This Is World News
প্রধানমন্ত্রীর সফরেই বেল্ট অ্যান্ড রোড পরিকল্পনা স্বাক্ষর চায় চীন
আলোচিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (বিআরআই) বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা দ্রুত ও আরও গভীর করতে দৃশ্যমান কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে চীন। চলতি জুনে প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফরের কথা রয়েছে। এ সময়ই একটি বিস্তৃত সহযোগিতা পরিকল্পনা স্বাক্ষরের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে দেশটি। ইতোমধ্যে চীনের জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশন (এনডিআরসি) প্রস্তাবিত বিস্তারিত একটি খসড়া বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে ওই প্রস্তাবে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, চীনা পক্ষ সরাসরি যোগাযোগ করে এই পরিকল্পনাটি দ্রুত চূড়ান্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এমনকি খসড়ার প্রথম সংস্করণে কিছু প্রস্তাবে আপত্তি তোলার পর সংশোধিত সংস্করণ পাঠানো হয়েছে, যা থেকে বিষয়টি নিয়ে বেইজিংয়ের উচ্চপর্যায়ের মনোযোগ ও আগ্রহ প্রতিফলিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে চীন এই পরিকল্পনাটিকে একটি বড় কূটনৈতিক ‘আউটকাম’ হিসাবে দেখতে চায়।
জানা গেছে, ‘চীনের প্রস্তাবিত’ এই সহযোগিতা পরিকল্পনাটি ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরে বিআরআই-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় তৈরি হয়েছে। তবে এর পরিসর ও গভীরতা আগের যে কোনো উদ্যোগের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত। যদিও এটি আইনগত বাধ্যবাধকতাহীন একটি নীতিগত দলিল; তবুও এতে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবগুলো ভবিষ্যতে বড় অর্থনৈতিক চুক্তির ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
খসড়ায় মোট ২৩টি সহযোগিতা ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা তিনটি কাঠামোয় বিন্যস্ত। এগুলো হচ্ছে-সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম, সহযোগিতা প্রক্রিয়া এবং সহায়ক নীতি। এই কাঠামোর মাধ্যমে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি, সবুজ উন্নয়ন, কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামুদ্রিক সহযোগিতা, অবকাঠামো এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত বিস্তৃত ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সহযোগিতা প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসাবে বাংলাদেশকে চীনের প্রধান আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীতে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে চায়না ইন্টারন্যাশনাল ইমপোর্ট এক্সপো, চায়না ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ার এবং চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশন উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স ফোরাম আয়োজন, বাংলাদেশে চীনা ভাষা শিক্ষা ফোরাম পরিচালনা, থিংকট্যাংক ও গবেষকদের মধ্যে ধারাবাহিক মতবিনিময় এবং সামুদ্রিক সহযোগিতা সংলাপের মতো উদ্যোগ রাখা হয়েছে। চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য যৌথ কমিশনের বৈঠক নিয়মিত করার বিষয়টিও প্রস্তাবে গুরুত্ব পেয়েছে।
সহযোগিতা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ে একটি স্থায়ী সমন্বয় কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা সরাসরি বাস্তবায়ন পর্যায়ে দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করবে। ডিজিটাল অর্থনীতিতে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে (কম্পিউটার ও ইন্টারনেটে উন্নত সেবা) সহযোগিতা এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে আলাদা সমন্বয় ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে। কৃষি খাতে হাইব্রিড ধান ও গম উন্নয়ন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং গবেষণা সহযোগিতাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ হিসাবে খসড়ার সহায়ক নীতিতে একাধিক বড় অর্থনৈতিক ও আর্থিক উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের কাঠামোই বদলে দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে চীন-বাংলাদেশ মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে দ্রুত আলোচনা শুরু, বিদ্যমান বিনিয়োগ চুক্তি হালনাগাদ, দুই দেশের মধ্যে মুদ্রা বিনিময় (কারেন্সি সোয়াপ), ব্যাংকিং ও আর্থিক সহযোগিতা জোরদার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বাড়ানো। একই সঙ্গে উভয় দেশে ব্যাংক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামো ও প্রকৌশল খাতে গভীর সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে খসড়া প্রস্তাবে।
খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে, পরিকল্পনাটি স্বাক্ষরের পর অনির্দিষ্টকাল কার্যকর থাকবে, তবে এটি কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা তৈরি করবে না। যে কোনো পক্ষ ছয় মাস আগে নোটিশ দিয়ে সরে আসতে পারবে। তথ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং মতবিরোধ হলে তা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির কথাও বলা হয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই খসড়া চূড়ান্ত করে স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি চীনের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট কৌশলগত বার্তা বহন করে। এতে বোঝা যায়, বিআরআই কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশকে আরও গভীরভাবে যুক্ত করতে বেইজিং সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তবে সংশ্ল্নিষ্টদের কেউ কেউ মনে করছেন, এই পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত মুক্তবাণিজ্য, মুদ্রা বিনিময় এবং ব্যাংকিং সম্প্রসারণের মতো বিষয়গুলো দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক নির্ভরতার বিষয়ে কিছু প্রশ্নও তৈরি করতে পারে। তাই এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। সরকারি একটি সূত্র জানিয়েছে, খসড়াটি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে পাঠানো হয়েছে। এখন এর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হবে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে এটি চূড়ান্ত করা হবে কি না, তা নির্ভর করবে এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার ওপর।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, বিআরআই উদ্যোগে যুক্ত হওয়া নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মূল বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের নিজের প্রস্তুতি নেওয়া। কোন খাতে বিনিয়োগ দরকার, সেই বিনিয়োগ থেকে রিটার্ন কীভাবে আসবে এবং ঋণ নিলে তা কীভাবে পরিশোধ করা হবে; এই ‘হোমওয়ার্ক’ বাংলাদেশকেই করতে হবে।
তিনি বলেন, অবকাঠামো, হাইস্পিড রেল, স্বাস্থ্য বা শিক্ষা-যে খাতেই প্রকল্প নেওয়া হোক না কেন, সেগুলোকে কীভাবে দেশের জন্য লাভজনক করা যাবে, সেটাই মূল বিষয়। উদাহরণ হিসাবে স্বাস্থ্য খাতের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখনো চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী দেশের ওপর নির্ভরশীল। অথচ ভিসা জটিলতার কারণে অনেকেই চিকিৎসা নিতে পারছে না; যা কাম্য নয়। এই জায়গায় বিদেশি সহযোগিতা, বিশেষ করে প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর বিনিয়োগ কাজে লাগিয়ে নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলা সম্ভব। বিআরআই নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব সমালোচনার বড় একটি অংশ রাজনৈতিক এবং সব দেশের বাস্তবতাও এক নয়। বিআরআই থেকে ইতালির সরে যাওয়ার বিষয়টি ইউরোপের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পর্কিত, বাংলাদেশের সঙ্গে তা তুলনীয় নয়।
ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন, বাংলাদেশ যদি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা করে এবং দরকষাকষিতে দৃঢ় থাকে, তাহলে বিআরআই-এর মতো উদ্যোগ থেকে লাভবান হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
https://www.jugantor.com/tp-firstpage/1109843
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গুরুতর বিরোধের খবরকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, তাদের মধ্যে মাঝে মধ্যে মতপার্থক্য হলেও তা মূলত কৌশলগত বিষয় নিয়ে এবং শেষ পর্যন্ত তারা সমাধানে পৌঁছান।
বুধবার (৩ জুন) সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এ মন্তব্য করেন। এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান নিয়ে এক ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর প্রতি কঠোর ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। ওই সময় ওয়াশিংটন ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছিল।
তবে নেতানিয়াহু দাবি করেন, মতবিরোধ থাকলেও দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সকালে কোনো বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করতে পারি, আবার বিকালের মধ্যেই একটি অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছাতে পারি।’ তার ভাষায়, ঘনিষ্ঠ মিত্রদের মধ্যেও সব বিষয়ে একমত হওয়া সবসময় সম্ভব নয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র যখন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়া ঠেকানোর চেষ্টা করছিল, তখনই ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে ওই উত্তপ্ত কথোপকথন হয়। সে সময় ইরান লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযানকে কারণ দেখিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা স্থগিত করেছিল। বিশেষ করে বৈরুতে হিজবুল্লাহ-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার ঘটনায় তেহরান ক্ষোভ প্রকাশ করে।
খবরে বলা হয়, ফোনালাপে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে বলেন, ‘তুমি বদ্ধ উন্মাদ (ইউ আর ফাকিং ক্রেজি)। আমি না থাকলে তুমি কারাগারে থাকতে। আমি তোমাকে বাঁচিয়ে রাখছি। এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। এ কারণে সবাই ইসরাইলকেও ঘৃণা করছে।’
পরে ট্রাম্প বিষয়টিকে হালকা করার চেষ্টা করে বলেন, তিনি রাগান্বিত ছিলেন না, তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলাকালে ইসরাইলের অব্যাহত সামরিক কর্মকাণ্ডে তিনি ‘কিছুটা বিরক্ত’ ছিলেন।
নেতানিয়াহু অবশ্য বড় ধরনের কোনো দ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘সেরা পরিবারগুলোর মধ্যেও কখনো কখনো কৌশলগত মতবিরোধ হয়। কিন্তু আমরা সবসময় তা সমাধানের পথ খুঁজে নিই এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেই এগিয়ে যাই।’
সাক্ষাৎকারের বড় একটি অংশজুড়ে নেতানিয়াহু ইরান প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকানোর বিষয়ে তিনি ও ট্রাম্প একই অবস্থানে রয়েছেন।
নেতানিয়াহুর ভাষায়, ‘আমাদের অভিন্ন লক্ষ্যগুলোর একটি হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা এবং সেই অস্ত্র দিয়ে ইসরাইলকে হুমকি দেওয়ার সুযোগ না দেওয়া।’
তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের নেতৃত্ব ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়েছে এবং দেশটির অভ্যন্তরে অস্থিরতার লক্ষণও দেখা যাচ্ছে।
নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইসরাইলের ‘সবচেয়ে বড় বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে জানান, দুই নেতার মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় প্রতি দুই দিন অন্তর তার সঙ্গে কথা বলি।’
একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের চাপ সৃষ্টির নীতি এবং বৃহত্তর সমঝোতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্প লেবাননে আংশিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ পুরোপুরি থামেনি। অন্যদিকে ইরান বারবার বলেছে, লেবাননের পরিস্থিতি ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক পরস্পর সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমঝোতায় উভয় বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
বুধবার উপসাগরীয় অঞ্চলেও উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। ইরান কুয়েতে নতুন হামলা চালায় এবং একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় নতুন সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।
সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। যে রাষ্ট্র ছিল বিশ্বের সহানুভূতির প্রতীক। ৬০ লক্ষ রক্তের বিনিময়ে ইহুদীরা এই সহানুভূতি অর্জন করেছিল। হিটলার এই জাতিকে মানব জাতির কলংক মনে করেছিলেন। অআজ হিটলারের ধারণাকে যেন উগ্রপন্থী ইহুদী যারা জায়োনিস্ট নামে অভিহিত। ইসরাইল অআজ এই জায়োনিস্ট দ্বারা কলংকিত। ইউরোপ ঐতিহ্যগতভাবে ইহুদী রাষ্ট্রের অঘোষিত অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে অআসছিল। ফলে ইসরাইলের দায় দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবে ইউরোপীয় রাষ্ট্রের ওপর বর্তায়। কারণ, ব্যালফোরের ঘোষণায় ইহুদী রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন হয়েছিল। বিশ্বের অনেক দেশ এখনও ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়নি। এরি মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ইসরাইলের দ্বিতীয় অভিভাবকত্ব গ্রহণ করে। ব্যালফোরের ঘোষণায় ইহুদী রাষ্ট্রের সীমানা নির্ধারণ করে সতর্ক করে দেওয়া হয় যে, প্রতিবেশী অআরব দেশের ভূখন্ড নিরাপত্তা যেন ব্যাহত না হয়। কিন্তু ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৬৭ সালে ইসরাইল ব্যালফোর ঘোষণার ব্যত্যয় ঘটিয়ে অআরব ভূখন্ড অধিকৃতকরণ যে শুরু করে তা অআজও অব্যাহত রয়েছে। তাতে ব্যালফোর ঘোষণা বিতর্কিত হয়ে পড়ে, ইউরোপের উপর দায় বর্তায় ইসরাইলী অপকর্মের। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র অনেকটা অআগ বাড়িয়ে ইসরাইলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধুর পরিচয় দেয়। যেন গভর্মেন্ট অব দ্য ইসরাল হয়ে উঠে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের সংঘা। তাতে যা হবার তাই নসিবে ঘটেছে এবং ঘটছে যুক্তরাষ্ট্রের। যুক্তরাষ্ট্র পরিণত হয় অমাণবিকতার প্রতীক। অথচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিবছর মানবাধিকার রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়া অনেকটা ট্রাডিশনে পরিণত হয়েছিল রাষ্ট্রীয়ভাবে। যুক্তরাষ্ট্রের মানবতার ধ্বস নৈতিকভাবে নেমেছিল বসনিয়া গণহত্যায় নীরব সমর্থনের মধ্য দিয়ে যা গাজায় এসে চূড়ান্তরূপ নেয় গাজাকে বিশ্বের একমাত্র মানব নির্মিত নরকে পরিণত করার মাধ্যমে। নেতানিয়াহু কর্তৃক গাজাকে বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থানে পরিণত করার পর নরকে পরিণত করার দায়িত্ব নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
স্মায়ুযুদ্ধ উত্তর যুক্তরাষ্ট্র ছিল বিশ্বের একমাত্র দায়িত্বশীল পরাশক্তি। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ বিবাদ মীমাংসায় শালীসি ভূমিকার জন্য এ ধরণের দায়িত্বশীল পরাাশক্তি সময়ের দাবী। এই দায়িত্ব যোগ্যতার সাথে পালন করার কারণে সাদ্দাম থেকে কুয়েত উদ্ধার সম্ভবপর হয়েছিল। সাদ্দাম যদি কুয়েত হজম করতেন তাহলে একসময় যুক্তরাষ্ট্র রোড ইন্ডিয়ানের একজনও যদি বেচে থাকে তারই কতৃর্ত্বে চলে যেত যৌক্তিক কারণে। কেবল কুয়েত নয় এতে যুক্তরাষ্ট্রও রক্ষা পায়। কিন্তু সার্ব কর্তৃক বসনিয়া দখলের পর যুক্তরাষ্ট্রের কি হলো যে, হাতগুটিয়ে থাকার? এখান থেকেই পদস্খলন শুরু।
INDIA: SCIENCE FOR HUMAN HEALTH
Contact info
Dr. Hina Fatima’s profile
linkedin.com/in/dr-hina-fatima-sayed-8b2a4913a
Phone
+918097681298 (Mobile)
Address
Mumbai Jogeshwari west
Email
transformpreneur@gmail.com
IM
Hinafatimasayed (Skype)
Dr. Hina Fatima Sayed
· 1st
Founder, Transformpreneur Turning trauma to triumph| Spiritual & Integrity-Driven Wealth Creation | AI LinkedIn Authority & High-Ticket Skills Coach.Turning pain into purpose and potential into high profit income.
Mumbai, Maharashtra, India
·About
👋 I’m Dr. Hina Fatima Sayed.
Former Assistant Professor of Arabic Language & Literature at the University of Mumbai.
My journey wasn’t comfortable.
I’ve faced breakdowns, financial struggle, and moments where giving up felt easier than continuing.
But pain refined my purpose.
For years, I taught spirituality, inner awareness, and conscious living while working deeply in community building and social leadership. I saw how broken systems and outdated education fail to create financial stability or strong, thoughtful leaders.
That realization changed everything.
Today, I teach a new paradigm:
Integrity in wealth creation.
Spiritual grounding in digital growth.
Mastery of high-paying skills with mental toughness.
I help experts, founders, coaches, and healers:
Want to Build AI-powered LinkedIn authority
I want to develop a high-ticket closing confidence
• Rewire limiting beliefs
• Create ethical, sustainable digital income
Because wealth without integrity is empty.
And spirituality without strength is incomplete.
My mission?
To build resilient, conscious leaders who earn with clarity, confidence, and courage.
If you’re ready to align purpose with profit let’s connect.
Dr. Hina Fatima Sayed
Transformerpreneur Mentor | AI LinkedIn Branding Coach For the Experts.
Contact info
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%2 (Bengali) প্রথম সংস্করণ
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B6-%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%259F-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25A6%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25AC-hossain-py8zc (Bengali) দ্বিতীয় সংস্করণ
https://www.linkedin.com/pulse/eastern-islamic-science-tech-newseistn-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-qf0cc (English)
Contact info
Brian’s profile
linkedin.com/in/briangarrison
Website
bachmannusa.com (Company)
thegospelcoalition.org (Personal)
Phone
+4807348667 (Mobile)
Email
bkgarrison@protonmail.com
About
• Gained extensive experience over the last Eighteen years in Human Resources Management and Development in different industries in Bangladesh. 13+ years in Managerial Position. 10+ years at Strategic Level.
• A result-oriented, vision-driven, hard-working, and dedicated professional with strong interpersonal skills. Works well both in a team environment and with autonomy.
• Successfully performed in various entry- and mid-level management positions in software industry/IT-enabled services, digital financial services, power generation, textiles, and FMCG companies.
Specialties: HR, Training, OD, Scrum, Agile
Top skills
Training and Development (HR)
Activity
8,235 followers
Follow
Ahmed ZAKARIA Amin commented on a post
•
1d
Congratulations AKM Monir Hossain Bhai. Wishing you all the best.
Ahmed ZAKARIA Amin commented on a post
•
4mo
Congratulations Ibrahim khalil
Show all comments
Experience
Daniyal Technologies logo
People and Process Developer
Daniyal Technologies · Contract
Apr 2024 - Present · 2 yrs 3 mos
United States · Remote
Led large-scale global hiring—screened 3,000+ candidates, interviewed 1,000+, and successfully hired 80+ professionals from different nations. Strong expertise in remote people management, KPI-driven performance, Hubstaff optimization, talent acquisition, CaaS, and building high-impact remote culture and people experience.… more
HR Consulting, HR Transformation and +9 skills
BRAC IT logo
Head of Human Resources
BRAC IT · Full-time
Oct 2023 - Apr 2024 · 7 mos
On-site
Revamping HR, BPR, Learning and Development, Employee Engagement initiatives
Employer Branding, HR Consulting and +12 skills
Cefalo logo
Head Of Human Resources
Cefalo · Full-time
Jan 2021 - Oct 2023 · 2 yrs 10 mos
Overall People and Culture representative.
Achievements:
- Talents Engagement program initiating (Learning+Entertaining)
- Technical hiring for more than 100 people, interviewed-attracted more than 500 candidates till March 2022
- Automated HR system introduced (recruitment, HRIS)
- Contributes to the business acumen
Talents are happy to work in Cefalo… more
Employer Branding, Transformational Leadership and +10 skills
Brain Station 23 Limited logo
HR & OD Consultant
Brain Station 23 Limited · Contract
Dec 2020 - Jun 2021 · 7 mos
Advisory role of development and contributed to proper implementation guide for:
- Learning and Development
- OKR training and implementation
- Policy and SOPs development and implementation
- HR team performance improvement… more
Employer Branding, Adobe Illustrator and +7 skills
Kona Software Lab Ltd. logo
Head Of Human Resources
Kona Software Lab Ltd. · Full-time
Aug 2016 - Dec 2020 · 4 yrs 5 mos
Bangladesh
Has ultimate responsibility for all people based activity within KONA SL from both an operational and strategic perspective
Promote corporate values and enable business success through human resources management shaping the workforce for future, shaping a purpose-led culture, creating a "consumer-grade", simple and engaging experience for employees at work, shaping workforce insights through evidence-based analytics technology, hiring right talents, performance management, training & development, employment cycle changes, talent management, and facilities management services.… more
Employer Branding, Transformational Leadership and +8 skills
Show all
Education
Jahangirnagar University logo
Jahangirnagar University
MBA, HRM
BIM
PGD PM, Personnel Management
2007 – 2007
Show all 4 educations
Licenses & certifications (15)
Scrum Alliance logo
Certified ScrumMaster (CSM)
Scrum Alliance
Issued Jan 2023
Credential ID 001602200
Show credential
Thumbnail for Ahmed Zakaria Amin-ScrumAlliance_CSM_Certificate.pdf
Ahmed Zakaria Amin-ScrumAlliance_CSM_Certificate.pdf
Agile OKR Framework
Rafał Zalewski, Jerzy Stawicki
Issued Jun 2020
Show all 15 licenses
Projects
Youth's, Doctor's & Teacher's Forum in NEW AGE, The Daily Newspaper
Mar 2006 – Apr 2007
The development of Youth, Teacher’s & Doctor’s Forum increased the circulation of the newspaper and got subscriber’s satisfaction & their feedback.
Skills (68)
Technical Recruiting
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%2
(Bengali)
https://www.linkedin.com/pulse/eastern-islamic-science-tech-newseistn-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-qf0cc (English)
People and Process Developer at DT Technologies
Strategic Hiring
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%2 (Bengali) প্রথম সংস্করণ
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25B6-%25E0%25A6%25A6%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25A4%25E0%25A7%259F-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25A6%25E0%25A7%25A8%25E0%25A7%25AC-hossain-py8zc (Bengali) দ্বিতীয় সংস্করণ
https://www.linkedin.com/pulse/eastern-islamic-science-tech-newseistn-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-qf0cc (English)
People and Process Developer at DT Technologies
Show all
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A6%25AC%25E0%25A6%25B2%25E0%2 (Bengali)
https://www.linkedin.com/pulse/eastern-islamic-science-tech-newseistn-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-qf0cc (English)
যে কারণে অআমরা শক্তিতাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার টেনে এই বিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বাজিয়ে নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রা শুরু করতে চাই-যে বিজ্ঞানের স্বপ্ন দেখেছিলেন সত্যিকারভাবে মহাবিশ্বের মহাসত্য জানতে বুঝতে অআগ্রহশীলরা বিগত বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে। কারণ, বিশ্বের অনেক ঘটনা-পরিঘটনা যা বোধের অগম্য তাকে অতিপ্রাকৃতিক, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভুতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে, টেলিপ্যাথি বলে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এখনও-এ থেকে বেরিয়ে অআসার জন্য এই নতুন বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা মহান অআল্লাহর অশেষ রহমতে সূচনা করতে যাচ্ছি। ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ বর্তমানে এমন এক সময় নবম দশকে প্রবেশ করছে যখন বিশ্বব্যাপী সংঘাত, মানবিক সংকট, উন্নয়নগত স্থবিরতা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির মতো নানা চ্যালেঞ্জ সংস্থাটির কার্যকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। পাশাপাশি আর্থিক সংকটও জাতিসংঘের কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন চাপ সৃষ্টি করছে।
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি শান্তি ও নিরাপত্তা ইস্যুকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাইপ্রাস থেকে সুদান পর্যন্ত বিভিন্ন মিশনে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।
তিনি সংঘাত প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সমাধান, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বেসামরিক জনগণের সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে আরও কার্যকর ও সমন্বিত শান্তিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০৩০ এজেন্ডার লক্ষ্য অর্জনে এখনও বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে। ২০২৭ সালের এসডিজি সম্মেলনকে সামনে রেখে পিছিয়ে থাকা লক্ষ্যগুলো অর্জনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এ ছাড়া এসডিজি অর্থায়ন, ঋণ ব্যবস্থাপনার স্থায়িত্ব, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার এবং নারী ও কন্যাশিশুদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়নের জন্য গৃহীত দোহা কর্মসূচিসহ আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়নেও বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানান ইউএনজিএর নবনির্বাচিত সভাপতি।https://www.jugantor.com/national/1108775
AI উত্তর ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টার (World Science-Tech Research Center) হলো মূলত চট্টগ্রাম, বাংলাদেশে অবস্থিত একটি বেসরকারি গবেষণা উদ্যোগ। এটি ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বিষয়ক গবেষণাপত্র প্রকাশ ও গবেষণাকর্ম পরিচালনার সাথে যুক্ত।অবস্থান: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান: মুহাম্মদ শেখ রমজান হোসেন, যিনি এই সেন্টারের এডিটর-ইন-চিফ হিসেবে কর্মরত আছেন।কার্যক্রম: এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধানত মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব, বৈজ্ঞানিক সূত্র এবং প্রযুক্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন নিবন্ধ ও গবেষণাপত্র প্রকাশ করে থাকে, যা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও পেশাদার প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়।এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বা তাদের সাম্প্রতিক প্রকাশনা
https://www.jugantor.com/international/1108129
আয়রন
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে নৈতিক মূল্যবোধ বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি এসব সংগঠনগুলোকে সমাজের নৈতিক মূল্যবোধ বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনকল্যাণে নিবেদিত সংগঠনগুলো সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু তাদেরকে এই কাজের পরিধি আরও বাড়াতে হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর বনানীতে একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫এ৩-এর ৬ষ্ঠ বার্ষিক ডিস্ট্রিক্ট কনভেনশনের ব্যাংকুয়েট সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, লায়ন্স ক্লাবের মতো আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠনগুলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। তিনি দেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের নৈতিক বিষয়াবলি শেখানো একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হতে পারে। যাতে তারা সততা এবং আদর্শ নিয়ে বড় হতে পারে।
ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর মোহাম্মদ বেল্লাল হোসাইনের সভাপতিত্বে কনভেনশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. রিয়াজুল হক বশির স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডিস্ট্রিক্ট ও বিভিন্ন ক্লাবের সেবামূলক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এছাড়া ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর (ইলেক্ট), ফার্স্ট ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর (ইলেক্ট) ও সেকেন্ড ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নরকে (ইলেক্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। ।
লায়ন্স ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সদস্য, অতিথি এবং আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ইয়াসের খান চৌধুরীhttps://www.jugantor.com/national/1108454
গত ১৮ মে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলীয় স্যান ডিয়েগো সিটির এক মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারে দুই কিশোর বর্ণবাদী সন্ত্রাসীর বন্দুক হামলায় তিন মুসলিম আমেরিকানের নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে কট্টর মুসলিমবিরোধী তৎপরতার বিষয়গুলো আলোচিত হচ্ছে। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগোসহ বড় বড় শহরের যেসব এলাকায় মসজিদ ও ইসলামি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের টহল বাড়ানো হয়েছে। স্যান ডিয়েগোর ইসলামিক সেন্টারে এমন সময়ে এ হামলার ঘটনা ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় নতুন করে ‘ইসলামোফোবিয়া’ বা ইসলামভীতি ছড়ানোর ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। অধিকারকর্মীরা বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধি সম্পর্কে প্রশাসনকে সতর্ক করলেও প্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় একের পর এক মুসলিম অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সহিংস ঘটনা ঘটছে। প্রভাবশালী মুসলিম সংগঠনগুলো এর পেছনে ৯/১১-পরবর্তী পরিস্থিতি, তথাকথিত ‘ওয়ার অন টেরর,’ ‘হোয়াইট সুপারমেসিস্ট’ বা শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের প্রবক্তাদের অভিবাসীবিরোধী বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড, সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণাসংক্রান্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ, গাজায় ইসরাইলি তাণ্ডবে যুক্তরাষ্ট্রের অকুণ্ঠ সমর্থন দান এবং সর্বশেষ ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলাকে দায়ী করছে। বর্ণবাদীরা এগুলোকে মুসলিম অভিবাসী কমিউনিটিতে ভীতি সৃষ্টির সুযোগ হিসাবে গ্রহণ করেছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠন ‘কাউন্সিল অন অ্যামেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসে’র (সিএআইআর) ডেটাবেজ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৮ হাজার ৬৮৩টি মুসলিম ও আরববিরোধী ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে; যেসব ঘটনার উল্লেখযোগ্যসংখ্যকই শারীরিক সহিংসতামূলক। সিএআইআরের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ফিলিস্তিনি অধিকারের পক্ষে কথা বলা মুসলিমরা ক্রমেই সরকারি নীতির পরিপন্থি এবং রক্ষণশীল গোষ্ঠীর সন্দেহের টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। গত মাসে (এপ্রিল ২০২৬) প্রকাশিত এক জরিপ রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে রিপাবলিকান পার্টির অনেক নেতার মুসলিমবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার ঘটনা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের সুরে সুর মিলিয়ে কট্টরপন্থি ও সুযোগসন্ধানীর দ্বারা মুসলিমদের উত্ত্যক্ত ও হেনস্তা করার ঘটনা সাধারণভাবে ভীতির সৃষ্টি করেছে। এমনকি ডেমোক্রেটপ্রধান বহু জাতিগোষ্ঠীর বসবাসে সমৃদ্ধ নিউইয়র্কের মতো শহর, যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা ১০ শতাংশের বেশি এবং জনসংখ্যা ও শ্রমশক্তির যথাক্রমে ৩৫ ও ৪৪ শতাংশ অভিবাসী, সেখানেও মুসলিম অভিবাসীরা হরহামেশা হেনস্তার শিকার হচ্ছে।
উদারপন্থি আমেরিকানদের মতে, বর্ণবাদী সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মুসলমানদের তাদের সহজ শিকার হিসাবে বিবেচনা করে আসছে এবং এখন তাদের মুসলিমবিদ্বেষ ভিন্নরূপে প্রকাশ পাচ্ছে। গত মার্চে নিউইয়র্ক শহরে সংঘটিত কয়েকটি মুসলিমবিরোধী ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। একটি ঘটনায় নিউইয়র্কের প্রধান গণপরিবহণ সাবওয়ে ট্রেনে এক হামলাকারী একজন মুসলিম মহিলা যাত্রীকে ‘টেররিস্ট’ বলে চিৎকার করে বলতে শুরু করে, ‘মেয়র জোহরান মামদানি এখন তোদের বাঁচাতে পারবে না।’ কেউ তাকে সহায়তা করবে আশায় মহিলা কাতর দৃষ্টিতে অন্য যাত্রীদের দিকে তাকালেও কেউ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। অপর ঘটনায় এক ব্যক্তি নিউইয়র্কের এক মসজিদ থেকে কুরআনের কিছু পৃষ্ঠা ছিঁড়ে সেগুলো সিঁড়িতে মানববিষ্ঠায় মেখে রাখে। আরেকটি ঘটনায় একজন ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী আন্দোলনের নেত্রীকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ইসরাইলের সমর্থক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর এক সদস্যের পরিকল্পনা প্রকাশ পেয়েছে। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে আমেরিকা বা ইসরাইলবিরোধী ঘটনা ঘটলে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদীরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। যে কোনো সন্ত্রাসের ঘটনার সঙ্গে আল কায়দা, আইএসআইএস, হামাস, হুথি ইত্যাদি নানা সংগঠনের হাত রয়েছে বলে দোষারোপ করে। এসব ঘটনা এবং ইসলামবিরোধী অপপ্রচার যুক্তরাষ্ট্রে বেশি ঘটে যখন রিপাবলিকান পার্টি ক্ষমতায় থাকে। এ সময় ইসলামবিরোধী ও মুসলিমবিদ্বেষমূলক প্রচারণা বেড়ে যায়। অতএব, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী মুসলিম কমিউনিটির জন্য এখন এক চরম সংকটকাল চলছে বলা যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মুসলমানরা বিশেষ করে এ মুহূর্তে কী কারণে অধিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং কেন তারা নিজেদের অবাঞ্ছিত মনে করছে, তা বোঝার জন্য কংগ্রেসের বেশকিছু রক্ষণশীল সদস্যের কথা শুনতে হবে, যারা প্রকাশ্যে আমেরিকান মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে। টেনেসির কংগ্রেসম্যান অ্যান্ডি ওগলস ঘোষণা করেছেন, ‘মুসলমানরা আমেরিকান সমাজের অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ তারা সমাজের সঙ্গে আত্তীকরণ করতে অক্ষম। অতএব তারা যেখান থেকে এসেছে, তাদের সবাইকে সেখানে ফিরে যেতে হবে।’ ফ্লোরিডার রিপাবলিকান দলীয় কংগ্রেসম্যান প্রতিনিধি র্যান্ডি ফাইন, যিনি আগেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে সব মুসলমানকে ঢালাওভাবে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছিলেন, তিনি বলেছেন, ‘কুকুর এবং মুসলমানদের মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন নয়।’ যেহেতু এ ধরনের মন্তব্যের কোনোটি শীর্ষ রিপাবলিকান নেতৃত্বের সমর্থন পায়নি, সেজন্য তাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ নেবে, তা ধারণা করা যায় না। কিন্তু তাদের বক্তব্যে বর্ণবাদীরা, বিশেষ করে ইসলাম ও মুসলিমবিরোধী কট্টরপন্থিরা যথেষ্ট উৎসাহ বোধ করে এবং সুযোগ বুঝে মুসলমানদের হেনস্তা করতে দ্বিধা করে না।
এ পরিস্থিতির মুখ্য কারণ হিসাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আমেরিকান মুসলিম হোক অথবা অন্যান্য অভিবাসী সম্প্রদায়, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের দেখা হয় জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে। ফলে তাদের বড় একটি অংশ দীর্ঘকাল ধরে আমেরিকায় বসবাস করা সত্ত্বেও নিজেদের অতিথির মতো অনুভব করে। অভিবাসী বা ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিসাবে অব্যাহত বিরূপ প্রচারের কারণে তারা ভাবতে বাধ্য হয়, তারা সম্পূর্ণ আমেরিকান নয় এবং পুরোপুরি গৃহীত নয়। অনেক ক্ষেত্রে এমনও দেখা যায়, তারা গ্রিনকার্ডধারী ও ন্যাচারালাইজ্ড নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকান সংস্কৃতি তাদের গ্রহণ করে না। এজন্য দায়ী সম্ভবত আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদের প্রভাব, যা অভিবাসীদের নিজ দেশে হোক বা আমেরিকান ভূখণ্ডে, সমগ্র সম্প্রদায়কে ধ্বংস করার বীজ বপন করে এবং অভিবাসীবিরোধীরা এ সুযোগ গ্রহণ করে। এমন ঘটনা অহরহ ঘটছে যে, আমেরিকা যদি বিশ্বের কোনো দেশের বিরুদ্ধে তাদের নীতি কার্যকর করে অথবা কোনো দেশের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে, এমনকি বাকযুদ্ধেও লিপ্ত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে উগ্রপন্থিদের সহিংস হামলার শিকারে পরিণত হয়। করোনাকালে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে করোনাভাইরাসকে বারবার ‘চাইনিজ ভাইরাস’ ও ‘কুং ফু ভাইরাস’ হিসাবে বর্ণনা করায় চীনা অভিবাসীদের ওপর বহু হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সাম্প্রতিককালে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কিছু গবেষণায় ‘ইসলামোফোবিয়া’কে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টায় এটি কেবল একটি ধর্মীয় ধারণা অথবা বর্ণবাদের একটি রূপ কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের গবেষণা থেকে যা পাওয়া যায়, তাতে স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে বর্ণবাদ মুসলিমবিরোধী ধর্মান্ধতার প্রকাশে ভূমিকা পালন করছে। আমেরিকান জনগণের কট্টরপন্থি অংশের মুসলিমবিদ্বেষ অনেক ক্ষেত্রে এতটাই অন্ধ হয়ে পড়ে যে, তাদের পূর্ব-ধারণাগত কারণে অমুসলিমরাও মুসলিমবিরোধী বিদ্বেষের শিকার হয়েছে। যেমন-৯/১১-এর পর মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলায় নিউইয়র্কে প্রথম যাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন বলবীর সিং সোধি নামে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক শিখ। উগ্র হামলাকারী দাড়ি ও পাগড়ির কারণে তাকে আরব বা মুসলিম ভেবেছিল। ধর্মান্ধ ও বিদ্বেষ ছড়ানো উগ্রপন্থিরা যে কোনো সূক্ষ্মতার পরোয়া করে না, বলবীর সিংয়ের হত্যাকাণ্ড তারই দৃষ্টান্ত।
মানবাধিকারের দেশ হিসাবে খ্যাত যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম বিদ্বেষমূলক অপরাধের পরিসংখ্যান ও কাহিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রমাণ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের বিরুদ্ধে উগ্র আচরণ ও সন্ত্রাসী হামলার কারণ শুধু বর্ণবাদী বা শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীদের মনোভাব নয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিও এর কারণ। কোনো দেশের বিরুদ্ধে এ নীতি পরিচালিত হলে যুক্তরাষ্ট্রে সেই দেশের অভিবাসীরা বিপদের মধ্যে পড়ে। ৯/১১-এর পর ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পর ‘প্যাট্রিয়ট’ আইনের আওতায় আইন প্রয়োগকারীরা ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে সাতশ’র বেশি মুসলিমকে গ্রেফতার করেছিল। তাদের একজনের বিরুদ্ধেও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু প্রশাসনের এ পদক্ষেপের কারণে উগ্রপন্থিরা তাদের মুসলিমবিদ্বেষী তৎপরতা বৃদ্ধির সুযোগ পেয়েছিল।
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক
https://www.jugantor.com/tp-ub-editorial/1105502
ইরানে মার্কিন-ইসরাইল হামলা ব্যাপক সফল, দাবি রুবিও’র
Advertisement
Icon
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ০৯:১৯ পিএম
30 Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
messenger sharing button
print sharing button
copy sharing button
ইরানে মার্কিন-ইসরাইল হামলা ব্যাপক সফল, দাবি রুবিও’র
মার্কো রুবিও। ছবি: সংগৃহীত
আরও পড়ুন
শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা
চাকরির প্রথম দিনেই ম্যাকবুক নিয়ে উধাও উবারের নতুন কর্মী!
লেবানন-ইসরাইল উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু
ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক রপ্তানি করল ইসরাইল
বাণিজ্য চুক্তির ৯৯ শতাংশ নিয়ে একমত ভারত-যুক্তরাষ্ট্র
ফলো করুন
যুগান্তর হোয়াটসঅ্যাপ
যুগান্তর মেসেঞ্জার
ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলাকে ‘ব্যাপক সফল’ বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও সিনেটর মার্কো রুবিও। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হামলার যৌক্তিকতা ও রণকৌশলগত অর্জনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।
Advertisement
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে এই হামলাকে ওয়াশিংটনের একটি অন্যতম বড় সামরিক বিজয় হিসেবেও আখ্যা দেন তিনি।
সম্প্রতি পরিচালিত এই যৌথ হামলার সাংকেতিক নাম ছিল ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। এই অভিযান নিয়ে বৈশ্বিক রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা তৈরি হলেও রুবিও এর সামরিক কার্যকারিতাকেই প্রধান করে দেখিয়েছেন।
তিনি অকপটে বলেন, অপারেশন এপিক ফিউরি নিয়ে আপনাদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে—কেউ হয়তো এটি পছন্দ করেছেন, আবার কেউ হয়তো তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো, এই হামলাটি তার সুনির্দিষ্ট সামরিক উদ্দেশ্য অর্জনে অত্যন্ত নিখুঁত ও সফল ছিল।
রুবিও তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল তেহরানের সামরিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। তিনি দাবি করেন, যৌথ বাহিনীর একের পর এক নিখুঁত হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা-শিল্পের ভিত্তি নাটকীয়ভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা দেশটিকে নতুন করে সামরিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে বড় ধাক্কা দিল।
আরও পড়ুন
ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক রপ্তানি করল ইসরাইল
ইতিহাসের সর্বোচ্চ সামরিক রপ্তানি করল ইসরাইল
সবচেয়ে আক্রমণাত্মক মন্তব্যটি এসেছে ইরানের নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে। তেহরানের নৌ-শক্তির বর্তমান অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে মার্কো রুবিও অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, আজকে ইরানের কোনো নৌবাহিনী বলতে আর কিছুর অস্তিত্ব নেই। এটি এখন পুরোপুরি অতীত। ইরানের নৌবহরের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল, তা এখন সমুদ্রের তলদেশে পড়ে আছে।
মার্কো রুবিও’র এমন প্রকাশ্য ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও উসকে দেবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকে এই বিপুল ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া বা পাল্টা কৌশল নেওয়া হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
সূত্র: আল-জাজিরা।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা মার্কো রুবিও
ইরানের ভূখণ্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলাকে ‘ব্যাপক সফল’ বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও সিনেটর মার্কো রুবিও। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হামলার যৌক্তিকতা ও রণকৌশলগত অর্জনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে এই হামলাকে ওয়াশিংটনের একটি অন্যতম বড় সামরিক বিজয় হিসেবেও আখ্যা দেন তিনি।
সম্প্রতি পরিচালিত এই যৌথ হামলার সাংকেতিক নাম ছিল ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। এই অভিযান নিয়ে বৈশ্বিক রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা তৈরি হলেও রুবিও এর সামরিক কার্যকারিতাকেই প্রধান করে দেখিয়েছেন।
তিনি অকপটে বলেন, অপারেশন এপিক ফিউরি নিয়ে আপনাদের মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে—কেউ হয়তো এটি পছন্দ করেছেন, আবার কেউ হয়তো তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো, এই হামলাটি তার সুনির্দিষ্ট সামরিক উদ্দেশ্য অর্জনে অত্যন্ত নিখুঁত ও সফল ছিল।
রুবিও তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল তেহরানের সামরিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। তিনি দাবি করেন, যৌথ বাহিনীর একের পর এক নিখুঁত হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা-শিল্পের ভিত্তি নাটকীয়ভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা দেশটিকে নতুন করে সামরিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে বড় ধাক্কা দিল।
সবচেয়ে আক্রমণাত্মক মন্তব্যটি এসেছে ইরানের নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে। তেহরানের নৌ-শক্তির বর্তমান অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে মার্কো রুবিও অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, আজকে ইরানের কোনো নৌবাহিনী বলতে আর কিছুর অস্তিত্ব নেই। এটি এখন পুরোপুরি অতীত। ইরানের নৌবহরের যা কিছু অবশিষ্ট ছিল, তা এখন সমুদ্রের তলদেশে পড়ে আছে।
মার্কো রুবিও’র এমন প্রকাশ্য ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও উসকে দেবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকে এই বিপুল ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া বা পাল্টা কৌশল নেওয়া হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
সূত্র: আল-জাজিরা।https://www.jugantor.com/international/1108524
পরিস্থিতি যাই হোক, লেবাননে হামলা চলবে: ইসরাইল
লেবাননের দক্ষিণ অঞ্চলে চলমান হামলা যেকোনো পরিস্থিতিতেই অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক তৎপরতা থামবে না।
সীমান্তে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং সার্বিক ঘটনাবলীর ওপর ভিত্তি করে লেবাননে হামলার পরিধি আরও বিস্তার করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, লেবাননের অভ্যন্তরে আরও অতিরিক্ত ও নতুন ধরনের হামলা চালানো সম্ভব কি না, তা বর্তমানে দেশটির সেনাবাহিনী নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করছে। সীমান্ত পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তার ওপর নির্ভর করে চলমান এই হামলার মাত্রা ও ক্ষেত্র আরও বাড়ানো হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইসরাইলের দীর্ঘমেয়াদী ও তাৎক্ষণিক সামরিক লক্ষ্য অর্জনের বিষয়েও কথা বলেন কাটজ। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরাইলের চূড়ান্ত ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্রীকরণ করা। তবে এই মুহূর্তে তাদের প্রধান ও তাৎক্ষণিক মনোযোগ রয়েছে লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চলে। বর্তমানে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণে থাকা এই এলাকাগুলো থেকে হিজবুল্লাহর সমস্ত অস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে দেওয়া এবং অঞ্চলটিকে হিজবুল্লাহমুক্ত করাই এখন ইসরাইলি বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য।
সূত্র: আল-জাজিরা।
https://www.jugantor.com/international/1108486
নেতানিয়াহুকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করলেন ট্রাম্প
লেবাননে সামরিক আগ্রাসন বৃদ্ধির জেরে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার (১ জুন) দুই নেতার মধ্যে বেশ উত্তপ্ত ফোনালাপ হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। এ সময় ট্রাম্প নেতানিয়াহুর উদ্দেশে অশালীন শব্দও ব্যবহার করেন।
প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স
চলতি মাসে প্যারিসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী ‘ইউরোসেটরি’-তে ইসরাইলি সরকারের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ফ্রান্স। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে মেলায় শুধু সরকারি কর্মকর্তারাই নন, ইসরাইলি অস্ত্র নির্মাতারাও বড় ধরনের সীমাবদ্ধতার মুখে পড়েছেন। প্রদর্শনীতে কোনো ধরনের আক্রমণাত্মক অস্ত্র বা সামরিক ব্যবস্থা প্রদর্শন করতে পারবে না ইসরাইলের কোনো কোম্পানি। তাদের কেবল আকাশ প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত পণ্য (এয়ার ডিফেন্স প্রোডাক্ট) প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সের পক্ষ থেকে এই কঠোর পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এলো, যার মাত্র এক সপ্তাহ আগে ইসরাইলের অতি-ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের ওপর দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ফরাসি কর্তৃপক্ষ।
মূলত একটি বিতর্কিত ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে পড়ার পর ফ্রান্স এই সিদ্ধান্ত নেয়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আটক হওয়া ফ্লোটিলা কর্মীদের চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে বসিয়ে রাখা হয়েছে এবং মন্ত্রী বেন-গভির তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন।
এই ঘটনার জের ধরেই ফরাসি প্রশাসন ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক কঠোর কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
আল-জাজিরার বিশ্লেষণ
ইরানকে চাপে ফেলতেই লেবাননে ইসরাইলি হামলা
লেবাননে চলমান হামলা বৃদ্ধির মাধ্যমে ইসরাইল মূলত পরোক্ষভাবে ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষক কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল্লাহ বান্দর আল এতাইবি
https://www.jugantor.com/international/1108145
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করছে ইরান
যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনা ইরান স্থগিত করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা তাসনিম। লেবাননে ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরাইল অভিযান শুরুর ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদে তেহরান এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। খবর রয়টার্স, আল জাজিরার।
তাসনিম লিখেছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষভাবে যে বার্তা আদান-প্রদান চলছিল, তা ইরানের আলোচকরা ইতোমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের এই সিদ্ধান্ত দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। কারণ শান্তি আলোচনা চলার মধ্যেই ইরানের একাধিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালানোর কথা বলেছে ইরানও। এরমধ্যে এবার তেহরানের কাছ থেকে আলোচনা বন্ধ রাখার ঘোষণা এলো।তাসনিমের এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলারের বেশি বেড়ে গেছে।
ইরানের সামরিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা, পালটা আঘাতের দাবি : ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে রাডার ও ড্রোন সাইটগুলোতে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সম্প্রতি এ হামলা চালানো হয় বলে সোমবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করাসহ ইরানের ‘আগ্রাসী পদক্ষেপের’ জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।https://www.jugantor.com/international/1108237
।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছে, যার আওতায় চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ইরানের জন্য প্রায় ৩০ হাজার কোটি (৩০০ বিলিয়ন) ডলারের একটি বিশাল পুনর্গঠন তহবিল গঠিত হতে পারে।
Advertisement
নিউ ইয়র্ক টাইমস-জানায়, দীর্ঘদিনের সংঘাত শেষে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি, শিল্পখাত এবং রাস্তাঘাট ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্গঠনে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।
দ্য টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, এটি মূলত একটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ তহবিল হবে, যা বিভিন্ন দেশের আর্থিক সহায়তায় গঠিত হতে পারে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই তহবিল গঠনে মধ্যস্থতা করবে। উভয় পক্ষ খসড়া সমঝোতা স্মারকে সম্মত হলে প্রাথমিক ৬০ দিনের আলোচনা চলাকালীন এই তহবিল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা ও কূটনীতিকের বরাতে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই খসড়ায় কেবল যুদ্ধাবসানই নয়, বরং মার্কিন-ইরান অনাক্রমণ চুক্তির মতো বড় বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার অধীনে কোনো দেশই একে অপরের ওপর হামলা চালাবে না। মধ্যস্থতাকারীরা আশা করছেন, এই চুক্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে সামগ্রিক আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রাখবে, যার মধ্যে লেবাননে চলমান যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও যুক্ত হতে পারে।
পরমাণু ইস্যুতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তে রাজি হবে এবং আলোচনা চলাকালীন তাদের পরমাণু কর্মসূচির কিছু অংশ স্থগিত রাখবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দেবে। এছাড়া, খসড়ায় ইরানকে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানি সচল রাখার পাশাপাশি সীমিত পরিসরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিনিময়ে মার্কিন তেল ও জ্বালানি সংস্থাগুলো যেন ইরানি যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ করতে পারে, সেই প্রস্তাবও রেখেছে তেহরান।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমেদ বলেছেন, শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণ জাতির জন্য সঠিক নির্দেশনা ছিল না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘোষণাতেই বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ হয়।
রোববার (৩১ মে) বিকালে কুমিল্লার চান্দিনায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তখন তিনি সেনাপ্রধান হিসেবে এবং দেশের সামরিক বাহিনীর পক্ষে ওই ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নেতারা গিয়ে তাকে বলেন— যেহেতু শেখ মুজিব আমাদের জননন্দিত নেতা, সেহেতু তার নামে যদি ঘোষণা দেওয়া হয়, তাহলে জনগণ মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আরও শ্রদ্ধাশীল হবে এবং উদ্বুদ্ধ হবে। জিয়াউর রহমানের কোনো লোভ-লালসা ছিল না। তখন জিয়াউর রহমান শেখ মুজিবের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
ড. রেদোয়ান আহমেদ আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ভাষণে ‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো’ বলে জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে এটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, ২৫ মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন এবং দীর্ঘ সময় পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, মেজর জিয়াউর রহমান ২৫ মার্চ রাতে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। যদি তিনি সেই ঘোষণা না দিতেন, তাহলে জাতি বিভ্রান্ত হতো।
পরে তিনি চান্দিনা রেদোয়ান আহমেদ কলেজের মাওলানা ভাসানী মিলনায়তনে জিয়া কর্নার উদ্বোধন করেন।
চান্দিনা পৌর বিএনপি নেতা অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান একেএম শামছুল হক মাস্টার, অধ্যক্ষ আবুল কাশেম, অধ্যক্ষ আবু তাহের, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজ, পৌর বিএনপি নেতা হাজী শাহ আলম, অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া, মাইজখার ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, অধ্যাপক রুহুল আমিন, চান্দিনা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শরীফুজ্জামান শরীফ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোবারক হোসেন মোবা, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, পৌর ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।
যুগান্তর হোয়াটসঅ্যাপ
যুগান্তর মেসেঞ্জার
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে দেশটির পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনা এবং একের পর এক সামরিক সংঘাতের আবহেই ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর এমন আক্রমণাত্মক ও আত্মবিশ্বাসী বার্তা সামনে এলো।
Advertisement
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরানকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ইতোমধ্যে ভীষণ ভারী মূল্য দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, ইরান ইতোমধ্যে যে মূল্য দিয়েছে তা অত্যন্ত চড়া। দেশটির এই সন্ত্রাসী শাসনের ভিত্তিগুলোতে চির বা ফাটল ধরেছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, তেহরানের বর্তমান শাসনকাঠামো আর কখনোই আগের অবস্থায় বা শক্ত অবস্থানে ফিরে যেতে পারবে না। ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার উল্লেখ করে তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমি আপনাদের বলছি—এই ব্যবস্থার পতন এখন অবধারিত।
সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সামরিক সংঘাত এক নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। গাজা ও লেবানন পরিস্থিতি এবং এর জের ধরে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার পর নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক দুর্বলতাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার একটি প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।https://www.jugantor.com/international/1108467
সূত্র: আল-জাজিরা।
আরও পড়ুন
কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
এই আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে বিভিন্ন বিদেশী ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের হিমায়িত সম্পদ অবমুক্ত করার সম্ভাবনাও খসড়া কাঠামোতে রাখা হয়েছে। যদিও তেহরানের দাবি, ফলপ্রসূ আলোচনা শুরুর আগেই এই অর্থ ছাড় করতে হবে। তবে এই কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইসরাইল কর্তৃক ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার বিষয়টি আঞ্চলিক উত্তেজনাকে টিকিয়ে রেখেছে। আলোচনার দ্বিতীয় পর্বে মূলত ইরানের কাছে থাকা প্রায় ৯৭০ পাউন্ড উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং ১০ টন নিম্ন-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভাগ্য নির্ধারণ করা হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে এই ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের দাবি জানালেও তেহরান তা আন্তর্জাতিক নজরদারিতে দেশের ভেতরেই রাখতে চায়। পরবর্তীতে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে ইউরেনিয়াম লঘুকরণ বা অন্য কোনো নিরাপদ দেশে স্থানান্তরের বিকল্প প্রস্তাবে সম্মতি দিলেও, এটি যেন কোনোভাবেই রাশিয়া বা চীনে না পাঠানো হয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস।
‘ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
3
Shares
facebook sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonmessenger sharing buttonprint sharing buttoncopy sharing button
‘ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়’
আব্বাস আরাগচি। ছবি: সংগৃহীত
আরও পড়ুন
হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল সহজ করতে প্রস্তুত ইরান
কুয়েতে ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা জানাল সৌদি আরব
মিডল ইস্ট আইয়ের বিশ্লেষণ বাকস্বাধীনতার দ্বিমুখী নীতি, কেন মুসলিমদের ক্ষেত্রে খাটে না এই অধিকার?
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ৩০ হাজার কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ পাবে ইরান
ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা জানাল কুয়েত
ফলো করুন
যুগান্তর হোয়াটসঅ্যাপ
যুগান্তর মেসেঞ্জার
লেবানন ও গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের শান্তি আলোচনা বা বার্তা বিনিময় করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বার্তা সংস্থা ‘তাসনিম’-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
Advertisement
আরও দেখুন
আন্তর্জাতিক সংবাদ
অনলাইন নিউজ
আজকের পত্রিকা
তাসনিম নিউজের বরাতে জানা যায়, লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ বার্তা বিনিময় প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইরানের প্রতিনিধি দল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান এবং তাদের নেতৃত্বাধীন তথাকথিত ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ (আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীসমূহ) কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করার পরিকল্পনা করছে। একই সঙ্গে ইয়েমেন উপকূলে অবস্থিত বাব আল-মান্দাব প্রণালিসহ অন্যান্য ফ্রন্টগুলোকে সক্রিয় করার বিষয়েও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
আরও পড়ুন
বাকস্বাধীনতার দ্বিমুখী নীতি, কেন মুসলিমদের ক্ষেত্রে খাটে না এই অধিকার?
বাকস্বাধীনতার দ্বিমুখী নীতি, কেন মুসলিমদের ক্ষেত্রে খাটে না এই অধিকার?
উল্লেখ্য, ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র ইসলামি গোষ্ঠী হুতিরা ইরানের অন্যতম প্রধান মিত্র। লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে সাম্প্রতিক হামলাগুলোর পেছনে তাদের হাত রয়েছে এবং ইরানের বিবৃতিতে মূলত এই হুতিদের মতো মিত্র বাহিনীগুলোকেই ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’ হিসেবে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন