তথ্য ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ০২ AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ

SCIENCE FOR HUMAN HEALTH: KEIR STARMER, PM OF UK: https://substack.com/home/post/p-204958776 THE WORLD TRADE AND INVESTMENT (HALAL)COOPERATION: https://wtic1446.blogspot.com/2026/02/the-shipping-news-international.html AI উত্তর আপনার কাঙ্ক্ষিত "ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ" মূলত ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির পর্যালোচনা এবং তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ সম্বলিত একটি প্রকাশনা। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাম্প্রতিক খবরাখবর এবং গবেষণার বিস্তারিত তথ্য জানতে নিচে দেওয়া লিঙ্কগুলো দেখতে পারেন:আধুনিক বিজ্ঞান, মহাবিশ্ব সৃষ্টি ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গির বিশ্লেষণ পড়তে ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ লিঙ্কডইন (LinkedIn) পেজ দেখুন।ইসলামিক বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সামগ্রিক হালনাগাদ তথ্য পেতে ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ প্রথম সংস্করণ ভিজিট করুন।এছাড়াও বিশ্বব্যাপী সাম্প্রতিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ক সবশেষ খবরাখবর জানতে প্রথম আলো টেক নিউজ ও কালবেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিজিট করতে পারেন। AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (Eastern Islamic Science-Tech News) হলো আধুনিক বিজ্ঞান এবং ইসলামিক দৃষ্টিকোণ ও দর্শনের সমন্বয়ে প্রকাশিত একটি প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্ম। মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, বিগ ব্যাং, এবং পদার্থবিজ্ঞানের জটিল তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাথে ইসলামের আদর্শিক সংযোগ তুলে ধরাই এর প্রধান লক্ষ্য। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +1 এর উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো: মহাবিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব: ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি এবং হিগস বোসন কণার মতো আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও কসমোলজিক্যাল মডেলের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা হয়। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain সৃজনশীল তত্ত্ব ও দর্শন: আইনস্টাইন ও নিউটনের মতো বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার এবং স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করা হয়। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain সাম্প্রতিক সংস্করণ ও প্রকাশনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং পড়তে পারবেন লিংকডইন ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ-এ। https://www.google.com/search?q=ইষ্টার্ণ+ইসলামিক+সায়েন্স+টেক+নিউজ&oq=&gs_lcrp=EgZjaHJvbWUqCQgBECMYJxjqAjIJCAAQIxgnGOoCMgkIARAjGCcY6gIyCQgCECMYJxjqAjIJCAMQIxgnGOoCMgkIBBAjGCcY6gIyCQgFECMYJxjqAjIJCAYQIxgnGOoCMgkIBxAjGCcY6gLSAQ0zMTkzMTAxNjRqMGo3qAIIsAIB8QUc2MbknZEF-Q&sourceid=chrome&source=chrome.ob&ie=UTF-8 AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (Eastern Islamic Science-Tech News) হলো আধুনিক বিজ্ঞান এবং ইসলামিক দৃষ্টিকোণ ও দর্শনের সমন্বয়ে প্রকাশিত একটি প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্ম। মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, বিগ ব্যাং, এবং পদার্থবিজ্ঞানের জটিল তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাথে ইসলামের আদর্শিক সংযোগ তুলে ধরাই এর প্রধান লক্ষ্য।এর উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:মহাবিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব: ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি এবং হিগস বোসন কণার মতো আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও কসমোলজিক্যাল মডেলের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা হয়।সৃজনশীল তত্ত্ব ও দর্শন: আইনস্টাইন ও নিউটনের মতো বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার এবং স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করা হয়।সাম্প্রতিক সংস্করণ ও প্রকাশনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং পড়তে পারবেন লিংকডইন ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ-এ। AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (Eastern Islamic Science-Tech News) হলো আধুনিক বিজ্ঞান এবং ইসলামিক দৃষ্টিকোণ ও দর্শনের সমন্বয়ে প্রকাশিত একটি প্রকাশনা বা প্ল্যাটফর্ম। মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, বিগ ব্যাং, এবং পদার্থবিজ্ঞানের জটিল তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাথে ইসলামের আদর্শিক সংযোগ তুলে ধরাই এর প্রধান লক্ষ্য। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +1 এর উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো: মহাবিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব: ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি এবং হিগস বোসন কণার মতো আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও কসমোলজিক্যাল মডেলের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা হয়। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain সৃজনশীল তত্ত্ব ও দর্শন: আইনস্টাইন ও নিউটনের মতো বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার এবং স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করা হয়। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain সাম্প্রতিক সংস্করণ ও প্রকাশনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এবং পড়তে পারবেন লিংকডইন ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ-এ। AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ হলো ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স টেক রিসার্চ সেন্টারের একটি বিশেষ প্রকাশনা। এটি আধুনিক বিজ্ঞান এবং ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে মহাবিশ্বের নানা রহস্য নিয়ে আলোচনা করে। এর বিভিন্ন সংস্করণে ডার্ক ম্যাটার, স্ট্রিং থিওরি, এবং বিজ্ঞানীদের অন্তর্দৃষ্টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।এই প্রকাশনার উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়:মহাবিশ্বের জ্ঞান: বিজ্ঞান এ পর্যন্ত মহাবিশ্বের প্রায় ৫০% সত্য অর্জন করেছে বলে এতে মত দেওয়া হয়।বৈজ্ঞানিক অন্তর্দৃষ্টি: পদার্থবিজ্ঞানী আইনস্টাইন ও নিউটনের মতো বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারের পেছনের কারণ ও চিন্তাধারা এতে তুলে ধরা হয়েছে।ইসলামী দর্শন: দ্বীনের সঠিক জ্ঞান এবং মানুষের অন্তর্দৃষ্টি (কাশফ) নিয়ে বিজ্ঞান কীভাবে কাজ করে, তা আলোচনা করা হয়েছে।এর আগের সংস্করণগুলো পড়ার জন্য নিচের লিংকগুলোতে ক্লিক করতে পারেন:ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ, প্রথম সংস্করণইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ, দ্বিতীয় সংস্করণইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ, পঞ্চম সাতচল্লিশের স্বাধীনতার পর ভুল করেছিলেন কায়েদে অআজম মুহাম্মাদ অআলী জিন্নাহ। মাত্র এক বছরের জন্য ক্ষমতায় থেকে। ভুলটি হচ্ছে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা ঘোষণা দিয়ে-তার মানে উর্দুকে লকারে বন্দী করে রাখা। অআজও উর্দু লকারেরই রয়ে গেছে-রাষ্ট্র ভাষা এখনও ইংরেজী। পাগলা মামা এরশাদ যদি সরকারী দপ্তরে ১৯৮৭ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা না করতেন অআজও ইংরেজী হতো বাংলাদেশের সরকারী ভাষা। জিন্নাহ সাহেব যদি এক বছর ক্ষমতা না থেকে মোহন চাঁন কমর চাঁন গান্ধির মতো ক্ষমতার বাইরে থাকতেন তাহলে উর্দু-বাংলার দ্বন্দ্বও হতো না পাকিস্তানের বারোটাও বাজতো না, অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তান হাতছাড়া হতো কিনা সন্দেহ। শেখ সাহেব যদি মাওলানা ভাসানীর কথা মতো জাতীয় সরকার করে নিজে মহাত্মা গান্ধী অথবা খোমেননী-খামেনীর মতো ক্ষমতার বাইরে থাকতেন অআজও বাংলার মানুষের মধ্যমণি থাকতেন। মাত্র সাড়ে তিন বছর ক্ষমতায় থাকায় রক্ষী বাহিনীর অপবাদ, বাকশাল করার অপবাদ নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। আর আওয়ামী লীগ এরপরও ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এমন মৈত্রি খুঁজে নিয়েছে যারা বঙ্গবন্ধুকে একদিনের জন্যও শান্তিতে দেশ শাসন করতে দেননি। যার কারণে মৃত্যুর অআগে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মাদ আশরাফ বলেছিলেনঃ এর খেসারত একদিন আওয়ামী লীগকে দিতে হবে- যা পাঁচই আগষ্ট দিতে হয়েছে। তাই আবারও ক্ষমতায় আসার ইচ্ছা তো দূরের কথা বাংলার সব মানুষ যদি বলেনঃ আসুন, ক্ষমতা গ্রহণ করুন। অপবাদের হার আরও বাড়াতে হলে ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। বাড়াতে না চাইলে যতদিন ক্ষমতায় ছিলেন তার জন্য শোকর করা উচিত। বিএনপিকে মানে সন্মানে ইতিহাসে বাঁচতে হলে নিয়ত করা উচিত আস্তে আস্তে দলকে গুটিয়ে ফেলা। জামায়াত এখনও ক্ষমতায় যায়নি। ক্ষমতা হচ্ছে দিল্লিকা লাড্ডু-যে ক্ষমতায় যায় নাই তারও আফসোসের শেষ নাই-যে গিয়েছে তারও আফসোসের শেষ নেই। এরশাদ নয় বছর শাসন করে লকব পেয়েছেন বিশ্ব বেহায়া। অআইয়ুব খান দশ বছর শাসন করে পেয়েছেন বিশ্ব স্বৈরাচার। জামায়াত কি লকব পায় তা দেখতে হলে দিল্লিকা লাড্ডুর জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত। Contact info Ilias’ profile linkedin.com/in/ilias-morshed-5064b6203 Contact info Mst Rukaya’s profile linkedin.com/in/mst-rukaya-khatun-b5aaa4240 Contact info Md. Mizanul’s profile linkedin.com/in/md-mizanul-hoque-9a563944 Md. Mizanul Hoque · 2nd Assistant Relationship Manager at Bank Alfalah Limited Chattogram, Bangladesh · Contact infoEducation University of Information Technology and Sciences logo University of Information Technology and Sciences Master of Business Administration - MBA, Finance & Accounting Business Relationship Management, Business Development and +4 skills Abdullah Nomani · 3rd SEO Specialist || Digital Marketing Expert || Web Developer at Shopify || Shopify Dropshipping Consulting Dhaka, BangladeshContact info Abdullah’s profile linkedin.com/in/abdullahnomaniContact info Mohammed’s profile linkedin.com/in/mohammed-shajedullah-053aa4147 ভূমিকাঃ পরিবেশগত কারণে সৌর জগতের একমাত্র আদর্শ গ্রহ পৃথিবী আজ বিপন্ন, একই সাথে নৈতিক অবক্ষয়জনিত কারণে পৃথিবীর সেরা জীব মানুষও বিপন্ন। তাই পৃথিবী এবং তার বাসিন্দারা অআজ ইতিহাসের কঠিন ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছে যার জন্য অআগামী প্রজন্মের জন্য যে জবাব দিহিতা তা কিভাবে উত্তরণ সম্ভব-এটাই বর্তমানে দাঁড়িয়েছে মৌলিক প্রশ্ন এবং তার গবেষণা। মানুষ ক্ষণজীবী কিন্তু সময় দ্রুত প্রবাহমান। তাই সময়ের সদ্ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিজ্ঞানীদের মৌলিক বিষয় ব্যতিত অমৌলিক বিষয়ে গবেষণার নামে সময় ক্ষেপন একেবারেই অনাকাঙ্খিত। ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টার এ কঠিন সমস্যা থেকে উত্তরণের বিকল্প হিসাবে বেছে নিয়েছে নিউটনের সরলীকরণ তত্ত্ব যাতে বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়সমূহের সহজ মীমাংসা সম্ভবপর হয়। বিজ্ঞানীরাও চান যত দ্রুত সহজ পথে সার্বিক একীভূতকরণের মাধ্যমে থিওরি অব এভরিথিংয়ে পৌঁছানো যায়। WISTRC এর মতে, মহাবিশ্বের মহাসত্য কেবল গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরিতে নিহিত নেই। মহাবিশ্বের মৌলিক সত্য নিহিত রয়েছে মধ্যপন্থায়। এই সত্য কখনও নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে কখনও ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কীয় কোয়ান্টাম মেকানিক্স, হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব, কখনও নিশ্চয়তা তত্ত্ব, কখনও আইনস্টাইনের ব্ল্যাকহোলীয় কখনও গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরি যেমন ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সকে ফিজিক্সের সাথে একীভূতকরণ, কখনও গ্র্যান্ড ডি-ইউনিফিকেশন থিওরি যেমন, মহাকর্ষকে মাধ্যাকর্ষণ থেকে পৃথকীকরণে নিহিত রয়েছে মহাবিশ্বের মহাসত্য। তাছাড়া সত্যকে চেপে রেখে নয় বরং প্রকাশ করে মধ্যপন্থায় সমাধানের পথ রচনা করাই শ্রেয়। উদাহরণস্বরূপ, আলোর গতি দুই প্রকার ১) প্রাকৃতিক গতি এবং গাণিতিক গতি। স্বাভাবিক প্রাকৃতিক গতি হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২ মাইলের কিছু বেশি। পক্ষান্তরে অআলোর গাণিতিক গতি ১,৮৬,০০০ মাইল যা হিসাব সহজীকরণের জন্য কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তথা পদার্থ বিজ্ঞানে স্বীকৃতি-যার উপর ভিত্তি করে আলবার্ট আইনস্টাইন বিখ্যাত বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের বিখ্যাত ভরশক্তিসমীকরণ রচনা করেছিলেন। অআলোর প্রাকৃতিক গতি তাই অপ্রকাশিত। যার ফলে ২০১১ সালে সার্ণ কর্তৃক অপেরা প্রজেক্টের অধীনে পরিচালিত হাজার বার প্রমাণিত নিউট্রিনোর ৬০ সেকেন্ড অগ্রগামিতা স্টিফেন হকিংসহ তৎকালীন খ্যাতনামা বিজ্ঞানীদের অআপত্তির মুখে পড়ে। নতুন করে পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র রচনা, স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি পরিত্যক্ত হওয়ার অআশংকায় এই অআপত্তি প্রকাশ করা হয়। ....মতে সাপ মরবে-লাঠি ভাঙবে না- এই প্রবাদ বাক্যকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেওয়া হলে অআলোর প্রাকৃতিক গতি এবং গাণিতিক গতি সহাবস্থানে থাকতে পারে পদার্থ বিজ্ঞানে কোনো প্রকার ব্যতিক্রম না ঘটিয়ে। আর তা হচ্ছেঃ অআলোর প্রাকৃতিক গতি ১,৮৬,০০০ মাইলকে গ্র্রীনীচ মান সময়ের ন্যায় স্ট্যান্ডার্ড গতি ঘোষণা করা। প্রস্তাবিত মানের নাম হতে পারেঃ অআইনস্টাইনীয় স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্স। ফলশ্রুতিতে অআলোর প্রাকৃতিক গতি কম/বেশি হলে, কিংবা সায়েন্স ফিকশনিস্টদের স্বপ্নিল ওয়ার্মহোল তৈরি করে মুহুর্তের মধ্যে মহাকাশের এফোড় দিয়ে ঢুকে ওফোড় দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া অআর সায়েন্স ফিকশনে থাকবে না ইনশা আল্লাহ। https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A7%25AB%25E0%25A6%25AE-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yfkec/ ৫ম সংস্করণ "ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ" মূলত লেখক ও গবেষক মুহাম্মদ শেখ রমজান হোসাইন কর্তৃক পরিচালিত একটি নিয়মিত প্রকাশনা বা আর্টিকেল সিরিজ। লিংকডইন (LinkedIn) প্ল্যাটফর্মে এই সিরিজের বিভিন্ন সংস্করণ (যেমন—প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সংস্করণ) প্রকাশিত হয়েছে।এই প্রকাশনাগুলোতে মূলত ইসলাম এবং বিজ্ঞানের সম্পর্ক, মধ্যযুগীয় ইসলামিক স্বর্ণযুগের বিজ্ঞানীদের অবদান, এবং আধুনিক প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয় সম্পর্কিত নানা তথ্যবহুল প্রবন্ধ ও মতামত তুলে ধরা হয়।সাম্প্রতিক বিভিন্ন সংস্করণে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে:প্রথম সংস্করণ: আলবার্ট আইনস্টাইন বা আইজাক নিউটনের মতো বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দর্শন ও আধ্যাত্মিকতার প্রভাব।দ্বিতীয় সংস্করণ: ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে সর্বোত্তম জ্ঞানের স্বরূপ ও গবেষণায় অন্তর্দৃষ্টির গুরুত্ব।চতুর্থ সংস্করণ: মধ্যযুগে মুসলিম বিজ্ঞানী আল-ইদ্রিসির বিশ্বের মানচিত্র অঙ্কনের মতো ঐতিহাসিক আবিষ্কার।আপনি কি "ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ"-এর সর্বশেষ বা কোনো নির্দিষ্ট সংস্করণের লিংক ও বিস্তারিত জানতে চান, নাকি মধ্যযুগের মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান বা ইসলামে বিজ্ঞান চর্চা সম্পর্কে আরও কোনো তথ্য খুঁজছেন?https://www.google.com/search?q=ইষ্টার্ণ+ইসলামিক+সায়েন্স+টেক+নিউজ&oq=&gs_lcrp=EgZjaHJvbWUqCQgBECMYJxjqAjIJCAAQIxgnGOoCMgkIARAjGCcY6gIyCQgCECMYJxjqAjIJCAMQIxgnGOoCMgkIBBAjGCcY6gIyCQgFECMYJxjqAjIJCAYQIxgnGOoCMgkIBxAjGCcY6gLSAQ00NDc5MDU0MjZqMGo3qAIIsAIB8QUq-yuGPGxWKfEFKvsrhjxsVik&sourceid=chrome&ie=UTF-8AI উত্তর ইস্টার্ন ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (Eastern Islamic Science-Tech News) মূলত ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং সমসাময়িক তথ্যের সমন্বয়ে প্রকাশিত একটি অনলাইন নিউজলেটার বা প্রকাশনা। এটি সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সাথে ইসলামি অনুশাসন ও দর্শনের সম্পর্ক তুলে ধরে। AI উত্তর ইসলামিক এবং প্রযুক্তি বিষয়ক খবরাখবরের মধ্যে বর্তমানে মুসলিম বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন বিশেষভাবে আলোচিত। মুসলিম দেশগুলোর বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন সূচকে ইরানের মতো দেশগুলো এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া, ইসলামিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার গুরুত্ব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার নিয়ে নিয়মিত সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। www.easternuni.edu.bd +2 মুসলিম বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বশেষ খবরাখবর নিচে দেওয়া হলো: প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে অবস্থান: ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে ইরান বর্তমানে ১১তম স্থানে অবস্থান করছে। দেশটি উন্নত ক্ষত নিরাময় ক্লিনিক স্থাপন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত মোটর গবেষণায় ইসলামী বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। Mehr News Agency +1 ডিজিটাল স্যাটেলাইট: ইরান সম্প্রতি মহাশূন্যে তিনটি নতুন রিমোট-সেন্সিং স্যাটেলাইট সফলভাবে পাঠিয়েছে। Mehr News Agency প্রযুক্তি শিক্ষা: বাংলাদেশের ইস্টান বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও গবেষণার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষায় এআই (AI) প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে নিয়মিত কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +1 ঐতিহ্য ও বিজ্ঞান: ইসলাম ধর্মে বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা ও গবেষণার গুরুত্ব সবসময় অপরিসীম। মধ্যযুগীয় ইসলামিক স্বর্ণযুগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক উন্নতি লাভ করেছিল। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +2 LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +2 এই প্রকাশনার মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো: ইসলামি ঐতিহ্য: মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান (যেমন: আল ইদ্রিসির মানচিত্র) বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। সমন্বয়: আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের সাথে ধর্মীয় অনুভূতির মেলবন্ধন স্থাপন করা। জ্ঞান চর্চা: গবেষণায় অন্তর্দৃষ্টি এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাসের সমন্বয় নিয়ে আলোচনা করা। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +3 বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামি মূল্যবোধ বজায় রেখে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আধুনিকায়নে এসব প্রকাশনা বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +2 AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (Eastern Islamic Science-Tech News) হলো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ভিত্তিক একটি ইসলামিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রকাশনা বা প্রতিষ্ঠান। এটি ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন, নৈতিকতা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী চর্চায় গুরুত্ব দিয়ে থাকে। AI উত্তর 'ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ' মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ভিত্তিক একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রকাশনা। এটি মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে যুক্ত করে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসার ওপর কাজ করে। বিভিন্ন সংস্করণে এটি মুসলিম বিশ্বের বিজ্ঞান চর্চা ও প্রযুক্তির অগ্রগতির খবর প্রকাশ করে থাকে। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +3 ইসলামিক ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় এবং প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে ইসলামি চিন্তাবিদ ও গবেষকরা সবসময় বিভিন্ন প্রকাশনার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনও নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +2 LinkedIn ·Muhammad Sheikh Ramzan Hossain +2AI উত্তর সাম্প্রতিক "ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ"-এ বিজ্ঞান ও ইসলামের মেলবন্ধন নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ ও সংস্করণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মূল কেন্দ্র: ২১২৩/২০০৫, উত্তর মোগলটুলী বাই লেইন, পশ্চিম মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম। লক্ষ্য: ইসলামি চিন্তাধারার সাথে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো। কার্যক্রম: বিভিন্ন সাময়িকী, কলাম বা সংস্করণের মাধ্যমে ইসলাম ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধনU'ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ' হলো মূলত মোহাম্মদ শেখ রমজান হোসেন কর্তৃক প্রকাশিত একটি বিশেষায়িত প্রকাশনা বা বুলেটিন যা মধ্যযুগীয় ইসলামিক সভ্যতার বিজ্ঞান চর্চা এবং আধুনিক যুগে ইসলামের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয় বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধ ও তথ্য তুলে ধরে।এর উল্লেখযোগ্য সংস্করণের মধ্যে রয়েছে:চতুর্থ সংস্করণ: এখানে আল ইদ্রিসি কর্তৃক ১২ শতকে অঙ্কিত পৃথিবীর মানচিত্র এবং মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান স্থান পেয়েছে।দ্বিতীয় সংস্করণ: ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে জ্ঞান, অন্তর্দৃষ্টি এবং বিজ্ঞানের সম্পর্ক আলোচিত হয়েছে।প্রথম সংস্করণ: স্যার আইজাক নিউটন ও আইনস্টাইনের মতো বিজ্ঞানীদের তত্ত্বের সাথে প্রার্থনার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।https://www.google.com/search?q=ইষ্টার্ণ+ইসলামিক+সায়েন্স+টেক+নিউজ&oq=&gs_lcrp=EgZjaHJvbWUqCQgBECMYJxjqAjIJCAAQIxgnGOoCMgkIARAjGCcY6gIyCQgCECMYJxjqAjIJCAMQIxgnGOoCMgkIBBAjGCcY6gIyCQgFECMYJxjqAjIJCAYQIxgnGOoCMgkIBxAjGCcY6gLSAQ00NDczMjIyNDRqMGo3qAIIsAIB8QV-iCZXxdt_wA&sourceid=chrome&ie=UTF-8FOA newly released Pentagon document details an extraordinary UFO encounter reported by federal law enforcement agents, who witnessed a see-through object hanging in the night sky.Earth were delivered by aliens The declassified report was part of the Trump administration's third release on Friday, detailing observations of UFOs over two days in October 2023 in the western US.A wild new theory has claimed the origins of life on Earth were delivered by aliens who were terraforming the planet into a habitable world billions of years ago. Robert Endres, a scientist from Imperial College London, said that the building blocks of life on Earth might be too complex to have formed naturally, meaning they would have needed something (or someone) to help kickstart the process. This idea, known as directed panspermia, suggests that aliens might have sent microbes or simple life forms to Earth to propel evolution, forever changing humanity's view of where life comes from. Endres theorized that this would have happened around 4.2 billion years ago, shortly after Earth cooled and water formed, with extraterrestrials potentially using a spacecraft or probes to deliver microbial 'starter kits' to the young planet. The scientist added that the natural formation of life without any help was unlikely because the amount of chemical 'order' needed to form the first simple cells would have been too much to come together in just 500 million years. This theory could rewrite current science by challenging the traditional view that life emerged from a chemical soup through chance, suggesting instead an intentional act by an unknown intelligence. 'Today, humans seriously contemplate terraforming Mars or Venus in scientific journals,' Endres wrote. 'If advanced civilizations exist, it is not implausible they might attempt similar interventions — out of curiosity, necessity, or design.' According to the witness, the mysterious object floated roughly 15 to 20 feet above the ground and was so translucent that a star, the crest of a nearby hill and surrounding vegetation could be seen through it. The agent compared the effect to looking through water, saying the object's shape and borders appeared distorted as it drifted silently through the air. The transparent anomaly was the final sighting in a string of strange encounters that included glowing orange spheres, flashing lights and a vehicle-like object that appeared to hover above the terrain without kicking up dust. Multiple federal law enforcement agents reported witnessing the phenomenon during the two-day period, according to the report. 'It started the first night with other teams reporting weird lights moving along groups miles away,' Witness 1 said in a statement. The account was later provided to the Pentagon's All-Domain Anomaly Resolution Office (AARO), which investigates reports of unexplained objects https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%2 (Bengali) প্রথম সংস্করণ https://www.linkedin.com/pulse/ইষটরণ-ইসলমক-সয়নস-টক-নউজ-বলদশ-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-sm7lc/ https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B6-%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%259F-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25A6%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25AC-hossain-py8zc (Bengali) দ্বিতীয় সংস্করণ https://www.linkedin.com/pulse/ইষটরণ-ইসলমক-সয়নস-টক-নউজ-বলদশ-দবতয়-সসকরণ-২০২৬-hossain-py8zc/ https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25A4%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%259F-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25A6%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25AC-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-drirc তৃতীয় সংস্করণ https://www.linkedin.com/pulse/ইষটরণ-ইসলমক-সয়নস-টক-নউজ-ততয়-সসকরণ-২০২৬-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-drirc/ জাতীয় সংসদে অধিবেশনকক্ষে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় মাথা ঝুঁকিয়ে স্পিকারের চেয়ার বা সভাপতির প্রতি সম্মান জানানোর বিষয়ে সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি মেনে চলতে বলেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সংসদের অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত দেন তিনি। এর আগে গত ১৬ জুন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান স্পিকারের প্রতি মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর বিষয়টি সুরাহার জন্য পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে অনুরোধ জানান। তিনি আপত্তি তুলে বলেছিলেন, মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর এ রীতি ইসলামের সঙ্গে ‘সাংঘর্ষিক’ এবং তা ‘শিরকের কাছাকাছি চলে যায়’। তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছিলেন, সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি দেখে বিষয়টি পরে সংসদকে জানানো হবে। আজ এ বিষয়ে রুলিং দিতে গিয়ে স্পিকার বলেন, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৭ অনুযায়ী, সংসদের বৈঠক চলাকালে সংসদে প্রবেশ করার বা সংসদকক্ষ ত্যাগ করার সময় এবং আসন গ্রহণ বা ত্যাগ করার সময় কোনো সদস্য সভাপতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন। স্পিকার বলেন, অষ্টম সংসদে বিধিটি সংশোধন করে ‘ঝুঁকিয়া’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, আমি পরীক্ষা করে দেখেছি, অষ্টম সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি সংসদে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে, যা পরে সংসদে বিবেচিত ও গৃহীত হয়। এর মধ্যে ২৬৭ (১) বিধির সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত ছিল। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, যেহেতু কার্যপ্রণালি বিধি থেকে ঝুঁকিয়া শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে, সেহেতু আপনারা জাতীয় সংসদে যার যার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ার বা সভাপতির প্রতি সম্মান জানাবেন।বিভিন্ন বিষয়ে অমীমাংসিত প্রশ্ন কোয়ান্টাম বলবিদ্যা ১) নতুন অমীমাংসিত প্রশ্নঃ ক) সময় কেন এগিয়ে চলে? খ) বিগ ব্যাংয়ের পর এন্ট্রপি কেন শীতলমুখী? গ) প্রকৃতিতে এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? প্রাণ-প্রকৃতি কি নিছক কথার কথা নাকি বাস্তব? বাস্তব হলে দেখা যায় না কেন? অবাস্তব হলে প্রকৃতি বা নেচার, নেচারাল বলে কথা অআছে কেন? প্রাণ বলতে যদি সত্যি কিছু না থাকে তাহলে অআমরা বলি কেনঃ লোকটি প্রাণ ত্যাগ করেছেন। জ্বীন ভূত যদি অআদৌ না থাকে তাহলে কেন অদ্ভূত বিষয়ে অআমরা ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড় বিগ ব্যাংয়ের পর কেন স্তরে স্তরে বিবর্তন পরিবেশ বান্ধব? হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের বিগ ব্যাংক বা মহাবিস্ফোরণ কি দূর্ঘটনা নাকি উদ্দেশ্যপূর্ণ? অআলোর গতি কি সত্যিই ১,৮৬,০০০ মাইলে সীমাবদ্ধ? স্ট্রিং থিওরি কি সায়েন্স ফিকশন নাকি বাস্তব? কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন কি অআসলে হাইপোথেটিক্যাল বা অনুমাননির্ভর (Hypothetical) নাকি বাস্তব? সময়ের দিক: কেন সময়ের দিক আছে? কেন আগে আমাদের ব্রহ্মাণ্ডের এতো কম এনট্রপি ছিল? কেন সময়ের সাথে সাথেই এটি ক্রমে বাড়ছে? কেন সিপি ভায়োলেশন শুধু মাত্র দুর্বল বলের ক্ষেত্রে হয়? এটি কি সময়ের দিক ও তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রের সাথে সম্পর্কিত? এটি কি আরেকটি সময়ের দিক কে নির্দেশ করে? অথবা এটি কি কার্যকারণ সম্পর্কের ব্যতিক্রম? অতীতে কি শুধুই একটি অবস্থা পাওয়া যেতে পারে? কোয়ান্টামে সময়ের দিকের সাথে তাপগতিবিদ্যার সময়ের দিকের সম্পর্ক কি? এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। সাধারণ পদার্থবিজ্ঞান সবকিছুর তত্ত্ব: পদার্থবিজ্ঞানের কি এমন কোনও একক, সর্বব্যাপী, সুসঙ্গত তাত্ত্বিক কাঠামো রয়েছে যা মহাবিশ্ব সমস্ত ভৌত দিককে সম্পূর্ণরূপে ব্যাখ্যা করে এবং একত্রে সংযুক্ত করে? মাত্রাবিহীন ভৌত ধ্রুবক: বর্তমানে, বিভিন্ন মাত্রাবিহীন বস্তুগত ধ্রুবকের মান গণনা করা যায় না, সেগুলি কেবলমাত্র ভৌত পরিমাপ দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে। ন্যূনতম কত সংখ্যক মাত্রাবিহীন ভৌত ধ্রুবক রয়েছে যা থেকে অন্যান্য সমস্ত মাত্রাবিহীন ভৌতিক ধ্রুবক পাওয়া যায়? মাত্রিক বস্তুগত ধ্রুবক কি আসলেই প্রয়োজনীয়? কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ: কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা কি সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ তত্ত্ব হিসাবে উপলব্ধি করা যাবে (কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব হিসাবে)? স্থান-কাল কি মৌলিকভাবে অবিচ্ছিন্ন বা বিচ্ছিন্ন? একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ তত্ত্বের সাথে কি কোনো বল জড়িত আছে যেটি অনুমান করা গ্রেভিটন হতে উৎপন্ন হয়, বা স্থান-কালের একটি বিচ্ছিন্ন কাঠামোর ফলাফল হবে (যেমন লুপ কোয়ান্টাম মাধ্যাকর্ষণ)? কৃষ্ণগহ্বর, কৃষ্ণগহ্বরের তথ্যের বৈপরীত্য এবং কৃষ্ণগহ্বারের বিকিরণ: তাত্ত্বিক ভিত্তিতে যেমনটি আশা করা হয়েছিল, তেমনি কৃষ্ণগহ্বর কি তাপীয় বিকিরণ তৈরি করে? এই বিকিরণ কি তাদের অভ্যন্তরীণ কাঠামো সম্পর্কে তথ্য ধারণ করে, যা গেজ-মাধ্যাকর্ষণ দ্বৈততা দ্বারা প্রস্তাবিত হয়েছিল, নাকি উত্তর হবে না, যেমনটি হকিং এর মূল গণনায় নিহিত? যদি তা না হয়, এবং কৃষ্ণগহ্বরগুলি বাষ্পীভূত হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্যসমূহ কী হবে (যেহেতু কোয়ান্টাম মেকানিক্স তথ্য ধ্বংসের জন্য সরবরাহ করে না)? নাকি বিকিরণটি একটি কৃষ্ণগহ্বরের অবশিষ্টাংশ রেখে কোনও এক সময়ে বন্ধ হয়ে যায়? যদি এই ধরনের কাঠামো বিদ্যমান থাকে, তাহলে তাদের অভ্যন্তরীণ কাঠামোঅনুসন্ধান করার অন্য কোনও উপায় আছে? কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্ব: গাণিতিকভাবে কঠোরভাবে, চার-মাত্রিক স্থানকালে একটি কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্ব তৈরি করা কি সম্ভব যা মিথস্ক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে এবং বিশৃঙ্খল পদ্ধতি অবলম্বন করে না? মহাজাগতিক বিজ্ঞান ও সাধারণ আপেক্ষিকতা মহাবিশ্বের উৎপত্তি. ও ভবিষ্যৎ: কোন কিছুর অস্তিত্বের জন্য শর্তগুলি কীভাবে উত্থাপিত হয়েছিল? মহাবিশ্ব কি বিগ ফ্রিজ, বিগ রিপ, বিগ ক্রাঞ্চ বা বিগ বাউন্স দিকে এগোচ্ছে? মহাবিশ্বের আকার: পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ, কিন্তু সমগ্র মহাবিশ্বটি কত বড়? মহাবিশ্ব কি অসীম? ডার্ক ম্যাটার: ডার্ক ম্যাটারের পরিচয় কী? এটা কি একটি কণা? যদি তাই হয়, তাহলে এটি কি একটি ডব্লিউআইএমপি, অক্ষ, সবচেয়ে হালকা সুপারপার্টনার (এলএসপি) বা অন্য কোনও কণা? অতিরিক্ত মাত্রা: প্রকৃতির মাঝে কি চারটি স্থান-কাল মাত্রা রয়েছে? যদি তা সত্যি হয়, তাহলে তার পরিমাণ কত? মাত্রা কি মহাবিশ্বের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য নাকি অন্যান্য ভৌত নিয়মের একটি ফলাফল? উচ্চ-শক্তি/কণা পদার্থবিজ্ঞান মহা-একীকরণ: তড়িৎচুম্বকীয় শক্তি এবং পারমাণবিক শক্তি কি একটি "মহা-একীভূত তত্ত্বের" ভিন্ন দিক? যদি এটি সত্য হয় তবে কোন প্রতিসাম্য এই শক্তি এবং তার আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে? পদার্থের প্রজন্ম: কোয়ার্ক ও লেপ্টনের তিনটি প্রজন্ম আছে কেন? এমন কোনও তত্ত্ব আছে যা প্রথম নীতিগুলি (ইউকাওয়া কাপলিং একটি তত্ত্ব) থেকে নির্দিষ্ট প্রজন্মের নির্দিষ্ট কোয়ার্ক এবং লেপ্টনের ভরকে ব্যাখ্যা করতে পারে? প্রোটন ব্যাসার্ধ: প্রোটনের বৈদ্যুতিক চার্জ ব্যাসার্ধ কত? এটি কিভাবে একটি গ্লুউনিক চার্জ থেকে পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায়? গ্লুবলস: তারা কি প্রকৃতিতে বিদ্যমান আছে? বায়োফিজিক্স চৌম্বক-অনুধাবন: প্রাণীরা (যেমন: পরিযায়ী পাখিরা) পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে কীভাবে উপলব্ধি করে? পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নসমূহ বঙ্গবন্ধু তাঁর এক বেতার ভাষণে বলেন, ‘May Allah bless you and help in your straggle for freedom. JOY BANGLA’ (বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্র, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, তথ্য মন্ত্রণালয়) Contact info Abu’s profile linkedin.com/in/abu-salim-yahiya-b84bb3366 Phone 7275446566 (Mobile) Email salimfalahi66@gmail.com Birthday December 1 Abu Salim Yahiya · 1st Ph.D. Candidate Delhi, India Experience University Grants Commission (UGC) logo Junior Research Fellow University Grants Commission (UGC) · Full-time Feb 2026 - Present · 5 mos New Delhi, Delhi, India · On-site LILT AI logo Linguist LILT AI · Freelance Aug 2025 - Present · 11 mos New Delhi, Delhi, India · Remote LinkedIn helped me get this job helped me get this job Translation and Linguistics Self Employed logo Arabic Private Tutor Self Employed Aug 2024 - Present · 1 yr 11 mos Instruction for Arabic language. GlobalLogic logo Language Specialist GlobalLogic · Full-time Jan 2026 - May 2026 · 5 mos AI Trainer, Red Teaming Translingoworld Private Limited logo Translator Translingoworld Private Limited · Part-time Aug 2022 - Dec 2025 · 3 yrs 5 mos New Delhi, Delhi, India · Hybrid Served as Translator for Arabic Language Translation and Interpreting Education Jamia Millia Islamia (JMI), Delhi logo Jamia Millia Islamia (JMI), Delhi Master of Arts - MA, Islamic Studies Oct 2022 – Jun 2024 Grade: 8.75 Activities and societies: Vice-president_Subject Association, Department of Islamic Studies, JMI Team Leadership, Leadership and +2 skills Jawaharlal Nehru University logo Jawaharlal Nehru University Associate's degree, Advanced Diploma in Mass Media in Urdu Language Aug 2023 – Jun 2024 Grade: 8.00 Media and Content বিজনীরা যা জানেন বলা যায়, বিজ্ঞানীরা পদার্থ বিজ্ঞানের সাহায্যে মহাবিশ্বের প্রায় অর্ধশত ভাগ সত্য সম্পর্কে জেনেছেন। বাকী অর্ধশত ভাগ জানার অগ্রযাত্রা এখনও শুরু হয়নি। কারণ, খ্রীষ্টপূর্ব ...সালে ডেমোক্রিটাস মহাবিশ্বের সত্য জানার অগ্রযাত্রা শুরু করেছিলেন বস্তুগত সত্য জানার মাধ্যমে যার পদাংক অনুসরণ করে অ্যারিস্টটল, জাবের ইবনে হাইয়ান, গ্যালিলিও, নিউটন, মারে গেলমান, অআইনস্টাইন প্রমুখও মহাবিশ্বের বস্তুগত সত্য জানতে তাঁদের নিজ নিজ গবেষণা সীমাবদ্ধ রেখেছিলেন। ফলে মহাবিশ্বের অনেক ঘটনা, পরিঘটনা যা বস্তুগত পদার্থ বিজ্ঞানে ব্যাখ্যা করা সম্ভবপর না হওয়ায় অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, অদ্ভূতুড়ে, অতিপ্রাকৃতিক বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়। বিগত বিংশ শতাব্দীর শেষদিকে বিজ্ঞানীরা অতিপ্রাকৃতিক বিষয়ে সত্য জানতে প্রস্তাব করেছিলেন নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স প্রবর্তনের মাধ্যমে। WSTRC এই নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে তা শর্ত সাপেক্ষ। বিশেষ করে পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার টেনে পদার্থ বিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বাজিয়ে নতুন বিজ্ঞানের উদ্বোধন জরুরী মনে করে WSTRC পদার্থ বিজ্ঞানের সাফল্যসমূহঃ এই বিজ্ঞান কেবল মহাবিশ্বের সূচনা নয় অধিকন্তু মহাবিশ্বের সূচনার পূর্ব অবস্থা সম্পর্কেও সম্যক অবহিত। ১৯৬৪ সালে ব্যাক গ্রাউন্ড রেডিয়েশনের অবশেষ উদ্ধার করে তা কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে জানতে পারেন এই তথ্য। তাতে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনকে মহাবিশ্বের সূচক বা পরম জ্ঞান স্তর রূপে সনাক্তে সাফল্যজনকভাবে সক্ষম বলে মনে করে WSTRC তবে অআনুষঙ্গিক দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তরে নিহিত পদার্থ বিজ্ঞ্যনের শতভাগ এবং মহাবিশ্ব বিবেচনায় অর্ধশতভাগ সত্য জানা বাকী থেকে যায়। WSTRC মনে করে এই দশ অমীমাংসিত বিষয়ের অনেক বিষয় বাস্তবে মীমাংসিত। যেমন অআপেক্ষিকতার সাথে কোয়ান্টামের একীভূত হয়ে যায় ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্টের মাধ্যমে। স্ট্রিংয়ের প্রমাণ পরতে পরতে। গ্র্যাভিটনের জন্য তথা মহাকর্ষের জন্য দরকার বাকী তিন মহাবলের ন্যায় ধনাত্মক ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট হওয়া। WSTRC মনে করে মহাকর্ষও ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক বিশিষ্ট যদি অআমরা মহাকর্ষ এবং মাধ্যাকর্ষণকে সমার্থক মনে না করে পৃথক মনে করে থাকি। স্ট্রিং থিওরি প্রমাণিত হয়েছে ২০১২ সালে সার্ণ কর্তৃক সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে হিগস বোসন কণা উৎপন্নের মাধ্যমে।WSTRC মনে করে ডার্ক ম্যাটার অআর এনার্জি তেমন কিছু নয় এই দুটি বিষয় হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনেরই অবিস্ফোরিত অংশ। যেমন ৪ মহাবল এনার্জেটিক রেডিয়েশনের অংশ। বিগ ব্যাংয়ের পর এই রেডিয়েশন থেকে পৃথক হয়েছে কিন্তু বিগ ব্যাংয়ের পরও একীভূত ছিল পরে পৃথক হয়েছে। ডার্ক এনার্জিও রেডিয়েশন থেকে পৃথক হয়েছে। খুব সম্ভবতঃ ডার্ক এনার্জি ও ম্যাটার+৪ মহাবলের একক রূপ হাইয়েস্ট এনার্জটিক রেডিয়েশন। হুমকির মধ্যে অআছে বিশেষ অআপেক্ষিকতা। ২০১১ সালে এই হুমকিতে পড়েছিল অভরশুন্য নিউট্রিনোর গতি ৬০ ন্যানো সেকেন্ড এগিয়ে যাওয়ায় যা স্ট্যান্ডার্ড মডেল এবং পদার্থ বিজ্ঞানকে চরম হুমকিতে ঠেলে দেয়। লাঠি না ভেঙে সাপ মারার প্রযুক্তি ব্যবহার করলে WSTRC মনে করে এই হুমকি কাটিয়ে উঠা সম্ভব ইনশাঅআল্লাহ। তা হচ্ছে, ১৮৬০০০ মাইলকে অআইনস্টাইন স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্স ঘোষণা করলে অআলোর গতি ছাড়িয়ে গেলে তাতে সুরক্ষা পাবে বিশেষ অআপেইক্ষকতাসহ স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি এবং পদার্থ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠিত সূত্রগুলি। উল্লেখ্য, আলো প্রকৃতপক্ষে প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,২৮২.৩৯৭ মাইল গতিতে চলে। নিউট্রিনো হলো একটি বৈদ্যুতিক আধান নিরপেক্ষ, ক্ষুদ্র ও শূন্যের কাছাকাছি ভরযুক্ত মৌলিক কণা। দোয়া-প্রার্থনার বৈজ্ঞানিকতা বস্তু ওজন বিশেষ, ওজন ভর বিশেষ,ভর শক্তি বিশেষ। এক বা একাধিক শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এক বা একাধিক বাক্যের নাম। ক্ষুদ্র শক্তিকে বৃহৎ শক্তি দ্বারা প্রতিহত বা দমন সম্ভব। এমন দোয়া রয়েছে যা যত বড় বিপদ, যত বড় শক্তিধরই হোক না কেন তা দমনযোগ্য হয়। শক্তিশালী পথ্য দ্বারা কঠিন রোগ অআরোগ্য যোগ্য হয়। প্রচন্ড শব্দে কান বধির হয়ে যেতে পারে। প্রচন্ড শব্দে সৃষ্টি হয় প্রচন্ড কম্পন যার ফলে বজ্রপাতের শব্দে জানালার কাঁচে সৃষ্টি হয় এক প্রকার কম্পন-যার ফলে জানালার কাঁচ তর তর করে ভেঙ্গে পড়ে। ইসরাফিল আলাইহিমুস সালামের শিঙায় ফুঁকে সৃষ্ট প্রচন্ড শব্দে থর থর করে কেঁপে উঠবে মহাবিশ্বের সব কিছু। কুল্লুমান আলাইয়া ফান-সব কিছু ধ্বংস হয়েে যাবে, কেবল থাকবেন জুল জালালি ওয়াল ইকরাম। অর্থাৎ কুন শব্দে সৃষ্টি, আবার ইসরাফিল আলাইহিমুস সালামের শিঙার ফুঁৎকারে সৃষ্ট প্রচন্ড শব্দের কম্পনে মহাবিশ্বের সব কিছু লন্ডভন্ড, সব কিছু নিঃশেষ। উল্লেখ্য, বর্তমানে সৃষ্টির মৌলিক কোনো সৃষ্টিও নেই, পুরোপুরি ধ্বংসও নেই। বিশেষ করে এই তত্ত্ব শক্তির ক্ষেত্রে পুরোপুরি সত্য। তাই বলা হয়ে থাকে, বিজ্ঞানীরা না কোনো কিছু সম্পূর্ণ মৌলিকভাবে সৃষ্টিকারক না পুরোপুরি বিনাশক। বরং বিজ্ঞানীদের স্বীকারোক্তি যে, তারা সৃষ্টিতেও নেই ধ্বংসেও নেই। কাঠকে জ্বালিয়ে ধ্বংস করতে চাইলে তা পরিণত হবে কয়লায়, কয়লা পরিণত হবে হীরার, কিংবা তেল, পেট্রোলে। পেট্রোল পরিণত হবে শক্তিতে। শক্তি হচ্ছে কোনো বস্তু বা পদার্থের শেষ কথা। ,পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার। শক্তি কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নটি পদার্থ বিজ্ঞানে জারীকৃত নিষিদ্ধ প্রশ্নের অন্তর্ভূক্ত। পদার্থ বিজ্ঞানের সর্বসম্মত তত্ত্ব হচ্ছেঃ এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই। শক্তি কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের পরিবর্তে শক্তি এলো কোত্থেকে? এই প্রশ্ন করা হলে জাগতিক পরিভাষায় বলা যেতে পারে , শক্তি এলো প্রকৃতি থেকে? প্রকৃতি এলো কোত্থেকে? এই প্রশ্নও পদার্থ বিজ্ঞানের নিষেধাজ্ঞামূলক। তবে আধ্যাত্মিক পরিভাষায় বলা হয় গড কর্তৃক প্রকৃতি সৃষ্ট। প্রকৃতি কিংবা গড হতে পারে গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরি তথা থিওরি অব এভরিথিং এর মৃল উৎস। WSTRC এর মতে, মহাবিশ্বের মহাসত্য উন্মোচনের জন্য এমন এক অতীন্দ্রীয় সত্বার পরম অপরিহার্যতা রয়েছে যা সত্যকে জানার জন্য যে প্রশ্র তার অবসান ঘটাবে। পরম সত্বার অপরিহার্যতা হচ্ছে তিনি হবেন সুবহা-ন এবং স্বমাদ অর্থাৎ কোনো সৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি না যাবতীয় উপাদান-উপকরণের উপর অমুখাপেক্ষি। কারণ, শক্তি পদার্থ বিজ্ঞানে শেষ কথা হতে পারে কিন্তু শক্তি কে ভাঙলে শক্তিই পাওয়া যাচ্ছে। কোয়ার্ককে ভাঙলে কোয়ার্কই পাওয়া যাচ্ছে। ইলেক্ট্রনকে ভাঙলে ইলেকট্রনই পাওয়া যাচ্ছে। তাহলে গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন বা থিওরি অব এভরিথিং কিভাবে হবে? এর জন্য প্রয়োজন প্রথমে প্রশ্ন করার প্রবণতা থামানো। প্রশ্ন থামাতে হলে প্রথমতঃ শক্তিকে করা যেতে পারে পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার বা শেষ কথা। তাহলে ইলেকট্রন-কোয়ার্কসহ ১৭টি মৌলিক কণাকে গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন করা যেতে পারে শক্তির ফ্রেমে আবদ্ধ করে। যেমন আইনস্টাইন আলোর গতিকে ভরশক্তি সমীকরণের আলোকে ১,৮৬,০০০ মাইলের ফ্রেমে অআবদ্ধ করে শক্তিকে করা হয়েছে ভরের মূলোৎস। তাহলে শক্তি হতে পারে স্ট্রিং থিওরির কম্পনের মূলোৎস এমনকি মহাকর্ষের প্রতিবল বা প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনেরও মূলোৎস হতে পারে শক্তি আর শক্তি। কোয়ান্টাম তত্ত্বঃ অআধ্যাত্মিক জগতে যেমন রয়েছে কুদরাত, মুজিযা, কারামত, মেধা, সৃজনশীলতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা নামের কিছু বিশেষ কার্যকর শব্দাবলী তেমনি পার্থিব জগতেও রয়েছে কিছু অপার্থিব শব্দাবলী। যেমন, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, অদ্ভূত, অতিপ্রাকৃতিক অনুরূপ বিজ্ঞান জগতেও রয়েছে কিছু পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র বহিঃভূত কতিপয় শব্দ। যেমন টেলিপ্যাথি, হ্যালুয়েশন, এক্স (রে), ডার্ক (ম্যাটার-এনার্জি), স্ট্রেন্জ (কোয়ার্ক) ইত্যাদি। অআধ্যাত্মিক পার্থিব এসব বিশেষ শব্দ............ভূক্ত শব্দ/বাক্য বিশেষ। ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের পথে আমার আবিস্কার আমার প্রার্থনার ফসল(স্যার আইজাক নিউটন। একমাত্র দোয়ায় তাকদীর পরিবর্তন হয় আল হাদীস। Stop War Start Peace দোয়া কি?Transcendental Print অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন একটি বিষয় (Beyond human knowledge: Source: A Student Dictionary)|Transcendentalism was a 19th-century philosophical and literary movement that emphasized individual intuition, self-reliance, and the inherent goodness of people and nature. Originating in New England in the 1830s, it arose as a protest against the strictness of organized religion and rationalism.Core BeliefsThe Divine Soul: Transcendentalists believed that the divine, or a "universal soul," connects all of creation. Because of this, spiritual truths are found through personal intuition and inner reflection, rather than through religious doctrine or strict logic.Self-Reliance: Adherents argued that individuals are inherently good but are corrupted by the conformity of society. They highly valued independence, non-conformity, and trusting one’s own conscience.Reverence for Nature: Nature was seen as a sacred, restorative force. Transcendentalists believed that spending time in the natural world was the best way to escape societal corruption and connect with the divine.Core BeliefsThe Divine Soul: Transcendentalists believed that the divine, or a "universal soul," connects all of creation. Because of this, spiritual truths are found through personal intuition and inner reflection, rather than through religious doctrine or strict logic.Self-Reliance: Adherents argued that individuals are inherently good but are corrupted by the conformity of society. They highly valued independence, non-conformity, and trusting one’s own conscience.Reverence for Nature: Nature was seen as a sacred, restorative force. Transcendentalists believed that spending time in the natural world was the best way to escape societal corruption and connect with the divine.Key FiguresRalph Waldo Emerson: The primary philosophical leader of the movement. His essays, particularly "Self-Reliance," laid the foundational ideas for American individualism. You can explore his work via the Stanford Encyclopedia of Philosophy.Henry David Thoreau: A devoted follower who put transcendentalist ideals into practice. He is famous for his book Walden, which details his experiment in simple, self-reliant living, and his essay "Civil Disobedience".Margaret Fuller: A prominent advocate for women’s rights and editor of the transcendentalist journal The Dial.Historical ImpactTranscendentalism wasn't just a philosophy; it fueled major social reform movements in the United States. Followers were deeply involved in the abolitionist movement, educational innovations, labor rights, and early women’s suffrage. You can read more about the movement's history and its origins at the History.com article on Transcendentalism. দোয়া হচ্ছে, কিছু স্বরবর্ণ এবং ব্যান্জন বর্ণের ভিত্তিতে স্বরতন্ত্রে উৎপন্ন এক বা একাধিক বাক্যের নাম। শব্দ এক প্রকার বস্তু বিশেষ। বস্তুভরক্তি বিশেষ। কোয়ান্টাম মেকানিক্স মতে, বল, মহাবলও এক প্রকার বস্তু-কণা বিশেষ । প্রতিটি বস্তু ভর সম্পন্ন ভর হচ্ছে জমাট শক্তির নাম। কুন একটি কুদরতি শক্তি যদ্বারা মহাবিশ্বের পুরো অস্তিত্ব বা মূলোৎস নিহিত রয়েছে। অআবার ইসরাফিল অআলাইহিমুস সালাম কর্তৃক শিঙায় ফুঁকের শব্দে দেখা দেবে কম্পন তাতে পুরো বিশ্ব তছনছ হয়ে পড়বে। এক বিলিয়ন বছরেরও অআগে দুটি ব্ল্যাকহোলের মু্খোমুখি সংঘর্ষে সৃষ্টি হয় মহাকর্ষ তরঙ্গ। সার্ণ কর্তৃক লার্জ হ্যাড্রনে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে কৃত্রিম হিগস বোসন কণা তৈরি করা হয় যে কণা ভরশক্তি সমীকরণ মতে, জমাট শক্তি জমে থাকা বস্তুর মতই। দোয়া এক প্রকার বহু স্বর এবং ব্যান্জনবর্ণের সমস্টিতে উৎপন্ন একাধিক শব্দে গঠিত বাক্য বিশিষ্ট যা পদার্থ বিজ্ঞানমতে কণা, বস্তু তথা ভর এবং শক্তি বিশেষ। বিসমিল্লাহিল্লাজি লা---ইয়াদিররু শাইয়ুন ফিল আরদ্বি....এমন শক্তিশালী দোয়া বজ্রপাতের মত শক্তিশালী দূর্ঘটনা মাথার এক হাত বাকী থাকলেও তা ফিরে যায়।
ক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারকের একটি চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা। প্রস্তাবিত এই খসড়ায় তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ইরানের ওপর মার্কিন তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দুই পক্ষ এই সমঝোতায় সম্মত হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে ওই ইরানি সূত্র। খসড়া সমঝোতা অনুযায়ী, সামরিক ও ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে ইরান অবিলম্বে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে দেবে। এর বিপরীতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নেবে। অর্থনৈতিক ও নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত বিষয়ে খসড়াটিতে বলা হয়েছে, একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবে না। এছাড়া, ওয়াশিংটন একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ইরানের ওপর থেকে তেল সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে, যার ফলে তেহরান আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি করতে পারবে এবং তার রাজস্ব সরাসরি গ্রহণ করতে পারবে। একই সাথে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অবরুদ্ধ হয়ে থাকা ২৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছে। এই অর্থ সরাসরি নগদ স্থানান্তর, আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং আর্থিক ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে ইরানকে ফেরত দেওয়া হবে। আরও পড়ুন ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্ভাব্য চুক্তিকে ‘আত্মসমর্পণ দলিল’ আখ্যা ডেমোক্র্যাটদের ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্ভাব্য চুক্তিকে ‘আত্মসমর্পণ দলিল’ আখ্যা ডেমোক্র্যাটদের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে তেহরান এই খসড়ায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ইরান কখনো পরমাণু অস্ত্র তৈরি বা তা অর্জন করবে না। চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তারা পরমাণু কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা (স্ট্যাটাস কুও) বজায় রাখবে। যার মধ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ না করা এবং পরমাণু স্থাপনা সম্প্রসারণ না করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সূত্র: আল-আরাবিয়া। উদ্ভববাদ emergent properties Emergent properties are complex characteristics that arise from the interaction of simpler elements within a system, and they cannot be predicted by examining the individual components alone. These properties are commonly observed in various fields such as biology, where the functioning of a living organism is more than just the sum of its cellular processes. Understanding emergent properties is crucial because they help explain complex phenomena like consciousness, ecosystems, and social structures, highlighting the importance of studying systems holistically. https://www.vaia.com/en-us/explanations/philosophy/philosophy-of-mind/emergent-properties/ Emergentism is a philosophical position holding that complex systems possess properties, behaviors, or laws that arise from the interaction of their fundamental parts but are not reducible to or predictable from them. A property of a system is said to be emergent if it is a new outcome of some other properties of the system and their interaction, while it is itself different from them.[1] Within philosophy of science, emergentism is analyzed both as it contrasts with and parallels reductionism.[1][2] In his 1843 book A System of Logic, John Stuart Mill stated that "all organised bodies are composed of parts, similar to those composing inorganic nature, and which have even themselves existed in an inorganic state", including all forms of life, but that the "phenomena of life" are quite different to those of non-living matter.[3][1] জন স্টুয়ার্ট মিল তাঁর ১৮৪৩ সালের বই 'এ সিস্টেম অফ লজিক'-এ বলেন যে, "সমস্ত সংগঠিত বস্তু, অজৈব প্রকৃতির উপাদানগুলির মতোই অংশ দ্বারা গঠিত, এবং যা এমনকি নিজেরাও একটি অজৈব অবস্থায় বিদ্যমান ছিল", যার মধ্যে জীবনের সমস্ত রূপ অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু "জীবনের ঘটনাগুলি" জড় পদার্থের ঘটনাগুলি থেকে বেশ আলাদা।[3][1] Samuel Alexander proposed that a (human) mental process emerges from a neural process and that living systems, and those with mind, have "new emergent qualit[ies]" that do not occur at lower levels.[1] Later philosophers have taken up Alexander's epistemological position, arguing either that the properties of higher levels (complex systems) cannot be predicted from understanding of lower levels.[1] স্যামুয়েল আলেকজান্ডার প্রস্তাব করেছিলেন যে একটি (মানব) মানসিক প্রক্রিয়া একটি স্নায়বিক প্রক্রিয়া থেকে উদ্ভূত হয় এবং জীবন্ত ব্যবস্থা, এবং যাদের মন আছে, তাদের "নতুন উদ্ভূত গুণাবলী" রয়েছে যা নিম্ন স্তরে ঘটে না।[1] পরবর্তীকালের দার্শনিকরা আলেকজান্ডারের জ্ঞানতাত্ত্বিক অবস্থান গ্রহণ করেছেন, যুক্তি দিয়ে যে নিম্ন স্তরের জ্ঞান থেকে উচ্চ স্তরের (জটিল সিস্টেম) বৈশিষ্ট্যগুলি ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় না।[1] দর্শন এবং বিজ্ঞানের পরিভাষায় উদ্ভববাদ (Emergentism) হলো এমন একটি মতবাদ, যা জটিল সিস্টেম বা ব্যবস্থায় কীভাবে সম্পূর্ণ নতুন বৈশিষ্ট্য ও ঘটনাগুলোর সৃষ্টি হয় তা ব্যাখ্যা করে。 In philosophy, systems theory, science, and art, emergence occurs when a complex entity has properties or behaviors that its parts do not have on their own, and emerge only when they interact in a wider whole. দর্শন, সিস্টেম তত্ত্ব, বিজ্ঞান এবং শিল্পকলায়, উদ্ভব ঘটে যখন কোনো জটিল সত্তার এমন কিছু বৈশিষ্ট্য বা আচরণ থাকে যা তার অংশগুলোর নিজস্বভাবে থাকে না, এবং এই বৈশিষ্ট্যগুলো বা আচরণগুলো কেবল তখনই উদ্ভূত হয় যখন তারা একটি বৃহত্তর সমগ্রের অংশ হিসেবে পরস্পরের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে।https://en.wikipedia.org/wiki/A_Different_Universe The book emphasizes more study of such macroscopic phenomena, sometimes called emergence, over the ever-downward dive into theoretically fundamental ideas such as string theory, which at some point become empirically irrelevant by having no observable consequences in our world. The arguments come full circle with modern dark energy ideas suggesting that spacetime or the vacuum may not be empty, but rather (for all we can observe) a medium, a possibility ironically glimpsed even by Einstein whose career began with demolishing the similar but too-simplistic notion of ether with his special relativity work. বইটি স্ট্রিং থিওরির মতো তাত্ত্বিকভাবে মৌলিক ধারণাগুলোর গভীরে ক্রমাগত ডুব দেওয়ার পরিবর্তে, ম্যাক্রোস্কোপিক ঘটনা—যাকে কখনও কখনও উদ্ভব বলা হয়—এর উপর আরও বেশি অধ্যয়নের উপর জোর দেয়। স্ট্রিং থিওরির মতো ধারণাগুলো এক পর্যায়ে আমাদের জগতে কোনো পর্যবেক্ষণযোগ্য পরিণতি না থাকায় পরীক্ষামূলকভাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে। আধুনিক ডার্ক এনার্জির ধারণাগুলোর মাধ্যমে এই যুক্তিগুলো একটি পূর্ণতা পায়, যা থেকে বোঝা যায় যে স্থানকাল বা শূন্যস্থান হয়তো খালি নয়, বরং (আমরা যা পর্যবেক্ষণ করতে পারি) একটি মাধ্যম। পরিহাসের বিষয় হলো, এই সম্ভাবনাটির আভাস পেয়েছিলেন এমনকি আইনস্টাইনও, যাঁর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল তাঁর বিশেষ আপেক্ষিকতার কাজের মাধ্যমে ইথারের অনুরূপ কিন্তু অতি-সরল ধারণাটিকে খণ্ডন করে। মূল ধারণা:উদ্ভববাদের মূল বক্তব্য হলো—সমগ্র বস্তুটি তার উপাদানগুলোর সমষ্টির চেয়েও বৃহত্তর。 যখন অনেকগুলো সাধারণ উপাদান একত্রিত হয়ে একটি জটিল কাঠামো তৈরি করে, তখন সেই কাঠামোর মধ্যে সম্পূর্ণ নতুন কিছু গুণের "উদ্ভব" বা Emergence ঘটে, বিগ ব্যাংয়ের পর মহাবিশ্বের উদ্ভবের পরপরই যে সব নতুন গুণের উদ্ভব ঘটে তা নিম্নরূপঃ ক) এন্ট্রপি শীতল মুখী হওয়া খ) সময়ের উদ্ভব হওয়া এবং তা এগিয়ে যাওয়া যার কারণে সময় তিন প্রকারে বিভক্ত হয় যথা ক) অতীত খ) বর্তমান এবং গ) ভবিষ্যত। দর্শনের প্রেক্ষাপটে উদ্ভববাদ:মন ও চেতনা: উদ্ভববাদীরা বিশ্বাস করেন যে মানুষের মস্তিষ্ক এবং চেতনার সম্পর্ক ঠিক এমনই। ভৌত নিউরনের মতো ক্ষুদ্র অংশগুলো একত্রিত হলেই মানুষের চেতনার (Consciousness) মতো সম্পূর্ণ নতুন একটি গুণের উদ্ভব ঘটে。হ্রাসবাদের বিরোধিতা: এটি রিডাকশনিজম বা হ্রাসবাদের বিপরীত। হ্রাসবাদ মনে করে কোনো বস্তুর সব গুণ তার ক্ষুদ্রতম উপাদানগুলোকে বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায়。 কিন্তু উদ্ভববাদ অনুসারে, উচ্চস্তরের বৈশিষ্ট্যগুলোকে নিম্নস্তরের উপাদান দিয়ে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়。 বিজ্ঞানের প্রেক্ষাপটে উদ্ভববাদ:জীববিজ্ঞানে অ-জীবন্ত রাসায়নিক উপাদানগুলো একত্রিত হয়ে যখন একটি কোষ তৈরি করে, তখন সেখানে জীবনের সঞ্চার হয়。রসায়নে হাইড্রোজেন (H) এবং অক্সিজেন (O) দুটি গ্যাসীয় উপাদান, যা তরল পানি (H₂O) নামক সম্পূর্ণ নতুন একটি উপাদানের রূপ নেয়。প্রধান প্রকারভেদ:দুর্বল উদ্ভববাদ (Weak Emergentism): এখানে নতুন সৃষ্ট বৈশিষ্ট্যটি কেবল জটিলতার কারণে দৃশ্যমান হয়, কিন্তু এর পেছনে নতুন কোনো নিয়ম কাজ করে না。শক্তিশালী উদ্ভববাদ (Strong Emergentism): এখানে নতুন উদ্ভূত বৈশিষ্ট্যটি তার আগের স্তরের উপাদান থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং স্বতন্ত্র হয়。 https://www.linkedin.com/pulse/the-voice-of-the-world-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-7kbzc/ https://www.linkedin.com/pulse/মযগজন-ইসলম-বজঞন-পরযকত-বরত-islami-biggan-projukti-barta-ramzan-hossain/ https://www.linkedin.com/pulse/মযগজন-ইসলম-বজঞন-পরযকত-বরত-islami-biggan-projukti-barta-ramzan-hossain/ https://www.linkedin.com/pulse/মযগজন-ইসলম-বজঞন-পরযকত-বরত-islami-biggan-projukti-barta-ramzan-hossain/ https://www.linkedin.com/pulse/মযগজন-ইসলম-বজঞন-পরযকত-বরত-islami-biggan-projukti-barta-ramzan-hossain/ https://www.linkedin.com/pulse/মযগজন-ইসলম-বজঞন-পরযকত-বরত-islami-biggan-projukti-barta-ramzan-hossain/ https://www.linkedin.com/pulse/মযগজন-ইসলম-বজঞন-পরযকত-বরত-islami-biggan-projukti-barta-ramzan-hossain/ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বৃষ্টিবলয়, ৪ বিভাগে বেশি সক্রিয়দেশে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী একটি বৃষ্টিবলয়। এটি আগামী ১৮ জুন থেকে অন্তত ১২ দিন সক্রিয় থাকতে পারে। বলয়ের প্রভাবে দেশের চার বিভাগের অধিকাংশ জেলায় ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। শনিবার (১৩ জুন) বিডব্লিউওটির ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়, বছরের প্রথম বর্ষাকালীন বৃষ্টিবলয় দেশে সক্রিয় হতে পারে আগামী ১৮ থেকে ১৯ জুন। ২৯ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এটি সক্রিয় হতে পারে। এর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি জেলায় ভারি বৃষ্টি হতে পারে। এতে আরও বলা হয়, বর্ষাকালীন বৃষ্টিবলয় হওয়ায়, এর প্রভাবে ঝড় ও বজ্রপাত অনেক কম থাকতে পারে। স্বাভাবিক দমকা হাওয়া ও বাতাসের এলোমেলো প্যাটার্নের কারণে কিছুকিছু স্থানে বজ্রপাত হতে পারে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমীবায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।এ অবস্থায় আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণও হতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।https://www.jugantor.com/national/1113166 ইসরাইলি বসতি এলাকার জমি বিক্রির অনুষ্ঠান বাতিলের দাবি ১০০ ব্রিটিশ আইনপ্রণেতার অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবস্থিত দখলদার ইসরাইল বসতিগুলোর জমি বিক্রির প্রচারণা চালানো হতে পারে—এমন অভিযোগ তুলে লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য একটি রিয়েল এস্টেট প্রদর্শনী বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের শতাধিক আইনপ্রণেতা। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১০০ জনের বেশি সদস্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গ্রেট ইসরাইলি রিয়েল এস্টেট ইভেন্ট’ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রশ্নে গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী ইভেট কুপারের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে লেবার পার্টির ৬৫ জন এমপি, বিভিন্ন দলের আইনপ্রণেতা এবং হাউস অব লর্ডসের সদস্যরা সতর্ক করে বলেন,প্রদর্শনীতে এমন সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে,যেগুলো ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের পর নির্মাণ করা হয়েছে।এর মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের সম্পত্তিও রয়েছে। চিঠিতে আইনপ্রণেতারা দাবি করেন, এ ধরনের সম্পত্তি বিক্রির আয়োজন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে এবং তা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণকে উৎসাহিত করবে। চিঠির উদ্যোক্তা লেবার পার্টির এমপি অ্যান্ডি ম্যাকডোনাল্ড বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে নিজেদের দায়িত্ব পালনের এবং ফিলিস্তিনে ইসরাইলের অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ এখন ব্রিটিশ সরকারের সামনে রয়েছে। তিনি বলেন, পশ্চিম তীর ও গাজাজুড়ে সংঘটিত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং গণহত্যার মতো অভিযোগের বিষয়গুলোও এ উদ্যোগের আওতায় বিবেচনায় নেওয়া উচিত। বিতর্কিত এই প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ব্রিটিশ রাজনীতিতেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী ও ফিলিস্তিনপন্থি সংগঠনগুলোও অনুষ্ঠানটি বাতিলের দাবি জানিয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা https://www.jugantor.com/international/1112888Contact info Nadia’s profile linkedin.com/in/nadia-alshehri-cipd5-030abb170 Email nadiaal-shehri@hotmail.comhttps://www.linkedin.com/feed/update/urn:li:activity:7477063046721499136/?utm_source=share&utm_medium=member_desktop&rcm=ACoAACgi0cEBqVSK2hMqVSQK9k8wYRakAsVM8nMAbout Experienced and working hard to achieve the organization's manpower goals; with four years of experience in education, human resource, and management . Looking forward to starting a professional career while working in a competitive workplace.Nadia Alshehri, CIPD5 · 3rd HR Business Partner | HR operations Riyadh, Saudi Arabia জেনেভায় রোববার চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি আগামী রোববার (১৪ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির পরমাণু আলোচনা দলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এই খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ফার্স নিউজ এজেন্সি’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বেশ কিছু প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং রোববারই জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বক্তব্য এবং বিদেশী গণমাধ্যমের জল্পনা-কল্পনাকে সরাসরি নাকচ করে দিয়ে ওই ইরানি সূত্রটি ফার্স নিউজকে বলে, চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গেছে এবং রোববার তা স্বাক্ষর হতে চলেছে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা খবরটির সত্যতা খণ্ডন করে সূত্রটি আরও জানায়, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে ইরানের নিজস্ব একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা ও আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। এই চুক্তির খসড়া নিয়ে তেহরানের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটি এখনো শেষ হয়নি। ফলে দেশের ভেতরে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগে বাইরে চুক্তি স্বাক্ষরের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অনড় অবস্থান ইঙ্গিত দেয় যে চুক্তির টেবিলে নিজেদের স্বার্থ পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তেহরান কোনো তাড়াহুড়ো করতে রাজি নয়। ফলে রোববার কোনো চুক্তি সই হচ্ছে না তা এখন অনেকটাই স্পষ্ট, চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আলোচনা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা। https://www.jugantor.com/international/1112843 ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখছেন, হতে পারে যেসব ক্ষতি Advertisement ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ঘাঁটা শুরু। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ অভ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে আপনার ব্রেন। ব্যাপক প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যেও। কারণ ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে। সেগুলো ধীরগতিতে কাজ করে। ওই সময়ে মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ কিংবা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কাজগুলো ঠিকমতো করা যায় না। ঘুম থেকে ওঠার পর ব্রেন ও নার্ভ অ্যাকটিভ হতে কিছুটা সময় নেয়। ওই মুহূর্তে আপনি যদি মোবাইল ঘাঁটা শুরু করেন, তাহলে মস্তিষ্কের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়। একসঙ্গে একাধিক তথ্য বোঝা বা চিন্তাভাবনা করার জন্য মস্তিষ্ক প্রস্তুত থাকে না। এর জেরে মস্তিষ্কের ওপর অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি হয় এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়। বিছানায় একটা বালিশ কম থাকলেও চলবে। কিন্তু ঘুমোনোর সময়ে পাশে মোবাইল থাকা চাই।—এমন অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ আজকাল আর কেউ অ্যালার্ম দেওয়া ঘড়ি ব্যবহার করে না। মোবাইলেই সেট করা থাকে অ্যালার্ম। সেটি বাজা মাত্র ঘুমচোখে হাতড়াতে থাকেন মোবাইল ফোন। চোখ কচলাতে কচলাতে আঙুল ঠেকান স্মার্টফোনের স্কিনে। সারারাত ধরে জমা হওয়া নোটিফিকেশন ও মেসেজ দেখে দিন শুরু করেন। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ অভ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে আপনার মস্তিষ্ক। ব্যাপক প্রভাব পড়ছে আপনার স্বাস্থ্যে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর স্বাভাবিকভাবেই আপনার শরীরে কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) লেভেল বেশি থাকে। এ হরমোন জেগে উঠতে সাহায্য করে। আপনি যখন ঘুম ভাঙা চোখে মোবাইল চেক করেন, তখন এ হরমোনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। মানসিক চাপ তৈরি করে এমন সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও মেসেজের জেরে কর্টিসলের ক্ষরণ আরও বেড়ে যায়। এর জেরে অ্যাংজাইটি ও স্ট্রেস বাড়ে এবং স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি এ ধরনের অভ্যাস তৈরি হয়, যা ক্রনিক স্ট্রেসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে এ অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত। দিনের শুরুটাই যদি মানসিক চাপে ভরপুর হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই গোটা দিনটা বিগড়ে যায়। মনোযোগ নষ্ট হয়। দিনভর মানসিক ক্লান্তি কাজ করে। সারা দিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। এগুলো লক্ষণগুলো অনেকেই বুঝতে পারেন না এবং এর জেরে ক্রনিক ডিপ্রেশন তৈরি হয়। এই স্ট্রেসের পাশাপাশি আরও পারিপার্শ্বিক চাপ থাকে। সব মিলিয়েই মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি করে। ঘুম থেকে উঠে মোবাইলে হাত নয়। অ্যালার্মের জন্য ঘড়ি ব্যবহার করাই ভালো। ঘুম থেকে ওঠার অন্তত ২০-৩০ মিনিট পর মোবাইলে হাত দিন। মস্তিষ্ককে সক্রিয় হওয়ার সময় টুকু দিন। https://www.jugantor.com/lifestyle/ https://www.msn.com/en-xl/news/other/countries-where-belief-in-the-afterlife-is-the-strongest/ss-AA1MIn4k?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=6a2c34aaa1334edfb755a4aca5083f86&cvpid=ad8111f6a89544cb9606dc8a57233ac2&ei=15#interstitial=1 Religions of the World: https://www.msn.com/en-xl/news/other/countries-with-the-harshest-religious-restrictions/ss-AA1xniLH?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=6a2a1b1eb54f4401a2d6587f0a79c522&ei=25#interstitial=8 Strange laws from around the world ©Getty Images Laws are the backbone of any society. They ensure order, protect rights, and shape how communities interact and exist around the world. But if anyone were to travel through the legal landscapes of different countries, they’ll quickly discover that some laws go far beyond logic and common sense. In many parts of the world, you’ll find rules that sound almost too absurd to be real, but these quirky regulations reflect the unique facets and histories of each place. While some laws exist to protect architectural treasures, others dictate strict manners or safeguard animal welfare. Intrigued? Click through this gallery to discover some of the weirdest laws in place around the globe. What are the key differences and similarities between the Bible and Quran? ©Getty Images The Bible and the Quran are two of the most profoundly influential books in recorded history. Both serve as the foundational, sacred scriptures for over half the world's population, representing fundamentally different religions. Yet despite obvious key differences on what's written on paper, there are, in fact, surprising similarities between the texts, a spiritual and ideological assimilation that many fail to recognize. So, just how similar, and dissimilar, are these two religious works, and what can we learn by reading them? Click on for a better understanding of the Bible and the Quran and, by extension, Christianity and Islam.https://www.msn.com/en-xl/news/other/what-are-the-key-differences-and-similarities-between-the-bible-and-quran/ss-AA1WBoYu?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=6a2a254460b94399a8cec6290330c5d0&ei=7 :What does the Bible say about sleep? ©Getty Images Sleep is critical for humans—we need it to restore our bodies and minds and live healthy lives. But again, there is more to sleep than the process of dozing off and entering a different state of consciousness, or lack thereof. Sleep has various connotations, particularly when it comes to the spiritual realm. For instance, while the Bible is not a human biology book as such, it does mention sleep in numerous verses. And it does so from various angles with different meanings attached to them. In this gallery, we explore what the Holy Book says about sleep and its many interpretations. Click on to begin the journey.https://www.msn.com/en-xl/news/other/what-does-the-bible-say-about-sleep/ss-BB1nH40P?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=6a2a254460b94399a8cec6290330c5d0&ei=7&cvpid=6a2a254d459249c685ebdc7654cd1c2eCANADA https://www.linkedin.com/feed/update/urn:li:activity:7469401937164230656/?dashCommentUrn=urn%3Ali%3Afsd_comment%3A%287469619165528494080%2Curn%3Ali%3Aactivity%3A7469401937164230656%29 https://www.linkedin.com/posts/mark-carney-5b9744205_when-people-see-a-maple-leaf-on-a-uniform-share-7469401936040005633-TK5j/?utm_source=share&utm_medium=member_desktop&rcm=ACoAACgi0cEBqVSK2hMqVSQK9k8wYRakAsVM8nM https://www.msn.com/en-xl/news/other/extraterrestrial-civilization-molded-earth-before-life-emerged-according-to-wild-study/ar-AA1M8zBr?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=6a2c34aaa1334edfb755a4aca5083f86&cvpid=711ad70922b644c2da5a9c462b1afaf7&ei=15 দো দিনকা বাদশাহীঃ Every empire in history lasted about 250 years. America turns 250 in 30 days. 👉 A British general saw this coming in 1976. Almost nobody read his warning. Sir John Glubb spent 36 years soldiering in the Middle East. Then he studied 11 empires across 3,000 years. Assyria. Persia. Rome. The Arabs. The Ottomans. Britain. Different continents. Different religions. Different centuries. Same lifespan: roughly 250 years. Ten generations. Same six ages, every time: Pioneers. Conquest. Commerce. Affluence. Intellect. Decadence. The final age has signatures. Glubb listed them: ↳ Hero worship of "the athlete, the singer, or the actor" ↳ An obsession with food and celebrity chefs ↳ Money replacing duty as the measure of greatness ↳ Bitter internal political hatred ↳ A decline in religion He wasn't describing 2026. He was describing Baghdad in the year 950. Tenth-century historians complained about pop singers and indecent lyrics corrupting the youth. (Every civilization apparently gets this exact argument.) I first heard of this essay in a lecture by Sheikh Hamza Yusuf. I read it that same week. And I have not been able to stop thinking about the parallels he drew. You can argue with opinions. It's much harder to argue with a man who lined up 3,000 years of data and let it speak. Here's what most people miss: Glubb didn't write a prophecy. He wrote a mirror. Decline isn't a date on a calendar. It's a set of choices. And individuals have outlasted every empire that made the wrong ones. The essay is 26 pages. I think it's worth a read for everyone. Comment "EMPIRE" and I'll send you the free PDF and the full audio version. ♻️ Repost this for someone who thinks history has nothing left to teach. More reflections like this at HalalMoneyGuy.com. I feel this claim that empires last ~250 years is a bit misleading and ahistorical. The eastern Roman Empire lasted from the 600s well into the 1400s. The Zhou Dynasty in China lasted almost 800 years. the Spanish empire began in 1492 lasted well into the 1820s. The British empire began in the 1600s and only really decolonized in the mid 20th century. I feel graphics like this cherry pick dates to make it fit the 250 year narrative. Margaret "Peggy" Galeazza, CPA good point - and the author actually make the point that there is not a hard line of exactly 200 years, but the pattern is strong enough worthy of analysis. He make it clear, that its not an exact formula - but the stages of generations, and their attributes - conquering to decline has lots of consistencies... its worth a read, thanks for your comment. যার নিখুঁত সৃষ্টি কুশলতায় অস্তিত্ব লাভ করেছে এ বিশ্বজাহান। যার অসীম কুদরতের অনুপম নিদর্শন চাঁদ-সুরুজ ও সিতারা-আসমান। যার করুণা স্নিগ্ধ লালন-প্রতিপালনে ধন্য সকল জড় উদ্ভিদ প্রাণ। সেই মহান রাব্বুল আলামীনের জন্যই আমার সকাল-সন্ধ্যার হামদ-সানা, আমার দিবস-রজনীর স্তুতি-বন্দনা। যার শুভাগমনে আঁধার ঘুচে মানবতার পূর্ব দিগন্তে এক নতুন সূর্যের উদয় হল। মানবতার মুক্তির জন্য মানুষেরই হাতে তায়েফের মাটি যার রক্তে রঞ্জিত হলো, সেই নবী রাহমাতুল্লিল আলামীনের প্রতি আমার বিরহী আত্মার সালাত ও সালাম। মদীনা স্বপ্নে বিভোর আমার হৃদয়ের প্রেম-পয়গাম।https://www.hadithbd.com/books/detail/?book=172§ion=2330 Growing Brand Awareness with LinkedIn’s CTV Ads: Tips from Kantar Research Nicole Sitar Jones Authored byNicole Sitar Jones Chief Media Commercial Lead at Kantar May 27, 2026 B2B Marketers prioritize brand awareness for one simple reason: the shortlist. On the very first day of their buying journey, 86% of B2B buyers already have their shortlist set, and 92% ultimately choose a vendor from that list. So, to consistently make sales today, B2B brands must make an early impression on the B2B buying committee. The latest research from LinkedIn marketing partner Kantar shows how B2B marketers can use Connected TV (CTV) ads to boost brand awareness and help with shortlist inclusion. Here's a summary of the key takeaways: New research from Kantar shows that LinkedIn’s CTV Ads effectively grow brand awareness, especially among senior decision-makers. For the best results, marketers should integrate CTV Ads into a broader campaign. It's important to focus on frequency and duration, and use multiple creatives. This approach helps brands get on the buyer's shortlist early. New Research Shows Strong Correlation Between CTV Ads and Brand Awareness To explore the connection between CTV Ads and brand awareness, LinkedIn commissioned Kantar to analyze 97 campaigns. Overall they found that brands leveraging CTV Ads saw high-impact results for awareness-driven campaigns. As answer engines continue to disrupt search-based B2B brand discovery, reaching decision-makers outside of traditional work contexts becomes increasingly important. CTV Ads cut through the B2B noise, reaching decision-makers in a high-attention, immersive environment. With LinkedIn’s CTV Ads, brands can reach relevant B2B audiences wherever they stream TV. Compared to other CTV providers, in fact, LinkedIn’s CTV Ads were 2.6x more effective at growing awareness among B2B audiences (+10.2 vs. +3.9). This difference in performance underscores the importance of being able to target CTV viewers based on professional attributes. In other words, audience quality matters more than impression volume.Three Tips for Growing Brand Awareness with CTV Ads Here are three evidence-based tactics B2B marketers can use to further boost brand awareness with CTV campaigns. Leverage CTV Ads as part of an integrated strategy LinkedIn's CTV Ads work even better when they’re part of an integrated campaign. When paired with other LinkedIn formats, CTV Ads were 2x more effective at growing awareness than CTV Ads on their own (+18.4 vs. +7.7). A common example is when B2B brands use CTV Ads for top-of-funnel awareness, then reinforce the ads with in-feed and LinkedIn Audience Network ad formats. Brands that coordinate CTV Ads with other LinkedIn Ad formats, like Thought Leader Ads and Lead Generation Ads, can create compounding effects on both brand awareness and demand activation: Atlassian combined CTV Ads with Sponsored Content and Thought Leaders Ads, resulting in double-digit brand lift and a 120% increase in lower-funnel engagement. ServiceNow combined CTV Ads with BrandLink and Lead Gen Campaigns, achieving a 19-point lift in awareness and a 45% higher likelihood to convert. Learn more: Which LinkedIn Ads Combos Go Together Best? Invest in frequency, duration and creative variety for maximum lift As for the primary drivers of awareness, Kantar found that the frequency (35.0%) and duration (16.8%) of LinkedIn’s CTV Ad campaigns were the most influential factors. Secondary factors, like dayparting, campaign flighting and weekday scheduling, added incremental value to audience engagement. Three Tips for Growing Brand Awareness with CTV Ads Here are three evidence-based tactics B2B marketers can use to further boost brand awareness with CTV campaigns. Leverage CTV Ads as part of an integrated strategy LinkedIn's CTV Ads work even better when they’re part of an integrated campaign. When paired with other LinkedIn formats, CTV Ads were 2x more effective at growing awareness than CTV Ads on their own (+18.4 vs. +7.7). A common example is when B2B brands use CTV Ads for top-of-funnel awareness, then reinforce the ads with in-feed and LinkedIn Audience Network ad formats. Brands that coordinate CTV Ads with other LinkedIn Ad formats, like Thought Leader Ads and Lead Generation Ads, can create compounding effects on both brand awareness and demand activation: Atlassian combined CTV Ads with Sponsored Content and Thought Leaders Ads, resulting in double-digit brand lift and a 120% increase in lower-funnel engagement. ServiceNow combined CTV Ads with BrandLink and Lead Gen Campaigns, achieving a 19-point lift in awareness and a 45% higher likelihood to convert. Learn more: Which LinkedIn Ads Combos Go Together Best? Invest in frequency, duration and creative variety for maximum lift As for the primary drivers of awareness, Kantar found that the frequency (35.0%) and duration (16.8%) of LinkedIn’s CTV Ad campaigns were the most influential factors. Secondary factors, like dayparting, campaign flighting and weekday scheduling, added incremental value to audience engagement. আসলে স্বপ্ন কী? এ নিয়ে গবেষণা কম হয়নি, মানব সভ্যতার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত। কেউ বলেছেন, এটা একটি মানসিক চাপ থেকে আসে। কেউ বলেছেন, শারীরিক বিভিন্ন ভারসাম্যের ব্যাঘাত ঘটলে এটা দেখা যায়, সে অনুযায়ী। কেউ বলেছেন, সারাদিন মনে যা কল্পনা করে তার প্রভাবে রাতে স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন আধুনিক মনোবিজ্ঞানেরও একটি বিষয়। আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে মানুষের জন্য পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা হিসেবে এসেছে ইসলাম। এই ইসলাম মানুষের স্বপ্নের ব্যাপারেও উদাসীন থাকেনি। স্বপ্ন সম্পর্কে তার একটি নিজস্ব বক্তব্য আছে। তার এ বক্তব্য কোনো দার্শনিক বা বিজ্ঞানীর বক্তব্যের সাথে মিলে যাবে, এমনটি জরুরি নয়। মিলে গেলেও কোনো দোষ নেই। স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা বিশেষজ্ঞ ইমাম মুহাম্মাদ ইবন সীরীন রহ. বলেছেন, «الرُّؤْيَا ثَلاَثٌ: حَدِيثُ النَّفْسِ، وَتَخْوِيفُ الشَّيْطَان وَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ» “স্বপ্ন তিন ধরনের হয়ে থাকে। মনের কল্পনা ও অভিজ্ঞতা। শয়তানের ভয় প্রদর্শন ও কুমন্ত্রণা ও আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে সুসংবাদ”।[1] ইসলামে স্বপ্নের একটি গুরুত্ব আছে। নিঃসন্দেহে এটা ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বস্তুবাদীরা বলে থাকে, ‘‍‍‍‍‍‍মানুষ যখন ঘুমায়, তখন তার মস্তিষ্কে তার স্মৃতিগুলো নাড়াচাড়া করে। যাচাই-বাছাই করে, কিছু পুনর্বিন্যাস করে। তারপর স্মৃতির ফাইলে যত্ন করে রেখে দেয়। এই কাজটা সে করে মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে। মস্তিস্কের এই কাজ-কর্মই আমাদের কাছে ধরা দেয় স্বপ্ন হিসেবে।‌‌’ এটি স্বপ্নের একটি প্রকার মাত্র। বাকী দু’প্রকার কি আপনাদের মস্তিস্কে ধরা পড়ে? ইসলাম তো বলে স্বপ্ন তিন প্রকার। হাদীসে দেখা যায়, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতের পর মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসতেন। প্রায়ই জিজ্ঞেস করতেন, গত রাতে তোমাদের কেউ কি কোনো স্বপ্ন দেখেছ? আল-কুরআনে ইবরাহীম আলাইহিস সালামের স্বপ্ন, ইউসুফ আলাইহিস সালামের স্বপ্নের কথা উল্লেখ আছে। ইউসূফ আলাইহিস সালামের সময়ে মিশরের বাদশার স্বপ্ন, তাঁর জেলখানার সঙ্গীদের স্বপ্ন ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্বপ্ন নিয়ে তো আল-কুরআনে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। মিশরের বাদশাহ তার সভাসদের স্বপ্ন বিশেষজ্ঞদেরকে নিজ স্বপ্ন সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল। জানতে চেয়েছিল, সেই স্বপ্নের ব্যাখ্যা। তারা বলেছিল, এটা এলোমেলো অলীক স্বপ্ন। তারা এর ব্যাখ্যা দিতে পারল না। নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের সুন্দর ব্যাখ্যা দিলেন। নিজের পক্ষ থেকে নয়। আল্লাহ তা‘আলার শিখানো ইলম থেকে।[2] আমি বক্ষ্যমাণ বইতে কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যার কিছু মৌলিক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব। তবে কী স্বপ্ন দেখলে কী হয়, তা এখানে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে না। এটা নির্দিষ্ট করে আলোচনা করা সম্ভবও নয়। মানে এটা বাজারে প্রচলিত কোনো খাবনামা নয়। স্বপ্ন সম্পর্কে মৌলিক কিছু আলোচনা ও একটি ধারণা দেওয়ার প্রয়াস মাত্র। স্বপ্ন দ্রষ্টার অবস্থাভেদে একই স্বপ্নের ব্যাখ্যা বিভিন্ন রকম হতে পারে। স্বপ্ন তিন প্রকার: এক. মনে মনে যা সারাদিন কল্পনা করে তার প্রভাবে ঘুমের মধ্যে ভালো-মন্দ কিছু দেখা। এগুলো আরবীতে আদগাছু আহলাম বা অলীক স্বপ্ন বলে। দুই. শয়তানের কুমন্ত্রণা ও প্রভাবে স্বপ্ন দেখা। সাধারণত এ সকল স্বপ্ন ভীতিকর হয়ে থাকে। তিন. আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে ইশারা-ইঙ্গিত হিসেবে স্বপ্ন দেখা। বিষয়টি উপরে বর্ণিত হাদীসেও উল্লেখ হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাটুকু কবুল করুন। বইটিকে পাঠকদের কল্যাণে গ্রহণ করুন। আর আমরা আমাদের সকল পাওনা ও প্রাপ্তি তার কাছেই আশা করি। তিনি মুহসিনদের সৎকর্ম ব্যর্থ হতে দেন স্বপ্ন সম্পর্কে কিছু কথা হাদীসে এসেছে: আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, «سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «لَمْ يَبْقَ مِنَ النُّبُوَّةِ إِلَّا المُبَشِّرَاتُ» قَالُوا: وَمَا المُبَشِّرَاتُ؟ قَالَ: «الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ» “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, নবুওয়াতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই, বাকী আছে কেবল মুবাশশিরাত (সুসংবাদ)। সাহাবীগণ প্রশ্ন করলেন, মুবাশশিরাত কী? তিনি বললেন: ভালো স্বপ্ন”।[1] এ হাদীস থেকে আমরা যা জানতে পারলাম: এক. স্বপ্ন নবুওয়াতের একটি অংশ। নবী ও রাসূলদের কাছে জিবরীল যেমন সরাসরি অহী নিয়ে আসতেন, তেমনি স্বপ্নের মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলার নবী ও রাসূলদের কাছে প্রত্যাদেশ পাঠাতেন। দুই. মুসলিম জীবনে স্বপ্ন শুধু একটি স্বপ্ন নয়। এটা হতে পারে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে স্বপ্নদ্রষ্টার প্রতি একটি বার্তা। তিন. আল মুবাশশিরাত অর্থ সুসংবাদ। সঠিক স্বপ্ন যা আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে হয়ে থাকে, তা স্বপ্ন দ্রষ্টার জন্য একটি সুসংবাদ। মিথ্যা স্বপ্নের কথা বলা অন্যায় হাদীসে এসেছে: ওয়াসেলা ইবনুল আছকা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, «إِنَّ مِنْ أَعْظَمِ الفِرَى أَنْ يَدَّعِيَ الرَّجُلُ إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ، أَوْ يُرِيَ عَيْنَهُ مَا لَمْ تَرَ، أَوْ يَقُولُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا لَمْ يَقُلْ» “সবচেয়ে বড় মিথ্যা হল, কোনো ব্যক্তি তার নিজের পিতা ব্যতীত অন্যের সন্তান বলে দাবী করা। যে স্বপ্ন সে দেখেনি তা বর্ণনা করা আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেননি তা তাঁর ব্যপারে বলা”।[1] হাদীস থেকে আমরা শিখতে পারলাম: সবচয়ে বড় মিথ্যা হলো তিনটি, (ক) নিজের পিতা ব্যতীত অন্যকে পিতা বলে দাবী করা। (খ) যে স্বপ্ন দেখে নি তা বানিয়ে বলা। অর্থ্যাৎ মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা। (গ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেন নি, তা তার কথা বলে চালিয়ে দেওয়া। আব্দুল্লাহ শহীদ আ: রহমান ১৭ রজব ১৪৩১ হিজরী ৩০ জুন ২০১০ ইং [1] সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৭০১৭ [2] সূরা ইউসূফের ৩৬ থেকে ৪৯ আয়াত দ্রষ্টব্য কৈফিতনামাঃ গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন বা থিওরি অব এভরিথিং সেই অআইনস্টাইনের জীবনের শেষ চার দশকের স্বপ্ন-যা অআজ পদার্থ বিজ্ঞানীদের জন্য একান্ত জরুরী হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ, অতিপারমাণবিক অন্দর মহলের যতই যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা ততই অসীমের হাতছানি পাচ্ছেন-যে অসীম পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলি ভেঙ্গে দিচ্ছে। যে সূত্রের উপর ফিজিক্স নামক ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জড়িত স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিও। নিউটনীয় বল বিজ্ঞানের বদৌলতে যেখানে বিজ্ঞানের অর্জন প্রায় শতভাগ ছুই ছুই করছিল বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের প্রথম বর্ষ পর্যন্ত এই অর্জনের চাকা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কারণে উল্টোপানে ছুটলেও বিজ্ঞানের অজর্নের হার দ্রুত হ্রাসের কারণ হাবল টেলিস্কোপ। যারফলে জানার হার প্রায় শতভাগ থেকে নেমে মাত্র চার শতাংশে নেমে অআসে। হালে জেমস ওয়েবের বদৌলতে শুন্য দশমিক এক পাঁচে নেমে অআসে। অথচ কার্ল সাগানের দাবীঃ বিজ্ঞান কখনও শেষ হয়ে যাবে না। ওয়ার্ল্ড সায়েন্স রিসার্চ পদার্থ বিজ্ঞানকে জিরো থেকে হিরো বানাতে বদ্ধপরিকর বৈজ্ঞানিক উপায়ে। এর জন্য প্রয়োজন পদার্থ বিজ্ঞানকে ফিজিক্সের সাথে যে একীভূতকরণ তা পৃথকীকরণ। মহাকর্ষ থেকে মাধ্যাকর্ষণকে পৃথকীকরণ। অআলোর গতিকে উন্মুক্তকরণ। স্ট্রিং থিওরীকে বাস্তবতার অআলোকে স্বীকৃতি প্রদান, মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিজ্ঞান, জ্ঞানের অআলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র অআবিস্কার বিশেষ করে জ্ঞানভিত্তিক নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্যে নিউটনের সরলীকরণ তত্ত্বের অআলোকে অআইনস্টাইন যেমন মহাকর্ষকে অতিসরল সমীকরণ করেছিলেন সাধারণ অআপেক্ষিকতা তত্ত্বে অনুরূপ কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন স্ট্রিং থিওরির মতো জটিল কঠিন শর্তারোপের বেড়াজাল থেকে বের করে সহজ সরল সমীকরণের মাধ্যমে চূড়ান্ত উপসংহারে পৌঁছে এ যাবৎ কালের ঘটনা পরিঘটনাকে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভূতুড়ে, অদ্ভূড়ে উড়িয়ে দেওয়া তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনার সত্য মহাসত্যের উদঘাটনের লক্ষ্যে ...... Hasan Hallaq: Contact info Hasan’s profile linkedin.com/in/hasanhallaq Website prosodic-hall.000webhostapp.com (Portfolio) Phone 97059730024 (Home) Email hhallaq9@gmail.com Connected since Jan 31, 2026 Hasan Hallaq · 1st Freelance Wordpress Developer💻 | Web Development & Design 👨‍🎓 | Computer Systems Engineering💻 Gaza, Gaza Strip Assalaamu A'laikum Warohmatullo-h. We are going on innovate World Cup Knowledge under the campaign of "Science for Human Health" on: Early to Bed Early to Rise. Is this concept maintain Islamic Shariah? SULAIMAN ABDULWAHAB , LL.B, M.A Hadith, CSAA AAOIFI A graduate of the Islamic University of Madinah, Kingdom of Saudi Arabia, Faculty of Sharia. A postgraduate student at King Faisal University in Al-Ahsa, Kingdom of Saudi Arabia, Faculty of Sharia and Islamic Studies, Department of the Quran and Sunnah, specializing in Hadith and its sciences. A certified Sharia advisor and auditor, and a member of AAOIFI for Islamic finance. Owner of a Telegram channel dedicated to explaining classical Islamic texts and didactic poems. Owner of a YouTube channel featuring scholarly contributions and educational content in classical Arabic. Owner of a Facebook page for da‘wah-related contributions in the local language. Top skills Islamic Finance • Research Skills • Inheritance • Preaching 1st degree connection · 1st Sharī‘ah Advisor | Sharī‘ah Law Specialist | Islamic Finance Researcher | Hadith Science Specialist | Estate (Inheritance) Distribution | Online Arabic & Islamic Studies Tutor. Dammam, Eastern, Saudi Arabia প্রাচীন চীনা ভেষজে পুনরায় গজাবে চুল, বলছে গবেষণা চীনের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত একটি ভেষজ উদ্ভিদের শিকড় টাকের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে জানিয়েছে সাম্প্রতিক এক বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা। গবেষকদের মতে, পলিগোনাম মাল্টিফ্লোরাম নামের এই উদ্ভিদটি অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়া বা প্যাটার্ন টাকের পেছনে থাকা বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে সক্ষম। বিশ্বজুড়ে চুল পড়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। কী এই অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়া? অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়া, যা সাধারণভাবে প্যাটার্ন টাক নামে পরিচিত, ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে। এ অবস্থায় চুলের ফলিকল বা গোড়া সময়ের সঙ্গে ছোট হতে থাকে, ফলে নতুন গজানো চুল ক্রমশ পাতলা, দুর্বল ও ছোট হয়ে যায়। ফলিকল আরও সংকুচিত হলে চুলের বৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় বা একসময় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর ফলে মাথায় দৃশ্যমান টাকের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এ ধরনের চুল পড়া রোধে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধ হলো ফিনাস্টেরাইড ও মিনোক্সিডিল। ফিনাস্টেরাইড চুলের ফলিকল সংকুচিত হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, আর মিনোক্সিডিল মাথার ত্বকে প্রয়োগ করে চুলের বৃদ্ধি উদ্দীপিত করা হয়। তবে এসব চিকিৎসা সবার জন্য উপযোগী নয়। অনেকেই ফিনাস্টেরাইডের সম্ভাব্য যৌনস্বাস্থ্যজনিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা মিনোক্সিডিল ব্যবহারে মাথার ত্বকে জ্বালাপোড়ার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন। ফলে বিকল্প ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। প্রাচীন ভেষজে নতুন আশার আলো গবেষণা পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চীনা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় পলিগোনাম মাল্টিফ্লোরাম ব্যবহার হয়ে আসছে। সাধারণত এটি চুল কালো রাখা এবং শরীরের প্রাণশক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিবেচিত হয়। গবেষকদের ধারণা, চুলের বৃদ্ধি ও চুল পড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক জৈবিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলার সক্ষমতা থাকায় উদ্ভিদটি আরও গভীর গবেষণার দাবি রাখে। https://www.jugantor.com/lifestyle/1111308 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান উপেক্ষা করেই গত সপ্তাহান্তে ইরানে পালটা বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপ তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক দর-কষাকষিতে ইরান আগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে গেছে। খবর বিবিসির। রোববার (৭ জুন) লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরাইলি হামলার জবাবে ইসরাইল অভিমুখে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল তেহরান। এর জবাবে গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম ইরানের ভূখণ্ডে সরাসরি বোমা বর্ষণ করল ইসরাইল। মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনীর ইরান যুদ্ধ শুরুর তিন মাস পরও এই অঞ্চলের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যকে কতটা বিপজ্জনক করে তুলেছে, এই সংঘাত তারই প্রমাণ। বর্তমান পরিস্থিতি মূলত তিনটি বিষয়কে সামনে এনেছে— ট্রাম্পের সীমাবদ্ধতা: ট্রাম্প প্রকাশ্যে তার ইসরাইলি মিত্রকে যতটা নিয়ন্ত্রণের দাবি করেন, বাস্তবে তিনি তা পারছেন না। তেহরানও ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এ দূরত্বকে কাজে লাগাতে চাইছে। ইরানের নতুন কৌশল: লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর ইসরাইলি হামলার জবাব দিতে ইরান এখন নিজের ভূখণ্ডে পালটা হামলার ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত। এর মাধ্যমে তারা চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের ভাগ্যকে ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংকটের সঙ্গে জুড়ে দিতে চায়। পরমাণু চুক্তিতে বিলম্ব: ট্রাম্পের বহুল আকাঙ্ক্ষিত পরমাণু চুক্তি এখনই হচ্ছে না। ইরান বুঝতে পেরেছে যে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের বছরে ট্রাম্প নতুন কোনো যুদ্ধের ঝুঁকি নিতে চান না। ফলে আলোচনার টেবিলে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে নিজেদের দাবি আদায়ের চেষ্টা বাড়িয়েছে তেহরান। হামলা থামলেও সতর্ক অবস্থানে দুই পক্ষ রোববার ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তিনি নেতানিয়াহুকে ফোন করে পালটা হামলা না চালানোর নির্দেশ দেবেন। কারণ ট্রাম্পের ভয় ছিল, ইসরাইলের পালটা জবাব তেহরানের সঙ্গে তার ভঙ্গুর কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ভেস্তে দিতে পারে। কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা চালায় ইসরাইল। সোমবার বিকালে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে যখন তার কথা হচ্ছিল, ততক্ষণে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে উড়াল দিয়ে দিয়েছিল। তবে নেতানিয়াহু তার নির্দেশ অমান্য করেছেন—এমন দাবি অস্বীকার করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি তাকে কিছু করতে বললে সে তা শোনে। মুখে ট্রাম্প যাই বলুন না কেন, দৃশ্যত তিনি নেতানিয়াহুকে থামাতে ব্যর্থ হয়েছেন। যদিও মঙ্গলবার (৯ জুন) ট্রাম্প দাবি করেছেন, আমরা একটি খুব ভালো চুক্তির একেবারে শেষ পর্যায়ে আছি। দুই-তিন দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হতে পারে। সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে বৈরুতে হামলা চালানোর জেদ করায় নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প। নেতানিয়াহুকে তিনি ‘পাগল’ বলেও আখ্যা দেন। ট্রাম্পের আশঙ্কা ছিল, নেতানিয়াহুর এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে তার চুক্তি করার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। নেতানিয়াহু কি আসলেই ট্রাম্পকে অমান্য করেছেন? আপাতদৃষ্টিতে তা মনে হলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, উত্তরটি সম্ভবত ‘না’। ইসরাইলের এই হামলার পেছনে ওয়াশিংটনের সীমিত বা পরোক্ষ সম্মতি ছিল। প্রবীণ মার্কিন কূটনীতিক অ্যারন ডেভিড মিলার বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্প মূলত নেতানিয়াহুকে একটি ‘হলুদ বাতি’ দেখিয়েছিলেন। পেন্টাগনের সেন্ট্রাল কমান্ডের সাহায্য এবং আকাশপথের সমন্বয় ছাড়া ইসরাইলের পক্ষে ইরানে এ হামলা চালানো কার্যত অসম্ভব ছিল। সোমবার বিকালের মধ্যে ইসরাইল ও ইরান—উভয় পক্ষই এই দফার হামলা-পালটা হামলা শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। ট্রাম্পও পরিস্থিতি এখানেই শান্ত রাখতে চান। রোববার রাতে ট্রাম্পের ‘নেতানিয়াহুকে থামানোর’ বার্তাটি হয়তো তেহরানকে শান্ত রাখার একটি কৌশল ছিল, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই হামলা থেকে দূরে রাখা যায়। সুবিধাজনক অবস্থানে ইরান ইরানের জন্য এই হামলা ছিল একটি বড় পরীক্ষা। এই প্রথম ইরান সরাসরি নিজের ওপর হামলার কারণে নয়, বরং লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে ইসরাইলের মূল ভূখণ্ডে আঘাত করল। ইরান দেখতে চেয়েছিল, ইসরাইলের পালটা হামলায় মার্কিনিরা কতটা সমর্থন দেয় বা নিজেরা সরাসরি যুদ্ধে জড়ায় কিনা। সংঘাত শেষে ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনার ওপরই জোর দিচ্ছে। রোববার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সাথে চুক্তি খুব কাছাকাছি। হামলার পর তিনি বিষয়টিকে হালকা করে বলেন, দুপক্ষই ‘নিজেদের শখ মিটিয়ে নিয়েছে’, এবার আলোচনার সময়। এই পরিস্থিতির পর ইরানি নেতৃত্ব আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মন্তব্য করেছেন, এই সামরিক প্রতিরোধ আমেরিকার সাথে আলোচনার টেবিলে তাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আমরা যুদ্ধক্ষেত্রও ছাড়িনি, আলোচনার টেবিলও ত্যাগ করিনি। বর্তমানে মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা ইরান আলোচনার টেবিলে প্রধানত দুটি জিনিস চায়—প্রথমত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তাদের আটকে থাকা বিলিয়ন ডলারের তেলের রাজস্ব ফেরত পাওয়া; এবং দ্বিতীয়ত, লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর ইসরাইলি হামলা সীমিত করা। সামনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের কারণে মার্কিন অর্থনীতি চাপে রয়েছে। তেহরান স্পষ্ট বুঝতে পারছে, ট্রাম্প এখন যুদ্ধের চেয়ে চুক্তি করতেই বেশি আগ্রহী। তবে ট্রাম্প এখনই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বা অর্থ ছাড়ের দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। আর এই কারণেই চুক্তিটি এখনো ঝুলে রয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে আবারও সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। https://www.jugantor.com/international/1111346 ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’ https://www.jugantor.com/international/1110918?utm_source=izooto&utm_medium=push_notifications ইরান ও ইসরাইলকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের Advertisement Icon আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:৩১ পিএম 19 Shares facebook sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonmessenger sharing buttonprint sharing buttoncopy sharing button ইরান ও ইসরাইলকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের https://www.jugantor.com/international/1110914?utm_medium=push_notifications&utm_source=izooto ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত আরও পড়ুন ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর কোনো উপায় নেই: ট্রাম্পhttps://www.jugantor.com/international/1110931 লোহিত সাগরে ইসরাইলি জাহাজের ওপর হুথিদের ‘পূর্ণাঙ্গ’ নিষেধাজ্ঞা ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’ মিডলইস্ট আই-এর প্রতিবেদন কেন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের ‘ইরান চুক্তি’ ভেঙে দিতে চান ইসরাইলে ইরানের নতুন অভিযান ‘অপারেশন নাসর’ কী? ফলো করুন যুগান্তর হোয়াটসঅ্যাপ যুগান্তর মেসেঞ্জার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সংঘাত ও উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই ইরান ও ইসরাইল উভয় পক্ষকেই একে অপরের ওপর হামলা চালানো অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। Advertisement আরও দেখুন ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ ভ্রমণ টিপস Newspapers সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু জোরালো পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি দুই দেশকে যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে সরে আসার তাগিদ দেন। পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেন, ‘ইসরাইল এবং ইরানকে অবিলম্বে ‘গোলাগুলি’ (হামলা-পাল্টা হামলা) বন্ধ করতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সংঘাত আঞ্চলিক গণ্ডি পেরিয়ে বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে ট্রাম্পের এই বার্তা দুই দেশের প্রতি সংঘাত থামানোর জন্য একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আরও পড়ুন যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: ইরান হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এর আগে জানানো হয়েছিল যে ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে আর কোনো বড় ধরনের যুদ্ধ দেখতে চায় না। ট্রাম্পের এই সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট বার্তা মূলত সেই অবস্থানকেই আরও জোরালো করল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আহ্বানে ইরান বা ইসরাইল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। সূত্র: আল-জাজিরা। জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন, কী আছে এতে?প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইনটির খসড়া উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়েছে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ হওয়ায় অনলাইন ও অফলাইন নানা ধরনের জুয়া কার্যক্রম বিস্তার লাভ করছে। ফলে জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থসামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধকল্পে এ সব জুয়া কার্যক্রমের উপর সমসাময়িক উৎকর্ষিত প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করে যথাযথ তত্ত্বাবধান ও আইনগত কাঠামো প্রদানপূর্বক রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭' প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করে 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬'-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়। প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ : (ক) জুয়া খেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর (বুকমেকার), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। (খ) অপরাধের প্রকৃতি ভেদে বিভিন্ন ধরনের সাজার (অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয়দণ্ড) বিধান রাখা হয়েছে। পরে মন্ত্রিসভা কর্তৃক 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬'-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। সভায় ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এই আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। দেশের পাবলিক পরীক্ষাসমূহে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণীত হয়। তবে, বর্তমান প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়। পাবলিক পরীক্ষাসমূহে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধসমূহ এবং এর দণ্ড আইনের আওতায় আনয়নের উদ্দেশ্যে বিদ্যমান আইনে সংশোধন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ : (ক) পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ শিরোনামে নতুন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। (খ) ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। (গ) পাবলিক পরীক্ষায় সংগঠিতভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি বা চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তি এবং জরিমানার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদিন সভায়, ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনটির উদ্যোক্তাও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এই আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ গত ১৫ জুলাই ২০০১ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কার্যকর করা হয় নাই। বর্তমানে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নিয়োগ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ইত্যাদিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, জ্ঞান চর্চা ও দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে 'বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬'-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়। একইসঙ্গে সভায় 'মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আইনে বলা হয়েছে- মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে ২০১৮ সালের ৬৩ নম্বর আইন' মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত, ২০২০)' প্রণয়ন করা হয়। বর্তমান, মাদক পাচার ও অপব্যবহারের পরিবর্তিত ধরণ মাদকসংক্রান্ত প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার এবং বিচারিক কার্যক্রমে উদ্ভূত বাস্তব সমস্যাসমূহ নিরসনকল্পে আইনটির কতিপয় ধারা সংযোজন ও সংশোধন করে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়। প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ : (ক) বিচারিক কার্যক্রম জোরদার করণে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। (খ) মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণের নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে। (গ) সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধ, অভিযান পরিচালনা ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের বিধান সংযোজন করা হয়েছে। (ঘ) মাদকদ্রব্য সহজেই শনাক্তকরণে ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান সংযোজন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।https://www.jugantor.com/national/1115836 ইরান ইসরাইল ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কিত খবর ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর কোনো উপায় নেই: ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া নেতানিয়াহুর কোনো উপায় নেই: ট্রাম্প লোহিত সাগরে ইসরাইলি জাহাজের ওপর হুথিদের ‘পূর্ণাঙ্গ’ নিষেধাজ্ঞা লোহিত সাগরে ইসরাইলি জাহাজের ওপর হুথিদের ‘পূর্ণাঙ্গ’ নিষেধাজ্ঞা ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’ ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’ কেন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের ‘ইরান চুক্তি’ ভেঙে দিতে চান মিডলইস্ট আই-এর প্রতিবেদন কেন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের ‘ইরান চুক্তি’ ভেঙে দিতে চান ইসরাইলে ইরানের নতুন অভিযান ‘অপারেশন নাসর’ কী? ইসরাইলে ইরানের নতুন অভিযান ‘অপারেশন নাসর’ কী? ইসরাইলের রাসায়নিক কারখানায় হামলার দাবি আইআরজিসির ইসরাইলের রাসায়নিক কারখানায় হামলার দাবি আইআরজিসির b>রসায়ন বিজ্ঞানের প্রাণ আধুনিক পর্যায় সারণীর স্থপতি জাবের ইবনে হাইয়ান

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Holy Romado-n 1445 Hijrah/2024 News

Article