ইসলামি শিক্ষার মূল লক্ষ্য মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা। এ খাতকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গবেষণা, দক্ষ শিক্ষক এবং যুগোপযোগী কারিকুলামের বিকল্প নেই।
Special Editorial: As football has become a popular sport worldwide, it has been practiced in the Islamic Republic of Iran under the rule of Ayatollah Khomeini since the 1970s. However, initially, Iranian players played football in the Dhaka field in Bangladesh with their knees covered. However, the other Islamic Republic of Pakistan refrained from playing the game, probably because the famous Ulama-e-Karam do not like it, because of the issue of covering the knees . Moreover, there is a possibility of physical injury.
Since there is no problem with covering the knees , the Islamic Republic of Pakistan is not only enthusiastic about playing cricket but also became the champion in 1992, defeating England once under the leadership of Imran Khan. At that time, the Bangladeshis who watched the Cricket World Cup held in England were on Pakistan's side. The then British Home Secretary was surprised by this and said: How is it possible? Sitting in our country (England), how is it possible in Pakistan Zindabad, Pakistan Payendabad? Perhaps the British Home Secretary does not know that a song sung by the artist Julia Mannan: "Pakistan's two wings fly in the wind".. was played on Radio Pakistan, Chittagong until December 16, 1971. We heard it with our own ears, which the British Home Secretary may not have heard.
However, due to the general Muslim community not being able to judge whether football is permissible or not in Islam, until 14 August 1947, in a fiercely competitive match between the Muslim League-backed Calcutta Mohammedan Sporting Club of Quaid-e-Azam Mohammad Ali Jinnah and the Congress-backed Calcutta Sporting Club, the Bengalis of East Bengal not only supported the Mohammedan Sporting Club but also campaigned extensively for the establishment of the state of Pakistan. Among them were the then Union Minister of Labour of Pakistan and the first President and Prime Minister of Bangladesh, Sheikh Mujibur Rahman. It is worth noting that Sheikh Mujib's village Tungi Para was also called Muslim League Village.
During the period of the President of Pakistan, Field Marshal Muhammad Ayub Khan, I.R. The Speaker of the Pakistan Parliament, Fazlul Quader Chowdhury of Chittagong was the interim president of the Ayub government on the other hand a resident of Noakhali (Feni) my (Editor-in-Chief) respected Waleed (father) Sahib Sheikh Sultan Ahmed - who was a civil servant of the Military Academy West India (West Pakistan) during the pre-partition period and worked in the then East Pakistan Railway in 1948 and later in the Chittagong Port Authority, under Ministry of Shipping of the Government of Pakistan in 1960 and was a columnist for Dainik Pakistan (later Dainik Bangla) - was a passionate writer in favor of the unity and solidarity of Pakistan and was previously a staunch worker of the Muslim League of Quaid-e-Azam Muhammad Ali Jinnah. While in service, my respected Waleed was one of the leading leaders of the pro-Ayub Muslim League in the port city of Chittagong, Bangladesh.
Once in my childhood, he took me to then Jinnah Park (now Rifle Club) to give a political speech by him. I saw him banging tables and giving a speech in favor of the unity and solidarity of Pakistan. On the sunset of December 16, 1971, when we were watching the last sunset of Pakistan on the roof of the government residence, I saw Waleed Sahib with tears in his eyes. He remembered the hard-earned Pakistan during the period of last sunset . Farewell, farewell Pakistan. Insha Allah, I hope to share more memories in the future. Wama tawfiqi illa billah.
বিশেষ সম্পাদকীয়ঃ ফুটবল একটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হওয়ায় আয়াতুল্লাহ খোমিনী শাসিত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে সেই খোমিনীর বিগত বিংশ শতাব্দীর সত্তর দশক থেকে চলমান রয়েছে। অবশ্য শুরুতে ইরানী খেলোয়াড়রা বাংলাদেশের ঢাকার মাঠে ফুটবল খেলেছিলেন হাঁটু ঢেকে। তবে অপর ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান সম্ভবতঃ এ কারণে বিরত যে, খেলাটি মশহুর উলামায়ে কেরামগণ পছন্দ করেন না,হাঁটু বা সতর ঢাকা না ঢাকার ব্যাপার নিয়ে। তাছাড়া এতে শারিরীক আঘাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।
হাঁটু বা সতর ঢাকার ব্যাপারে সমস্যা না থাকায় সম্ভবতঃ ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান ক্রিকেট খেলার ব্যাপারে কেবল উৎসাহী নয় ১৯৯২ সালে একবার ইল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল ইমরান খানের নেতৃত্বে। তখন ইংল্যান্ড অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের দর্শক বাংলাদেশীরা ছিলেন পাকিস্তানের পক্ষে। তাতে বিস্মিত হয়েছিলেন তৎকালীন বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বলেঃ হাও ইট পসিবল? আমাদের দেশে (ইংল্যান্ডে) বসে পাকিস্তান জিন্দাবাদ, পাকিস্তান পায়েন্দাবাদ-এ কি করে সম্ভবপর? হয়ত বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানেন না যে, শিল্পী জুলিয়া মান্নানের গাওয়া:"পাকিস্তানের দুটি পাখা হাওয়ায় উড়ে যায়".. বলে একটা গান রেডিও পাকিস্তান, চিটাগাং থেকে ১৯৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত বেজেছিল আমরা নিজ কানে শুনেছিলাম যা বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়তো শোনেন নি।
যাহোক, ফুটবল শরীয়তে ইসলামে কতটুকুন জায়েজ কিংবা না জায়েজ তা সাধারণ মুসলমান বাছ বিচার না করার কারণে ১৯৪৭ সালে ১৪ই আগষ্টের পূর্ব পর্যন্ত কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মুসলিম লীগ সমর্থিত কলিকাতা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাথে কংগ্রেস সমর্থিত কলকাতা স্পোটিং ক্লাবের তীব্র প্রতিন্দ্বন্দ্বিতামূলক খেলায় পূর্ব বাংলার বাঙালীরা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সমর্থন করে কেবল তা-ই নয়, লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান বলে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করছিলেন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন কেন্দ্রিয় শ্রম মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী,শেখ মুজিবুর রহমান, উল্লেখ্য, শেখ মুজিবের টুংগি পাড়া গ্রামের নামই ছিল নাকি মুসলিম লীগ গ্রাম।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল মুহাম্মাদ আইয়ুব খান সরকারের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট এবং আই.আর. পাকিস্তান পার্লামেন্টের স্পিকার চিটাগং এর ফজলুল কাদের চৌধুরী, তৎকালীন নোয়াখালী (ফেনীর)বাসী এবং আমার (এডিটর ইন চীফের) শ্রদ্বেয় ওয়ালেদ (পিতা) সাহেব শেখ সুলতান আহমদ-যিনি বিভাগপূর্ব সময়ে পাকিস্তানের সামরিক একাডেমীর বেসামরিক কর্মচারী এবং ১৯৪৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ে পরে ১৯৬০ সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে কর্মরত এবং দৈনিক পাকিস্তান (পরে দৈনিক বাংলার) কলামিস্ট ছিলেন-পাকিস্তানের ঐক্য ও সংহতির পক্ষে ক্ষুরধার লেখক ছিলেন তৎপূর্বে লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান তথা কায়েদে আজম মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহর মুসলিম লীগের একনিষ্ঠ কর্মী। চাকুরীরত অবস্থায় আমার শ্রদ্ধেয় ওয়ালেদ বাংলাদেশের বন্দর নগরী চিটাগং শহরের আইয়ুব পন্থী মুসলিম লীগের অন্যতম নেতৃস্থানীয় নেতা।
আমার শৈশব কালে একবার জিন্নাহ পার্কে আমাকে নিয়ে গিয়েছিলেন রাজনৈতিক বক্তৃতা দেওয়ার জন্য। তিনি টেবিল চাপড়িয়ে পাকিস্তানের ঐক্য ও সংহতির পক্ষে বক্তৃতা দিতে দেখেছি। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর সূর্যাস্তের সময় আমরা যখন সরকারী বাসভবনের ছাদে পাকিস্তানের শেষ সূর্যাস্ত দেখছিলাম তখন ওয়ালেদ সাহেবকে দেখলাম অশ্রু সজল নয়নে। কষ্টার্জিত পাকিস্তানের শেষ সূর্যাস্ত মনে করে। বিদায় পাকিস্তান বিদায়। ইনশা আল্লাহ পরবর্তিতে আরও স্মৃতিচারণ করার অআশা রাখি। ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ।
সবার জন্য বিজ্ঞানের আওতায় স্বাস্থ্যের জন্য বিজ্ঞান হচ্ছে ওয়ার্ল্ড সায়েন্স টেক রিভিউ (ওভারসীজ) এর একটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ক্যাম্পেইন বা প্রচারণা যা বাংলাদেশে ওয়ার্ল্ড সায়েন্স টেক রিভিউ, বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত। ওয়ার্ল্ড কাপ নলেজ হচ্ছে বাস্থ্যের জন্য বিজ্ঞান এর একটি প্রকল্প যার প্রতিপাদ্য হচ্ছেঃ অআর্লি টু বেড, অআর্লি টু রাইজ। উক্ত প্রতিপদ্যের ভিত্তিতে ওয়ার্ল্ড কাপ মানের বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার যে ধারণা তা বিশ্বের সর্বপ্রাপ্তে পৌঁছানো হচ্ছে ওয়ার্ল্ড সায়েন্স টেক রিভিউ (ওভারসীজ) এর মিশন এবং ভিশন। এ লক্ষ্যে মহান অআল্লাহর অশেষ রহমতে ২০১৯ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড কাপ নলেজ দশক (২০২০-২০৩০) উদযাপনে আমাদের কার্যক্রম শুরু হলেও করোনা কোভিডের কারণে এই কার্যক্রম পরবর্তিতে বাস্থ্যের জন্য বিজ্ঞান এর একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয় এবং করোনা কোভিডের উপর অআমাদের নিম্নোক্ত সাইট খোলা হয়ঃ
.....................................................। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালীন শেষ দিকে কাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরিকে পরবর্তী বিশ্বকাপ ...অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করা হয়।
https://www.linkedin.com/pulse/%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B7%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-%25E0%25A6%2587%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B2%25E0%25A6%25AE%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A7%259F%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%25B8-%25E0%25A6%259F%25E0%25A6%2595-%25E0%25A6%25A8%25E0%25A6%2589%25E0%25A6%259C-%25E0%25A7%25AB%25E0%25A6%25AE-%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%25B8%25E0%25A6%2595%25E0%25A6%25B0%25E0%25A6%25A3-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yfkec/ ৫ম সংস্করণ
What is infinity?
©Shutterstock
Infinity has captivated human thought for millennia. It has challenged philosophers, mathematicians, scientists, and theologians alike, and is a concept that stretches beyond the limits of comprehension. Not only does it appear in numbers that never end, but also in the question of how far the universe extends and the boundlessness of moral duties.
Some of history’s most celebrated philosophers, like Aristotle and Zeno, have questioned whether infinity was a real phenomenon or just a useful idea. Others have tried to logically define the infinite, and even modern scientific advancements have tried to put an answer forward in groundbreaking ways.
How can humanity hope to understand something that has no end? What exactly is infinity? And is it something real, or is it just an illusion?অসীম কী?
হাজার হাজার বছর ধরে অসীম মানব চিন্তাকে মুগ্ধ করে রেখেছে। এটি দার্শনিক, গণিতবিদ, বিজ্ঞানী এবং ধর্মতাত্ত্বিক—সকলকেই ভাবিয়েছে এবং এটি এমন একটি ধারণা যা উপলব্ধির সীমা ছাড়িয়ে যায়। এটি কেবল অন্তহীন সংখ্যার মধ্যেই নয়, বরং মহাবিশ্ব কতদূর বিস্তৃত এবং নৈতিক কর্তব্যের অসীমতার মতো প্রশ্নের মধ্যেও প্রকাশ পায়।
অ্যারিস্টটল এবং জেনোর মতো ইতিহাসের সবচেয়ে বিখ্যাত কিছু দার্শনিক প্রশ্ন তুলেছেন যে অসীম একটি বাস্তব ঘটনা, নাকি এটি কেবল একটি দরকারি ধারণা। অন্যরা অসীমকে যৌক্তিকভাবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করেছেন, এমনকি আধুনিক বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিও যুগান্তকারী উপায়ে এর একটি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
মানবতা কীভাবে এমন কিছু বোঝার আশা করতে পারে যার কোনো শেষ নেই? অসীম আসলে কী? এবং এটি কি বাস্তব, নাকি কেবলই একটি বিভ্রম? শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় উন্নয়ন, নৈতিকতা ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের মূলধারায় আনতে হবে। ইসলামি শিক্ষার মূল লক্ষ্য মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা। এ খাতকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গবেষণা, দক্ষ শিক্ষক এবং যুগোপযোগী কারিকুলামের বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে শুধু প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এমনভাবে এই খাতকে গড়ে তুলতে হবে, যাতে এখানকার শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর, গবেষণানির্ভর ও পরিকল্পিত ভূমিকা নিতে হবে।
তিনি বলেন, অতীতে মাদ্রাসা শিক্ষার কাঠামো ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফাজিল–কামিল শিক্ষাকে মূলধারার উচ্চশিক্ষার সঙ্গে আরও শক্তভাবে যুক্ত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা এখন আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। ইসলামি শিক্ষা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, আধুনিকায়িত শিক্ষাব্যবস্থা এবং বাস্তবমুখী কারিকুলাম।
মাদ্রাসা খাতে শিক্ষক সংকটের বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ইসলামি শিক্ষায় দক্ষ শিক্ষক পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারিকুলাম উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন নিয়োগ পাওয়া কিছু মাদ্রাসা শিক্ষকের বেতনসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে এবং তা সমাধানে কাজ চলছে। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেতন পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু সনদ অর্জন নয়, জ্ঞান, গবেষণা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ইসলামি শিক্ষার শিক্ষার্থীদেরও দেশের সব খাতে অবদান রাখার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। ফাজিল–কামিল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, বিসিএসসহ বিভিন্ন জাতীয় সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ অতীতেও নেওয়া হয়েছে এবং তা আরও সম্প্রসারণ করা হবে।AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (Eastern Islamic Science-Tech News) হলো মূলত ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ইতিহাসের নানা অগ্রগতি নিয়ে প্রকাশিত একটি জনপ্রিয় অনলাইন প্রকাশনা বা ব্লগ সিরিজ。 এটি সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সংস্করণে মুসলিম বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার এবং আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে ইসলামের মেলবন্ধন নিয়ে আলোচনা করে。এই প্রকাশনাটির সর্বশেষ সংস্করণগুলোতে সাধারণত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়:মধ্যযুগীয় ইসলামী বিজ্ঞান: প্রাচীন মুসলিম পন্ডিত ও বিজ্ঞানীদের অবদান। যেমন, আল ইদ্রিসির তৈরি করা বিখ্যাত পৃথিবীর মানচিত্র。বিজ্ঞান ও ধর্মে সমন্বয়: পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বা আইজাক নিউটনের মতো বিজ্ঞানীদের চিন্তাভাবনার সাথে স্রষ্টার সৃষ্টির সম্পর্ক।আধুনিক প্রযুক্তির খবর: বিশ্বজুড়ে মুসলিম দেশগুলোর প্রযুক্তি ও গবেষণায় সাম্প্রতিক উন্নতি।আপনি যদি এই প্রকাশনাটির কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা ইসলামী বিজ্ঞানের কোনো বিশেষ বিষয়ের খবর পড়তে চান, তবে তা সরাসরি LinkedIn ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন।https://www.google.com/search?q=ইষ্টার্ণ+ইসলামিক+সায়েন্স+টেক+নিউজ&oq=&gs_lcrp=EgZjaHJvbWUqCQgBECMYJxjqAjIJCAAQIxgnGOoCMgkIARAjGCcY6gIyCQgCECMYJxjqAjIJCAMQIxgnGOoCMgkIBBAjGCcY6gIyCQgFECMYJxjqAjIJCAYQIxgnGOoCMgkIBxAjGCcY6gLSAQ0zMzgxMjkwMzJqMGo3qAIIsAIB8QX0v8uj_-LkDQ&sourceid=chrome&ie=UTF-8=
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.সAI উত্তর 'ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ' মূলত ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয়, ইসলামী চিন্তাধারা এবং সমসাময়িক প্রযুক্তির নানা দিক নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রকাশনা। বাংলাদেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন ইসলামিক দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবরাখবর এতে স্থান পায়।সাম্প্রতিক তথ্য ও খবরের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক নিচে তুলে ধরা হলো:ইসলামি বিশ্বে প্রযুক্তির প্রসার: সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্বাস্থ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে মুসলিম বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, আরব আমিরাতের স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা স্মার্ট হেলথ ডিভাইস উদ্ভাবন করেছে।ইসলামে জ্ঞানের চর্চা: নতুন সংস্করণগুলোতে জ্ঞানার্জন, বিশেষ করে আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণায় অন্তর্দৃষ্টি এবং আধ্যাত্মিক চিন্তাধারার মেলবন্ধন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গন: বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় ইসলামিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের সাম্প্রতিক ভর্তি ও পরীক্ষার আপডেট চলছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন