ভূমিকাঃ পদার্থ বিজ্ঞান (ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স) মহাবিশ্বের মূল সত্বা বিবেচনায় তাত্ত্বিকভাবে প্রায় শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করে সত্য, কিন্তু পুরো বিশ্ব প্রকৃতি বিজ্ঞান ফিজিক্স বিবেচনায় লক্ষ্য অর্জনের পরিমাণ প্রায় অর্ধ শতাংশ । কারণ, মহাবিশ্ব মৌলিকভাবে দ্বিমাত্রিক যথাঃ ১) বস্তুগত ২) জ্ঞানগত। এ যাবৎ ডেমোক্রিটাস থেকে শুরু করে অআইনস্টাইন পর্যন্ত সকল বিজ্ঞানীর সকল গবেষণার ভিত্তি ছিল ফিজিক্স নামে মূলতঃ ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স যাকে বাংলা ভাষায় বলা হয় পদার্থ বিজ্ঞান। সুতরাং, সংগত কারণে নিউক্লিয়াস আবিস্কারক রাদারফোর্ড একবার বলেছিলেনঃ সব বিজ্ঞানই পদার্থ বিজ্ঞান। যদিও প্রকৃতপক্ষে পদার্থ বিজ্ঞান ফিজিক্সের একাংশ মাত্র। যার কারণে পদার্থ বিজ্ঞানের বয়স প্রায় তিন সহস্রাব্দ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও বলা হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় পদার্থ বিজ্ঞানীরা সে বাঘের ল্যাজটা নাড়া চাড়া করছেন মাত্র। কারণ, পুরো মহাবিশ্বের মাত্র ৪ শতাংশ সত্য নিহিত রয়েছে পদার্থ বিজ্ঞানে। বাকী সত্যের ২১ শতাংশ ডার্ক ম্যাটারে এবং ৭৫ শতাংশ ডার্ক এনার্জিতে। ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স টেক রিসার্চ সেন্টারের মতে এ যাবৎ বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ সত্য অর্জন করেছেন । ডার্ক ম্যাটার এনার্জি, গ্রাাভিটন্ স্ট্রিং থিওরিসহ দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নগুলি মহাবিশ্বের মূল সত্যের মৌলিক নয় আনুষঙ্গিক মাত্র। উক্ত ৫০ শতাংশ মূল সত্য নিহিত ছিল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে (বস্তুগতভাবে) আর বিগ ব্যাং উত্তর শীতলমুখী বুদ্ধিমাত্রিক এন্ট্রপিতে ৫০ শতাংশ। মডার্ণসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, আজ থেকে প্রায় ১৩৭৫ কোটি বছর পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহাবিস্ফোরণ (Big Bang) থেকে শুরু হয়েছিল মহাবিশ্বের দ্বৈতরূপে-যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপঃ ১) মহাশুন্য তথা মহাকাশ এবং ২) ৪ মহাবল যথাক্রমে(ক) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (খ) দূর্বল (গ) সবল নিউক্লিয় বল (ঘ) মহাকর্ষ বল (ঙ) ডার্ক এনার্জি এবং চ) ডার্ক ম্যাটার (ছ) ভরশুন্য ফোটন জাতীয় কণা (জ) ভরযুক্ত হিগস বোসন জাতীয় সর্ব প্রকার বস্কু কণা যদ্বারা যত সব বস্তু-পদার্থের উদ্ভব। প্রশ্ন হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? কিংবা বস্তুতে কি আছে? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে বস্তুকে ভাঙতে ভাঙতে গুঁড়া-গুঁড়া, চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে করতে গিয়ে হয়রান পেরেশান হয়ে প্রাচীন গ্রীসের সেরা দার্শনিক ডেমোক্রিটাস বলে উঠেছিলেন এই বলেঃ আর ভাঙা যাবে না। এই বাক্যটি মাত্র একটি গ্রীক যে শব্দে নিহিত রয়েছে সে শব্দটির নাম অ্যাটম (ATOM)। অ্যাটম (ATOM) কি দিয়ে তৈরি? প্রশ্নটি প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের মতই পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত এবং নিষিদ্ধ প্রশ্নের অন্যতম। এ ধরণের প্রশ্ন পদার্থ বিজ্ঞানে এ কারণে নিষিদ্ধ যে, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই মর্মে পদার্থ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত অভিমত। উল্লেখ্য, সুদূর মহাকাশের এমন প্রান্ত সীমায় বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি পৌঁছে যা কেবল অআলোর পর্দা দিয়ে অআচ্ছাদিত-যাতে দৃষ্টি দিতে বিজ্ঞানীদের মানা। কারণ, আলোগুলি এমন যে সাধারণ চর্ম চোখে ধারণ অক্ষম। বিজ্ঞানীদের হাতে বর্তমানে এমন ডিটেক্টর নেই যদ্বারা এই আলো ধারণ করা যায়। তবে পর্দার ওপার হতে মাঝে মাঝে নিউট্রিনোর আনাগোনা থেকে ওপারের কিছু তথ্য পদার্থ বিজ্ঞানীরা জানছেন। পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের মতে, পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং উত্তরের গভীরতা দরকার (বিজ্ঞানচিন্তা)। অন্যদিকে WISTRC এর মতে, অর্থবহ পৃথিবীর জন্য অর্থবহ প্রশ্ন জরুরী। উত্তর মেরুতে কি আছে? এটি প্রশ্ন বটে। কিন্তু উত্তর মেরুর উত্তরে কি আছে? প্রশ্নটি অর্থহীন এবং অপ্রয়োজনীয়। WISTRC মনে করে অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্ন উত্তর মেরুর উত্তরের খবর নেওয়ার মত বেয়াড়া প্রশ্ন নয় বরং সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব রাখে। WISTRC আরও মনে করে যে, অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের উত্তরে নিহিত আছে একাধারে স্ট্রিং থিওরি, বহুল প্রত্যাশিত কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের মতো পদার্থ বিজ্ঞানের সবচেয়ে জটিল তত্ত্বের অপূর্ব সম্ভাবনা তত্ত্ব। প্রশ্নটির উত্তরে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রায় শতভাগ এবং প্রকৃতি বিজ্ঞানের প্রায় অর্ধশত ভাগ সত্য নিহিত রয়েছে। বলা হয়ে থাকে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল।
পবিত্র ইসলামের আলোকে স্ট্রিং থিওরী
‘মিরাকলস অফ কুরআন’ দাবি করে যে, ৪:৪৯ এবং ৪:১২৪ আয়াতে সুতার কথা বলা হয়েছে।
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ يُزَكُّونَ أَنْفُسَهُمْ ۚ بَلِ اللَّهُ يُزَكِّي مَنْ يَشَاءُ وَلَا يُظْلَمُونَ فَتِيلًا
অনুবাদ (সহীহ আন্তর্জাতিক)
তুমি কি তাদের দেখনি যারা নিজেদের জন্য পবিত্রতার দাবি করে? বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন, এবং তাদের প্রতি একটি ফাতিলার (খেজুরের আঁটির লম্বা ফাটলের মধ্যে থাকা আঁশের মতো সুতো) সমান অবিচারও করা হবে না।ফাতিল (فَتِيلاً), যেটিকে সাইটটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সুতো বলে দাবি করে, তা আসলে খেজুরের আঁটির উপর পাওয়া যায় এমন একটি ক্ষুদ্র সুতো মাত্র। এবং একাধিক কুরআন অনুবাদকও এ বিষয়ে একমত। যদি আপনি ইবনে কাথিরের কাছে ফিরে যান, তাহলে দেখতে পাবেন যে বলা হয়েছে[10]
ইবনে আব্বাস, মুজাহিদ, ইকরিমা, আতা, আল-হাসান, কাতাদা এবং সালাফদের মধ্যে অন্যান্যরা বলেছেন যে ফাতিল মানে, "খেজুরের আঁটির লম্বা ফাটলের মধ্যে থাকা আঁশের মতো সুতা।"
٧- فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ ◯
7. Then shall anyone who Has done an atom’s weight Of good, see it !
٨- وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ ◯
8. And anyone who Has done an atom’s weight Of evil, shall see it.এখানে ক্ষুদ্রতা বুঝাতে জাররা শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।
বিংশ শতাব্দির ৮০-র দশকে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞান ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) সম্পর্কিত সৃষ্টিতত্ত্ব উপস্থাপন করে বিশ্বে রীতিমত তাক লাগিয়ে দেয়। Big Bang model গবেষণাকারী বিজ্ঞানগণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে এই মহাজাগতিক তারের উপস্থিতি এবং এ মহাবিশ্বের সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই তারের যাদুময়ী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে থাকে।
এ মহাজাগতিক তারগুলো (Cosmic strings) লম্বায় লক্ষ লক্ষ আলােকবর্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি লম্বা। কিন্তু ব্যাস এত সূক্ষ্ম যে কল্পনা করাও বেশ দুরূহ ব্যাপার। গাণিতিকভাবে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় ১০-৩৩ cm প্রায়। অর্থাৎ ১ সে.মি. দৈর্ঘ্যকে ১০০ কোটি, কোটি, কোটি কোটি দিয়ে ভাগ করলে যা হবে তার সমান মাত্র। এদের আকৃতি কোথাও কুণ্ডলীর মতো, কোথাও আংটির মতো, কোথাও সর্পিল আবার কোথাও দেখতে কটিবন্ধের মতো । Cosmic strings-এর পদার্থ ভর অকল্পনীয়, বিরাট ও বিশাল, মাত্র কয়েক কিলোমিটার তারের ভর সমগ্র পৃথিবীর ভরের চাইতেও কয়েক গুণ বেশি। এ তারগুলো খুবই শক্তিশালী এবং এদের ঘনত্ব 'ব্ল্যাক হোলের ঘনত্বের চেয়েও বেশি।
স্ট্রিংয়ের প্রকৃতি-বৈশিষ্টঃ স্ট্রিং তত্ত্বের মৌলিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি বস্তুকণার পরম ক্ষুদ্রতা বা সিঙ্গুলারিটির প্রতীক-যার সম্ভাব্য সূক্ষ্ণতা হচ্ছে প্রায় ১০-৩৩ সেন্টিমিটর। এ যাবৎকালের আবিস্কৃত সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্র বস্তুুকণা কোয়ার্কের সূক্ষ্ণতা হচ্ছে ১০-১৬ সেন্টিমিটার। বিজ্ঞানীদের হাতে আছে ১০-১৭ সেঃমিটারের সূক্ষ্ণতা পরিমাপক কণা ডিটেক্টর যন্ত্র। ২) স্ট্রিংয়ের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট হচ্ছে স্ট্রিংয়ের কম্পমান। কণা পদার্থ বিজ্ঞানমতে, প্রতিটি কণা কম্পমান। অয়লারের বেটা ফাংশনেও প্রতিটি কণা কম্পমান। অআকাশের অগণিত তারকারাজি সদা কম্পমান দেখা যায়। স্ট্রিং থিওরিমতে, স্ট্রিংয়ের কম্পনের মাত্রাভেদে কোনটি ইলেক্ট্রন কোনটি কোয়ার্ক কিংবা অপর পনেরটি মৌলিক কণা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সার্ণ কর্তৃক নিজস্ব কণা চূর্ণকরণ সাইক্রোটন যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন কণাকে ৮ টেরা ভোল্ট শক্তি প্রয়োগ করে প্রায় আলোর বেগে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে বিগ ব্যাং উত্তর সৃষ্ট অআদি ভরযুক্ত কণা হিগস বোসনের কৃত্রিম উৎপন্ন সম্ভবপর হয়। উল্লেখ্য, কম্পনে সৃষ্টি হলেও কম্পনে বিনাশও হতে পারে। যেমন বজ্রপাতের প্রচন্ড শব্দে সৃষ্ট কম্পনের কারণে জানালার কাঁচ ভেঙ্গে পড়ে। হযরত ইসরাফিল আঃ এর শিঙ্গার ফুৎকারের প্রচন্ড শব্দে আকাশ-পৃথিবী, গ্রহ-নক্ষত্রে সৃষ্ট কম্পনে মহাবিশ্ব ফানা অর্থাৎ বিনাশ হবে।
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A7%25AB%25E0%25A6%25AE-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yfkec
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A7%25AB%25E0%25A6%25AE-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yfkec/ ৫ম সংস্করণ
وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯ And He is the Exalted In Might, the Wise.https://quranyusufali.com/59/
Sūra 59: Hashr, or The Gathering (or Banishment)Verses 24 — Madani; Revealed at Medina — Sections 3
এখানে কোনো স্ট্রিং থিওরি নেই। এই আয়াতটি কেবল একটি ক্ষুদ্র জিনিসের উদাহরণ দিচ্ছিল এবং এমন একটি বীজের উপর থাকা পাতলা সুতাকে বেছে নিয়েছিল যার সাথে মানুষ পরিচিত।
আপনার আছে তুমি কি তাদের দেখনি যারা নিজেদেরকে পবিত্র বলে দাবি করে? বরং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন এবং তাদের প্রতি একটি খেজুরের আঁটির ভেতরের একটি সুতোর সমানও অবিচার করা হয় না। অতি ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্রতা, সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণতা বুঝাতে খেজুরের অআঁটি কিংবা চুলের ন্যায় চিকন শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ক্ষুদ্র হচ্ছে কোয়ার্ক যার সূক্ষ্ণতা ১০-১৬ সেন্টিমিটার। ক্ষুদ্রতা বুঝাতে জাররা শব্দও ব্যবহৃত হয়েছে পবিত্র কুরআনে।
এই যে খেজুরের আঁটির কথা বলা হচ্ছে, তা কী? একাধিক অনুবাদে একই জিনিসের উল্লেখ আছে:
(ডঃ গালি)
তুমি কি তাদের দেখনি যারা নিজেদেরকে পবিত্র মনে করে? না, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন এবং তাদের প্রতি একটি খেজুরের আঁটির সমানও অবিচার করা হয় না।
(পিকথল)
তুমি কি তাদের দেখনি যারা নিজেদের পবিত্রতার জন্য প্রশংসা করে? না, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন এবং তাদের প্রতি একটি খেজুরের আঁটির ওপরের একটি চুলের সমানও অবিচার করা হয় না।
(মুহসিন খান)
চলুন আমরা ৪:১২৪ আয়াতে যাই
وَمَنْ يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ مِنْ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَىٰ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولَٰئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ نَقِيرًا
অনুবাদ (সহীহ আন্তর্জাতিক)
আর যে ব্যক্তি ঈমানদার অবস্থায় সৎকাজ করবে, পুরুষ হোক বা নারী হোক, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি যুলুম করা হবে না, [এমনকি খেজুরের দানার পরিমাণও]।
আহ, সেখানে আপনি যান. আবার খেজুরের বীজ। এবং আবারও, একাধিক অন্যান্য অনুবাদক একমত
(ডা. ঢালী)
এবং যে ব্যক্তি যথেষ্ট সৎকর্ম করে, সে পুরুষ হোক বা নারী, এবং সে মুমিন, তাহলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি খেজুরের আঁটির একটি খাঁজের সমানও অবিচার করা হবে না (অর্থাৎ, সামান্য পরিমাণও নয়)।
(পিকথাল)
আর যে ব্যক্তি সৎকর্ম করে, সে পুরুষ হোক বা নারী, এবং সে মুমিন, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি খেজুরের আঁটির একটি খাঁজের সমানও অবিচার করা হবে না।
(মুহসিন খান)
আর যে ব্যক্তি সৎকর্ম করে, সে পুরুষ হোক বা নারী, এবং আল্লাহর একত্বে বিশ্বাসী (মুসলিম), তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি নাকীরার (খেজুরের আঁটির পেছনের একটি কণার) সমানও অবিচার করা হবে না।
আসুন আমরা ইবনে কাসিরের [11] কথায় ফিরে যাই
তিনি আরও বলেছেন যে, আল্লাহ মুমিনদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তাদের কোনো সৎকর্মই, এমনকি খেজুরের আঁটির ওজনের সমানও, আটকে রাখবেন না। নাকির - খেজুরের আঁটির পেছনের দিকের ক্ষুদ্র কণা। পূর্বে আমরা ফাতিল - খেজুরের আঁটির লম্বা ফাটলের ভেতরের আঁশের মতো সুতা নিয়ে আলোচনা করেছি, এবং এই দুটিই, কিতমির - খেজুরের আঁটির ওপরের পাতলা পর্দার সাথে, কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে।
একেবারেই কোনো ভুল নয়। এর ব্যবহার সঙ্গতিপূর্ণ এবং স্বাভাবিক। আরবে সাধারণ মানুষ অবশ্যই খেজুরকেই বুঝত।[12]https://www.msn.com/en-xl/news/other/how-the-world-views-trump-and-the-united-states/ss-AA26Ab2L?ocid=winp1taskbar&cvid=036c36b63d4049f4d2f4319bf19eeb55&ei=7প্রতিপাদ্য বিষয়ঃ ০২ মহাবিশ্বটি কি সাউন্ড ইনফরমেশন? শব্দের তথ্য দ্বারা মহাবিশ্বটি কি সজ্জিত? https://m.somewhereinblog.net/mobile/blog/islamlablu/30338345।পদার্থবিদ্যার প্রচলিত ধারনা অনুসারে এসব মৌলিক কণিকাদের আমরা মাত্রা-বিহীন বিন্দুর মত ভাবলেও এরা আসলে বিন্দু নয়, আমাদের দৃষ্টির সীমাবদ্ধতার কারণে এদেরকে আমরা বিন্দু হিসেবে দেখি ।যদি এদেরকে কোন সুপার মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে বহুগুণে বিবর্ধিত করা সম্ভব হয় (প্রায় বিলিয়ন বিলিয়ন গুন বেশি) তাহলে আমরা এদেরকে একমাত্রিক লম্বা তার আকারে দেখব ।এগুলো একধরনের অতি ক্ষুদ্র তন্তু (স্ট্রিং) ছাড়া আর কিছু না।এই তন্তুর বিভিন্ন ধরনের কম্পনের ফলে ভিন্ন ভিন্ন কণার উৎপত্তি হয়।এই ক্ষুদ্র ১০^-৩৩ সে.মি. তারগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এদের কম্পনের ধরন ।প্রতিটি মৌলিক কণা একটি স্ট্রিং দিয়ে গঠিত অর্থাৎ প্রতিটি মৌলিক কণা বিভিন্ন রকম আচরণ করে। তাদের স্ট্রিংগুলোর কম্পনের ধরন ভিন্ন ভিন্ন (Different resonant vibrational pattern) ।প্রকৃতিতে ৬০ টির মতো মৌলিক কণার একমাত্র মৌলিক সত্তা হলো স্ট্রিং যা থেকেই মহাবিশ্বের সকল বস্তু ও শক্তির সৃষ্টি হয়েছে বলেই আধুনিক বিজ্ঞানের স্ট্রিং থিওরি ঘোষনা দেয়।এসব তারে ব্যাসার্ধ ও কম্পাংকের ভিন্নতার কারণেই বিভিন্ন রকম আকার-প্রকার বৈশিষ্ট্যের মৌলিক কনিকা তৈরী হচ্ছে এবং তারের কম্পনের পার্থক্যই এদের আধান, ভর নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে।বিজ্ঞানীরা যখন প্রথমবারের মতো স্ট্রিংগুলোর আচরণ নিয়ে গবেষণা করছিলেন তখন দেখতে পেলেন, স্থান-কালের মধ্যে স্ট্রিংগুলো ইচ্ছা মতো চলাফেরা করতে পারে না। বরং সুনির্দিষ্ট কিছু গাণিতিক নিয়ম মেনে এরা স্থান-কালের মধ্যে কিছুর জটিল গতির সৃষ্টি করে। স্ট্রিংগুলোর এসব গতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তো বিজ্ঞানীদের চোখ একেবারে কপালে।প্রতিটি কনা কোন না কোন শব্দ বা আওয়াজ করছে। সেই হিসেব যদি আমরা করি তাহনে মহাজাগতিক সকল বস্তুর সকল কনার সম্মিলিত একটি বক্তব্য বা আওয়াজ আছে। যার অর্থ দাড়ায় মহাবিশ্বের সকল বস্তু সম্মিলিত ভাবে একটি শব্দ উচ্চারন করেচে। তবে কি সেটি ধর্ম তত্ত্বের সেই প্রচলিত স্রষ্টার কন্ঠস্বর “কুন ফাইয়াকুন” ।
আমরা এই মহাবিশ্ব জুড়ে যা দেখি সবই শব্দের মায়াজাল? শব্দের বুননে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি।মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু প্রতিটা পরমানু স্ট্রিং এর কম্পনের ফল। এই কম্পন বা কম্পনের ভিন্নতা ভিন্ন ভিন্ন কনা বা ভিন্ন ভিন্ন বস্তু সৃষ্টি করে। এই বস্তুুর সৃষ্টির সকল তথ্যও ষ্ট্রিং দ্বারা নির্ধারনকৃত।যদি তাই হয় তাহলে সৃষ্টির শুরুতে কোন একটি শব্দ উচ্চারিত হয়ে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হওয়া শুরু হয়েছিলো। আর সেই শব্দটিই সমগ্র মহাবিশ্বজুড়ে বিদ্যমান? হয়তো আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন যে আমি সমগ্র মহাবিশ্ব জুড়ে শব্দ বা সাউন্ড ইনফরমেশন বলতে আসলে কি বোঝাচ্ছি? শব্দ বা কম্পন কি করে বস্তুর রুপায়ন ঘটাতে পারে। কিন্তু আসলে এমনটিই ঘটছে ষ্ট্রিং তত্বের গনিত ঠিক এমনটিই বলছে
ইলেকট্রন নিজেই একটি কনিকা।
প্রকৃতিতে এতো এতো কণাঃ এসব কি দিয়ে তৈরি? হুব্বুক কিআপনি যদি আরবি জানেন তবে আমি আপনাকে আরও ব্যাখ্যা করতাম, কিন্তু আমি আপনাকে এই সুন্দর ও বিস্ময়কর শব্দটি বোঝানোর চেষ্টা করব, যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তাঁর নিখুঁত সৃষ্টি বর্ণনা করতে ব্যবহার করেছেন।
যখন আমরা কাপড় তৈরি করি, তখন আমরা একটি সুতার পাশে আরেকটি সুতা রাখি, সেগুলোকে একসাথে চেপে ধরি এবং আরেকটি যুক্ত করি, এবং এভাবেই চলতে থাকে। এই কাজটিকে বলা হয় “হাবকু আন্নাসুয়েজ”, অর্থাৎ এটিকে সঠিকভাবে তৈরি করা এবং জাল বোনা।
যখন আপনি দরজা বন্ধ করে সামান্য ফাঁক রাখেন, তখন কেউ বলতে পারে “উহবুক আলবাব”, যার অর্থ হলো দরজাটি পুরোপুরি বন্ধ করা এবং দরজার কিনারাকে চৌকাঠের কিনারার সাথে একদম লাগিয়ে দেওয়া।
সুতরাং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেছেন, “ওয়াসসামা'ই যাতিল হুবুক”, যার অর্থ হলো এমন আকাশ যাতে কোনো ফাঁক, ছিদ্র বা খণ্ডাংশ নেই। সুতরাং তা সর্বোত্তম প্রযুক্তি দিয়ে নিখুঁতভাবে নির্মিত, যার মতো কিছু আমরা তৈরি করতে পারিনি এবং পারবও না।
গবেষণার ভিত্তিঃ স্ট্রিং থিওরিপদার্থবিজ্ঞানীরা উপলব্ধি করেন যে স্ট্রিং তত্ত্বের মধ্যে প্রকৃতির চারটি শক্তিকেই অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে—মহাকর্ষ ,তড়িৎচুম্বকত্বশক্তিশালী বল , এবংদুর্বল বল —এবং সকল প্রকার পদার্থকে একটি একক কোয়ান্টাম বলবিদ্যার কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা, যা ইঙ্গিত দেয় যে এটিই হয়তো বহু-প্রত্যাশিত একীভূত ক্ষেত্র তত্ত্ব ।স্ট্রিং থিওরিমতে, ইলেকট্রন-কোয়ার্কসহ বাকী ১৫টি মৌলিক কণাই স্ট্রিংয়ের কম্পনের রকমফের মাত্র।শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউচিরো নামবু, নীলস বোর ইনস্টিটিউটের হোগার নীলসেন এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ লিওনার্দো সাসকিন্ড। তাঁরা বললেন, আমরা এত কাল কণাকে যেভাবে দেখে এসেছি, মৌলিক কণা আসলে সে রকম নয়; অর্থাৎ কণারা পয়েন্ট বা বিন্দুর মতো নয়, স্ট্রিং বা সুতার মতো। দুটি কণার মধ্যে শক্তিশালী পারমাণবিক বল যদি অতিক্ষুদ্র, চরম পাতলা এবং প্রায় রাবার ব্যান্ডের মতো সুতা আছে বলে ভাবা যায়, সেটা যদি ওই কণাদ্বয়কে সংযুক্ত করে, তাহলেই কেবল অয়েলারের সূত্র ব্যবহার করে গাণিতিকভাবে ওই কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা সম্ভব। এই সুতাগুলো শুধু একমাত্রায় থাকে। সেগুলো প্রসারিত হতে পারে, পারে সংকুচিত হতেও। ঠিক রাবার ব্যান্ডের মতো। আরও ভালো করে বললে, রাবার ব্যান্ডের মতোই এই সুতাগুলো শক্তি অর্জন করলে প্রসারিত হয় এবং শক্তি হারালে সংকুচিত হয়। আবার ধারণা করা হলো, রাবার ব্যান্ডের মতো কম্পিত হয় সুতা বা স্ট্রিংগুলো।
স্ট্রিং তত্ত্ব অনুসারে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল মৌলিক কণিকাই কম্পনশীল অভিন্ন তার (wire)!
স্ট্রিং তত্ত্ব অনুসারে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল মৌলিক কণিকাই আসলে একই রকমের অভিন্ন তার (wire) । এসব তার বিভিন্ন কম্পাঙ্কে কাঁপে। এসব তারের ব্যাসার্ধ ও কম্পাংকের ভিন্নতার কারণেই বিভিন্ন রকম আকার-প্রকার বৈশিষ্ট্যের মৌলিক কনিকা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। তারে কম্পনের পার্থক্যই এদের আধান, ভর নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে।
এই তত্ত্ব মতে, এক ধরনের কম্পনের কারনে স্পিন-২ নামে ভরহীন এক ধরণের কণিকার সৃষ্টি হয়। ২০১২ সালে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন "কম্পন" সৃষ্টি করে "হিগস বোসন" কণার কৃত্রিম উৎপন্ন সম্ভব হয় ।স্পিন-২ টাইপের কণিকার সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হচ্ছে গ্রাভিটন নামের একটি কণিকা। গ্রাভিটনের মিথস্ক্রিয়ার সাহায্যে এক ধরনের বল কার্যকর হয়, যার বৈশিষ্ট্য হুবহু মহাকর্ষ বলের মত।
প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বের উৎসমূল স্ট্রিংয়ের কম্পনে নিহিত অর্থাৎ কম্পনই মহাবিশ্ব সৃষ্টির মূল কথা। এই কম্পনের মাত্রার উপর নির্ভর করে কোন্ বস্তু কিরূপ হবে। স্ট্রিং বা সুতার বিভিন্ন মাত্রার ঘূর্ণয়নের ফলে কম্পনের মাত্রা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন ইলেকট্রনের জন্য তন্তুর (স্ট্রিং) কম্পন মাত্রা একরকম। কোয়ার্কের জন্য তন্তুর কম্পনমাত্রা আবার আরেক রকম। অন্য ১৪টি কণার জন্য তন্তুর আলাদা মাত্রার কম্পন নির্দিষ্ট আছে। তন্তুর কম্পনের মাত্রাই ঠিক করে দেয়, তা থেকে সৃষ্ট কণার ভর, চার্জ, স্পিন কেমন হবে।এই বৈশিষ্ট্যগুলোই একধরণের কণা থেক আরেক ধরণের কণার মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। এসব বিচিত্র কণা দিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের মহাবিশ্ব। এই মহাবিশ্ব তাই সুতায় বোনা মহাবিশ্ব (বিজ্ঞানচিন্তা বর্ষঃ ৬ সংখ্যাঃ ০১, অক্টোবর, ২০২১, পৃষ্ঠাঃ ৫৪)।
ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টার মনে করে, স্ট্রিংয়ের কম্পনই মহাবিশ্বের বস্তুুগত অবকাঠামোর শেষ কথা নয় কারণ কম্পনের উৎস মূল হচ্ছে শক্তি যা নিউটনের ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের প্রথম সূত্রে ব্যাখ্যার দাবী রাখে।
পরীক্ষণঃ একটি অতি চিকন, মজবুত লম্বাটে তার নিই এবং উভয় প্রান্ত টান টান বেঁধে দিই। নিউটনের প্রথম সূত্র অনুসারে যতক্ষণ শক্তি প্রয়োগ না হবে-ততক্ষণ এই তার (স্ট্রিং) চিরকাল স্থির, নিশ্চল এবং নিস্তব্দ থাকবে। মৃদু শক্তি প্রয়োগ করলে তারটি নড়ে চড়ে উঠবে। শক্তির মাত্রা বাড়ালে তারটিতে কম্পন সৃষ্টি হবে। আরো শক্তি বাড়ালে মৃদু শব্দ উৎপন্ন হবে।
সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হচ্ছে রাত্রিবেলায় সুখকর নিদ্রা হরণকারী গভীর নিদ্রারত ব্যক্তিকেও জাগিয়ে তুলতে মশার দুই পাখার অনবরত কম্পনই যথেষ্ট।
উল্লেখ্য, ৮ টেরা ভোল্ট শক্তি প্রয়োগে সার্ণ কর্তৃক মিলিয়ন মিলিয়ন প্রোটন কণার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটিয়ে ২০১২ সালে বিশ্বের সর্ববৃহৎ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র সার্ণ কর্তৃপক্ষ নিজস্ব কণা চূর্ণকরণ সাইক্রোটন যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে প্রথমবারের মতো বহুল প্রত্যাশিত হিগস বোসন কণার কৃত্রিম উৎপন্ন করে ।
খুব উচ্চশক্তিতে পার্টিকেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটালে স্ট্রিংগুলোর কাঠামো দেখতে পাওয়া যাওয়ার কথা
স্ট্রিং বিশেষজ্ঞরা মনে করে, খুব উচ্চশক্তির পার্টিকেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটালে স্ট্রিংগুলোর কাঠামো দেখতে পাওয়া যাওয়ার কথা।(অশোক সেন, প্রখ্যাত স্ট্রিং গবেষক, হরিশচন্দ্র রিসার্চ সেন্টার, ভারত)।
ন্যানো সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে ইলেক্ট্রন-কোয়ার্কের কৃত্রিম উৎপন্ন অসম্ভব কিছু নয়
স্ট্রিং বিজ্ঞানীদের মতে, ১৩ টেরা ভোল্ড শক্তি প্রয়োগে কণা প্রথমতঃ আলোর গতি বেগ ছাড়িয়ে যাওয়া ছাড়াও ন্যানো সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে ইলেক্ট্রন-কোয়ার্কের কৃত্রিম উৎপন্ন অসম্ভব কিছু নয়।
ব্ল্যাকহোলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন থেকে প্রথমবারের মত সৃষ্টি হয়েছিল মহাকর্ষ
উল্লেখ্য, জানা যায় যে পদার্থ বিজ্ঞানীদের মতে, এক বিলিয়ন বছরেরও আগে দুটি বিশাল আকারের ব্ল্যাকহোলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সৃষ্ট কম্পন থেকে প্রথমবারের মত সৃষ্টি হয়েছিল মহাকর্ষ তরঙ্গ।
মহাজাগতিক তার (Cosmic string)
বর্তমান বিজ্ঞানে ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা খুবই উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান সমৃদ্ধ।
বিংশ শতাব্দির ৮০-র দশকে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞান ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) সম্পর্কিত সৃষ্টিতত্ত্ব উপস্থাপন করে বিশ্বে রীতিমত তাক লাগিয়ে দেয়। Big Bang model গবেষণাকারী বিজ্ঞানগণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে এই মহাজাগতিক তারের উপস্থিতি এবং এ মহাবিশ্বের সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই তারের যাদুময়ী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে থাকে।
এ মহাজাগতিক তারগুলো (Cosmic strings) লম্বায় লক্ষ লক্ষ আলােকবর্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি লম্বা। কিন্তু ব্যাস এত সূক্ষ্ম যে কল্পনা করাও বেশ দুরূহ ব্যাপার। গাণিতিকভাবে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় ১০-৩৩ cm প্রায়। অর্থাৎ ১ সে.মি. দৈর্ঘ্যকে ১০০ কোটি, কোটি, কোটি কোটি দিয়ে ভাগ করলে যা হবে তার সমান মাত্র। এদের আকৃতি কোথাও কুণ্ডলীর মতো, কোথাও আংটির মতো, কোথাও সর্পিল আবার কোথাও দেখতে কটিবন্ধের মতো । Cosmic strings-এর পদার্থ ভর অকল্পনীয়, বিরাট ও বিশাল, মাত্র কয়েক কিলোমিটার তারের ভর সমগ্র পৃথিবীর ভরের চাইতেও কয়েক গুণ বেশি। এ তারগুলো খুবই শক্তিশালী এবং এদের ঘনত্ব 'ব্ল্যাক হোলের ঘনত্বের চেয়েও বেশি।
১৯৮৫ সালে বিজ্ঞানীগণ তথ্য দেন যে এদের ঘনত্ব হলো- 1021gm/c.c, যা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়। Cosmic strings' গুলোই নবীন মহাবিশ্বে প্রথম গ্যালাক্সির বীজ বপন করেছিল। তখন নবীন মহাবিশ্ব ধোঁয়ায়/ পরিপূর্ণ ছিলো। ঐ সময় Cosmic strings' ধোঁয়ার মধ্যে আবির্ভূত হয়ে প্রবল মাধ্যাকর্ষণ বলের (Gravity) মাধ্যমে ধোঁয়া, গ্যাস ও ধূলিকণাকে আকর্ষণ করে নিজেদের অভ্যন্তরে জমা করতে থাকে। ফলে এক পর্যায়ে নবীন মহাবিশ্বটি গুচ্ছ গুচ্ছভাবে গ্যাসীয় পদার্থের মেঘখণ্ডরূপে বিভক্ত হয়ে পড়ে। অতঃপর মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মেঘখণ্ডগুলো আবর্তন শুরু করে এবং দু'মিলিয়ন বছরে প্রােটো-গ্যালাক্সি ও চার মিলিয়ন বছরে পূর্ণ গ্যালাক্সিতে রূপান্তরিত হয়ে মহাবিশ্বের মূল কাঠামোতে পরিণত হয।
বিজ্ঞানীগণ এখনও রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে কোনো কোনো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে Cosmic strings-এর সন্ধান পাচ্ছেন। গ্যালাক্সিগুলো দিকে তাকালে ওদের গঠন অবয়বে Cosmic strings বা মহাজাগতিক তারের স্পষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায় ।
বিস্তারিতঃ ভিজিট করিঃ স্ট্রিং থিওরিঃ বিজ্ঞানীদের আশার আলোhttps://www.linkedin.com/pulse//সটর-থওর-বজঞনদর-আশর-আল-ramzan-hossain/
মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত
কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত। জ্যামিতিক ভাষায় বিন্দুর সংজ্ঞা হচ্ছে: “যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নেই তাকেই বিন্দু বলে”। অর্থাৎ যে কণার দৈর্ঘ্য,প্রস্থ ও উচ্চতা নেই , বাস্তবে তার কোন মাত্রাও থাকার কথা নয়।সুতরাং, কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হলো অনুরূপ মাত্রাহীন বিন্দুদের মত ।
মৌলিক কণিকারা একমাত্রিক তারের মত
পক্ষান্তরে স্ট্রিং থিওরি মতে, মৌলিক কণিকারা মাত্রাহীন বিন্দুর মত নয়, বরং এগুলো হলো একমাত্রিক তারের মত। একটি তারের যেমন শুধু দৈর্ঘ্য আছে; মৌলিক কণারাও ঠিক তেমনি। এ কারণেই এই তত্ত্বের নামও হয়েছে স্ট্রিং থিওরি বা তার-তত্ত্ব।
স্ট্রিং থিওরির প্রকারভেদঃ
মৌলিক কনাগুলোকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মুলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) এক শ্রেনির নাম বোসন খ) আরেক শ্রেনির নাম ফার্মিওন। প্রথম দিকে যে স্ট্রিং থিওরি গঠন করা হয় তাকে বলা হত বোসনিক স্ট্রিং থিওরি।
স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্যঃ
স্ট্রিংগুলোর কোয়ান্টাম অবস্থা ও বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে প্রকৃতিতে বিদ্যমান সকল মৌলিক কনিকার আচরণ ব্যাখ্যা করা স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্য।
স্ট্রিং তত্ত্বঃ হতে পারে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্বের উত্তম ব্যাখ্যাকার
►"মহাবিশ্বের সার্বিক কাঠামোর ব্যাখ্যা করতে, ব্ল্যাক হোলের রহস্য ভেদ করতে কিংবা পদার্থ বিজ্ঞানের সার্বিক একটা তত্ত্বে পৌঁছাতে হলে কোয়ান্টাম মহাকর্ষ তত্ত্ব জরুরী হয়ে পড়েছে। এই তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার জন্য অনেক তত্ত্বের জন্ম হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সফল তত্ত্বটি হলো স্ট্রিং তত্ত।
►মহাবিশ্বের প্রায় সব অমীমাংসিত বিষয়গুলো তাত্ত্বিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে কেবল স্ট্রিং তত্ত্বই। তাই এই তত্ত্বই হতে চলেছে আগামী দিনের পদার্থ বিজ্ঞানে এর মূল অনুষঙ্গ।" (অশোক সেন, গবেষক, অধ্যাপক, হরিশচন্দ্র রিসার্চ সেন্টার, ভারত)।
ভূমিকাঃ
পদার্থ বিজ্ঞান (ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স) মহাবিশ্বের মূল সত্বা বিবেচনায় তাত্ত্বিকভাবে প্রায় শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করে সত্য, কিন্তু পুরো বিশ্ব প্রকৃতি বিজ্ঞান ফিজিক্স বিবেচনায় লক্ষ্য অর্জনের পরিমাণ প্রায় অর্ধ শতাংশ । কারণ, মহাবিশ্ব মৌলিকভাবে দ্বিমাত্রিক যথাঃ ১) বস্তুগত ২) জ্ঞানগত। এ যাবৎ ডেমোক্রিটাস থেকে শুরু করে অআইনস্টাইন পর্যন্ত সকল বিজ্ঞানীর সকল গবেষণার ভিত্তি ছিল ফিজিক্স নামে মূলতঃ ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স যাকে বাংলা ভাষায় বলা হয় পদার্থ বিজ্ঞান।
সুতরাং, সংগত কারণে নিউক্লিয়াস আবিস্কারক রাদারফোর্ড একবার বলেছিলেনঃ সব বিজ্ঞানই পদার্থ বিজ্ঞান। যদিও প্রকৃতপক্ষে পদার্থ বিজ্ঞান ফিজিক্সের একাংশ মাত্র।
যার কারণে পদার্থ বিজ্ঞানের বয়স প্রায় তিন সহস্রাব্দ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও বলা হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় পদার্থ বিজ্ঞানীরা সে বাঘের ল্যাজটা নাড়া চাড়া করছেন মাত্র। কারণ, পুরো মহাবিশ্বের মাত্র ৪ শতাংশ সত্য নিহিত রয়েছে পদার্থ বিজ্ঞানে। বাকী সত্যের ২১ শতাংশ ডার্ক ম্যাটারে এবং ৭৫ শতাংশ ডার্ক এনার্জিতে।
ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স টেক রিসার্চ সেন্টারের মতে এ যাবৎ বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ সত্য অর্জন করেছেন । ডার্ক ম্যাটার এনার্জি, গ্রাাভিটন্ স্ট্রিং থিওরিসহ দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নগুলি মহাবিশ্বের মূল সত্যের মৌলিক নয় আনুষঙ্গিক মাত্র। উক্ত ৫০ শতাংশ মূল সত্য নিহিত ছিল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে (বস্তুগতভাবে) আর বিগ ব্যাং উত্তর শীতলমুখী বুদ্ধিমাত্রিক এন্ট্রপিতে ৫০ শতাংশ।
মডার্ণসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, আজ থেকে প্রায় ১৩৭৫ কোটি বছর পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহাবিস্ফোরণ (Big Bang) থেকে শুরু হয়েছিল মহাবিশ্বের দ্বৈতরূপে-যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপঃ
১) মহাশুন্য তথা মহাকাশ এবং ২) ৪ মহাবল যথাক্রমে(ক) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (খ) দূর্বল (গ) সবল নিউক্লিয় বল (ঘ) মহাকর্ষ বল (ঙ) ডার্ক এনার্জি এবং চ) ডার্ক ম্যাটার (ছ) ভরশুন্য ফোটন জাতীয় কণা (জ) ভরযুক্ত হিগস বোসন জাতীয় সর্ব প্রকার বস্কু কণা যদ্বারা যত সব বস্তু-পদার্থের উদ্ভব।
প্রশ্ন হচ্ছেঃ ভূমিকাঃ
পদার্থ বিজ্ঞান (ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স) মহাবিশ্বের মূল সত্বা বিবেচনায় তাত্ত্বিকভাবে প্রায় শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করে সত্য, কিন্তু পুরো বিশ্ব প্রকৃতি বিজ্ঞান ফিজিক্স বিবেচনায় লক্ষ্য অর্জনের পরিমাণ প্রায় অর্ধ শতাংশ । কারণ, মহাবিশ্ব মৌলিকভাবে দ্বিমাত্রিক যথাঃ ১) বস্তুগত ২) জ্ঞানগত। এ যাবৎ ডেমোক্রিটাস থেকে শুরু করে অআইনস্টাইন পর্যন্ত সকল বিজ্ঞানীর সকল গবেষণার ভিত্তি ছিল ফিজিক্স নামে মূলতঃ ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স যাকে বাংলা ভাষায় বলা হয় পদার্থ বিজ্ঞান।
সুতরাং, সংগত কারণে নিউক্লিয়াস আবিস্কারক রাদারফোর্ড একবার বলেছিলেনঃ সব বিজ্ঞানই পদার্থ বিজ্ঞান। যদিও প্রকৃতপক্ষে পদার্থ বিজ্ঞান ফিজিক্সের একাংশ মাত্র।
যার কারণে পদার্থ বিজ্ঞানের বয়স প্রায় তিন সহস্রাব্দ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও বলা হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় পদার্থ বিজ্ঞানীরা সে বাঘের ল্যাজটা নাড়া চাড়া করছেন মাত্র। কারণ, পুরো মহাবিশ্বের মাত্র ৪ শতাংশ সত্য নিহিত রয়েছে পদার্থ বিজ্ঞানে। বাকী সত্যের ২১ শতাংশ ডার্ক ম্যাটারে এবং ৭৫ শতাংশ ডার্ক এনার্জিতে।
ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স টেক রিসার্চ সেন্টারের মতে এ যাবৎ বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ সত্য অর্জন করেছেন । ডার্ক ম্যাটার এনার্জি, গ্রাাভিটন্ স্ট্রিং থিওরিসহ দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নগুলি মহাবিশ্বের মূল সত্যের মৌলিক নয় আনুষঙ্গিক মাত্র। উক্ত ৫০ শতাংশ মূল সত্য নিহিত ছিল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে (বস্তুগতভাবে) আর বিগ ব্যাং উত্তর শীতলমুখী বুদ্ধিমাত্রিক এন্ট্রপিতে ৫০ শতাংশ।
মডার্ণসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, আজ থেকে প্রায় ১৩৭৫ কোটি বছর পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহাবিস্ফোরণ (Big Bang) থেকে শুরু হয়েছিল মহাবিশ্বের দ্বৈতরূপে-যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপঃ
১) মহাশুন্য তথা মহাকাশ এবং ২) ৪ মহাবল যথাক্রমে(ক) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (খ) দূর্বল (গ) সবল নিউক্লিয় বল (ঘ) মহাকর্ষ বল (ঙ) ডার্ক এনার্জি এবং চ) ডার্ক ম্যাটার (ছ) ভরশুন্য ফোটন জাতীয় কণা (জ) ভরযুক্ত হিগস বোসন জাতীয় সর্ব প্রকার বস্কু কণা যদ্বারা যত সব বস্তু-পদার্থের উদ্ভব।
প্রশ্ন হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? কিংবা বস্তুতে কি আছে? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে বস্তুকে ভাঙতে ভাঙতে গুঁড়া-গুঁড়া, চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে করতে গিয়ে হয়রান পেরেশান হয়ে প্রাচীন গ্রীসের সেরা দার্শনিক ডেমোক্রিটাস বলে উঠেছিলেন এই বলেঃ আর ভাঙা যাবে না। এই বাক্যটি মাত্র একটি গ্রীক যে শব্দে নিহিত রয়েছে সে শব্দটির নাম অ্যাটম (ATOM)।
অ্যাটম (ATOM) কি দিয়ে তৈরি? প্রশ্নটি প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের মতই পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত এবং নিষিদ্ধ প্রশ্নের অন্যতম। এ ধরণের প্রশ্ন পদার্থ বিজ্ঞানে এ কারণে নিষিদ্ধ যে, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই মর্মে পদার্থ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত অভিমত।
উল্লেখ্য, সুদূর মহাকাশের এমন প্রান্ত সীমায় বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি পৌঁছে যা কেবল অআলোর পর্দা দিয়ে অআচ্ছাদিত-যাতে দৃষ্টি দিতে বিজ্ঞানীদের মানা। কারণ, আলোগুলি এমন যে সাধারণ চর্ম চোখে ধারণ অক্ষম। বিজ্ঞানীদের হাতে বর্তমানে এমন ডিটেক্টর নেই যদ্বারা এই আলো ধারণ করা যায়। তবে পর্দার ওপার হতে মাঝে মাঝে নিউট্রিনোর আনাগোনা থেকে ওপারের কিছু তথ্য পদার্থ বিজ্ঞানীরা জানছেন।
পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের মতে, পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং উত্তরের গভীরতা দরকার (বিজ্ঞানচিন্তা)।
অন্যদিকে WISTRC এর মতে, অর্থবহ পৃথিবীর জন্য অর্থবহ প্রশ্ন জরুরী। উত্তর মেরুতে কি আছে? এটি প্রশ্ন বটে। কিন্তু উত্তর মেরুর উত্তরে কি আছে? প্রশ্নটি অর্থহীন এবং অপ্রয়োজনীয়।
WISTRC মনে করে অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্ন উত্তর মেরুর উত্তরের খবর নেওয়ার মত বেয়াড়া প্রশ্ন নয় বরং সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব রাখে।
WISTRC আরও মনে করে যে, অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের উত্তরে নিহিত আছে একাধারে স্ট্রিং থিওরি, বহুল প্রত্যাশিত কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের মতো পদার্থ বিজ্ঞানের সবচেয়ে জটিল তত্ত্বের অপূর্ব সম্ভাবনা তত্ত্ব। প্রশ্নটির উত্তরে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রায় শতভাগ এবং প্রকৃতি বিজ্ঞানের প্রায় অর্ধশত ভাগ সত্য নিহিত রয়েছে। বলা হয়ে থাকে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল।এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে বস্তুকে ভাঙতে ভাঙতে গুঁড়া-গুঁড়া, চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে করতে গিয়ে হয়রান পেরেশান হয়ে প্রাচীন গ্রীসের সেরা দার্শনিক ডেমোক্রিটাস বলে উঠেছিলেন এই বলেঃ আর ভাঙা যাবে না। এই বাক্যটি মাত্র একটি গ্রীক যে শব্দে নিহিত রয়েছে সে শব্দটির নাম অ্যাটম (ATOM)।
অ্যাটম (ATOM) কি দিয়ে তৈরি? প্রশ্নটি প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের মতই পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত এবং নিষিদ্ধ প্রশ্নের অন্যতম। এ ধরণের প্রশ্ন পদার্থ বিজ্ঞানে এ কারণে নিষিদ্ধ যে, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই মর্মে পদার্থ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত অভিমত।
উল্লেখ্য, সুদূর মহাকাশের এমন প্রান্ত সীমায় বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি পৌঁছে যা কেবল অআলোর পর্দা দিয়ে অআচ্ছাদিত-যাতে দৃষ্টি দিতে বিজ্ঞানীদের মানা। কারণ, আলোগুলি এমন যে সাধারণ চর্ম চোখে ধারণ অক্ষম। বিজ্ঞানীদের হাতে বর্তমানে এমন ডিটেক্টর নেই যদ্বারা এই আলো ধারণ করা যায়। তবে পর্দার ওপার হতে মাঝে মাঝে নিউট্রিনোর আনাগোনা থেকে ওপারের কিছু তথ্য পদার্থ বিজ্ঞানীরা জানছেন।
পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের মতে, পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং উত্তরের গভীরতা দরকার (বিজ্ঞানচিন্তা)।
অন্যদিকে WISTRC এর মতে, অর্থবহ পৃথিবীর জন্য অর্থবহ প্রশ্ন জরুরী। উত্তর মেরুতে কি আছে? এটি প্রশ্ন বটে। কিন্তু উত্তর মেরুর উত্তরে কি আছে? প্রশ্নটি অর্থহীন এবং অপ্রয়োজনীয়।
WISTRC মনে করে অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্ন উত্তর মেরুর উত্তরের খবর নেওয়ার মত বেয়াড়া প্রশ্ন নয় বরং সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব রাখে।
WISTRC আরও মনে করে যে, অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের উত্তরে নিহিত আছে একাধারে স্ট্রিং থিওরি, বহুল প্রত্যাশিত কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের মতো পদার্থ বিজ্ঞানের সবচেয়ে জটিল তত্ত্বের অপূর্ব সম্ভাবনা তত্ত্ব। প্রশ্নটির উত্তরে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রায় শতভাগ এবং প্রকৃতি বিজ্ঞানের প্রায় অর্ধশত ভাগ সত্য নিহিত রয়েছে। বলা হয়ে থাকে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন