মৃত্যুর কাছাকাছি যাওয়ার সময় কোনো দুজন ব্যক্তি হুবহু একই জিনিস অনুভব করেনন
মহাবিশ্বের অপর নাম বিশ্ব প্রকৃতি। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সকল মানুষেরই অভিন্ন বিশ্বাস প্রকৃতি নামক একটা সত্বা রয়েছে যা মানব হস্তক্ষেপ মুক্ত। যেমন বিশ্বাস রয়েছে দেহের পরিচালনায় রয়েছে প্রাণ নামক একটা অদৃশ্য সত্বা। অনুরূপ বিশ্ব প্রকৃতিকে পুরোপুরি বুঝতে হলে পদার্থ বিজ্ঞানীরা একটা শর্তারোপ করেছেন যে, এমন একটা টু ইন কণা থাকতে হবে যা অবশ্যই অদৃশ্য হতে হবে। স্যার অআইজাক নিউটনও উপর থেকে নীচে কিছু পড়ার কারণ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব বল্লেও উপর থেকে চাঁদ-সূর্য পৃথিবীতে অআছড়ে না পড়ার ক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কার্যকারিতা না দেখে হতভম্বিত হয়ে এর কারণ হিসাবে অদৃশ্য দড়ির কারসাজি বলে বিশ্বাস করতেন। এই অদৃশ্য কথিত দড়িই হতে চলেছে আগামীদিনের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরি তথা থিওরি অব এভরিথিং মর্মে স্ট্রিং থিওরি এবং কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন বিজ্ঞানীদের আশাবাদ।
অআল্লাহ পাক জাহের এবং বাতেন। কিতাবা ওয়াল হিকমাহ। মূসা অআঃ অআর খিজির অআঃ, চার সাহাবী অআর ওয়ায়েজ করণী। শীত গ্রীষ্ম, রাত দিন জোড়া জোড়া। সিয়াসত অআর খেলাফত, অআমিরাত। এসবের ভিত্তি ন্যায় বিচার। মানব সৃষ্টির ঘোষণা দেন ফেরেশ্তাদের মাঝে। এই বলে অআমি পৃথিবীতে খলিফা ....। কিন্তু বানিয়ে রেখেছেন জান্নাতে। মানব জাতির সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে খলিফা, অআমিরাত যার অধিকারী স্বয়ং রসূল সাঃ তদীয় শীর্ষ সাহাবী। শীর্ষ সাহাবীদের মধ্যে হযরত ওমর রা অআলী যাঁদেরকে বলা হয়েছে এমন এক লোকের সান্নিধ্য পেলে তাঁকে দিয়ে অআল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনার জন্য ওসিয়ত করে যান মহানবী সাঃ শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী কে? উত্তরে মূসা অআঃ জানান অআমি। অতঃপর অআল্লাহ পাক মুসা অআঃকে এমন এক বুজুর্গের অনুসরণ করতে বলা হয়েছে আপাততঃ যার অআচরণ অস্বাভাবিক। এসব ঘটনা প্রবাহে ইসলামের মারেফাতের দ্বার উন্মোচচন করে। তাকদির ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ঈমান নিয়ে কবরে যাওয়া না যাওয়া তাকদীরের ফয়সালা। অনেক ঘটনা অআপাততঃ অস্বাভাবিক। যেমনঃ ১৭৫৭ সালের পলাশির যুদ্ধ সরসরি সত্য মিথ্যার দ্বন্দ্ব ছিল। সত্যপন্থীরা সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে। ব্যতিক্রম হযরত আবদুল গফুর রহিমাহুল্লাহ। মহানবী সাঃ এর আজন্ম শ্রেষ্ঠ অভিভাবক আবু তালেবের ঈমান আনার নির্ভরযোগ্য দলিল নেই পক্ষান্তরে বদর-ওহুদ যুদ্ধের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক অআবু সুফিয়ান জলিলুল কদর সাহাবী। নির্মমভাবে হত্যাকারী হন্তক ওয়াশি হেদায়েতপ্রাপ্ত। এতে মহান অআল্লাহর কুদরতি ইচ্ছার প্রতিফলন মাত্র। তাকদিরের ফয়সালা যা মানার নামই বন্দেগী। আমরা আসন্ন বিপদ মুক্তির জন্য দোয়ায়ে ইউনুস পড়ি। জঙগে কারবালার সময় কেন দোয়া ইউনুস পড়ে বিপদ মুক্তির জন্য তদবির করা হয়নি? তাকদির এমনটি হতে দেয়নি। কারবালার ঘটনার দুইশত বছর পর ইতিহাস লিখা হয়। আব্বাসী শাসন-উমাইয়া শাসনের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বি এমন চরমে পৌঁছে যে, যারা জীবিত ছিল তাদের হত্যা করতো আব্বাসীরা, এমনকি মৃতদের কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটে। এমতাবস্থায়, তথ্য বিকৃতির আশংকা থাকে উমাইয়াদের বিরুদ্ধে।
অনেক বিষয় রয়েছে আবেগ যত না তার চেয়ে বাস্তবতা অনেক বেশি। আবার অনেক বিষয় রয়েছে আবেগ যত না তার চেয়ে বাস্তবতা অনেক কম। https://youtu.be/qK8QX7TZYGQ?si=k_mrYmN4UOYx3L3Tপবিত্র শবে বরাতে আবেগ অনেক বাস্তবতাকে কমিয়ে। ফলে শবে বরাত পরিণত হয় হালুয়া, রুটি, অআতশবাজি, পটকা বাজীতে। সবচেয়ে সূক্ষ্ণ এবং ভয়াবহ পরিণতি উম্মাহর জন্য শবে বরাতের সারা রাত ব্যাপী ইবাদত করে ফজরের নামাজ কাজা করে দেওয়া এবং সারা বছর নামাজ-রোজার কাফফারা এক রাতের ইবাদতে নামিয়ে অআনা যা পবিত্র কুরঅআনে অআছে না সহীহ হাদীসে না, সাহাবায়ে কেরামের আসর বা জীবনীতে পাওয়া যায়। শবে বরাতকে কেন্দ্র করে পাওয়া যায় মাত্র একটি হাদীস-১৩ বছর জাল হাদীসের উপর সৌদী আরবের রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ করে এই তথ্য পাওয়া যায় (দেখুন ড. অআবদুল্লাহ জাহাঙ্গীরের ইউটিউব)। শবে বরাত উপলক্ষে ইবাদত বন্দেগীর যে বর্ণনা পাওয়া যায় তার মান দূর্বল (যয়ীফ)-যা আমলযোগ্য, আর রয়েছে বানোয়াট হাদীস যা পরিহার্য। https://youtu.be/kT6M7ffMZt0?si=G451zxIza9JPprnE
গতকাল রাতেও পবিত্র অআশুরা উপলক্ষ্যে এশাবাদ স্থানীয় জামে মসজিদে বয়ান শুনেছি। তাতে তিনি অত্যন্ত জোর দিয়ে সেসব ধারাবাহিক ইতিহাস বর্ণনা করেছেন তার মানও ছিল দূর্বল। প্রকৃত ইতিহাস হচ্ছে, এদিন হযরত মূসা অআঃ স্বীয় কওমসহ ফেরঅআউনের অআক্রমণ থেকে মুক্তি লাভ এবং ফেরঅআউনের সলীল সমাধি। এর বেশি বর্ণনা মহানবী সাঃ করেছেন কিনা অআমাদের জানা নেই। মূসা পূর্ববর্তী যে সব ঘটনা তা নিছক গবেষণা হতে পারে। এর সত্যতা সম্পর্কে উলেমাদের মধ্যে মত পার্থক্য রয়েছে। তাই অআমাদের মতো অআম জনতার এ ব্যাপারে বেশি মাথা ঘামানোর দরকার অআছে কিনা প্রশ্ন বটে। প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌঁছে (ফারাবী অআল অআরাবী)। পদার্থ মূলে পৌঁছে সিঙ্গুলারিটির মাধ্যমে। অআইনস্টাইনের মতে, প্রত্যেক বিষয়ের একটা পরিণতি অআছে। শবে বরাতের মূল যা সহীহ হাদীসে রয়েছে তা হচ্ছেঃ এ রাতে তারাই ক্ষমা পাবে বোনাস হিসাবে ৩৬৫দিন যাঁরা ১)হিংসা করবেন না এবং ২) শিরক করবেন না। ২ ঈদের ২ বোনাস হচ্ছে ৩৬৫দিনের কর্মের ফসল। বোনাসের দিন যেমন বাড়তি কাজ করতে হয় না অনুরূপ শবে বরাতের দিন নিসফে শাবানের দিন কোনো প্রকার ইবাদতের তাগিদ নেই এই হাদীসে। দিনে রোজা, রাতে ইবাদত যেন শবে বরাতের প্রধান অঙ্গে পরিণত। ধান বানতে যেমন শিবের গীত যেমন তেমনি অআশুরার মূল চেতনা, মূল ঘটনা ব্যক্ত করতে গিয়ে অআমাদের করতে হয়ে শবে বরাতের গীত গাইতে হচ্ছে সংগত কারণে। কারণটি হচ্ছেঃ অআশুরার ঘটনার সাথে শবে বরাতের যে সম্পর্ক রয়েছে তা হচ্ছে শিরক। শিরকের মূল হচ্ছে নাফসানিয়াত। লাত, উযযা, হুবল মানত প্রমুখ ৩৬০টি মূর্তি পূজার ফাজায়েল নিছক পার্থিব অর্জন, এদের পূজা করলে মৃত্যু কষ্ট লাঘব হবে, কবরে মনকির নকিরের সওয়াব-জওয়াব সহজ হবে, কবর প্রশস্থ হবে, জান্নাতের হাওয়া প্রবাহিত হবে, হাশরের কঠিন হিসাব সহজ হবে পুলসিরসিরাত বিজলির মতো পার হয়ে ৮ জান্নাতের যে কোন একটি জান্নাত নসীব হবে-এমনটি নয়। বরং লাতের পূজা করলে দুনিয়াতে নগদ কি লাভ হবে, উযযাকে পূজা করলে যা লাভ হবে ইত্যাদি। নফসানিয়াত মানব জাতির অস্তিত্বের অংশ যাকে নফসে আম্মারা বলা হয়। এই স্বাভাব সৃষ্টিগত যার স্রষ্টা স্বয়ং অআল্লাহ যা সৃষ্ট করা হয়েছে পরীক্ষার জন্য। খায়রিহি ওয়াশাররিহির সাক্ষ্য অআমাদেরকে দিতে হচ্ছে অআল্লাহ সৃ্ষ্ট নফসে অআম্মারা দ্বারা। এর দ্বারা সংঘটিত অপকর্মের দায় অআল্লাহকে দেওয়া যাবে না কারণ, অআল্লাহ পাক সাথে দিয়েছেন সত্য মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য যথাযথ বিবেক বুদ্ধি। হাশরে বিচার হবে এই বুদ্ধি বিবেকের। তবে সবচেয়ে পরম-চরম বিষয় হচ্ছেঃ তাকদিরের ফয়সালা। এমন কোনেআ ঘটনা নেই যা সংঘটের অআগেই কিতাবে লিপিবদ্ধ হয়নি। এক্ষেত্রে অআল্লাহ নিজেকে বলেছেনঃ বেপরোয়া। নিয়ম-নীতি অআল্লাহর অধীন, অআল্লাহ এক্ষেত্রে স্বাধীন। অআলআম হাকে ইচ্ছা হেদায়েত দেন, যাকে ইচ্ছা গুমরাহ করেন। অআল্লাহ অকল্যাণকে কল্যাণে পরিণত করেন। অনেক দূর্বলকে (যেমন সম্প্রতি ইরানকে)সবলের উপর বিজয়ী করেন যেমন ১০০০ এর উপর ৩৬০কে বিজয়ী করেছেন বদর যুদ্ধে। জঙ্গে ওহুদে যে হিন্দা অআমিরে হামজার কলিজা চিবিয়ে খেয়েছেন, মূল কমান্ডার অআবু সুফিয়ান উনাদের পরিণত হয়েছিল জাগতিক নিয়মের উর্ধ্বে অনন্য অসাধারণ। যদি মহানবী সাঃ জীবিত থাকতেন, ওয়াহীর ধারা চলমান থাকতো, টুকরা টুকরা করে যে ওয়ায়েশি অআমিরে হামজাকে শহীদ করেছিলেন ভাবছিলেনঃ ইসলামে অআমার স্থান হতে পারে না। সাথে সাথে আল্লাহপাক জিবরাইল অআমীনকে পাঠিয়েছিলেন মহানবী সাঃ এর নিকট এই বলেঃ লা- তাকনাতু মির রহমাতিল্লাহ....। একই আয়াত যে ইয়াজিদের নিকট পাঠাতেন না তা কি আমরা হলফ করে বলতে পারি? তবে অনেকটা হলফ করে বলা যায়, যে ওয়ায়েশি মহানবী সাঃ কে যারপর নাই দুঃখ দিয়েছেন, ইসলাম গ্রহণের পরও ওয়াশিকে মহানবী সা এর সামনে অআসতে বারণ করেছিলেন কষ্ট না বাড়ার কারণে, সেই ওয়াশি যদি ক্ষমা প্রাপ্ত হয়, হিন্দা জলিলুল কদর মহিলা সাহাবী হয়ে ইয়ারমুকের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর বিজয় অর্জনের একমাত্র অনুপ্রেরণা হতে পারেন, আবু সুফিয়ান ইসলামের জেহাদে চোখ হারাতে পারেন, তদীয় পুত্র ...কে কাতেবে ওয়াহী পদে মহানবী সাঃ ভূষিত করতে পারেন, অন্ততঃ ৪ মাযহাবের ৩ মাযহাব ইয়াজিদের প্রতি বিরূপ ভাবাপন্ন না হলে অআমরা কেন মূল সত্যকে উপেক্ষা করে বিকৃত ইতিহাসকে চিরকাল ধারণ করে মূল সত্য থেকে বিচ্যুত হতে যাবো। আমরা ভুল করে বলে থাকিঃ আদম গন্দম খেয়ে গুনাহ করেছেন-অথচ সব নবী-রসুল অআঃ মাসুম। যে ভুলটা অআদম করেছিলেন তা অআল্লাহ করিয়েছেন। রোজা অবস্থায় অআমরা দিনে দুপুরে যে খানা খাই- তা আল্লাহ খাইয়ে থাকেন। তাই ভুলক্রমে রোজার দিন খেলে রোজা ভঙ্গ হয় না। ভুলক্রমে মানব মাতা হাওয়া অআঃ এর সাথে .....করতে গিয়ে ভুলে বসেন গন্দম গাছের নিকটবর্তী হতে। এতে ইবলিসের সাময়িক বিজয় হয়েছে যেমন ৪ বছর ব্যাপী নেতানিয়াহু-জোবাইডেন ট্রাম্পের বিজয় হয়েছিল যা অস্থায়ী। স্থায়ী বিজয় হয়েছে আদম অঃ এর যিনি পৃথিবীতে আসার কারণে পুত্র-কন্যা, নাতি-পুতিসহ ৮০০ কোটি মানুষের আদি পিতা হতে পেরেছেন।
হযরত হাসান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন কাশফের অধিকারী। হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন বেলায়েতের অধিকারী। অআজ পাকিস্তানের লাহোরে যে ইরানী সার্কাস অনুষ্ঠান এটা বেলায়েতের কারণে হচ্ছে। লাহোরের এক বুযুর্গের খলিফা হযরত মাওলনা মীর মুহাম্মাদ আখতার শাহ রহিমাহুল্লাহ (যিনি এই প্রতিবেদকের ঘনিষ্ট আত্মীয়, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত এককালের ইসলামাবা(যা বর্তমানে পাকিস্তানে স্থানান্তরিত)খ্যাত বার আউলিয়ার ধন্য ভূমি খ্যাত চটু্গ্রামের পূর্ব মাদারবাড়িতে জন্ম গ্রহণ, পবিত্র মককা শরীফে শায়িত)যাঁকে কেন্দ্র করে অদূরে ধনিয়ালাপাড়া শাহ আবদুল জাব্বার রহঃ সড়কে কেন্দ্রীয় বায়তুশ শরফের মাধ্যমে বহুমুখী শরীয়ত-ত্বরিক্বতের ঈমানী-রূহানী কার্যক্রম দেশব্যাপী হচ্ছেএবং হবে ইনশাআল্লাহ। এই বেলায়েতের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম হাসান রাঃ মাত্র ছয়মাস খেলাফতের পর স্বইচ্ছায় ক্ষমতা ত্যাগ করে আমিরে মুয়াবিয়া রাঃ কে অর্পন করেন যিনি সুদীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ মহান আল্লাহর উনার মাধ্যমে ইসলামের মহান খেদমতের আন্জাম বখশিশের ফলশ্রুতিতে ইসলাম বিশ্বের আনাচে কানাচে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয় যার সাব কমান্ডার ছিলেন ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া। ইমাম হাসানের শর্ত ছিলঃ আমিরে মুয়ারিয়ার খেলাফত পরবর্তী খলিফা নির্বাচন। এক্ষেত্রে স্বীয় ভ্রাতা হুসেইন ইবনে অআলীর নাম প্রস্তাব করেন এবং আমিরে মুয়াবিয়া সানন্দে মেনে নেন। বস্তুতঃ এখান থেকেই শহীদে কারবালার জটিলতা শুরু হয়। আমিরে মুয়াবিয়ার সংকল্প পরবর্তী খেলাফত হুসেইন রাঃ এরই। কিন্তু ২০ বছরের খেলাফতের পরম সাফল্য বয়ে অআনে ইসলামী রাজত্বে শান্তি, সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতার পাশাপাশি ব্যাপক বিস্তৃতি এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশেষ করে সমর প্রযুক্তির উদ্অআবন। যার সফল উত্তরাধিকারী হচ্ছেন তদীয় নাতি খালেদ ইবনে ইয়াজিদ যিনি ইসলামের প্রথম রসায়নবিজ্ঞানী অআধুনিক বিজ্ঞানের স্থপতি।যার বিস্তৃতি হযরত জাফর সাদেহ-জাবির ইবনে হাইয়ান প্রমুখ। যাহোক, জলিলুল কদর সাহাবাদের উপর্যুপরি তাগিদ ছিলঃ ইসলামের বৃহত্রর বিস্তৃতির সাথে সফল উত্তরাধিকারী ইয়াজিদ যেন পরবর্তী খলিফা হন।ইয়াজিদের বায়েত হন নি-এমন বিশিষ্ট জনের মধ্যে স্বয়ং হুসেইন রাঃ ছাড়াও ছিলেন হযরত আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (সম্ভবতঃ)।বিষয়টির হাকিকাত পরে আলোচিত হবে ইনশাআল্লাহ। সংখ্যাগরিষ্টদের মতের ভিত্তিতে বিশেষ প্রয়োজনে ইয়াজিদের খেলাফত অআপাততঃ মেনে নেওয়া হলেও এমনকি ধরে নেয়া যায় যে, ঘটনার মূলে ছিলেন ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ যিনি পদোন্নতি, খলিফার সন্তুষ্টি ভাজন করে বৈষয়িক স্বার্থ হাসিলের হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ইয়াজিদ যেখানে কুফা থেকে হুসেইন রাঃ কে সসন্মানে দরবারে অআনার নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং হুসেইন রাঃ চেয়েছিলেন কুফা থেকে সরাসরি সীমান্তে গিয়ে বর্ডার রক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন অথবা মদীনায় ফিরে অআধ্যাত্মিক সাধনায় অআবারও নিমগ্ন হবেন। কুফাবাসীর শত শত চিঠির জবাব হিসাবে নিরস্ত্র অবস্থায় সপরিবারে কুফা যান। যার কারণে অআল্লামা ইকবালের বিখ্যাত জনপ্রিয় শেরে বলা হয়েছে,হে কুফাবাসী হুসেইন মুসাফির হয়ে কুফা যাননি তোমাদের দাওয়াতে মেহমান হয়ে গিয়েছিলেন। যদি কুফা না যেতেন তাহলে কি হতো তা পরে বর্ণিত হবে ইনশাআল্লাহ। খেলাফতের অআগে তো দূরের কথা খেলাফতের এক বছর পূর্তি পর্যন্তও দুরাচারী প্রকাশ পায়নি ইয়াজিদের। তাই জলিলুল কদর সাহাবীসহ অআমিরে মুয়াবিয়াকে ইয়াজিদের চরিত্রগত কারণের জন্য দোষারোপ করা সংগত নয়। একজন মাত্র সাহাবীর সমালোচনা সকল সাহাবীর সমালোচনার দরজা খুলে দেওয়ার নামান্তর। তাই ইয়াজিদকে উপলক্ষ করে অআমিরে মুয়াবিয়ার পদস্খলনের প্রচেষ্টাকে বাস্তব সত্যের অআলোকে প্রতিহন করা দরকার। কারণ ইয়াজিদের খেলাফতের ব্যাপারে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাহাবীর ইসলামের বৃহত্তর সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতার স্বার্থে সমর্থনের দায় উনাদের উপরও বর্তানোর কোশেশ হতে পারে। তবে ইয়াজিদের খেলাফতের প্রথম যে পদস্খলন ঘটে শহীদে কারবালাকে কেন্দ্র করে তা ছিল সূক্ষ্ণ এবং পরোক্ষ এবং তাৎপর্যপূর্ণ। তা হচ্ছে, শহীদে কারবালার ব্যাপারে ইয়াজিদের নাফসানিয়াতের বহিঃপ্রকাশ ঘটে হন্তক ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদকে কতলের দায়ে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক হদ এর অআওতায় না আনা যদিও ইয়াজিদ জিয়াদকে ভর্ৎসনা করেছিলেন। ইয়াজিদের দুরাচারের প্রকাশ ঘটে খেলাফতের দ্বিতীয় বর্ষে-যার দায় ইয়াজিদ এড়াতে পারেন না যার কারণে ৪ মাযহাবের এক মাযহাব এ ধরণের কার্যকলাপকে কুফুরী আখ্যায়িত করেছেন । হুসেইন রাঃ এর ইয়াজিদের বায়েত হননি, খেলাফতের কারণে নয়, এ ধরণের ভবিষ্যত দুরাচারের প্রকাশ কাশফের মাধ্যমে হয়ত অনুভব করেছিলেন। হুসেইন রাঃ যদি বায়েত হতেন তাহলে ইয়াজিদের খেলাফত নির্বাচনের দায় হুসেইন রাঃ এর প্রতিও বর্তানো অস্বাভাবিক ছিল না। পক্ষান্তরে হুসেইন রাঃ যদি কুফাবাসীর প্রতি সাড়া না দিতেন তাহলে ইয়াজিদের খেলাফতের দায় হুসেইন রা এর প্রতি শিয়ারা বর্তাতো হয়তো। সুতরাং ইয়াজিদের বায়েত না হওয়া এবং কুফাবাসীর ডাকে সাড়া দিয়ে হুসেইন রা ভুল করেন নি। এমনকি কুফাবাসীর সমর্থনে যদি কুফার খেলাফত পেতেন তাহলে তা হতো শিয়াপন্থী খেলাফত। ইসলামের ইতিহাসে সুন্নিয়াত বলতে কিছু থাকতো না। বাস্তবতা এই যে, সুন্নিয়াতের ধারাবাহিকতা উমাইয়া, ফামেমী, আব্বাসী, তুর্কীর মাধ্যমে আজ ৪ মাযহাবের মাধ্যমে সুবিস্তৃত।
আদি পিতার গন্দম গাছের যাওয়ার মূল কারণ ইবলিশের সেই প্ররোরচনা যার কাছে যাওয়া মানে জান্নাতের সুখ শান্তির স্থায়িত্ব পাওয়া যাতে আদম অআঃ প্রলুদ্ধ হয়েছিলেন নফসে আম্মারার কারণে যা স্বয়ং আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন বলে আমরা ঈমান রাখিঃ খয়রিহি ওয়াশাররিহিতে। অনুরূপ পৃথিবীতে জেনেটিক সূত্রে নফসানিয়াতের পরিচয় দেন কাবিল। সে নফসানিয়াত নূহ অআঃ এর যুগ থেকে শিরকে উন্নীত হয়। ইবরাহিমের প্রতি নমরুদের শত্রুতা নফসানিয়াত যেমন মূসা অআঃ প্রতি ফেরঅআউনের, মহানবী সাঃ এর প্রতি অআবু লাহাবের মূলে পুরোপুরি শিরক কারণ আবু লাহাবের প্রকৃত নাম আবদুল উযযা যা ৩৬০ মূর্তির অন্যতম।-আবু জাহলের শত্রুতার মূলে অর্ধ ভাগ শিরক অর্ধ ভাগ গোত্র বিদ্বেষ। হযরত অআলী রাঃ এর সাথে মুয়াবিয়া রঃ এর দ্বন্দ্ব কি কারণে তা অস্পষ্ট। যদি ক্ষমতার দ্বন্দ্ব হতো তাহলে এই দ্বন্দ্বে রোমান সম্রাট মুয়াবিয়া রাঃ সামরিক সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা তৎক্ষণাৎ সাড়া দিতেন, বরং তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েঃ রোমান কুকুর বলে। অআলী রাঃ এর সাথে মা অআয়িশা রাদঃ দ্বন্দ্বও ছিল না নফসে অআম্মারা বরং নিছক ইসলামের স্বার্থে নিছক ইখতিলাফ যাতে রহমত রয়েছে মর্মে হাদীস সূত্রে জানা যায়। তাছাড়া হযরত হাসান বসরি রহঃ একটি স্মরণীয় উক্তি প্রণিধানযোগ্য তা হচ্ছেঃ যে দ্বন্দ্বের প্রতক্ষ্যদর্শী নয় সে দ্বন্দ্বে জড়িত হওয়া উচিত নয়। শহীদে কারবালার ঘটনাকে অন্ততঃ ৩ প্রধান মাযহাবের ঈমাম নীরব থেকেছেন। এক মাযহাব সরব হওয়ায় অআহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অআকিদায় ইয়াজিদ হচ্ছেন ফাসেক। সূক্ষ্ণ তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে ইয়াজিদ শহীদে কারবালার পরোক্ষ অংশীদার। প্রত্যক্ষ অংশীদার সেনাপতি ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ-যিনি পদোন্নতির লোভে হুসেইন রাঃকে সন্মানে দরবারে হাজির করার পরবর্তে দ্বিখন্ডিত করে অআনায় ইয়াজিদ সেনাপতি ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদকে তাৎক্ষণিক ভর্ৎসনা করেন। তবে কতল করার দায়ে বিচার এবং হদ কার্যকর না করার মধ্যে ইয়াজিদের মধ্যে ক্ষমতার স্থায়ীত্বের প্রত্যাশা তথা নফসানিয়াতের প্রকাশ ঘটে যাতে ইয়াজিদ পরোক্ষভাবে দায়ী। তবে ইয়াজিদের ক্ষমতা ইসলামের নতুন ফেতনা শিয়ায়িজমকে রোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অন্যথায় অআজকের সুন্নিয়াত পুরোপুরি শিয়াইজমে পরিণত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকতো। অবশ্য যতদিন হযরত অআলী রাঃ জীবিত ছিলেন ততদিন শিয়ারা ছিল প্রকৃত সুন্নী। কেবল শহীদে কারবালা নয় যুগে যুগে মুসলমানরা বারে বারে নফসানিয়াতের পরিচয় দিয়ে ইসলামে বিপর্যয় ঘটনাচ্ছে। ভারত উপমহাদেশে মুসলিম শাসন অবসানে নফসানিয়াত সক্রিয় থাকায় নবাব সিরাজ উদ্দৌলাহকে অআর্থিক লোভে মুসলমানরাই মসজিদ থেকে শত্রুর হাতে ধরিয়েছিল। ওসামা বিন লাদেনকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন অআর্থিক লোভী মুসলমানই। ইরানের অআয়াতুল্লাহ খামেনীসহ শীর্ষ নেতারা নিহত হন ইসরাইলের অর্থলোভী দেশীয় চরের কারণ।ে
শিরকমুক্তির নাম ইসলাম। শিরকের বীজ রয়েছে লোভের মধ্যে। মুশরিকরা বাস্তবে নাস্তিক নন-অর্ধ নাস্তিক অর্ধ মুমিন। মুশরিকাতের নীতি এই নয় যে, তারা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী নন। বরং তারা এক্সট্রা একটা মাধ্যম মনগড়া স্থির করেন বিভিন্ন প্রকার নাফসানিয়াতের লেবেল এঁটে যা মুশরিকদের উদ্বুদ্ধ করে মূর্তির নিকট চাওয়া-পাওয়ার জন্য।
একজন মৃত্যুগামী ব্যক্তির মৃত্যু পূর্বপরবর্তী বছরের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ
মৃত্যু সনঃ ২০০৬ সাল, ২০০৫ সালের কথা। জাতীয় মুবাল্লেগ সম্মেলন ডাকেন ঢাকায়। এবং দায়িত্ব বুঝে দেন। ২০০৬ সালে অতি সংক্ষিপ্ত সময়ে চট্টগ্রাম অআসার সংবাদ প্রচার করেন।
Yet some people's visions of the afterlife were far more fantastical, featuring bizarre elements that you wouldn't find anywhere in the Bible.
Scientists interviewed 48 people about what they saw during their near–death experiences. Their answers range from classic visions of tunnels and lights to bizarre encounters with otherworldly beings Scientists interviewed 48 people about what they saw during their near–death experiences. Their answers range from classic visions of tunnels and lights to bizarre encounters with otherworldly beings
Participants were asked to describe what they saw when they had their near-death experience, and to sketch the geometry of the experience
Participants were asked to describe what they saw when they had their near-death experience, and to sketch the geometry of the experience
NDEs are intense and often life–changing experiences that occur during life–threatening situations such as cardiac arrest or respiratory failure.
Estimates suggest that about four to eight per cent of the general public have had an NDE.
However, despite being surprisingly common, scientists have struggled to find a way of systematically studying such intense and personal experiences.
In a new study, currently awaiting peer review, researchers tried to categorise NDEs by interviewing people about the 'geometry' of their experience.
Surprisingly, these interview sessions revealed that no two people experienced exactly the same thing as they approached death.
Even people who had visions of religious figures like God, Jesus, and the angels saw wildly different things.
One participant described how they 'became light' and saw 'Jesus at my right, bearded, robed, there to show me the way out'.
Another told the interviewers: 'God force entered from in front of me toward the right. I had the feeling of wanting to lift my head up, but could not or felt that I shouldn't.'Common themes of near–death experiences
God or Jesus
Beautiful gardens
Loved ones
Strange beings
'Organic' tunnels
Black holes
Visions of the future
Powerful lights
Black holes and vortexes
Staircases and escalators
Meanwhile, another participant gave an incredibly detailed description of an 'angel' that had come to visit them in their final moments.
They said this being had 'exquisite white wings, the feath
২,৩২৬
তবুও কিছু মানুষের পরকাল সম্পর্কিত দর্শন ছিল আরও অনেক বেশি অলীক, যেখানে এমন সব অদ্ভুত উপাদান ছিল যা বাইবেলের কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বিজ্ঞানীরা তাদের মৃত্যুমুখী অভিজ্ঞতার সময় কী দেখেছিলেন সে সম্পর্কে ৪৮ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন। তাদের উত্তরগুলোর মধ্যে সুড়ঙ্গ ও আলোর চিরাচরিত দৃশ্য থেকে শুরু করে অপার্থিব প্রাণীদের সাথে অদ্ভুত সাক্ষাৎ পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় ছিল।
অংশগ্রহণকারীদের তাদের মৃত্যুমুখী অভিজ্ঞতার সময় তারা কী দেখেছিলেন তা বর্ণনা করতে এবং সেই অভিজ্ঞতার জ্যামিতিক গঠন আঁকতে বলা হয়েছিল।
মৃত্যুমুখী অভিজ্ঞতা হলো তীব্র এবং প্রায়শই জীবন পরিবর্তনকারী এক অভিজ্ঞতা, যা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া বা শ্বাসযন্ত্র বিকল হওয়ার মতো জীবন-হুমকির পরিস্থিতিতে ঘটে থাকে।
অনুমান করা হয় যে, সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রায় চার থেকে আট শতাংশ মানুষের মৃত্যুমুখী অভিজ্ঞতা হয়েছে।
তবে, আশ্চর্যজনকভাবে সাধারণ হওয়া সত্ত্বেও, বিজ্ঞানীরা এই ধরনের তীব্র ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাগুলোকে পদ্ধতিগতভাবে অধ্যয়ন করার একটি উপায় খুঁজে পেতে হিমশিম খেয়েছেন।
বর্তমানে পিয়ার রিভিউয়ের অপেক্ষায় থাকা একটি নতুন গবেষণায়, গবেষকরা মানুষের অভিজ্ঞতার 'জ্যামিতি' সম্পর্কে সাক্ষাৎকার নিয়ে মৃত্যু-পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতাগুলোকে (NDE) শ্রেণিবদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন।
আশ্চর্যজনকভাবে, এই সাক্ষাৎকার পর্বগুলো থেকে জানা গেছে যে,
মৃত্যুর কাছাকাছি যাওয়ার সময় কোনো দুজন ব্যক্তি হুবহু একই জিনিস অনুভব করেননি। এমনকি যারা ঈশ্বর, যিশু এবং দেবদূতদের মতো ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের দর্শন পেয়েছিলেন, তারাও সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন জিনিস দেখেছিলেন। একজন অংশগ্রহণকারী বর্ণনা করেছেন কীভাবে তিনি 'আলো হয়ে গিয়েছিলেন' এবং দেখেছিলেন 'আমার ডানদিকে দাড়িওয়ালা, পোশাক পরা যিশু, যিনি আমাকে বেরোনোর পথ দেখাতে এসেছিলেন'। আরেকজন সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীদের বলেছিলেন: 'ঈশ্বরের শক্তি আমার সামনে থেকে ডান দিক দিয়ে প্রবেশ করেছিল।' আমার মাথা তোলার ইচ্ছা হচ্ছিল, কিন্তু পারছিলাম না অথবা মনে হচ্ছিল যে তা করা উচিত নয়। মৃত্যু-নিকটবর্তী অভিজ্ঞতার সাধারণ বিষয়বস্তু ঈশ্বর বা যিশু সুন্দর বাগান প্রিয়জন অদ্ভুত সত্তা 'জৈব' সুড়ঙ্গ ব্ল্যাক হোল ভবিষ্যতের দৃশ্য শক্তিশালী আলো ব্ল্যাক হোল এবং ঘূর্ণি সিঁড়ি এবং এসকেলেটর এদিকে, আরেকজন অংশগ্রহণকারী তার শেষ মুহূর্তে দেখা করতে আসা এক 'দেবদূত'-এর অবিশ্বাস্যরকম বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, এই সত্তাটির 'অসাধারণ সাদা ডানা, পালক...' ছিল
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন