কারণে স্ট্রিং থিওরিি আছে আটকে

মানুষ স্বভাবজাতভাবে সত্যপরায়ন; যা তাঁর অন্তকরণে সাক্ষ্য দেয়- যার কারণে বলা হয়ে থাকেঃ "বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু; যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জেগেছিল"।শুরুতেই মানুষ সত্যকে জানতে চেয়েছে বস্তুগত মহাবিশ্বের অপরূপ সৌন্দর্য দেখে। রাতের অন্ধকারে তারা ভরা আকাশ, পূর্ণিমার রাতে জোাৎস্নার আলোর নৈস্বর্গিক জ্যােতি, প্রভাতে রক্তিম সূর্য দেখে মনের অজান্তে এসব সত্য জানার জন্য প্রশ্নের উদ্রেক ঘটে এই বলেঃ এসব এলো কি করে ?, এসব কি দিয়ে তৈরি ?ইত্যাদি। উল্লেখ্য,মহাবিশ্বের-অবকাঠামো বিবেচনায় বিজ্ঞান মৌলিকভাবে দ্বিবিধ। ১) বস্তুগত ২) জ্ঞানগত। বস্তুগত অবকাঠামো দু প্রকার ১) তাত্ত্বিক ২) ফলিত বা প্রয়োগিক। প্রয়োগিক বিজ্ঞানের অপর নাম প্রযুক্তি। বিজ্ঞান প্রযুক্তিগতভাবে এনালগ পৃথিবীকে ডিজিটালে উন্নীত করেছে। কিন্তু জ্ঞানগতভাবে এখনও এনালগেই রয়ে গেছে। শুধু তা-ই নয়, বিজ্ঞানীরা যতই অতিপারমাণবিকতার অন্দর মহলের গভীর থেকে গভীরে অবগাহন করছেন ততই নাকি অজানার পাল্লা ভারি হচ্ছে। নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে যেখানে বিজ্ঞানের অর্জন শতভাগ ছুঁই ছুঁই করছিল সেখানে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কীয় কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞান, হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব, হাবল টেলিস্কোপ, ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জির বদৌলতে জানার চাকা উল্টো পানে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সর্বসাকুল্যে ৪ শতাংশে। হালে জেমস ওয়েবের বদৌলতে তা কমে জানার হার দাঁড়িয়েছে ০.১৫ শতাংশে। সংগত কারণে বলা হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় তাহলে বিজ্ঞানীরা গবেষণা আর আবিস্কারের নামে অন্ততঃ ডেমোক্রিটাস থেকে শুরু করে অ্যারিস্টটল, জাবের ইবনে হাইয়ান, আইজাক নিউটন, গ্যালিলিও, রাদারফোর্ড, মারে গেলমান, আইনস্টাইন, ম্যাক্স প্ল্যাংক প্রমুখ জগদ্বিখ্যাত দার্শনিক-বিজ্ঞানীরা প্রায় তিন হাজার বছর যাবৎ সেই বাঘের লেজটা নাড়া করা করেছেন মাত্র? উল্লেখ্য, তিন শতাধিক বছর পূর্বে নিউটন মহাকাশে মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বের ব্যতিক্রম দেখে বিজ্ঞান জগত থেকে অনেকটা অবসরে যান এই বলেঃমাধ্যাকর্ষণ গ্রহগুলির গতি ব্যাখ্যা করে, তবে কে গ্রহগুলিকে গতিশীল করে তা ব্যাখ্যা করতে পারে না। জীবন সায়াহ্ণে দাঁড়িয়ে নিউটন তাই বলেছিলেনঃ আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক- যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল।https://bn.wikiquote.org/wiki/আইজাক_নিউটন আইনস্টাইন বলেছেনঃ এই যদি গবেষণা হয় তাহলে গবেষক হওয়ার চাইতে বেয়ারা হওয়া বেহতর ছিল। তবে এটা অনস্বীকার্য যে, বিজ্ঞান সামথিং যা জেনেছে তা নাথিং থেকে অনেক অনেক ভাল। পদার্থ বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সূচনা নয় কেবল;অধিকন্তু মহাবিশ্বের সূচনার পূর্বেকার অবস্থা সম্পর্কেও সম্যক অবহিত। এমনকি মহাবিশ্ব যদি একটি ইমারত হয় তার দেওয়াল বা ইট কি হতে পারে, তার সিমেন্ট কি হতে পারে তা-ও সম্যক জেনেছেন। জেনেছেন কোয়ার্ক ইট স্বরূপ আর হিগস বোসন কণা সিমেন্ট স্বরূপ । উল্লেখ্য, পদার্থ বিজ্ঞানীরা এসব বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত লাভ করেছেন ১৯৬৪ সালে বিগ ব্যাং উত্তর মহাবিশ্বের সূচনাকালীন উদ্ভূত কসমিক ব্যাক গ্রাউন্ড রেডিয়েশনের ধ্বংসাবশেষের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে। তবে পদার্থ বিজ্ঞান অমীমাংসিত রয়ে যায় অন্ততঃ দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্ন বিশেষ করে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, মহাকর্ষের প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন, গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরি তথা থিওরি অব এভরিথিং এর আশার আলো স্ট্রিং থিওরির কূল কিনারায় পৌঁছা বিজ্ঞানীদের জন্য এখনও সুদূরপরাহত ব্যাপার বটে। তাছাড়া, মাঝে মাঝে মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরির প্রাণ বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাই প্রযুক্তিতে বিজ্ঞ্যনের জোয়ার বইলেও বিশেষ জ্ঞানরূপ বিজ্ঞানে এখন বইছে ভাটা।অথচ কার্ল সাগানের দাবীঃ বিজ্ঞান কখনও শেষ হবে না। World Islamic Science-Tech Research Center-ও তা-ই মনে করে। উক্ত সেন্টারের ২০১৮-২০২৬ আট বছরের নিবিড় গবেষণায় এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, পদার্থ বিজ্ঞান ম্যাটেরিয়াল সায়েন্সের বদৌলতে মৌলিকভাবে প্রায় শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করেছে এবং পুরো প্রকৃতি বিজ্ঞান কসমোলজি তথা ফিজিক্স বিবেচনায় প্রায় অর্ধশত ভাগ জ্ঞান অর্জিত হয়েছেল। রিসার্চ সেন্টার মনে করে পদার্থ বিজ্ঞানের তিন সহস্রাব্দ জন্ম বার্ষিকী পালনের মাধ্যমে এই বিজ্ঞানের বিজয় ঘন্টা বাজিয়ে নতুন বিজ্ঞানঃ ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের অগ্রযাত্রা শুরু করা। এ লক্ষ্যে নিউটনের সরলীকরণ তত্ত্বের আলোকে পদার্থ বিজ্ঞানের আনুষঙ্গিক অমীমাংসিত প্রশ্নের দ্রুত সমাধান করা ইনশা আল্লাহ World Islamic Science-Tech Research Center-এর মিশন এবং ভিশন। পদার্থ বিজ্ঞান জ্ঞানগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক যে সব অমীমাংসিত বিষয়ে অনেকটা স্থবির হয়ে আছে তার কতিপয় নিম্নরূপঃ ১) ডার্ক ম্যাটার-ডার্ক এনার্জি ২) গ্র্যাভিটি বা মহাকর্ষ এবং তার প্রতিকণা কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটন ৩) স্ট্রিং থিওরির চাক্ষুষ দর্শন ৪) আলোর গতি আপেক্ষিক নাকি ইনভেরিয়েন্ট (অপরিবর্তনীয়)? ভূমিকাঃ পদার্থ বিজ্ঞান (ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স) মহাবিশ্বের মূল সত্বা বিবেচনায় তাত্ত্বিকভাবে প্রায় শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করে সত্য, কিন্তু পুরো বিশ্ব প্রকৃতি বিজ্ঞান ফিজিক্স বিবেচনায় লক্ষ্য অর্জনের পরিমাণ প্রায় অর্ধ শতাংশ । কারণ, মহাবিশ্ব মৌলিকভাবে দ্বিমাত্রিক যথাঃ ১) বস্তুগত ২) জ্ঞানগত। এ যাবৎ ডেমোক্রিটাস থেকে শুরু করে অআইনস্টাইন পর্যন্ত সকল বিজ্ঞানীর সকল গবেষণার ভিত্তি ছিল ফিজিক্স নামে মূলতঃ ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স যাকে বাংলা ভাষায় বলা হয় পদার্থ বিজ্ঞান। সুতরাং, সংগত কারণে নিউক্লিয়াস আবিস্কারক রাদারফোর্ড একবার বলেছিলেনঃ সব বিজ্ঞানই পদার্থ বিজ্ঞান। যদিও প্রকৃতপক্ষে পদার্থ বিজ্ঞান ফিজিক্সের একাংশ মাত্র। যার কারণে পদার্থ বিজ্ঞানের বয়স প্রায় তিন সহস্রাব্দ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও বলা হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয় পদার্থ বিজ্ঞানীরা সে বাঘের ল্যাজটা নাড়া চাড়া করছেন মাত্র। কারণ, পুরো মহাবিশ্বের মাত্র ৪ শতাংশ সত্য নিহিত রয়েছে পদার্থ বিজ্ঞানে। বাকী সত্যের ২১ শতাংশ ডার্ক ম্যাটারে এবং ৭৫ শতাংশ ডার্ক এনার্জিতে। ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স টেক রিসার্চ সেন্টারের মতে এ যাবৎ বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ সত্য অর্জন করেছেন । ডার্ক ম্যাটার এনার্জি, গ্রাাভিটন্ স্ট্রিং থিওরিসহ দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্নগুলি মহাবিশ্বের মূল সত্যের মৌলিক নয় আনুষঙ্গিক মাত্র। উক্ত ৫০ শতাংশ মূল সত্য নিহিত ছিল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে (বস্তুগতভাবে) আর বিগ ব্যাং উত্তর শীতলমুখী বুদ্ধিমাত্রিক এন্ট্রপিতে ৫০ শতাংশ। মডার্ণসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, আজ থেকে প্রায় ১৩৭৫ কোটি বছর পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহাবিস্ফোরণ (Big Bang) থেকে শুরু হয়েছিল মহাবিশ্বের দ্বৈতরূপে-যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপঃ ১) মহাশুন্য তথা মহাকাশ এবং ২) ৪ মহাবল যথাক্রমে(ক) বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (খ) দূর্বল (গ) সবল নিউক্লিয় বল (ঘ) মহাকর্ষ বল (ঙ) ডার্ক এনার্জি এবং চ) ডার্ক ম্যাটার (ছ) ভরশুন্য ফোটন জাতীয় কণা (জ) ভরযুক্ত হিগস বোসন জাতীয় সর্ব প্রকার বস্ক‌ু কণা যদ্বারা যত সব বস্তু-পদার্থের উদ্ভব। প্রশ্ন হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? কিংবা বস্তুতে কি আছে? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে বস্তুকে ভাঙতে ভাঙতে গুঁড়া-গুঁড়া, চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে করতে গিয়ে হয়রান পেরেশান হয়ে প্রাচীন গ্রীসের সেরা দার্শনিক ডেমোক্রিটাস বলে উঠেছিলেন এই বলেঃ আর ভাঙা যাবে না। এই বাক্যটি মাত্র একটি গ্রীক যে শব্দে নিহিত রয়েছে সে শব্দটির নাম অ্যাটম (ATOM)। অ্যাটম (ATOM) কি দিয়ে তৈরি? প্রশ্নটি প্রকৃতিতে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের মতই পদার্থ বিজ্ঞানের ১০ প্রধান অমীমাংসিত এবং নিষিদ্ধ প্রশ্নের অন্যতম। এ ধরণের প্রশ্ন পদার্থ বিজ্ঞানে এ কারণে নিষিদ্ধ যে, এমন প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর এ জগতে নেই মর্মে পদার্থ বিজ্ঞানীদের সর্বসম্মত অভিমত। উল্লেখ্য, সুদূর মহাকাশের এমন প্রান্ত সীমায় বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি পৌঁছে যা কেবল অআলোর পর্দা দিয়ে অআচ্ছাদিত-যাতে দৃষ্টি দিতে বিজ্ঞানীদের মানা। কারণ, আলোগুলি এমন যে সাধারণ চর্ম চোখে ধারণ অক্ষম। বিজ্ঞানীদের হাতে বর্তমানে এমন ডিটেক্টর নেই যদ্বারা এই আলো ধারণ করা যায়। তবে পর্দার ওপার হতে মাঝে মাঝে নিউট্রিনোর আনাগোনা থেকে ওপারের কিছু তথ্য পদার্থ বিজ্ঞানীরা জানছেন। পক্ষান্তরে প্রখ্যাত মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের মতে, পৃথিবীকে অর্থবহ করতে সাহসী প্রশ্ন এবং উত্তরের গভীরতা দরকার (বিজ্ঞানচিন্তা)। অন্যদিকে WISTRC এর মতে, অর্থবহ পৃথিবীর জন্য অর্থবহ প্রশ্ন জরুরী। উত্তর মেরুতে কি আছে? এটি প্রশ্ন বটে। কিন্তু উত্তর মেরুর উত্তরে কি আছে? প্রশ্নটি অর্থহীন এবং অপ্রয়োজনীয়। WISTRC মনে করে অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্ন উত্তর মেরুর উত্তরের খবর নেওয়ার মত বেয়াড়া প্রশ্ন নয় বরং সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব রাখে। WISTRC আরও মনে করে যে, অ্যাটম (ATOM) কিংবা মহাবিশ্ব কি দিয়ে তৈরি? এই প্রশ্নের উত্তরে নিহিত আছে একাধারে স্ট্রিং থিওরি, বহুল প্রত্যাশিত কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটনের মতো পদার্থ বিজ্ঞানের সবচেয়ে জটিল তত্ত্বের অপূর্ব সম্ভাবনা তত্ত্ব। প্রশ্নটির উত্তরে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রায় শতভাগ এবং প্রকৃতি বিজ্ঞানের প্রায় অর্ধশত ভাগ সত্য নিহিত রয়েছে। বলা হয়ে থাকে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু হয়েছিল যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল। ১) ডার্ক ম্যাটার-ডার্ক এনার্জিঃ পদার্থ বিজ্ঞান যেমন মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর অতিপারমাণবিকতায় ১০-১৬ সেন্টিমিটার ক্ষুদ্র কোয়ার্কে এসে থেমেছে তেমনি মহাবিশ্বের সূচনার ক্ষেত্রে বিগ ব্যাং (মহাবিস্ফোরণ) পর্ব ছাড়িয়ে তৎপূর্বেকার অবস্থা তথা হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে এসে বর্তমানে স্থিতি অবস্থায় আছে। অর্থাৎ পদার্থ বিজ্ঞানেরজানার, অনুমানের রেন্জ বা দৌড় এখানেই শেষ। বিগ ব্যাং উত্তর সৃষ্ট আদি উচ্চশক্তির বিকিরণের প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে জানা যায় হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন ৪ মহাবল নিয়ে গঠিত। অর্থাৎ ৪ মহাবল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে একত্রিতভাবে ছিল। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে মহাবিশ্বের জন্ম হলেও ৪ মহাবল যদিও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন থেকে পৃথক হয়ে যায় কিন্তু নিজেদের মধ্যে তখনও একত্রিত ছিল। পরে পৃথক হয়েছে। ওয়ার্ল্ড রিসার্চ সেন্টার মনে করে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে ৪ মহাবলের সাথে ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জিও একত্রিত ছিল। তার মানে এই দাঁড়ায় যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন কেবল ৪ বল দিয়ে নয় ডার্ক ম্যাটার এবং এনার্জি দিয়েও গঠিত। পার্থক্য হচ্ছে বিগ ব্যাংয়ের পরে কোনো এক সময় ৪ বল পৃথক হয়ে অতিপারমাণবিক জগতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব প্রতিপত্তি খাটাচ্ছে কেউ মেসনের মাধ্যমে, কেউ গ্লুয়নের মাধ্যমে কিন্তু ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জি না মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর অতিপারমাণবিক না বৃহৎ পরিসরে গ্রহ-নক্ষত্রে প্রভাব রাখছে বরং অসীম কারো নির্দেশে চুপটি মেরে আছে। রিসার্চ সেন্টার মনে করে, ডার্ক ম্যাটার আর এনার্জি যদি সক্রিয় হয় তাহলে মহাবিশ্বের বর্তমান যে সুশৃঙ্খল কাঠামো তা ভেঙ্গে পৃথিবীর জীব বৈচিত্র্যে হয়ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, মহাকর্ষ ১০ ৩৬ মাত্রার দূর্বলতার কারণে আমাদের মাটিতে পা ফেলতে এবং উঠাতে সমস্যা হচ্ছে না। মহাকর্ষকে শক্তিশালী করতে কোশেশ করলে ব্ল্যাক হোলের আশপাশের যে অসীম ভরের মহাকর্ষ তাতে যেমন পা উঠাতেই হিমশিম খাওয়ার অবস্থা হয় তাহলে পৃথিবীতেও অনুরূপ অবস্থার আশংকা থেকে যাবে। সূর্যকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার কারণে যদি ঠেলে সামান্য দূরে ঠেলে দেওয়া সম্ভব হতো তাহলে পৃথিবীর সব মহাদেশ অ্যান্টার্টিকার মত বরফের মহাদেশে পরিণত হতো। কিংবা যদি ৯ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৯ হাজার মাইলে টেনে আনা হয় কিংবা চাঁদের দূরত্বের মতো বছরান্তে কম বেশি হতো তাহলে তাহলে ঃ থাকবো না আর এই দেশে চলরে মন আপন দেশে বলে কবরে যাওয়ার কোশেশ করা ছাড়া গত্যন্তর না থাকারই কথা। সুতরাং, ডার্ক ম্যাটার-ডার্ক এনার্জি যে ভাবে আছে তাদের সেভাবে থাকতে দেওয়াই নিরাপদ মনে করে রিসার্চ সেন্টার। কারণে স্ট্রিং থিওরিি আছে আটকে গ্র্যাভিটন আছে আটকেঃ WISTRC মনে করে গ.্যাভিটনের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের স্বীকৃতি আটকে আছে মিথ বা বদ্ধমূল ধারণার কারণে। এই ধারণার কারণে আমরা মহাকর্ষকে অপরাপর তিন বলের থেকে ভিন্ন মনে করছি। অথচ মহাকর্ষ বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়শনে থাকাকালীন সময়ে অপর তিন বলের সাথ সহাবস্থানে ছিল। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের পরও কিছুদিন চার ভাই একত্রে ছিল। পরে তিন বল অবস্থানগতভাবে পৃথক হলেও জাতে অভিন্ন থেকে যায় অর্থাৎ তিন বলই ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক চার্জধারী হলেও কেবল ভিন্ন ব্যাচেলার থেকে যায় মহাকর্ষ। তাই স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষের স্বীকৃতি নেই যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এ কারণে যে, পদার্থ বিজ্ঞানে সবচেয়ে উচ্চমার্গের অবদান দেওয়া হয়েছে মহাকর্ষকে অথচ স্ট্যান্ডার্ড মডেলল থিওরিতে এর স্বীকৃতি নেই। যেমন এনালগ থেকে ডিজিটালে পরিণতকারী বিশেষ আপেক্ষিকতা এমনকি সাধারণ আপেক্ষিকতার স্বীকৃতি নোবেল কমিটিতে না থাকায় আইনস্টাইন এই দুই আবিস্কারের জন্য নোবেবল পাননি। পেয়েছেন এমন বিষয়ে যার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিলেন স্বয়ং আইনস্টাইন। এ সব বিষয়কে বলা হয় হাইজেনবার্গর অনিশ্চয়তা তত্ত্ব। পৃথিবী তথা মহাবিশ্বের ঘটনা পরিঘটনা দেখে মনে হয় অতি স্বাভাবিক গতিতে এই পৃথিবী এই মহাবিশ্ব চলছে। বিশেষ করে নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে মনে হয় এই বিশ্ব চলছে গাণিতিক নিয়মে। এই নিয়মে একটি গাড়ীর অবস্থান জানা থাকলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে গাড়িটির ভর কত-এটাকে বলে নিশ্চয়তাবাদ।কিন্ত্ ১৯০১ কোয়ান্টাম মেকানিক্স নামে অতিপারমাণবিক জগতে যখন পদার্থ বিজ্ঞান প্রবেশ করে তখন বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়াবাদের সম্মুখীন হন- যাকে আরও উচ্চকিত করে হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদ। তাতে বলা হয়েছে ইলেকট্রন এমন এক কণা যার অবস্থান নিশ্চত করা গেলে ভর পাওয়া যায় না এবং ভর জানা গেলে অবস্থান জানা থাকে না। ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের মূল কথা ছিলঃ যা দেখা যায় না তার অস্তিত্ব নেই-এটা অনেকটা নিশ্চয়তা তত্ত্ব। পক্ষান্তরে কেআয়ান্টাম এবং অনিশচয়তাবাদে যা দেখা যায় না তা কণা ডিটেক্টরে যা কণা ডিটেক্টরে পাওয়া যায় না তা পাওয়া যেতে পারে তরঙ্গ ডিটেক্টরে। যা কণা ডিটেক্টরে পাওয়া যাবে না তা পাওয়া যেতে পারে ১০-১৮ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিরমাপক যন্ত্রে। স্ট্রিংকে দেখার জন্য বিজ্ঞানীরা শর্তারোপ করেছেন ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিরমাপক যন্ত্রে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Holy Romado-n 1445 Hijrah/2024 News

Article