মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে।

The creative and brilliant mind of Albert EinsteinThe creative and brilliant mind of Albert Einstein ©Getty Images Albert Einstein is one of the most famous and influential scientists to have ever lived. The man who drastically altered our understanding of how the universe works contributed to the disciplines of physics, mathematics, and education. In honor of his brilliant mind, take a look at some of his most powerful citations that continue to profoundly affect modern humanity today০০০০বস্তুর ভর বা শক্তি স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দিতে পারে।মহাকর্ষ যে স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়, সেটিও কিছু চমৎকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত করে। এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে এই সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো নক্ষত্র ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ, আমাদের পাশ্ব৴বর্তী নক্ষত্রের দূরত্বও অনেক বেশি। কিন্তু মহাকর্ষের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হলে হয়তো স্থানকে কীভাবে বাঁকাতে হয় কিংবা ওয়ার্মহোল কীভাবে তৈরি করতে হয় বা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা বুঝে ফেলতে পারব। সেটি সম্ভব হলে মহাবিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ানোর আমাদের এত দিনের যে অদম্য ইচ্ছা, তা একদিন সত্যি হতে পারে। তখন স্থান-কালের চাদর ভাঁজ করে মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে। সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ।০০০০মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে। মনে রাখতে হবে, মহাকর্ষ বিশাল বিপুল দূরত্বে কাজ করতে পারে। এটিই একমাত্র ও প্রধানতম বল, যা মহাবিশ্বের আকৃতি এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।০০০মহাকর্ষ যে স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়, সেটিও কিছু চমৎকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত করে। এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে এই সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো নক্ষত্র ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ, আমাদের পাশ্ব৴বর্তী নক্ষত্রের দূরত্বও অনেক বেশি। কিন্তু মহাকর্ষের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হলে হয়তো স্থানকে কীভাবে বাঁকাতে হয় কিংবা ওয়ার্মহোল কীভাবে তৈরি করতে হয় বা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা বুঝে ফেলতে পারব। সেটি সম্ভব হলে মহাবিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ানোর আমাদের এত দিনের যে অদম্য ইচ্ছা, তা একদিন সত্যি হতে পারে। তখন স্থান-কালের চাদর ভাঁজ করে মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে। সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ। কাজেই রহস্যময় হলেও মহাকর্ষ বল শুধু আমাদের মাটিতে আটকে রাখে, সে কথা কে বলল! বড় প্রেম যেমন শুধু কাছে টানে না, দূরেও ঠেলে, বিপুল পরিসরের মহাকর্ষ বলও তাই। এই বলের কাঁধে চেপে হয়তো আমরা আকাশ-বাতাস, গ্রহ-তারকা ভেদ করে একদিন দূরে, বহুদূরে চলে যেতে পারব। আর০০০সেই সম্ভাবনা নির্ভর করছে ভবিষ্যতের কোনো বিজ্ঞানীর হাতে মহাকর্ষের রহস্য সমাধানের ওপর। কে জানে, এই লেখার পাঠকদের মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের সেই বিজ্ঞানী। সূত্র: বিজ্ঞানচিন্তাhttps://www.bigganchinta.com/space উই হ্যাভ নো আইডিয়া/ জর্জ চ্যাম ও ড্যানিয়েন হোয়াইটসন; গ্র্যাভিটি/মার্কাস চোন; উইকিপিডিয়া'ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ' মূলত ইসলাম, ধর্মীয় দর্শন এবং আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয় ও পর্যালোচনার উপর ভিত্তি করে প্রকাশিত একটি নিয়মিত আয়োজন বা প্রকাশনা। সাম্প্রতিক সংস্করণে ইসলামী সৃষ্টিতত্ত্ব এবং মধ্যযুগের ইসলামী বিজ্ঞানীদের ঐতিহাসিক অবদানসহ আধুনিক বিজ্ঞানের প্রেক্ষাপটগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।সাম্প্রতিক এই প্রকাশনাগুলোর মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে:ইসলামী সৃষ্টিতত্ত্ব ও আধুনিক বিজ্ঞান: আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সাথে কোরআন ও হাদিসের তথ্যের তুলনামূলক আলোচনা।মধ্যযুগে ইসলামী বিশ্বে বিজ্ঞান: আল ইদ্রিসির মতো মুসলিম বিজ্ঞানীদের মানচিত্র অংকনসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক অবদান।দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি: জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে অন্তর্দৃষ্টি এবং আধ্যাত্মিকইষ্টার্ণ+ইসলামিক+সায়েন্স+টেক+নিউজ&udm=50&csuir=1&aep=34&kgs=97582da790d2312c&shem=epsd1%2Crimspwouoe&shndl=37&shmd=H4sIAAAAAAAA_3WNsU7DMBCGKRPqgsTIFHVEIqYLQ8Wz1LrGlmOptiPbVTp2qzp07NaKAenaCRALGRDsPMU9ShOLTqjb_f99311_d9kfEy4JP2m_Jnwm_CZ8T_NLlhYN4UdqXwl_CDdZqtr8RvhF-5Y4JLzJOr3LHXJI8Ipwe_tUxliFEWN1XecqRIi6yAtnWJDgi_K-8s44BtrwUIKXPJYzM7Ggp3ll1eDmZCvn1FTmoNndxXxxveg1V789fu62NqBkYBMPVmir_mzFlQehpY1sOP_X8da3Arzgw8cHUXXvj7m5FcsgAQAA&shmds=v1_ARwrE21QthdD2YHLVEblAWpYwSzC8Tuo0vzHyd317aTYYrII_w&source=sh%2Fx%2Faio%2Fm1%2F1&mtid=nfNKasy_JJiv4-EP2sGZiA0তার গুরুত্ব।https://www.google.com/search?smstk=Chg0d3V0Vy8yZnN2Uy9IYkdTUTNYREZPST0QBBgA&smstidx=0&q= উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে,, বিজ্ঞানীরা বাই হুক বাই রুক অর্থাৎ যে করেই হোক, যেই পন্থাই হোক মহাবিশ্বের মহাসত্য জানতে চান। তাই অনেক বৈজ্ঞানিক মান মন্দিরে বসে অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ নিয়ে, কখনও সরাসরি হাবল টেলিস্কোপ, ভয়েজার ১-২, জেমস ওয়েব নামক শক্তিশালী টেলিস্কোপ মহাশুন্যে উৎক্ষপন করে, কখনও সরাসরি সয়ুজ-১-২, এ্যাপোলো-১১ নভোচারীরা নিজেরাই সরেজমিনে মহাকাশের অবস্থা জানতে, কেউ বা অআবার ভূগর্ভের গভীর অভ্যান্তরে গিয়ে, সাগর-মহাসাগরের তলদেশে গিয়ে মহাবিশ্বের মহাসত্য জানতে কি না করছেন? তবুও কেন জানার গতি নিম্নমুখী ওয়ার্ল্ড সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টারের মতে, মহাবিশ্বের অন্ততঃ প্রায় অর্ধশত ভাগ সত্য নিহিত রয়েছে আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণে যা পদার্থ বিজ্ঞান বিবেচনায় শত ভাগ এবং পুরো বিশ্ব প্রকৃতি বিবেচনায় অর্ধশতভাগ সত্য অর্জনে পদার্থ বিজ্ঞান সফলকাম। রিসার্চ সেন্টার অআরও মনে করে ডার্ক ম্যাটার এনার্জি, স্টিং থিওরি পদার্থ বিজ্ঞানের মৌলিক নয় আনুষঙ্গিক বিষয়। তা বাদে পদার্থ বিজ্ঞান শতভাগ সফল যাতে পদার্থ বিজ্ঞানের উপসংহার টেনে নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের শুভ সূচনা করা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে নিউটনের সরলীকরণ তত্ত্ব তথা মধ্যপন্থা হচ্ছে থিওরি অব এভরিথিং যাতে একাধারে নিহিত রয়েছে বহুল আলোচিত বিজ্ঞানীদের স্বপ্নিল কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন, স্ট্রিং থিওরি এমনকি ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জিরও সমাধান। মহাজাগতিক তার (Cosmic string)/স্ট্রিং: মহাবিশ্বের বস্তুগত মূল অবকাঠামোর ভিত্তি! বর্তমান বিজ্ঞানে ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা খুবই উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞান সমৃদ্ধ। বিংশ শতাব্দির ৮০-র দশকে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞান ‘Cosmic String' তথা মহাজাগতিক তার (স্ট্রিং) সম্পর্কিত সৃষ্টিতত্ত্ব উপস্থাপন করে বিশ্বে রীতিমত তাক লাগিয়ে দেয়। Big Bang model গবেষণাকারী বিজ্ঞানগণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে এই মহাজাগতিক তারের উপস্থিতি এবং এ মহাবিশ্বের সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এই তারের যাদুময়ী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে থাকে। এ মহাজাগতিক তারগুলো (Cosmic strings) লম্বায় লক্ষ লক্ষ আলােকবর্ষ কিংবা তার চেয়েও বেশি লম্বা। কিন্তু ব্যাস এত সূক্ষ্ম যে কল্পনা করাও বেশ দুরূহ ব্যাপার। গাণিতিকভাবে প্রকাশ করলে দাঁড়ায় ১০-৩৩ cm প্রায়। অর্থাৎ ১ সে.মি. দৈর্ঘ্যকে ১০০ কোটি, কোটি, কোটি কোটি দিয়ে ভাগ করলে যা হবে তার সমান মাত্র। এদের আকৃতি কোথাও কুণ্ডলীর মতো, কোথাও আংটির মতো, কোথাও সর্পিল আবার কোথাও দেখতে কটিবন্ধের মতো । Cosmic strings-এর পদার্থ ভর অকল্পনীয়, বিরাট ও বিশাল, মাত্র কয়েক কিলোমিটার তারের ভর সমগ্র পৃথিবীর ভরের চাইতেও কয়েক গুণ বেশি। এ তারগুলো খুবই শক্তিশালী এবং এদের ঘনত্ব 'ব্ল্যাক হোলের ঘনত্বের চেয়েও বেশি।যেহেতু স্ট্রিং থিওরি হল গানিতিকভাবে গঠিত একটি কোয়ান্টাম মেকানিক্সের তত্ত্ব,- তাই স্পিন-২ টাইপে গ্রাভিটনের অস্তিত্ব এটাই প্রমাণ করে যে, স্ট্রিং তত্ত্ব কার্যতঃ কোয়ান্টাম গ্রাভিটিরই (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) পরিপূরক এক অভিন্ন তত্ত্ব । এই তত্ত্ব মতে, তারগুলো মূলতঃ ২ প্রকার। ক) খোলা এবং খ) বন্ধ দুই ধরনেরই হতে পারে। খোলা তারগুলোর দুই প্রান্ত একটি আরেকটির সাথে জোড়া না লেগে আলাদা আলাদাভাবে থাকে, আর বন্ধ তারগুলোর দুই প্রান্ত পরস্পরের সাথে জোড়া লেগে লুপ গঠন করে। খোলা তারগুলোর চেয়ে বন্ধ তারগুলো কিছুটা ভিন্ন ভাবে আচরণ করে থাকে। বন্ধ তারগুলো গ্রাভিটন উৎপন্ন করে, অপরদিকে শুধুমাত্র খোলা তারগুলো ফোটনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আচরণ করে।মহাকর্ষ বাদে অন্য তিনটি বলের মধ্যে একধরনের প্যাটার্ন দেখা যায়। সেই প্যাটার্নের সঙ্গে মহাকর্ষ পুরোটা নয়, সামান্য কিছুটা খাপ খায়। সেটি মাথায় রেখে মহাকর্ষকে অন্যান্য বলের মতো করে ভাবা যায়। অন্য বলগুলোর চার্জের মতো ভাবা যেতে পারে বস্তুর ভরকে। সব কণা, পদার্থ এবং অন্য তিনটি মৌলিক বলকে ব্যাখ্যা করা হয় কোয়ান্টাম মেকানিকসের মাধ্যমে।০কোয়ান্টাম মেকানিকসে সবকিছুকে কণা হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এমনকি বলগুলোকেও কণা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় এ তত্ত্বে। ইলেকট্রনের ক্ষেত্রে বলবাহী এই কণাকে বলা হয় ফোটন। অন্যদিকে দুর্বল বলের বলবাহী কণার নাম ডব্লিউ ও জেড বোসন। এই বলবাহী কণা বিনিময়ের মাধ্যমে দুর্বল বল কাজ করে। আর শক্তিশালী বল বিনিময় হয় গ্লুয়ন কণার মাধ্যমে। কোয়ান্টাম মেকানিকসের এই কাঠামোকে বলা হয় কণাপদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেল। এই মডেল প্রাকৃতিক জগতের অধিকাংশকে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে অবিশ্বাস্য রকম সফল। কোয়ান্টাম কণার দৃষ্টিভঙ্গিতে জগতের অনেক কিছু ব্যাখ্যা করা যায়। এমনকি আমরা আগে দেখিনি এমন অনেক কিছুর ভবিষ্যদ্বাণীও করা যায়। যেমন এই মডেল ব্যবহার করেই হিগস বোসন কণার ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল। লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে ২০১২ সালে কণাটি শনাক্ত করাও সম্ভব হয়েছে। আবার দুর্বল বল কেন ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে, তার ব্যাখ্যাও পাওয়া যায় এ মডেল থেকে। আসলে এ বলবাহী কণার ভর অনেক বেশি। সে কারণে কণাটির চলাচল সীমাবদ্ধ। এত সফলতা সত্ত্বেও স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, একই উপায়ে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। কিন্তু কেন? কোয়ান্টাম মেকানিকসের মাধ্যমে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা না করতে পারার দুটো কারণ রয়েছে। প্রথমত স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষকে খাপ খাওয়াতে গেলে মহাকর্ষও কোনো কণার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয় বলে কল্পনা করে নিতে হয়। পদার্থবিদেরা এই হাইপোথেটিক্যাল কণার একটি গালভরা নামও দিয়েছেন—‘গ্র্যাভিটন’। বাংলায় বলা যায় মহাকর্ষ কণা। এ কণার অস্তিত্ব যদি সত্যিই থাকে, তাহলে আপনি শুয়ে, বসে বা দাঁড়িয়ে যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার দেহ থেকে অনবরত অতিক্ষুদ্র বলের মতো গ্র্যাভিটন কণা ছুটে যাচ্ছে ভূপৃষ্ঠের দিকে। আবার ভূপৃষ্ঠ থেকেও একই রকম কোয়ান্টাম কণা ছুটে আসছে আপনার দিকে। এই দুই মহাকর্ষ কণা বিনিময়ের কারণে আপনি পৃথিবীর বুকে আটকে থাকতে পারছেন। ০০০বস্তুর ভর বা শক্তি স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দিতে পারে।মহাকর্ষ যে স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়, সেটিও কিছু চমৎকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত করে। এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে এই সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো নক্ষত্র ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ, আমাদের পাশ্ব৴বর্তী নক্ষত্রের দূরত্বও অনেক বেশি। কিন্তু মহাকর্ষের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হলে হয়তো স্থানকে কীভাবে বাঁকাতে হয় কিংবা ওয়ার্মহোল কীভাবে তৈরি করতে হয় বা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা বুঝে ফেলতে পারব। সেটি সম্ভব হলে মহাবিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ানোর আমাদের এত দিনের যে অদম্য ইচ্ছা, তা একদিন সত্যি হতে পারে। তখন স্থান-কালের চাদর ভাঁজ করে মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে। সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ।০০০০মহাকর্ষের এই রহস্য বোঝা সম্ভব হলে মহাবিশ্ব ও চারপাশের জগৎকে বোঝার ক্ষেত্রে অনেক বড় প্রভাব পড়বে। মনে রাখতে হবে, মহাকর্ষ বিশাল বিপুল দূরত্বে কাজ করতে পারে। এটিই একমাত্র ও প্রধানতম বল, যা মহাবিশ্বের আকৃতি এবং তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।০০০মহাকর্ষ যে স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়, সেটিও কিছু চমৎকার সম্ভাবনার ইঙ্গিত করে। এই মুহূর্তে আমাদের পক্ষে এই সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো নক্ষত্র ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ, আমাদের পাশ্ব৴বর্তী নক্ষত্রের দূরত্বও অনেক বেশি। কিন্তু মহাকর্ষের রহস্য ভেদ করা সম্ভব হলে হয়তো স্থানকে কীভাবে বাঁকাতে হয় কিংবা ওয়ার্মহোল কীভাবে তৈরি করতে হয় বা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তা বুঝে ফেলতে পারব। সেটি সম্ভব হলে মহাবিশ্বের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ানোর আমাদের এত দিনের যে অদম্য ইচ্ছা, তা একদিন সত্যি হতে পারে। তখন স্থান-কালের চাদর ভাঁজ করে মহাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তে চলে যাওয়া যাবে চোখের পলকে। সেটি সত্যে পরিণত করার মূল চাবিকাঠি হলো মহাকর্ষ। কাজেই রহস্যময় হলেও মহাকর্ষ বল শুধু আমাদের মাটিতে আটকে রাখে, সে কথা কে বলল! বড় প্রেম যেমন শুধু কাছে টানে না, দূরেও ঠেলে, বিপুল পরিসরের মহাকর্ষ বলও তাই। এই বলের কাঁধে চেপে হয়তো আমরা আকাশ-বাতাস, গ্রহ-তারকা ভেদ করে একদিন দূরে, বহুদূরে চলে যেতে পারব। আর০০০সেই সম্ভাবনা নির্ভর করছে ভবিষ্যতের কোনো বিজ্ঞানীর হাতে মহাকর্ষের রহস্য সমাধানের ওপর। কে জানে, এই লেখার পাঠকদের মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের সেই বিজ্ঞানী। সূত্র: বিজ্ঞানচিন্তাhttps://www.bigganchinta.com/space উই হ্যাভ নো আইডিয়া/ জর্জ চ্যাম ও ড্যানিয়েন হোয়াইটসন; গ্র্যাভিটি/মার্কাস চোন; উইকিপিডিয়া উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে,, বিজ্ঞানীরা বাই হুক বাই রুক অর্থাৎ যে করেই হোক, যেই পন্থাই হোক মহাবিশ্বের মহাসত্য জানতে চান। তাই অনেক বৈজ্ঞানিক মান মন্দিরে বসে অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ নিয়ে, কখনও সরাসরি হাবল টেলিস্কোপ, ভয়েজার ১-২, জেমস ওয়েব নামক শক্তিশালী টেলিস্কোপ মহাশুন্যে উৎক্ষপন করে, কখনও সরাসরি সয়ুজ-১-২, এ্যাপোলো-১১ নভোচারীরা নিজেরাই সরেজমিনে মহাকাশের অবস্থা জানতে, কেউ বা অআবার ভূগর্ভের গভীর অভ্যান্তরে গিয়ে, সাগর-মহাসাগরের তলদেশে গিয়ে মহাবিশ্বের মহাসত্য জানতে কি না করছেন? তবুও কেন জানার গতি নিম্নমুখী?০০০০তাহলে রহস্যময় মহাকর্ষের সঠিক ব্যাখ্যা কী?মহাকর্ষ এখনো আমাদের কাছে বড় একটি রহস্য।০০০০০০০০০০০০০মহাকর্ষ বল শুধু আমাদের মাটিতে আটকে রাখে, সে কথা কে বলল! বড় প্রেম যেমন শুধু কাছে টানে না, দূরেও ঠেলে, বিপুল পরিসরের মহাকর্ষ বলও তাই।মৃত্যুচুম্বনের জন্য পরস্পরের দিকে সর্পিল গতিতে ধেয়ে আসা কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষ থেকে জন্ম হয় মহাকর্ষ তরঙ্গের। গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ বা মহাকর্ষ তরঙ্গ হলো ত্বরণপ্রাপ্ত ভরের কারণে সৃষ্ট স্থানের ভেতর মৃদু ঢেউ। গোসলের সময় বাথটাবে বা কোনো শান্ত পুকুরের পানিতে হাত রাখলে, চারদিকে যেমন ছোট ছোট ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে, স্থানের ভেতর দিয়ে মহাকর্ষ তরঙ্গও অনেকটা সেভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অতিভারী বস্তুগুলো স্থানের ভেতর চলাচল করলেও ঠিক একই ঘটনা ঘটে। এই চলমান ভর খোদ স্থানকেও বাঁকিয়ে দিতে পারে।০০০০

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Holy Romado-n 1445 Hijrah/2024 News

Article