব কে বলা হয় গুটী বসন্ত টিকার জনক। হয়ত এটা সঠিক কারণ জেনার সাহেব তাঁর সারা জীবন ব্যয় করেছেন গুটি বসন্ত টিকার পদ্ধতির প্রচলন ঘটাতে। ১৭৯৬ সালে জেনার সাহেব গুটিবসন্তের টিকা তাঁর মালির ৮ বছরের পুত্র জেমস ফিপস এর উপর প্রয়োগ করেন। এর মাধ্যমেই পৃথিবী জানতে পারে গুটিবসন্তের টিকার কার্যকারিতার কথা।
এর ২০ বছর আগের ঘটনা। ইংল্যান্ড এর গ্লস্টারশায়ারের এক কৃষক বেঞ্জামিন জেস্টী বারান্দায় বসে বসে ভাবছেন গুটি বসন্তের ভয়ানক অবস্থার কথা। সারা গ্রামে গুটি বসন্তের তান্ডবে শয়ে শয়ে মানুষ মরছে। এর কোন টিকাও নেই ।শুধু ঈশ্বর এর কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া কিছুই করার নেই কারো। বেঞ্জামিন সাহেব ভঁয় পান। তাঁর সমস্ত চিন্তা তাঁর স্ত্রি পুত্রের জন্য। বেঞ্জামিন সাহেব ভাবতে থাকেন। তাঁর মনে পড়ে যায় এলাকার গরু খামারি যারা গরুর পক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছিল তাদের কারোই গূটি বসন্ত রোগ হয়নি। হয়ত এই দুই রোগে যোগাযোগ থাকতে পারে। গণোরিয়ার টিকা আবিস্কারের ইতিহাস
We exist to empower researchers.
We started ResearchGate in 2008 to address the problems we saw in the way science is created and shared. Our mission is to connect the world of science and make research open to all. The 20 million researchers in our community come from diverse sectors in over 190 countries, and use ResearchGate to connect, collaborate, and share their work
Who we serve
We put the researcher first.
ResearchGate is for you: the scientist, the clinician, the student, the engineer, the public health worker, the lab technician, the computer scientist.
The work you do is important. But too often, you are overworked, underpaid, have low job security, and operate under high pressure. Becoming a researcher in the first place was no easy task, and access all too often relies on privilege. Our purpose is to make your life easier.
We offer a home for you—a place to share your work and connect with peers around the globe, traversing the borders and silos of science. We want to empower you to do your best work, advance your field, and make a better world for all.
For the intellectually curious, the seekers of truth, the geeks, the makers: our members offer you a treasure trove of knowledge in areas as diverse as materials science, agriculture, human health, and quantum physics
SCIENCE IS EVOLVING
In order to better the world, science has to better itself.
We believe that science is humanity's most important tool. It's responsible for the great leaps we've made in understanding our universe, and the best means we have to meet the challenges of our future.
Still, it's not without problems. The systems powering research are too slow and inaccessible to address the global challenges of our time. Complicated funding processes and proprietary interests are hampering progress towards open science.
This is where we can make a difference. We strive to offer researchers access to one another and the resources they need to thrive. We strive to make science faster, fairer, and easier to discover and access.
Nobody can address these challenges alone—we recognize the need to work with others in this quest. We are committed to evolving along with the science community, challenging the status quo in the scientific ecosystem, and always putting the researcher first
Welcome to Researcher Stories
One of the most rewarding things for us at ResearchGate is hearing about the scientific and personal breakthroughs of our 20+ million members. From innovators working to make science more open, to pioneers overcoming barriers, Researcher Stories is the place where you can meet and be inspired by our global research community.
Alia Amir
Analyzing conversations in the bilingual English classroom
As a linguist, Alia Amir studies classroom interactions to understand how language policies are applied by English teachers and their students.
Meet
Alia Amir
Linguist & Social Interaction Researcher
Alia Amir
degree
Ph.D., Language and Culture in Europe, Linköping University
ResearchGate member since
2018
current role
Senior Lecturer in English Linguistics at Mid Sweden University, Sundsvall; Co-Founder, Muslim Scientists Europe
Currently researching
Language policing, classroom interaction, teachers’ knowledge about dyslexia, and the use of English in public spaces
home country
Pakistan
Based in
Stockholm, Sweden
একবার এক গ্রামে ব্যাপক ভাবে গুটি বসন্ত হল। এনা আর মেরি নামের বেঞ্জামিন সাহেবের ২ কর্মচারীর গো-বসন্ত রোগ হয়েছিল আগে ।তাদের গ্রামের বেশির ভাগ মানুষের গুটি বসন্ত হলেও এই ২ জনের কিছুই হলনা। বেঞ্জামিন সাহেব আর দেরি করলেন না। স্ত্রি আর পুত্র কে নিয়ে গেলেন এক খামারে যেখানে কিছু গরু গো-বসন্তে আক্রান্ত। গরুর পুঁজ সংগ্রহ করে স্ত্রী পুত্রের শরীরে প্রয়োগ করলেন বেঞ্জামিন সাহেব। এর ফলে স্ত্রি পুত্রদ্বয় হালকা গো-বসন্তে আক্রান্ত হল। ২ পুত্র খুব দ্রুত সুস্থ্য হল কিন্তু বেঞ্জামিন সাহেবের স্ত্রি অনেক অসুস্থ্য হলে গেলেন। ভঁয় পেয়ে ডাক্তার নিয়ে আসলেন বেঞ্জামিন সাহেব। আস্তে আস্তে সেরে উঠল এলিজাবেথ। গ্রামের সেই গুটি বসন্ত কিছুই করতে পারল না বেঞ্জামিন সাহেবের স্ত্রি পুত্রদের। বেঞ্জামিন সাহেব বুঝতে পারলেন হয়ত এই দুই রোগে যোগাযোগ থাকতে পারেগুটি বসন্তের টিকা তিনি আবিষ্কার করে ফেলেছেন। গো-বসন্তের পুঁজ মানুষের শরীরে প্রবেশ করানো হলেই সেই মানুষ আর গুটি বসন্তে আক্রান্ত হবে না। মানব জাতি পেয়ে গেল এক মহাঔষধ।
স্বামী-স্ত্রীর আকর্ষণের বৈজ্ঞানিক কারণ
মাতা-সন্তানের মমতার বৈজ্ঞানিক কারণ
পরিযায়ক পাখি পথ চেনে কিভাবে?
মাছ ডিম ছাড়ার জন্য মিঠা পানির নদী বেছে নেয় কেন?
সিজদার বৈজ্ঞানিক কারণ
কিন্তু বেঞ্জামিন জেসটি সাহেব কে তাঁর প্রাপ্য সম্মান কখনই দেয়া হয়নি।
বসন্তের পূঁজ থেকে বসন্তের টিকা,ভ্যাকসিন শব্দটি গরুর অর্থে ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে। যা গুটিবসন্তের টিকাদানের উৎপত্তিকে প্রতিফলিত করে। এডওয়ার্ড জেনার গো-বসন্তকে ভ্যারিওলা ভ্যাকসিন (গরুর গুটিবসন্ত) বলে উল্লেখ করেছেন। গুটি বসন্তের ভ্যাকসিনের উৎপত্তি সময়ের সাথে সাথে অস্পষ্ট হয়ে ওঠে[৩] বিশেষ করে ১৯ শতকে লুই পাস্তুর যখন ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ল্যাবরেটরি তৈরি করার কৌশল ব্যবহার করেন। ১৯৩৯ সালে অ্যালান ওয়াট ডাউনি দেখিয়েছিলেন যে আধুনিক গুটি বসন্তের ভ্যাকসিন সেরোলজিক্যাল ভাবে গো-বসন্ত থেকে আলাদা[৪] এবং ভ্যাক্সিনিয়া পরবর্তীকালে একটি পৃথক ভাইরাস প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃত হয়। সম্পূর্ণ-জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রকাশ করেছে যে ভ্যাক্সিনিয়া ঘোড়ার পক্সের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত, এবং গ্রেট ব্রিটেনে পাওয়া কাউপক্স স্ট্রেনগুলি টিকার সাথে সবচেয়ে কম ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।[৫ গণোরিয়ার পূঁজ থেকে গণোরিয়ার টিকা, গণোরিয়ার পূঁজ থেকে গণোরিয়ার টিকা, গনোরিয়া মূলত নাইসেরিয়া গনোরি (Neisseria gonorrhoeae) নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট একটি যৌনবাহিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির যৌনাঙ্গ থেকে অস্বাভাবিক পুঁজ বা স্রাব বের হওয়া এবং প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এর অন্যতম প্রধান লক্ষণ। বর্তমানে এর চিকিৎসায় নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয় এবং সুরক্ষার জন্য কোনো একক প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার না হলেও মেনিনজাইটিস বি (MenB)-এর টিকা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
গনোরিয়া প্রতিরোধী টিকা আবিষ্কারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস:জীবাণু আবিষ্কার (১৮৭৯): বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট নাইসার (Albert Neisser) সর্বপ্রথম গনোরিয়ার জন্য দায়ী 'নাইসেরিয়া গনোরি' (Neisseria gonorrhoeae) ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন।প্রাকৃতিক সুরক্ষার অভাব: সাধারণত অন্য কোনো রোগের টিকা একবার নিলে শরীরে স্থায়ী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। কিন্তু গনোরিয়া ব্যাকটেরিয়ার রূপ পরিবর্তনের দক্ষতার কারণে, প্রাকৃতিক সংক্রমণের পরেও মানবদেহে দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে না।দুর্ঘটনাবশত সাফল্য: বহু দশক ধরে বিজ্ঞানীরা গনোরিয়ার টিকা তৈরির চেষ্টা করে ব্যর্থ হলেও এক অপ্রত্যাশিত আবিষ্কার ইতিহাস বদলে দেয়। গবেষণায় দেখা যায়, মেনিনজাইটিস বি (MenB) রোগের টিকা, যা 4CMenB বা Bexsero নামে পরিচিত, এর সাথে গনোরিয়ার ব্যাকটেরিয়ার জেনেটিক মিল থাকায় এটি গনোরিয়া প্রতিরোধেও বেশ কার্যকর।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন