মহাকর্ষ শুধু বস্তুকে আকর্ষণ করে বা টানে
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%259A%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A5-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yct2c
https://www.linkedin.com/pulse/war-gaza-stoped-crisis-started-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-35zsc/?published=t
https://www.linkedin.com/pulse/war-gaza-stoped-crisis-started-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-35zsc/?published=t
https://www.linkedin.com/pulse/war-gaza-stoped-crisis-started-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-35zsc/?published=t
Contact info
Abdur Nur’s profile
linkedin.com/in/abdur-nur-md-yahya-04343b69
Phone
+8801845888888 (Mobile)
Address
17th Floor, Uday Tower, Gulshan-1, Dhaka-1212
Email
yahya_sharif@live.com
BirthdayAbout
Experienced IT and Project Management professional with a demonstrated history of working in the Telecommunications and Mobile Financial Services (MFS) industries. Skilled in managing complex projects, driving digital transformation, and aligning technology solutions with strategic business objectives. Adept at leading cross-functional teams, improving operational efficiency, and delivering high-impact results in fast-paced environments. Passionate about innovation, customer experience, and continuous improvement.The gate of hell is real (and we'll show you where it is)
©Getty Images
Regardless of religious traditions or beliefs about the existence of hell, there is a place here on Earth, in the middle of a desert in Turkmenistan, which has been named the “Gates of Hell.” Believed to be the result of an industrial accident, the Darvaza Crater has been burning gas (mostly methane) since the 1970s, releasing harmful greenhouse gases into the atmosphere, negatively affecting the health of people living nearby, wasting valuable natural gas resources, and causing environmental damage. But despite these concerns, there is a consensus among experts that any attempt to close the Gates of Hell would not only be dangerous and expensive, but also unsuccessfulCharles Valerio Howlader
· 2nd
Full-Stack Web Developer (WordPress, Laravel, React) | SaaS | Tester | Content Writer
Chattogram, Bangladesh
nd it is indeed a popular tourist destination. Want to know more? Click through the following gallery.মVenezuela hit by consecutive 7.2, 7.5 quakes; 100,000 deaths feareA man walks through debris from collapsed buildings caused by the strong earthquake that occurred on the 24th in Caracas, the capital of Venezuela. On the same day, earthquakes measuring 7.2 and 7.5 in magnitude occur consecutively in central Venezuela, raising fears of large-scale casualties. /AP-Yonhap
© Adrian NaranjoIt's a question that has baffled the greatest human minds throughout history: what happens when we die?
Now, scientists have taken us one step closer to finally knowing the truth.
Researchers interviewed 48 people who have had near–death experiences (NDEs) and asked them what they saw in their final moments.
Their responses revealed a staggering variety of visions.
Some participants described seeing heavenly beings, while one even said they experienced a terrifying journey into a black hole.
Others, meanwhile, described grand visions featuring religious figures and profound emotional experiences.
For example, one participant told scientists: 'There were stone stairs on the left in front of me, and Jesus was toward the top, wearing a white robe,' while another described how 'God appeared as a great light in the distance.ফিলিপাইন ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। সামান্য ব্যবধানে পরপর দুদিন ঢাকায় মৃদু ও কাঁপুনি দিয়ে ভূমিকম্প জানান দিয়ে যায় সামনে এরকম আরও খারাপ কিছু হয়তো অপেক্ষা করছে। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গায় মৃদু থেকে মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প প্রায়ই হচ্ছে। এতে করে সবার মাঝে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধিক মাত্রা ও তীব্র ভূমিকম্প হওয়া অমূলক নয়। ৬-৭ মাত্রার একটি তীব্র ভূমিকম্প হলে রাজধানীর অসংখ্য ভবন ধসে পড়তে পারে। ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটবে তাতে। আর্থিকভাবে এই ক্ষতির পরিমাণ হবে কয়েক বিলিয়ন ডলার।
আর এই ক্ষতির মূল কারণ হিসাবে তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাত্রাতিরিক্ত দুর্বল ভবন তৈরি এবং সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন। প্রকৌশল বিদ্যায় একটি কথা আছে, ‘ভূমিকম্প মানুষ মারে না, দুর্বল ভবনই মানুষকে মারে।’
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫টি ভূমিকম্প ঘটে। কম্প্রিহেনসিভ আর্থকোয়াক ক্যাটালগের (কমক্যাট) ক্যাটালগ ও অন্যান্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর গড়ে ৭ বা তার অধিক মাত্রার ১৫-১৬টি বড় ভূমিকম্প ঘটে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পের মাত্রা (ম্যাগনিটিউড) এবং তীব্রতা (ইনটেনসিটি) দুটো ভিন্ন হলেও সহযোগী বিষয়। মাত্রা ও তীব্রতা দুটোই যদি বেশি হয় তাহলে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়। যেমনটি হয়েছে ভেনিজুয়েলায়।
ভূতাত্ত্বিক বিশ্লষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ এমন একটি অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে যে কোনো সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে। দেশে ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের একটি চক্র বা ‘রিটার্ন পিরিয়ড’ রয়েছে, যা সাধারণত ৩০০ থেকে ৩৫০ বছর পরপর আসে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১৭৬২ সালে আরাকানে ৮ বা এর কাছাকাছি মাত্রার এবং ১৮৯৭ সালে ডাউকি ফল্টে ৮.১ মাত্রার প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প হয়েছিল। সে হিসাবে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প এখনই আঘাত হানবে এমনটিও নয়। আবার কখন সেটি ঘটবে তাও বলা মুশকিল।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ মেহেদী আহমেদ আনসারী যুগান্তরকে বলেন, দেশে ৭ বা ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৮৬৯ সালে আসামের কাছাড়ে ৭.৫, ১৮৮৫ সালে বেঙ্গল আর্থকোয়েক ৭.১ (যে ফল্টের ওপর ভিত্তি করে যমুনা সেতুর ডিজাইন করা হয়েছে), ১৯১৮ সালে শ্রীমঙ্গলে ৭.৬ এবং ১৯৩০ সালে ধুবড়িতে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। ১৫০-২০০ বছরের চক্র অনুযায়ী, বাংলাদেশে একটি ৭ মাত্রার ভূমিকম্প এখন যে কোনো সময় ঘটতে পারে।'এখন, বিজ্ঞানীরা অবশেষে সত্য জানার পথে আমাদের আরও এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের আশপাশে বেশ কয়েকটি সক্রিয় চ্যুতি বা ফল্ট লাইন রয়েছে। ময়মনসিংহ থেকে সিলেট হয়ে ইন্ডিয়া বর্ডার পর্যন্ত প্রায় ৭২ কিলোমিটার লম্বা ডাউকি ফল্ট অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া প্লেট বাউন্ডারি-১ (আরাকান ফল্ট), প্লেট বাউন্ডারি-২ (নোয়াখালী থেকে সিলেট) এবং প্লেট বাউন্ডারি-৩ (সিলেট থেকে কাছাড়) একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে আছে।
মেহেদী আহমেদ আনসারী আরও বলেন, এরকম একটি বিপর্যয় হলে তার জন্য আমাদের প্রস্তুতি আসলে কতটুকু তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। জাইকা এবং সিডিএমপির একটি জরিপে উঠে এসেছে, ঢাকায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে প্রায় ৭২ হাজার ভবন ধসে পড়তে পারে। কিন্তু এই ৭২ হাজার ভবন কোনগুলো তা নির্দিষ্ট করা নেই।
তিনি জানান, ঢাকায় মোট বাসযোগ্য স্থাপনা রয়েছে প্রায় ২১ লাখ। এর মধ্যে ১৫ লাখই ছোট বিল্ডিং, টিনশেড বা বস্তি। যা ভেঙে পড়লে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা কম। কিন্তু মূল বিপদের কারণ হলো অবশিষ্ট ৬ লাখ বহুতল পাকা ভবন, যেগুলো ৪ তলার ওপরে। এর মধ্যে আমাদের প্রাথমিক ধারণায় অন্তত ৪০ শতাংশ ভবন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
https://www.jugantor.com/capital/1118931
.dহাকর্ষ বিষয়ে সেই প্রাচীন যুগে গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে গ্যালিলিও, নিউটন গড়িয়ে আইনস্টাইন পর্যন্ত কূল কিনারা হাতিয়ে পাচ্ছিলেন না। তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ান যুগে প্রথম বারের মত সয়ুজ-১ যখন পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে মহাকাশের লাগ্রান্জের অন্ততঃ কয়েক স্টেশন অতিক্রম করে তখনই প্রমাণিত হয় মহাকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলতে একটা অদৃশ্য শক্তি প্রকৃতিতে জীবন্ত রয়েছে। যদিও অবচেতন মনে অআমরা অনেক সময় মহাকর্ষ অআর তার প্রতিকণা বা প্রতিবল গ্র্যাভিটনকে সমার্থক বা প্রতিশব্দরূপে প্রকাশ করে থাকি।
যাহোক, বর্তমানে ডিজিটাল যুগে মহাকর্ষ নিয়ে কোনো ভাবনা চিন্তা নেই বল্লেই চলে। এখন বিজ্ঞানীদের ভীষণভাবে পেয়ে বসে মহাকর্ষের প্রতিবল বা প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন প্রশ্নে এই প্রশ্নকে ঘিরেঃ...............মহাকর্ষের জন্য গ্র্যাভিটন অপরিহার্য হয়ে পড়ে ১৯৭০ সালে যখন অআবদুস সালাম গংরা তিন মহাবলের তাত্ত্বিক সমাধান খুঁজে পান স্ব স্ব প্রতিবলের অস্তিত্ব অআবিস্কার করেছিলেন। তবে এ যাবৎ কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন সায়েন্স ফিকশনই রয়ে যায়। তাই বর্তমানে পদার্থ বিজ্ঞানীরা সর্বোচ্চ মেধা, শ্রম, অর্ধ ব্যয় করে চলেছেন। শুধু তা-ই নয় গ্র্যাভিটনের নাগাল পেতে অআকাশ কুসুম কল্পনা করতেই বিজ্ঞানীরা দ্বিধাবোধ করছেন না।
বিজ্ঞানীরা খ্রীস্টপূর্ব ...সাল থেকে বস্তু-পদার্থের মধ্যে মহাবিশ্বের পরম সত্য খুঁজতে গিয়ে প্রথমবারের মতো ডেমোক্রিটাসের মাধ্যমে অ্যাটম অআবিস্কার করা হয়। এই অ্যাটমই পরিণত হয় বিজ্ঞানের মাধ্যমে বিশ্ব প্রকৃতির রহস্য জানার একমাত্র মাধ্যম। ফলে ফিজিক্স পরিণত হয় পদার্থ বিজ্ঞান বা ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সে। প্রায় তিন মিলিনিয়াম বা তিন সহস্রাব্দব্যাপী পদার্থের মধ্যে মহাবিশ্বের সত্য খুঁজতে গিয়ে নিউটনের মাধ্যমে ক্ল্যাসিক্যাল বল বিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে যার ব্যাপ্তিকাল ছিল তিন শত বছর। অতঃপর ম্যাক্স প্ল্যাংক কর্তৃক কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নামে নতুন বিজ্ঞানের সূচনা ঘটলে ডিজিটাল যুগের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। কিন্তু তাতেও কূল কিনারা খূজে পাচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা বিশ্ব প্রকৃতির অনেক সত্য। বরং কোয়ান্টামের মাধ্যমে অতিপারমাণবিক জগতের অন্দর মহলের গভীর থেকে গভীরে যতই প্রবেশ করছেন ততই অজানার পাল্লাই যেন ভারি হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ডার্ক ম্যাটার-ডার্ক এনার্জির অআবর্তে পড়ে এখন গবেষণা যেন দাড়িয়েছে ছে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। হাবল টেলিস্কোপের বদৌলতে জানার হার চার শতাংশে দাড়ালেও হালে জেমস ওয়েবের অআবর্তে পড়ে অআরও অবনতি ঘটছে জানার হার। তাই পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার টানতে বিজ্ঞানীরা এখন সর্বোচ্ঢ গবেষণা করে যাচ্ছেন গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরির মাধ্যমে থিওরি অব এভরিথিং-এ পৌছতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীদের জন্য অআশার অআলো হয়ে উঠেছে স্ট্রিং থিওরি। ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টারের মতে, মহাবিশ্বের অন্ততঃ প্রায় অর্ধশত ভাগ সত্য নিহিত রয়েছে অআইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণে যা পদার্থ বিজ্ঞান বিবেচনায় শত ভাগ এবং পুরো বিশ্ব প্রকৃতি বিবেচনায় অর্ধশতভাগ সত্য অর্জনে পদার্থ বিজ্ঞান সফলকাম। রিসার্চ সেন্টার অআরও মনে করে ডার্ক ম্যাটার এনার্জি, স্টিং থিওরি পদার্থ বিজ্ঞানের মৌলিক নয় অআনুষঙ্গিক বিষয়। তা বাদে পদার্থ বিজ্ঞান শতভাগ সফল যাতে পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার টেনে নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের শুভ সূচনা করা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে নিউটনের সরলীকরণ তত্ত্ব তথা মধ্যপন্থা হচ্ছে থিওরি অব এভরিথিং যাতে একাধারে নিহিত রয়েছে বহুল অআলোচিত বিজ্ঞানীদের স্বপ্নিল কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন, স্ট্রিং থিওরি এমনকি ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জিরও সমাধান। সয়ুজ-১ (Soyuz 1) ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের তৈরি প্রথম মনুষ্যবাহী সয়ুজ মহাকাশযান। ১৯৬৭ সালের ২৩ এপ্রিল উৎক্ষেপণের পর যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে মিশনটি বাতিল করে ফিরিয়ে আনার সময় প্যারাসুট কাজ না করায় এটি বিধ্বস্ত হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পাইলট ভ্লাদিমির কোমারভ নিহত হন, যা মহাশূন্যে কোনো মানুষের প্রথম মৃত্যু।সয়ুজ-১ অভিযানের প্রধান তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:উৎক্ষেপণ: ২৩ এপ্রিল, ১৯৬৭নভোচারী: কর্নেল ভ্লাদিমির কোমারভ (একক পাইলট)অভিযানের লক্ষ্য: মহাশূন্যে সয়ুজ-২ (Soyuz 2) এর সাথে ডকিং বা যুক্ত হওয়া এবং মহাকাশচারীদের এক যান থেকে অন্য যানে স্থানান্তর করা।যান্ত্রিক সমস্যা: মহাকাশে পৌঁছানোর পরপরই মহাকাশযানটির সোলার প্যানেল খুলতে ব্যর্থ হয় এবং পাওয়ার বা বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। এরপর বৈরী আবহাওয়ার কারণে সয়ুজ-২ এর উৎক্ষেপণ বাতিল করা হয়।দুর্ঘটনা ও মৃত্যু: ত্রুটির কারণে মিশন বাতিল করে দ্রুত পৃথিবীতে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অবতরণের সময় প্রধান প্যারাসুটটি না খোলায় নভোচারী ভ্লাদিমির কোমারভ ব্যাক-আপ প্যারাসুটটি খোলেন, যা মূল প্যারাসুটের সাথে জড়িয়ে যায়। এর ফলে মহাকাশযানটি প্রচণ্ড গতিতে (ঘণ্টায় প্রায় ১৪০ কিমি) মাটিতে আছড়ে পড়ে।
4th Rrvision
Contact info
souad’s profile
linkedin.com/in/souad-yaseer-30a14010a
Website
facebook.com (Personal)
facebook.com (Blog)
youtube.com (Blog)
x.com (Personal)
Email
suad-2009@hotmail.comবিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বল দ্বিমুখী, কিন্তু মহাকর্ষ একমুখী।
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%259A%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A5-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yct2c
4th Rrvision
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%259A%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A5-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yct2c
4th Rrvision
মহাকর্ষ শুধু বস্তুকে আকর্ষণ করে বা টানে, বিকর্ষণ করে না। বিদ্যুৎ–চৌম্বকীয় বলের সঙ্গে দুই ধরনের বৈদ্যুতিক চার্জ জড়িত। ধনাত্মক ও ঋণাত্মক। একইভাবে দুর্বল ও সবল পারমাণবিক বলেরও বৈদ্যুতিক চার্জের মতো ধর্ম রয়েছে, যাদের বলা হয় হাইপারচার্জ ও কালার। এগুলোর মানও ভিন্ন ভিন্ন।
পৃথিবীর প্রতিটি ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণার উভয়েই সূর্যের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক কণা দিয়ে আকর্ষিত ও বিকর্ষিত হয়।
স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষকে খাপ খাওয়াতে গেলে মহাকর্ষও কোনো কণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় বলে কল্পনা করে নিতে হয়। পদার্থবিদেরা এই কণার একটি নামও দিয়েছেন—‘গ্র্যাভিটন’। মহাকর্ষ কণা। এ কণার অস্তিত্ব যদি সত্যিই থাকে, তাহলে আপনি শুয়ে, বসে বা দাঁড়িয়ে যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার দেহ থেকে অনবরত অতিক্ষুদ্র বলের মতো গ্র্যাভিটন কণা ছুটে যাচ্ছে ভূপৃষ্ঠের দিকে। আবার ভূপৃষ্ঠ থেকেও একই রকম কোয়ান্টাম কণা ছুটে আসছে আপনার দিকে। এই দুই মহাকর্ষ কণা বিনিময়ের কারণে আপনি পৃথিবীর বুকে আটকে থাকতে পারছেন।মহাকর্ষের মান সংশ্লিষ্ট বস্তুর ভরের সঙ্গে সম্পর্কিত। মহাকর্ষকেও অন্য বলগুলোর মতো ভাগ করা যায়। অর্থাৎ বস্তুর ভরকে মহাকর্ষের চার্জ হিসেবে কল্পনা করা যায়, যার মাধ্যমে বস্তুটি কতটুকু মহাকর্ষ অনুভব করবে, তা নির্ধারিত হবে। কিন্তু সমস্যা হলো, মহাবিশ্বে শুধু এক ধরনের ভরই দেখা যায়। ঋণাত্মক বা নেগেটিভ ভর বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। কাজেই কোনো কণা বা বস্তুকে মহাকর্ষ বিকর্ষণ করে না।সূর্যের বেশির ভাগ যদি ধনাত্মক বৈদ্যুতিক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো এবং পৃথিবী যদি বেশির ভাগ ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে গঠিত হতো, তাহলে এই দুইয়ের মধ্যে যে আকর্ষণ দেখা যেত, তার পরিমাণ হতো বিপুল। তাহলে আমাদের গ্রহটাকে অনেক আগেই সূর্য গিলে ফেলত। কিন্তু পৃথিবী গঠিত হয়েছে প্রায় সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জ দিয়ে। আবার সূর্যও গঠিত হয়েছে সমপরিমাণ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জে।বিজ্ঞানীরা গ্রাাভিটন খুঁজতে প্রয়োজনবোধ করছেন দুই প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বের মিলন। দুটি পরীক্ষামূলকভাবে সত্যি প্রমাণ করতে আমাদের অবিশ্বাস্য রকম বড় পার্টিকেল অ্যাকসিলারেটর দরকার। একেকটা অ্যাকসিলারেটরের আকৃতি হবে আমাদের সৌরজগতের সমান। সেটি এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে বানানো অসম্ভব।কাজেই গ্র্যাভিটন কণা দেখার জন্য আমাদের অনেক ভারী বস্তু দরকার। সেই বস্তুগুলোর হতে হবে মহাজাগতিক ভরের, যাতে অন্য বলগুলো ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় থাকবে। এই অতিভারী বস্তুকে পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষের মুখে ফেললেই গ্র্যাভিটন বা মহাকর্ষ কণা পর্যবেক্ষণ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সে জন্য হাতের কাছে যেকোনো বস্তু টনকে টন জড়ো করে, তা দিয়ে অতিভারী বস্তু তৈরি করে সংঘর্ষ ঘটালে হবে না। আমাদের দরকার দানবীয় অতিভরের কোনো কৃষ্ণগহ্বরের মতো বস্তু বা দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষ।
কোয়ান্টাম মেকানিকস এবং আপেক্ষিকতার মিলনে নতুন যে তত্ত্ব পাওয়া যাবে, তার পোশাকি নাম কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি বা কোয়ান্টাম মহাকর্ষ। কিন্তু সমস্যা হলো সেটি কেমন হবে? কেউ জানে না। পদার্থবিজ্ঞানীরা মাঝেমধ্যে তাত্ত্বিকভাবে এ ধরনের কণার ভবিষ্যদ্বাণী করেন, পরে সেগুলো পরীক্ষামূলকভাবে পাওয়া যায়। সম্প্রতি লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে পাওয়া হিগস বোসন এমন একটি কণা। কিন্তু কোয়ান্টাম মেকানিকস আর আপেক্ষিকতাকে একীভূত করতে পদার্থবিদেরা এখন পর্যন্ত যতবার চেষ্টা করেছেন, ততবারই ব্যর্থ হয়েছেন। এসব চেষ্টায় অসীমের মতো কিছু ফল পাওয়া গেছে, যা অর্থহীন।একদিন হয়তো ভালো কোনো আইডিয়া তাঁদের মাথায় উঁকি দিতেও পারে, যার মাধ্যমে এই বিপরীতধর্মী তত্ত্ব দুটিকে একত্র করা যাবে। তাঁদের এসব চেষ্টার ফসলের মধ্যে রয়েছে স্ট্রিং থিওরি এবং লুপ কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি। তবে এই তত্ত্ব দুটি সঠিক কি না, তা–ও আমরা জানি না। কারণ সেগুলো পরীক্ষা করে দেখাও কঠিন। তত্ত্ব দুটি পরীক্ষামূলকভাবে সত্যি প্রমাণ করতে আমাদের অবিশ্বাস্য রকম বড় পার্টিকেল অ্যাকসিলারেটর দরকার। একেকটা অ্যাকসিলারেটরের আকৃতি হবে আমাদের সৌরজগতের সমান। সেটি এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে বানানো অসম্ভব।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন