নিউট্রিনো মহাকর্ষ

https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%259A%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A5-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yct2c Contact info Shoaib Ahmed Malik’s profile linkedin.com/in/shoaib-ahmed-malik-beng-pgce-msc-phd-eng-phd-theo-fissr-sfhea-81127b56 BirthdayAbout I hold dual Ph.Ds in Chemical Engineering and Theology. While I began my career as a chemical engineer, I later shifted my focus to the intersection of Islam, Philosophy, and Science. Today, I am a dedicated full-time teacher and researcher in the burgeoning field of Islam and Science. My most recent achievement is an open-access monograph titled "Islam and Evolution: Al-Ghazālī and The Modern Evolutionary Paradigm," which received the prestigious award for the best academic book in science and religion for 2022 from the International Society for Science and Religion. For access to my publications, please visit: https://zayed.academia.edu/ShoaibMalik Contact info Niger Sultana’s profile linkedin.com/in/niger-sultana-siddika-9317a43ab4th Rrvision ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স টেক নিউজNiger Sultana Siddika · 1st Operations & Business Support | Research, Data Analysis & Process Coordination | Strong Communication | Reliable Execution | Immediate Impact Chattogram, Chattogram, BangladeshExperience University of Chittagong logo Research Assistant University of Chittagong Conducted field surveys to assess vegetation condition and ecosystem health. Assisted in field data collection, environmental assessment, and statistical data analysis. Prepared technical reports and supported the presentation of research findings. Coordinated with team members in demanding field environments to meet project deadlines. Project Participant Miyawaki Forest Project Assisted in site preparation, sapling plantation, and soil management for urban greening. Monitored seedling growth and survival rates to ensure project sustainability. Led community awareness campaigns to promote environmental conservation.… more University of Chittagong logo University of Chittagong 8 mos On-site Community Engagement & Research Contributor (Integrated Forest Management Project) Nov 2025 - Feb 2026 · 4 mos Madhupur Upazila, Dhaka, Bangladesh Conducted structured household surveys across 15 households to collect socio-environmental data for an integrated forest management plan Assisted in coordinating team activities during fieldwork, ensuring data was accurately collected and recorded Contributed to data cleaning, analysis, and interpretation for the final management report Supported the preparation of survey documentation, including questionnaires and observation notes Gained experience in field research, community engagement, and practical data collection methodologies Collaborated with team members to ensure data collection followed rigorous methodological standards, maintaining consistency across all households Identified trends and patterns in socio-environmental data, contributing insights to inform sustainable forest management recommendations Communicated findings to team members and faculty, supporting the creation of actionable recommendations for the management plan Developed proficiency in using survey tools, data recording templates, and basic GIS mapping techniques Applied problem-solving skills to address challenges during fieldwork, such as scheduling households or clarifying responses Strengthened interpersonal and community engagement skills by interacting with diverse household respondents… more Analytical Skills, Pattern Recognition and +13 skills Undergraduate Researcher Jul 2025 - Feb 2026 · 8 mos Chattogram, Bangladesh Designed and implemented a hierarchical field sampling framework across 12 plots in low- and high-disturbance forest sites, incorporating three soil depth intervals per plot to ensure representative data collection. Conducted systematic soil sampling, laboratory incubation, and colony-forming unit (CFU) enumeration to assess microbial abundance across ecological gradients. Applied Log₁₀(CFU+1) transformation techniques to normalize microbial count data for statistical validity. Performed quantitative data analysis using SPSS, including comparative statistical assessments to identify depth-based and disturbance-based variation patterns. Identified significant vertical gradients in microbial distribution, with surface soils demonstrating the highest microbial abundance. Observed higher bacterial and Trichoderma populations in low-disturbance sites, contributing insights into ecosystem resilience and soil health dynamics. Documented findings in structured research format, integrating field observations, statistical interpretation, and ecological implications. Demonstrated strong competencies in research design, data management, analytical reasoning, and scientific reporting.… more SPSS Statistics, Microsoft Office and +15 skillsCo-Founder Puzzle (Online Retail Business) · Self-employed Apr 2020 - Jul 2020 · 4 mos Chattogram, Bangladesh · Remote -Managed end-to-end business operations including marketing, customer communication, and order fulfillment -Generated 120+ paying customers from 450+ leads -Handled client inquiries, payment coordination, and logistics management -Created promotional content and managed social media engagement -Maintained sales tracking and customer records Start-up Leadership, Sales Management and +6 skills Education University of Chittagong logo University of Chittagong Bachelor of Science, Forestry Jan 2020 – Apr 2026 Grade: 3.65/4.00 AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (EISTN) হলো মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত একটি প্রকাশনা ও মিডিয়া উদ্যোগ。 এটি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং ইসলামিক দৃষ্টিকোণ ও দর্শনের সমন্বয়ে বিভিন্ন তথ্য, গবেষণাধর্মী নিবন্ধ এবং সংবাদ প্রকাশ করে থাকে。 LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +2 এটি নিয়মিত বিভিন্ন সংখ্যা ও সংস্করণে প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা করে。 LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +1 যোগাযোগ ও কার্যক্রমের বিবরণ: সম্পাদক: মুহাম্মদ শেখ রমজান হোসেন ঠিকানা: ২১২৩/২০০৫ উত্তর মোগলটুলী বাই লেইন, পশ্চিম মাদারবাড়ী, সদরঘাট, চট্টগ্রাম প্রকাশনার ধরন: ইসলামিক ও আধুনিক বিজ্ঞানের মেলবন্ধন, সমসাময়িক প্রযুক্তির খবর এবং গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্লাটফর্ম: নিয়মিত প্রকাশনা এবং আপডেটগুলো সাধারণত LinkedIn -এর মাধ্যমে পাঠকদের কাছে পৌঁছানো হয়。 LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +3 ভূমিকাঃসূত্র: উই হ্যাভ নো আইডিয়া/ জর্জ চ্যাম ও ড্যানিয়েন হোয়াইটসন;১) ডার্ক ম্যাটার-ডার্ক এনার্জিঃ পদার্থ বিজ্ঞান যেমন মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর অতিপারমাণবিকতার ক্ষেত্রে ১০-১৬ সেন্টিমিটার ক্ষুদ্র কোয়ার্কে এসে থেমেছে তেমনি মহাবিশ্বের সূচনার ক্ষেত্রে বিগ ব্যাং (মহাবিস্ফোরণ) পর্ব ছাড়িয়ে তৎ পূর্বেকার অবস্থা তথা হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে এসে বর্তমানে স্থিতি অবস্থায় অআছে। অর্থাৎ জানার, অনুমানের রেন্জ বা দৌড় এখানেই শেষ। বিগ ব্যাং উত্তর সৃষ্ট অআদি উচ্চশক্তির বিকিরণের প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে জানা যায় হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন ৪ মহাবল নিয়ে গঠিত। অর্থাৎ ৪ মহাবল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে একত্রিতভাবে ছিল। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে মহাবিশ্বের জন্ম হলেও ৪ মহাবল যদিও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন থেকে পৃথক হয়ে যায় কিন্তু নিজেদের মধ্যে তখনও একত্রিত ছিল। পরে পৃথক হয়েছে। ওয়ার্ল্ড রিসার্চ সেন্টার মনে করে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে ৪ মহাবলের সাথে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জিও একত্রিত ছিল। তার মানে এই দাঁড়ায় যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন কেবল ৪ বল দিয়ে নয় ডার্ক ম্যাটার এবং এনার্জি দিয়েও গঠিত। পার্থক্য হচ্ছে বিগ ব্যাংয়ের পরে কোনো এক সময় ৪ বল পৃথক হয়ে অতিপারমাণবিক জগতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব প্রতিপত্তি খাটাচ্ছে কেউ মেসনের মাধ্যমে, কেউ গ্লুয়নের মাধ্যমে কিন্তু ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি না মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর না অতিপারমাণবিক না বৃহৎ পরিসরে গ্রহ-নক্ষত্রে প্রভাব রাখছে বরং অসীম কারো নির্দেশে চুপটি মেরে আছে। রিসার্চ সেন্টার মনে করে, ডার্ক ম্যাটার অআর এনার্জি যদি সক্রিয় হয় তাহলে মহাবিশ্বের বর্তমান যে সুশৃঙ্খল কাঠামো তা ভেঙ্গে পৃথিবীর জীব বৈচিত্র্যে হয়ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%259A%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A5-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yct2c 4th Rrvision https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%259A%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A5-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yct2c 4th Rrvision গ্র্যাভিটি/মার্কাস চোন; উইকিপিডিয়াবিপুল পরিসরের মহাকর্ষ বলও তাই। এই বলের কাঁধে চেপে হয়তো আমরা আকাশ-বাতাস, গ্রহ-তারকা ভেদ করে একদিন দূরে, বহুদূরে চলে যেতে পারব। আর সেই সম্ভাবনা নির্ভর করছে ভবিষ্যতের কোনো বিজ্ঞানীর হাতে মহাকর্ষের রহস্য সমাধানের ওপর। কে জানে, এই লেখার পাঠকদের মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের সেই বিজ্ঞানী। মহাকর্ষ যে স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়, সেটিও কিছু চমৎকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত করে। এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে এই সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো নক্ষত্র ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ, আমাদের পাশ্ব৴বর্তী নক্ষত্রের দূরত্বও অনেক বেশি। কিন্তু মহাকর্ষের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হলে হয়তো স্থানকে কীভাবে বাঁকাতে হয় কিংবা ওয়ার্মহোল কীভাবে তৈরি করতে হয় বা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা বুঝে ফেলতে পারব। সেটি সম্ভব হলে মহাবিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ানোর আমাদের এত দিনের যে অদম্য ইচ্ছা, তা একদিন সত্যি হতে পারে। তখন স্থান-কালের চাদর ভাঁজ করে মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে। সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ।মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে। মনে রাখতে হবে, মহাকর্ষ বিশাল বিপুল দূরত্বে কাজ করতে পারে। এটিই একমাত্র ও প্রধানতম বল, যা মহাবিশ্বের আকৃতি এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।তাহলে রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা কী? এই বলটা দুর্বল কেন? কেন সেটি অন্য বলগুলোর মতো নয়? এর কারণ এমনও হতে পারে, মহাকর্ষ হয়তো বিশেষ কোনো বল। মহাকর্ষকে অন্য বলের মতো হতে হবে কিংবা একটিমাত্র তত্ত্ব দিয়েই সবকিছু ব্যাখ্যা করতে হবে, এমনটা না–ও হতে পারে। বড় দৃষ্টিভঙ্গির দিকে আমাদের মন খোলা রাখতে হবে। কারণ, মহাবিশ্বের মৌলিক কিছু সত্য সম্পর্কে আমরা এখনো অন্ধকারে রয়ে গেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু অনুমান করেছি, যা পরবর্তী সময়ে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিংবা নিদি৴ষ্ট বা বিশেষ কিছু শর্ত সাপেক্ষে তা সত্য। এমনও হতে পারে, আমাদের আগের জানা যেকোনো কিছুর চেয়ে মহাকর্ষ ভিন্ন কিছু। যার কথা আমরা আগে কখনো ভাবতে পারিনি। কিংবা কে জানে উল্টোটাও হয়তো সত্যি। মনে রাখতে হবে, আমাদের লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বকে সঠিকভাবে বুঝতে পারা। তাই এটা আসলে কেমন, সে সম্পর্কে অনেক বেশি অনুমান করা বাদ দিতে হবে।কখনো যদি দেখা যায়, মহাকর্ষ বিশেষ কিছু এবং অন্যান্য মৌলিক বলের চেয়ে এটা একেবারেই আলাদা, সেটিই জোগান দিতে পারে মহাবিশ্বের বৃহৎ চিত্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু। এর মানে হয়তো মহাকর্ষ গভীর কিছু, যা মহাবিশ্বের নকশার মধ্যে গেঁথে আছে। মাঝেমধ্যে আমরা নিয়ম ছাড়াও ব্যতিক্রম থেকেও অনেক বেশি শিখতে পারি। মহাকর্ষের দুর্বলতা ব্যাখ্যার জন্য মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটি আইডিয়া হলো অতিরিক্ত মাত্রার ধারণা। এ ধারণামতে, আমরা চার মাত্রা নয়, তার চেয়ে বেশি মাত্রার বিশ্বে বাস করি। কিছু পদার্থবিদ বলেন, মহাকর্ষ অন্য মাত্রাগুলোতে চলে যাওয়ার কারণে দুর্বল হয়ে গেছে। অতিরিক্ত মাত্রাগুলোকে আমলে নিলে মহাকর্ষ আসলে অন্য বলগুলোর মতোই শক্তিশালী। কিন্তু সেটিও ঠিক নয়, বেঠিক তা প্রমাণ করার উপায়ও এখনো আমাদের জানা নেই। তাই মহাকর্ষ এখনো আমাদের কাছে বড় একটি রহস্য।মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে। মনে রাখতে হবে, মহাকর্ষ বিশাল বিপুল দূরত্বে কাজ করতে পারে। এটিই একমাত্র ও প্রধানতম বল, যা মহাবিশ্বের আকৃতি এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে, তা বোঝার একটি পন্থা হলো পরীক্ষা করে দেখা। তারপর চৌকস কোনো আইডিয়া দিয়ে পর্যবেক্ষণকে ব্যাখ্যা করা। সে হিসেবে আমরা সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম মেকানিকসের মধ্যে কোনটা সঠিক এবং কোনটা অকার্যকর, তা পরীক্ষা করে দেখতে পারি। যেমন আমরা যদি পরীক্ষা করে দেখতে পাই, দুটি বস্তু পরস্পরের মধ্যে গ্র্যাভিটন কণা বিনিময় করছে, তাহলে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হবে যে মহাকর্ষ হলো কোয়ান্টাম পরিঘটনা।গ্র্যাভিটন কণা দেখার জন্য আমাদের অনেক ভারী বস্তু দরকার। সেই বস্তুগুলোর হতে হবে মহাজাগতিক ভরের, যাতে অন্য বলগুলো ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় থাকবে। এই অতিভারী বস্তুকে পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষের মুখে ফেললেই গ্র্যাভিটন বা মহাকর্ষ কণা পর্যবেক্ষণ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সে জন্য হাতের কাছে যেকোনো বস্তু টনকে টন জড়ো করে, তা দিয়ে অতিভারী বস্তু তৈরি করে সংঘর্ষ ঘটালে হবে না। আমাদের দরকার দানবীয় অতিভরের কোনো কৃষ্ণগহ্বরের মতো বস্তু বা দুটি কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষ।এ রকম মহাজাগতিক অতিভারী দুটি বস্তুর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটিয়েই কেবল মহাকর্ষকে হয়তো কোয়ান্টাম পরিঘটনা হিসেবে প্রমাণ করা সম্ভব। কিন্তু আমরা ভালো করেই জানি, এ রকম কিছু করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব। আমাদের বাজেট বলেন আর সামর্থ্য, কোনোটাতেই কুলাবে না।দুটি কৃষ্ণগহ্বর পরস্পরের কাছাকাছি চলে এলে, তারা একে অন্যকে শুষে নিতে বা গিলে ফেলার চেষ্টা করে। ঠিক এ ঘটনাই মহাকাশে খুঁজে দেখেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশের বিভিন্ন জায়গায় দুটি কৃষ্ণগহ্বর পরস্পরকে কেন্দ্র করে সর্পিলভাবে ঘুরতে শুরু করে ক্রমেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। একসময় দুটির মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। ফলে হয়তো চতুর্দিকে তীব্র বেগে গ্র্যাভিটন কণা বেরিয়ে আসতে পারে। আসলে সেটি ঘটে কি না, তা আমাদের পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে। কিন্তু ব্যাপারটা অত সহজ নয়। কৃষ্ণগহ্বর থেকে সত্যিই যদি কোনো গ্র্যাভিটন কণা বেরিয়ে আসে, তা–ও শনাক্ত করা খুব কঠিন। মহাকর্ষের দুর্বলতার কারণে আপনার ভেতর দিয়ে গ্র্যাভিটন কণা চলে গেলেও কিছুই টের পাবেন না। মহাবিশ্বে নিউট্রিনো নামের একটি অদ্ভুতুড়ে ও অসামাজিক কণা আছে। কয়েক আলোকবর্ষজুড়ে পুরু সিসার পাত ভেদ করেও এই কণাটি চলে যেতে পারে। কারণ, এই কণা সহজে অন্য কারও সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে না। কিন্তু গ্র্যাভিটনের তুলনায় নিউট্রিনোকে সামাজিক কণা বলা যায়। কারণ, গণনায় দেখা গেছে, বৃহস্পতি গ্রহ আকৃতির কোনো ডিটেক্টর দিয়ে গ্র্যাভিটন কণা খোঁজা হলে তীব্র গ্র্যাভিটন উৎসের কাছেও প্রতি ১০ বছরে মাত্র একটি কণা পাওয়া যেতে পারে।যদি জানা যেত কৃষ্ণগহ্বরের ভেতরে আসলে কী ঘটে, তাহলে কোয়ান্টাম মেকানিকস এবং মহাকর্ষকে একত্রে জোট বাঁধার জন্য কিছু ক্লু হয়তো পাওয়া যেত। দুর্ভাগ্য হলেও সত্যি, সরেজমিনে কৃষ্ণগহ্বর পরিদর্শন করা কিংবা সেখানে গিয়ে সশরীর টিকে থাকা, পরীক্ষাটা সম্পন্ন করা, তারপর ফলাফলটা ঝুলিতে ভরে কৃষ্ণগহ্বরের অতি শক্তিশালী মহাকর্ষকে পাশ কাটিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসা এখন পর্যন্ত অসম্ভব।মানুষ স্বভাবজাতভাবে সত্যপরায়ন যা তাঁর অন্তকরণে সাক্ষ্য দেয় যদিও বাহ্যিকভাবে বিপরীত আচরণ করে থাকে কখনও কখনও । বলা হয়ে থাকে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জেগেছিল। শুরুতেই মানুষ সত্যকে জানতে চেয়েছে বস্তুগত মহাবিশ্বকে দেখে। রাতের অন্ধকারে তারা ভরা আকাশ, পূর্ণিমার রাতে জোাৎস্নার আলোকময় আকাশ দেখে, প্রভাতে রক্তিম সূর্য দেখে মনের অজান্তে এসব সত্য জানার জন্য প্রশ্নের উদ্রেক ঘটে এই বলেঃ এসব এলো কি করে, এসব কি দিয়ে তৈরি ইত্যাদি। অথচ বিজ্ঞান মৌলিকভাবে দ্বিবিধ। ১) বস্তুগত অবকাঠামো ২) জ্ঞানগত অবকাঠামো। বস্তুগত অবকাঠামো দু প্রকার ১) তাত্ত্বিক ২) ফলিত বা প্রয়োগিক। প্রয়োগিক বিজ্ঞানের অপর নাম প্রযুক্তি। বিজ্ঞান প্রযুক্তিগতভাবে এনালগ পৃথিবীকে ডিজিটালে উন্নীত করেছে। কিন্তু জ্ঞানগতভাবে এখনও এনালগেই রয়ে গেছে। শুধু তা-ই নয়, বিজ্ঞানীরা যতই অতিপারমাণবিকতার অন্দর মহলের গভীর থেকে গভীরে অবগাহন করছেন ততই নাকি অজানার পাল্লা ভারি হচ্ছে। নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে যেখানে বিজ্ঞানের অর্জন শতভাগ ছুঁই ছুঁই করছিল সেখানে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কীয় কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞান, হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব, হাববল টেলিস্কোপ, ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জির বদৌলতে জানার চাকা উল্টো পানে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সর্বসাকুল্যে ৪ শতাংশে। হালে জেমস ওয়েবের বদৌলতে তা কমে জানার হার দাঁড়িয়েছে ০.৫ শতাংশে। সংগত কারণে বলা হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় তাহলে বিজ্ঞানীরা গবেষণা আর আবিস্কারের নামে সেই বাঘের লেজটা নাড়া করা করেছেন। উল্লেখ্য,তিন শতাধিক বছর পূর্বে নিউটন মহাকাশে মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বের ব্যতিক্রম দেখে বিজ্ঞান জগত থেকে অবসরে যান এই বলেঃ মহাকর্ষ গ্রহ নক্ষত্রকে পরিচালিত করে, মহাকর্ষকে কে পরিচালিত করছেন? জীবন সায়াহ্ণে দাঁড়িয়ে বলেছিলেনঃ মহাসাগর যদি জ্ঞান হয় সেই জ্ঞান সাগরের এক ফোটা পানি হচ্ছে মানব মস্তিস্কজাত জ্ঞান। তিনি গবেষণার নামে সেই জ্ঞান সাগরের বালুতটে নুড়ি কুড়িয়েছেন মাত্র। আইনস্টাইন বলেছেনঃ এই যদি গবেষণা হয় তাহলে গবেষক হওয়ার চাইতে বেয়ারা হওয়া বেহতর ছিল। তবে এটা অনস্বীকার্য যে, বিজ্ঞান সামথিং যা জেনেছে তা নাথিং থেকে অনেক অনেক ভাল। পদার্থ বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সূচনা নয় কেবল;অধিকন্তু মহাবিশ্বের সূচনার পূর্বেকার অবস্থা সম্পর্কেও সম্যক অবহিত। এমনকি মহাবিশ্ব যদি একটি ইমারত হয়তার দেওয়াল বা ইট কি হতে পারে তার সিমেন্ট কি হতে পারে তা-ও সম্যক জেনেছেন কোয়ার্ক ইট স্বরূপ হিগস বোসন কণা সিমেন্ট স্বরূপ জেনেছেন ১৯৬৪ সালে কসমিক ব্যাক গ্রাউন্ড রেডিয়েশনের ধ্বংসাবশেষের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে। তবে পদার্থ বিজ্ঞান অমীমাংসিত রয়ে যায় অন্ততঃ দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নকে ঘিরে। বিশেষ করে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, মহাকর্ষের প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন, গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরি তথা থিওরি অব এভরিথিং পৌঁছা বিজ্ঞানীদের জন্য এখনও সুদূরপরাহত ব্যাপার বটে। তাছাড়া, মাঝে মাঝে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরির প্রাণ বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, সাধারণ অআপেক্ষিকতা তত্ত্ব হুমকির মধ্যে পড়ে। তাই প্রযুক্তিতে বিজ্ঞ্যনের জোয়ার বইলেও বিশেষ জ্ঞানরূপ বিজ্ঞানে এখন বইছে ভাটা।অথচ কার্ল সাগানের দাবীঃ বিজ্ঞান কখনও শেষ হবে না। World Islamic Science-Tech Research Center-ও তা-ই মনে করসেন্টারের ২০১৮-২০২৬ সাত বছরের নিবিড় গবেষণায় এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, পদার্থ বিজ্ঞান ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সের বদৌলতে মৌলিকভাবে প্রায় শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করেছে এবং পুরো প্রকৃতি বিজ্ঞান কসমোলজি তথা ফিজিক্স বিবেচনায় প্রায় অর্ধশত ভাগ জ্ঞান অর্জিত হয়েছেল। রিসার্চ সেন্টার মনে করে পদার্থ বিজ্ঞানের তিন সহস্রাব্দ জন্ম বার্ষিকী পালনের মাধ্যমে এই বিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বাজিয়ে নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রা শুরু করা। এ লক্ষ্যে নিউটনের সরলীকরণ তত্ত্বের আলোকে পদার্থ বিজ্ঞানের আনুষঙ্গিক অমীমাংসিত প্রশ্নের দ্রুত সমাধান করা ইনশা আল্লাহ World Islamic Science-Tech Research Center-এর মিশন এবং ভিশন। নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের ইতিকথা প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত পরিচালনা-ব্যবস্থাপনায় এই জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। কিন্তু বিজ্ঞান শুরু থেকে বস্তুগতভাবে সীমাবদ্ধ হওয়ায় জ্ঞানগতভাবে বিজ্ঞানের অগ্রগতি নেই বল্লে চলে কারণ, প্রকৃতির বুদ্ধিদীপ্ত আচরণকে বলা হয় অতিপ্রাকৃতিক। তাই এ ব্যাপারে অগ্রগতি প্রায় শুন্য। কারণ, অতিপ্রাকৃতিক পথে বিজ্ঞান বার বার অসীমের হাতছানি পান যাতে সম্মতি দিতে বিজ্ঞানীদের রয়েছে অনীহা এ কারণে যে, এতে পদার্থ বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। তাই বিজ্ঞানীরা এসবকে অতিপ্রাকৃতিক, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে, হ্যালুয়েশন কিংবা টেলিপ্যাথি বলে উড়িয়ে দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কিন্তু হালে অতি সত্যান্বেষী বিজ্ঞানীরা এভাবে প্রচলিত শব্দে, বাক্যে মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় সূচক এ সব ঘটনা-পরিঘটনাকে এড়িয়ে যেতে অরুচীবোধ করে বরং এসবকে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য বলে নীরব থাকতে অআর চান না। যার কারণে, বিগত বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে কিছু অতি সত্য সন্ধানী বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের ধারণা তুলে ধরেছিলেন এই প্রশ্নকে ঘিরে যে, লন্ডন প্রবাসী পিতার স্থানীয় সময় অনুসারে দিনের বেলায় সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার সাথে সাথে কি করে ঢাকায় তার ঘুমন্ত শিশুটা কেঁদে উঠে, কিংবা স্বদেশ ফেরত বহুজাতিক বাহিনীর সদস্যরা কেন অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন? এসব টেলিপ্যাথিক ব্যাপারকে বিজ্ঞানীরা অতিপ্রাকৃতিক ব্যাপারে সীমাবদ্ধ থাকতে নারাজী থেকে এই নতুন ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের ধারণা বেগবান হয়েছে। তবে বিজ্ঞান সব সময় আপডেট হয় সেই প্রাচীন গ্রীসের অ্যাটম আবিস্কারক ডেমোক্রিটাসের যুগ থেকে। অতঃপর নতুন বিজ্ঞানের প্রবর্তন করেন আরেক গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টট চতুর্মাত্রিক বিশ্বের ধারণা দিয়ে। মধ্যযুগে এই ধারণার অআপডেট করেন অআরব বিজ্ঞানী জাবের ইবনে হাইয়ানের দ্বিমাত্রিক বিশ্বতত্ত্বের মাধ্যমে, মারে গেলমান কোয়ার্কের মাধ্যমে একমাত্রিক বিশ্বের ধারণা প্রবর্তন করে যুগে যুগে নতুন বিজ্ঞানের উত্থান ঘটিয়েছিলেন। আলোচ্য নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের ধারণা এসবেরই ধারাবাহিকতা মাত্র। তবে নতুন বিজ্ঞানে উত্তরণের পথ কুসুমাস্তির্ণ নয় বরং অনেক কন্টাকির্ণ। কারণ, বিজ্ঞানে অনেক অমীমাংসিত জটিল বিষয় রয়েছে যার সুরাহা ব্যতিত নতুন বিজ্ঞান অপূর্ণ থেকে যাবে। WISTRC World Islamic Science-Tech Research Center-মনে করে গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরি তথা থিওরি অব এভরিথিং পৌঁছতে হলে বিশেষ করে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, মহাকর্ষের প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সহজ-সরল সমাধান প্রয়োজন। কারণ, বিজ্ঞানীরা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরীর স্বীকৃতির জন্য দুটি বড় ধরণের ব্ল্যাকহোলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে, সৌর জগতের অআয়তন বিশিষ্ট এক্সলেটর তৈরি যা এ মুহুর্তে অসম্ভব এবং স্ট্রিং থিওরির স্ট্রিংয়ের কম্পনে সৃষ্ট বস্তুকণার চাক্ষুষ দর্শনের জন্য ১০-৩৬ সেন্টিমিটার ক্ষুদ্র আয়তনের বস্তু পর্যবেক্ষণকারী সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপের শর্ত জুড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমান সক্ষমতা রয়েছে মাত্র ১০-১৭ সেন্টিমিটার। কোয়ার্কের সূক্ষ্ণতা হচ্ছে ১০-১৬ সেন্টিমিটার। সুতরাং, এ মুহুর্তে ১০-৩৬ সেন্টিমিটার ক্ষুদ্র আয়তনের বস্তু পর্যবেক্ষণকারী সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ বিজ্ঞানীদের জন্য অআকাশ কুসুম কল্পনামাত্র। তাই .WISTRC মনে করে নিউটনের নিম্নোক্ত সরলীকরণ তত্ত্বের মাধ্যমে অআইনস্টাইন যেমন মহাকর্ষের সরলীকরণ তত্ত্ব উত্থাপন করে নন্দিত হন এই বলেঃ মহাকর্ষ স্থান-কালের বক্রতা মাত্র। অনুরুপ ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, স্ট্রিং থিওরি, মহাকর্ষের প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের সরলীকরণ করা যেতে পারে যার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিম্নে পেশ করা হলোঃ ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে মহাবিশ্বের বুদ্ধিদীপ্ত সেটিং মনে হয় পুরো বিশ্বটাই যা একাধিক গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত যা সেই গ্যালাক্সিকেই কেন্দ্র করে যার নাম মিল্কিওয়ে (ছায়াপথ) অআবার মিল্কিওয়ে যেন সেই সৌর জগতকে কেন্দ্র করে অআবর্তিত যার নাম সূর্য (সান) অআবার সেই সূর্য যেন সেই গ্রহকে কেন্দ্র করে স্থাপিত যার নাম পৃথিবী (অআরথ), অআবার পৃথিবী যেন জীব বৈচিত্র্যকে কেন্দ্র করে অআবর্তিত যে জীব বৈচিত্র্য মানুষকে কেন্দ্র করে অআবর্তিত। কারণ, অন্যান্য প্রাণী অপেক্ষা মানব জাতির ইতিহাস তুলনামূলক নবীন। মাত্র ৭০, ০০০ বছর পূর্বে মানব জাতির উত্থান মর্মে বিজ্ঞানীদের দাবী। অথচ পৃথিবীর জন্ম কোটি কোটি বছর পূর্বে। মানব জীবনোপযোগিতার জন্য পৃথিবীকে সময় নিতে হয়েছে অন্ততঃ ....বছর, পুরো মহাবিশ্ব সময় নিয়েছে ১৩,৭০,০০০০০ তের কোটি উনসত্তর লক্ষ ৩০ হাজার বছর। মহাবিশ্বের মূল বা প্রাণ যদি হয় শক্তি, চুম্বক হলো মহাবিশ্বের দেহ। এ কারণে পদার্থ বিজ্ঞানে বলা হয়ঃ প্রতিটি বস্তু আকর্ষণধর্মী।(ম্যাগনেটিক)। যেমন কোয়ার্ক যদি হয় মহাবিশ্বের ইট তাহলে সিমেন্ট হবে হিগস বোসন কণা। পৃথিবীর ভূত্বক খনিজ গড়ে ৮০ শতাংশ আয়রণসমৃদ্ধ যা বিকর্ষণধর্মী হলেও ভূত্বকে চুম্বক প্রবাহের কারণে পুরো ভূত্বক ম্যাগনেটিকে পরিণত হয়। পক্ষান্তরে যেহেতু চুম্বক প্লাস্টিক জাতীয় বস্তুকে মিথসক্রিয়া করে না সেক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষণ টানে কেন এসব বিকর্ষণীয় বস্তুকে? এটা কি চিরুনীতে চুলের ঘর্ষণের ফলে যেমন চিরুনীতে অস্থায়ী চুম্বকত্ লাভ হয় অনুরূপ কারণে কিন্তু পাখির পালক ইত্যাদিকে মাধ্যাকর্ষণ টানে না বরং মহাকর্ষ তার গ্র্যাভিটন সূত্রে নিম্নমুখী চাপে চাপায়িত হওয়ার ফলে বিকর্ষণজাতীয় বস্তুটিও নিম্নমুখী হয়ে পতিত হয়। যে প্রক্রিয়ায় হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব প্রমাণিত হলো ‘কণা’ (PARTICLE) সম্পর্কিত গাণিতিক মডেলের (mathematical model) সূত্রমতে, উচ্চ গতিতে প্রোটনের সঙ্গে প্রোটনের আন্তঃসংঘর্ষ ঘটানো হলে বেশ কিছু মৌলিক কণা উৎপন্ন হয়। সেমতে, CERN এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার যন্ত্রে উচ্চ গতিতে প্রোটনের সঙ্গে প্রোটনের আন্তঃসংঘর্ষ ঘটিয়ে বেশ কিছু মৌলিক কণা উৎপাদন করা হয়। উৎপাদিত এই মৌলিক কণা-কে বলা হয় “হিগস্-বোসনহিগস-বোসন কণা'র অস্তিত্ব প্রমাণে CERN এর বিপুল আয়োজন ! পদার্থবিদরা বিশ্বাস করেন যে, রহস্যময় হিগস-বোসনের সঙ্গে সংঘর্ষে বিভিন্ন মাত্রার ভরের (Mass) জন্ম হয়। পদার্থ বিজ্ঞানের এ সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্নকে সামনে রেখে ১৯৭১ সাল থেকে কণাত্বরণ যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে এ বিষয়ে বাস্তব প্রমাণের উদ্যোগ নেয়া হয় । তবে ২০০৮ সাল থেকে এই কলাইডারের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।বিপুল শক্তিসম্পন্ন অতি পারমাণবিক কণার জন্ম-তত্ত্ব আবিস্কার করতে CERN আয়োজন করেছিল বিশাল আকারের মহাপরিকল্পনা। এই পরীক্ষা মানব ইতিহাসে শুধু গুরুত্বপূর্ণই নয়; দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয় বহুলও বটে। অতি পারমাণবিক কণার জন্ম-তত্ত্ব গবেষণার প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল তৎকালীন প্রায় ৫০০ কোটি পাউন্ড এবং তাতে উপস্থাপিত হয়েছে অন্ততঃ ৬০,০০০ (ষাট হাজার) অত্যাধুনিক কম্পিউহিগস-বোসন কণার নির্ভুল অস্তিত্ব প্রমাণে CERN এর সর্বোচ্চ সর্তকতাট বস্তু-পদার্থজাত বিশ্ব সৃষ্টির নির্ভুল ও অভিন্ন রহস্য বা উৎসমূল আবিস্কারের মহৎ লক্ষ্যে আজিকার বিশ্বের খ্যাতনামা সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা কেন্দ্রে CERN কর্তৃক বিশ্বের খ্যাতনামা বিজ্ঞানীদের-কে যথাক্রমে (১)(১) atoroidal lhc apparatus (atlas) এবং (২) compact muon solenoid (cms) নামক দু'টি দলে বিভক্ত করা হয়। সর্ম্পূণ পৃথক ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় একদল-কে জেনেভা এবং অপর দল-কে লন্ডনে নিয়োজিত করা হয়েছিল-যাতে উভয় দল একে অপরের কার্যক্রম সর্ম্পকে বিন্দুমাত্র অবহতি না হতে পারে। উদ্দেশ্য: নির্ভুলভাবে অভিন্ন ফলাফল লাভ। অবশেষে উভয় দল বিশাল দূরত্বে (জেনেভা হতে লন্ডন) অবস্থান করে কোন প্রকার পূর্ব যোগাযোগ ব্যতিরেকেই হিগস-বোসন অতিপারমানবিক কণা প্রাপ্তির বিষয়ে একই সঙ্গে একই ফলাফলে উপনীত হয়। যার ফলে CERN কর্তৃপক্ষ ২০১২ সালের ৪ঠা জুলাই, বুধবার এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মলেনে বিশ্ববাসীকে এ মর্মে বিজ্ঞাপিত করে যে, স্ট্যান্ডার্ড মডেলের স্বীকৃত ১২তম “হিগস-বোসন নামক বহুল প্রত্যাশিত মৌলিক কণারটির সন্ধান পাওয়া গেছে।স্তুর 'প্রকৃত ভর' (m) ও শক্তির (E) সম্পর্কটি আলবার্ট আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমতা E = mc² দ্বারা নির্ধারিত। কোনো বস্তুর ভরকে আলোর বেগের বর্গ (c²) দিয়ে গুণ করলে তার সমপরিমাণ মোট শক্তি পাওয়া যায়।পরমাণুর প্রকৃত ভর কত? একটি পরমাণুর প্রকৃত ভর হল তার মূলক এবং নিউট্রনের ভরের যোগফল, যা দুটি প্রোটনের ভরের সমষ্টির চেয়ে সামান্য কম। এই ভর ঘাটতি পরমাণুর বাইন্ডিং শক্তি থেকে আসে। প্রোটনের ভর প্রায় 1.007276 amu (এটমিক মাস ইউনিট) এবং নিউট্রনের ভর প্রায় 1.008665 amu। একটি নির্দিষ্ট পরমাণুর জন্য, এর আইসোটোপ নির্ভর করে এর প্রোটন এবং নিউট্রনের সংখ্যা, যা এর ভরকে প্রভাবিত করে। উদাহরণ: হাইড্রোজেনের সবচেয়ে সাধারণ আইসোটোপের (প্রোটিয়াম) 1টি প্রোটন এবং 0টি নিউট্রন রয়েছে। এর ভর প্রায় 1.007825 amu। ডিউটেরিয়াম, হাইড্রোজেনের একটি আইসোটোপ, এর 1টি প্রোটন এবং 1টি নিউট্রন রয়েছে। এর ভর প্রায় 2.014102 amu।রসায়নে একটি মূলক (ইংরেজি: Radical, রেডিক্যাল) হলো এক বা একাধিক বন্ধনযুক্ত (বিজোড়) ইলেকট্রনবিশিষ্ট অণু, পরমাণু বা আয়ন যা স্বাধীনভাবে বিরাজ করে। স্বাধীনভাবে বিরাজ করার জন্য এদের "মুক্ত মূলক"ও (ইংরেজি: Free Radical) বলা হয়। নিউট্রিনোর গতির ইসলামী মূল্যায়ন আইনস্টাইনসহ জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের অভিমত ছিলঃ আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ (এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার)মাইল ইনভেরিয়েন্ট অর্থাৎ অপরিবর্তনীয়। নিউট্রিনোর আলোর গতির চাইতে অন্তত ৬০ ন্যানো সেকেন্ড অগ্রগামিতায় প্রমাণিত হয় যে, আলোর গতি অপরিবর্তনীয় নয় বরং স্থান-কাল-পাত্র ভেদে আপেক্ষিক অর্থাৎ পরিবর্তনীয় যা পবিত্র মিরাজের সত্যতাকে আবারও প্রতিপন্ন করে। উল্লেখ্য, আলোর প্রকৃত প্রাকৃতিক গতি প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২ মাইলের কিছু বেশি। ‘বুরাক’ আরবী ‘বরকুন’ শব্দ থেকে নিস্পন্ন যার অর্থ বিদ্যুৎ (Electric/Current)| । বিদ্যুতের অন্যতম প্রধান ধর্ম হচ্ছে দ্রুত পরিবাহিত হওয়া যার জন্য দ্রুতগতি বুঝাতে বলা হয়ে থাকে বিদ্যুৎ গতি। উল্লেখ্য, প্রথমতঃ পবিত্র মেরাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বে পবিত্র মক্কা আল মুয়াজ্জিমা থেকে পবিত্র মসজিদুল আল আকসা পর্যন্ত রাত্রিকালীন মহানবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিভ্রমণকে ইসলামের ইতিহাসে ‘ইসরা’ বলা হয় । ইসরা-তে মহানবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বহনকারী যানের নাম ছিল বুরাক- যা এক অতি দ্রুতগামী বদ্বিতীয়তঃ পবিত্র মেরাজুন্নবী সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম সংঘটিত হয়েছিল ঐ রাতের দ্বিতীয় পর্যায় মিরাজ বা সিঁড়িযোগে মসজিদুল আল আকসা হতে সাত আসমানের সর্বশেষ সীমানা সিদরাতুল মুনতাহা এবং তৃতীয়তঃ সিদরাতুল মুন্তাহা হতে রফ্ রফ যানে ‘আরশে ‘আজীম পর্যন্ত পৌঁছা- এসবই দুনিয়াবী সাধারণ আলোর গতিতে নয়, স্রেফ আল্লাহ পাকের সৃষ্ট অকল্পনীয় কুদরতি গতি সম্পন্ন হয়েছে- যে গতিতে রাণী বিলকিসের সিংহাসন চোখের পলকে বাদশাহ সোলায়মান ‘আলাইহিস্ সালামের নিকট আল্লাহপাকের হুকুমে পৌঁছে গিয়েছিল। একইভাবে আখেরাতে নেক্কার বান্দারাও আল্লাহপাকের কুদরতি গতিতেই মুহুর্তের মধ্যে অতি দ্রুততার সাথে পুলসিরাত পার হয়ে জান্নাত বাসী হবেন। আলোর গতির চাইতেও বস্তু বা বস্তু কণার গতি যে বেশি হতে পারে- সার্ণে কর্তৃক আলোর চাইতে দ্রুতগতি সম্পন্ন বস্তু কণা "নিউট্রিনো" আবিস্কারে এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান এবং মিরাজসহ ইসলামের অন্যান্য গতি বিষয়ক বিষয়াদির বৈজ্ঞানিক সত্যতা স্রেফ আল্লাহ তায়ালার কুদরাতি ব্যাপার মাত্র।সত্যকে কখনও সরলতার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়, এবং জিনিসগুলির বহুগুণতা এবং বিভ্রান্তিতে নয়। সাহসী অনুমান ছাড়া কোনও দুর্দান্ত আবিষ্কার কখনও করতে পারে না। যখন আমি সৌরজগতের দিকে তাকাই, আমি পৃথিবীকে সূর্য থেকে সঠিক দূরত্বে দেখি তাপ এবং আলোর সঠিক পরিমাণ পেতে। আমরা সাদা চোখে একটি পানির কণা সম্পর্কেই জানতে পারি কিন্তু বিশাল সমুদ্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান সামান্যই। অন্য কোন প্রমাণের অভাবে, বুড়ো আঙুলই আমাকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত করবে। আমার সমস্ত আবিষ্কার প্রার্থনার উত্তরে করা হয়েছে। একজন স্বর্গীয় মাস্টার সমস্ত বিশ্বকে মহাবিশ্বের সার্বভৌম হিসাবে পরিচালনা করেন। তাঁর পূর্ণতার কারণে আমরা তাঁকে বিস্মিত করি, আমরা তাঁকে সম্মান করি এবং তাঁর সীমাহীন ক্ষমতার কারণে তাঁর সামনে পড়ে থাকি। অন্ধ শারীরিক প্রয়োজনীয়তা থেকে, যা সর্বদা এবং সর্বত্র একই, সময় এবং স্থানের কোনও বৈচিত্র্য আবর্তিত হতে পারে না, এবং সমস্ত সৃষ্ট বস্তু যা মহাবিশ্বে শৃঙ্খলা এবং জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে কেবল তার মূল স্রষ্টার ইচ্ছাকৃত যুক্তির দ্বারা ঘটতে পারে, যাকে আমি প্রভু ঈশ্বর বলি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর চিরন্তন, অসীম এবং এক। তাঁর কাছে কোনো কিছুই দুর্গম নয়। প্রকৃতিকে জিজ্ঞাসা করো, কল্পনাকে নয়। কারণ প্রকৃতি আমাদের চালিত করে সত্যের দিকে। যদি আপনি সমস্যাগুলোর সমাধান জানেন, তবেই আপনি প্রকৃত অর্থে তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আমি জ্যোতির্বিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, দর্শন—সবকিছুর উপর কাজ করেছি; কিন্তু সবশেষে আমি বুঝেছি, ঈশ্বরের উপস্থিতিই সর্ববৃহৎ বাস্তবতা। আমি কখনোই দ্রুত কাজ করিনি, কিন্তু আমি কখনোই থামিনি। বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে কোনও বিরোধ নেই, যদি দুটোকেই যথাযথভাবে বোঝা যায়। https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Holy Romado-n 1445 Hijrah/2024 News

Article