অন্যদিকে বস্তু নিয়ে ভাবে না। বস্তু থাকে স্থান-কালের মধ্যে। এটি তাই কাজ করে স্থান-কালের বৈশিষ্ট্য নিয়ে। আইনস্টাইনের মহাকর্ষের মসৃণ পটভূমিকে এখানে স্ট্রিংয়ের কম্পন দিয়ে প্রকাশ করা হয়, যাতে প্রকাশিত হয় কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্য৷ স্ট্রিং থিওরি বলে, স্থান-কালের মাত্রা ১০টি। এলকিউজি উচ্চতর মাত্রায় কাজ করে না। স্ট্রিং থিওরি বলে অতিপ্রতিসাম্যের কথা। যার অর্থ হলো, পরিচিত সব কণার আছে অনাবিষ্কৃত জোড়া। এলকিউজি তত্ত্বে এমন কোনো কথা নেই। দুই তত্ত্বের বিরোধ জড়িয়েছে সমর্থকদেরও। এক দল আরেক দলের কোনো বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে যায় না।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Holy Romado-n 1445 Hijrah/2024 News

Article