বিজ্ঞানভিত্তিক বিবিধ

Contact info Abdullah Al’s profile linkedin.com/in/abdullah-al-rahat-319684280 Address Jhalakathi, BarisalAbout I am currently pursuing a Master's degree at the Islamic University, Kushtia, Bangladesh. My academic journey has fostered a strong passion for research, critical inquiry, and lifelong learning. My research interests include Hadith Studies, Islamic Thought, Islamic Civilization, Comparative Religion, Human Rights, Gender Studies, Contemporary Islamic Issues, and Digital Humanities in Islamic Studies. Alongside my studies, I have been actively involved in research, nonprofit initiatives, content development, project management, and contributing to education and social impact. I aspire to pursue a PhD and contribute to impactful, interdisciplinary research. I welcome opportunities for research collaboration, academic partnerships, and professional networking with scholars and institutions worldwide. Top skillsTop skillsতবে বিজ্ঞানীদের জানার চাকা উল্টো পানে ঘুরতে থাকে সেদিনই-যেদিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দূর আকাশে কৃষ্ঞ গহবর থেকে আলো-কে কোয়ান্টা আকারে থেমে থেমে অর্থাৎ থোক থোক ভাবে নির্গত হতে দেখে। এ থেকে ম্যাক্স প্ল্যাংকের মানসপটে বা অন্তর দৃষ্টিত উদ্ভাসিত হয়েছিল কোয়ান্টাম মেকানিক্স নামক নতুন বিজ্ঞানের ধারণা। এ ধারণাকে আরও সংহত করেছিল ওয়ার্ণার হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদ। বিশেষ করে ইলেকট্রনের অদ্ভূত আচরণ অনিশ্চয়তাবাদকে আরও মজবুত করে। কারণ, গণিতনির্ভর নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে অনেকটা নিশ্চিত করে বলা যেত একাধারে বস্তুর অবস্থান এবং ভর যা ইলেকট্রনের বেলায় অনেকটা অনিশ্চিত। ইলেকট্রনের অবস্থান জানা গেলে ভর পাওয়া যায় না, ভর পাওয়া গেলে অবস্থান জানা যায় না। ততদিনে জানার মাত্রা আরও কমে আসে ১৯২০ সালে এডইউন হাবল কর্তৃক অত্যাধুনিক হাবল টেলিস্কোপ মহাকাশে উৎক্ষেপনের পর। এই সময় মহাজাগতিক অনেক রহস্য উন্মোচিত হয় যা নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের জন্য চ্যালেন্জ এবং ম্যাক্স প্ল্যাংকীয় কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানের সহায়ক। নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের বদৌলতে যখন বিশ্ব প্রকৃতির জানার হার প্রায় শত ভাগ ছুঁই ছুঁই করছিল তখনই অর্থাৎ ১৯০১ সালে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের উত্থান ঘটেছিল। অবশ্য শুরুতেই নিউটনের দারুন ভক্ত অআইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্ব রুখে দিতে কোয়ান্টাম কণা বিজ্ঞানী নীল বোর গংদের সাথে কোপেনহেগেনে ঐতিহাসিক বিতর্কে লিপ্ত হলে বলিষ্ঠ যুক্তিতে নীল বোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের যৌক্তিতা তুলে ধরে এই তত্ত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করেন। তবে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রাকটিক্যাল ভিত্তি স্থাপক ছিলেন খোদ আইনস্টাইন। শুধু তা-ই নয় নিজের আপেক্ষিকতা তত্ত্বের সাথে কোয়ান্টাম তত্ত্বের মিথস্ক্রিয়া করে উদ্ভাবন করেছিলেন ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট তত্ত্ব যার কারণে আইনস্টাইন প্রথম এবং শেষ বারের মতো নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। আরও অবিশ্বাস্য যে, এনালগ থেকে ডিজিটালে উন্নীতকারী যে বিশেষ এবং সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব তাতেও আইনস্টাইন নোবেল পুরস্কার পাননি। বিজ্ঞানীদের জানার হার মহাকর্ষের বেলায় নেমে আসে মাত্র ১০ ভাগ। বাকী ৯০ ভাগ মহাকর্ষ কোথায় কাজ করে তা বিজ্ঞানীদের এখনও অজানা। কিন্তু ডার্ক ম্যাটার এবং ডার্ক এনার্জির জীবন্ত অস্তিত্ব অনুভবের পর থেকে থেকে জানার হার নেমে আসে মাত্র ৪ শতাংশে। মহাবিশ্বের মোট সত্য জ্ঞানের অন্ততঃ ২১ ভাগ ডার্ক ম্যাটার এবং ৭৫ ভাগ ডার্ক এনার্জিতে লুকিয়ে আছে মর্মে পদার্থ বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস। মড়ার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দেয় যখন হাবলের চাইতেও সুপার ডিজিটাল জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মহাকাশে উৎক্ষেপন করা হয়। এই টেলিস্কোপ সুদূর মহাকাশ থেকে যে তথ্য পাঠাচ্ছে তাতে কেবল নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান নয়-অধিকিন্তু ম্যাক্স প্ল্যাংকীয় কোয়ান্টাম বল বিজ্ঞানও বিপন্ন হতে চলেছে কারণ, জানার হার ৪ থেকে এখন দাঁড়িয়ে ০.৫ শতাংশের মতো। অআরও কমার আশংকা করছেন বিজ্ঞানীরা। তাই বলা হচ্ছেঃ মহাবিশ্ব যদি বাঘ হয়, তাহলে ডেমোক্রিটাস, অ্যারিস্টটল, জাবের ইবনে হাইয়ান, নিউটন, মারে গেলমানরা গবেষণার নামে সেই বাঘের লেজটা নাড়াচাড়া করেছেন। আইনস্টাইন যার কারণে আফসোস করে বলেছিলেনঃ এই যদি হয় গবেষণা তাহলে গবেষক না হয়ে বেয়ারা হয়ে থাকা ভাল ছিল। পক্ষান্তরে নিউটন জীবন সায়াহ্ণে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে, "আমরা যা জানি তা এক ফোঁটা জল, আর যা জানি না তা এক বিশাল মহাসাগর।" Team Leadership • Content Writing • Journalism • Graphic Design • Human Resources (HR)(প্রাচীন গ্রিক ভাষায় Δημόκριτος দ্যামোক্রিতোস্‌) (৪৬০ খ্রিস্ট পূর্ব_ ৩৭০ খ্রিস্ট পূর্ব) প্রাচীন গ্রিসের বিখ্যাত পরমাণুবাদী দার্শনিক। তাকে বলা হয়েছে তার সময়ের সবচেয়ে বিদ্বান ও ধনী ব্যক্তি। তিনি লিউকিপ্পোসের কাছে অধ্যয়ন শেষ করে মিশর ও পারস্য ভ্রমণ করেন এবং দেশে ফিরে এসে অধ্যাপনা ও গ্রন্থ রচনায় মন দেন। তিনি প্রায় ৭২টি বই লিখেছিলেন।https://bn.wikipedia.org/wiki/দেমোক্রিতোস "ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ" হলো বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে প্রকাশিত একটি অনলাইন গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনা ও নিবন্ধ সিরিজ।মূল বিষয়বস্তুমহাবিশ্বের রহস্য: বিগ ব্যাং, ডার্ক এনার্জি এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব নিয়ে ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয়ে আলোচনা।গবেষণা প্রকাশনা: ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টারের বিভিন্ন নিবন্ধ ও প্রতিবেদন।বিজ্ঞান ও ধর্ম: বিজ্ঞান চর্চায় নৈতিকতা এবং আধ্যাত্মিক ভাবনার প্রয়োগ।first Saturday of July: International Cooperative Day.জুলাই মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ও বিশ্ব দিবস রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান দিবসগুলো হলো বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস (১১ জুলাই), বিশ্ব যুব দদিবসইষটরণ-ইসলমক-সয়নস-টক-নউজ-৫ম-সসকরণ-ক্ষতা দিবস (১৫ জুলাই), এবং বিশ্ব বাঘ দিবস (২৯ জুলাই)।জুলাই মাসের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ব দিবস২ জুলাই: বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস৭ জুলাই: বিশ্ব চকলেট দিবস১৮ জুলাই: নেলসন ম্যান্ডেলা আন্তর্জাতিক দিবস২৮ জুলাই: বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ও বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস৩০ জুলাই: আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবসজুলাই মাসের প্রথম শনিবার: আন্তর্জাতিক সমবায় muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yfkec/ "ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ" হলো বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে প্রকাশিত একটি অনলাইন গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনা ও নিবন্ধ সিরিজ।মূল বিষয়বস্তুমহাবিশ্বের রহস্য: বিগ ব্যাং, ডার্ক এনার্জি এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব নিয়ে ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয়ে আলোচনা।গবেষণা প্রকাশনা: ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টারের বিভিন্ন নিবন্ধ ও প্রতিবেদন।বিজ্ঞান ও ধর্ম: বিজ্ঞান চর্চায় নৈতিকতা এবং আধ্যাত্মিক ভাবনার প্রয়োগ।আপনি কি ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ-এর সাম্প্রতিক কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা নিবন্ধ সম্পর্কে জানতে চান? https://share.google/aimode/UI52WnEklpgGoREWa গ্র্যাভিটন আছে আটকেঃ WISTRC মনে করে গ.্যাভিটনের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের স্বীকৃতি আটকে আছে মিথ বা বদ্ধমূল ধারণার কারণে। এই ধারণার কারণে আমরা মহাকর্ষকে অপরাপর তিন বলের থেকে ভিন্ন মনে করছি। অথচ মহাকর্ষ বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়শনে থাকাকালীন সময়ে অপর তিন বলের সাথ সহাবস্থানে ছিল। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের পরও কিছুদিন চার ভাই একত্রে ছিল। পরে তিন বল অবস্থানগতভাবে পৃথক হলেও জাতে অভিন্ন থেকে যায় অর্থাৎ তিন বলই ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক চার্জধারী হলেও কেবল ভিন্ন ব্যাচেলার থেকে যায় মহাকর্ষ। তাই স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষের স্বীকৃতি নেই যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এ কারণে যে, পদার্থ বিজ্ঞানে সবচেয়ে উচ্চমার্গের অবদান দেওয়া হয়েছে মহাকর্ষকে অথচ স্ট্যান্ডার্ড মডেলল থিওরিতে এর স্বীকৃতি নেই। যেমন এনালগ থেকে ডিজিটালে পরিণতকারী বিশেষ আপেক্ষিকতা এমনকি সাধারণ আপেক্ষিকতার স্বীকৃতি নোবেল কমিটিতে না থাকায় আইনস্টাইন এই দুই আবিস্কারের জন্য নোবেবল পাননি। পেয়েছেন এমন বিষয়ে যার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিলেন স্বয়ং আইনস্টাইন। এ সব বিষয়কে বলা হয় হাইজেনবার্গর অনিশ্চয়তা তত্ত্ব। https://www.linkedin.com/pulse/international-cooperative-day-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-oiyve/ Ramazan Zaybak, M.Sc. in Mathematics · 1st Quality Manager Berlin, GermanyContact info Ramazan’s profile linkedin.com/in/ramazan-z-290458119 Email zaybak@web.de বিজ্ঞানভিত্তিক বিবিধAboutContact infoContact info BOUAZOUZI’s profile linkedin.com/in/faiza-sihem🇵🇸-bouazouzi-🍉🇩🇿-b0520450 Email faizasihembouazouzi@gmail.com BOUAZOUZI’s profile linkedin.com/in/faiza-sihem🇵🇸-bouazouzi-🍉🇩🇿-b0520450 Email faizasihembouazouzi@gmail.com Hello everyone. My name is Dao. I work in the Japanese multi-dental service company The Bitec Global Japan INC- specializing in Japanese denture technology. We supply the soft SILICONE 3D PRINTED DENTURE that quickly to order and help patient chew more comfortable. Contact us for more details. Yours sincerely Mrs Dao  ngoc@bitecglobal.com https://www.reva-digital.net/ https://bitecglobal.jp/ HAbout 🌍 Nelson Mandela: We know too well that our freedom is incomplete without the freedom of the Palestinians.🇵🇸 We need justice for Palestine 🇵🇸 I am a very outspoken advocate for peace, sustainability, and systemic change, I am still highly active on LinkedIn but join me on Upscrolled please 🙏🏼 We need platforms without censorship I use this platform to inspire collective action, connect global movements, and address pressing issues such as climate change, social justice, and geopolitical conflicts. I frequently shared posts calling for peace, criticizing greenwashing, and supporting initiatives like the Boycott, Divestment, and Sanctions (BDS) movement. My content often emphasized the need for justice as a foundation for lasting peace, and I actively engage with my followers to multiply community impact and drive transformation.I am described by peers as a dedicated networker and a passionate individual in the sustainable product arena, with a knack for connecting people and ideas across the world. My LinkedIn activity reflected a commitment to uniting humanity for peace and regeneration, and I am recognized for my ability to inspire and mobilize others toward these goals! Mission 2030: Uniting Humanity for Peace & Regeneration We are at a breaking point. Nuclear threats escalate. Wars rage. Greenwashing dominates. Meanwhile, the clock ticks toward 2030—the pivotal decade for humanity’s survival. I use LinkedIn as a serendipity engine connecting changemakers, rebels, and leaders who dare to: - Replace war with peace systems - Turn sustainability pledges into real action - Fight for freedom of speech before it’s erased. With up to 200-500K+ daily impressions on peace content, his focus was never on reach—it was on mobilizing impact Yet, 30k profile views and up to 2.8 million weekly views Thank you for your support. Top skills Sustainable Development • Sustainability • Strategic Partnerships • Environmental Awareness • Corporate Social Responsibility Featuredans Lak ✅ verified on Upscrolled · 2nd Visit my profile please the only place where you can see my posts see my tiny bio tiny.bio/ hanslak Barcelona, Catalonia, Spain · Contact info Asif’s profile linkedin.com/in/asif-khan-59ba46253 Birthdayttps://bpori2025.blogspot.com/ Asif Khan · About I am a Career Civil Servant with 23 years experience in the Public Sector I am a highly motivated ambitious, self-disciplined competent collaborator. Am a flexible, adaptable, diligent, motivated self starter with good customer service skills. I am looking to gain further self improvement with a view to a new long term career which will enhance my career progression and personal development. I am particularly interested in a Career in SEND and have built up an extensive list of Contacts and joined Groups and Forums in Autism, ADHD, Dyslexia,Neurodiversity, Neurodiversity in Business Community Group, Neurodivergent Networking Group,Reframing Autism and Special Educators Group, Mental Health - Change Advocates - Motivational Speakers aswell as Newsletters such as Teachers Goals, Bridging the Gap, Global Classroom Digital Mag, Autistic Thoughts, Neurodiversity 101 & Diversity and Inclusion, Through Autistic Eyes aswell as numerous others. I am extremely passionate about my work and am open to all Connections and am personally invested in a role within this industry as am myself a Self diagnosed Neurodivergent and will always go the extra mile. I have experience of diary management , meeting scheduling & Interpreter Bookings am easily adaptable and open to learning new skills to further my professional, personal development and growth. Aswell as providing any prospective employer with a Return on their Investment. Top skills Easily Adaptable • Meeting Scheduling • Passionate about work • Interpersonal Skills • Office Administration No Crypto Currency or Bitcoin am a Neurodivergent Experienced Civil Servant looking to gain Self Improvement & Personal Development in New Long Term Career in SEND within Recruitment, Administration or HR Capacity London, England, United KingdomRany M · 2nd Your Strategic Partner in Digital Media & Smart AI Solutions United States Contact info Rany’s profile About 🚀 Digital Media Pro is a forward-thinking digital agency specializing in delivering cutting-edge solutions that blend creativity, strategy, and artificial intelligence. We help brands and businesses thrive in the digital era by offering tailored services in web development, SEO, branding, AI-powered chatbots, and digital marketing. With a focus on innovation and measurable results, our team brings together expert designers, developers, and AI specialists to craft digital experiences that engage, convert, and scale. Whether you’re launching a new brand, optimizing an existing platform, or automating your customer interactions through AI — we are your trusted partner in digital transformation. 🌐 What We Do: Web & App Development Search Engine Optimization (SEO) AI-Powered Chatbots & Automation Branding & Visual Identity Social Media & Performance Marketing 💡 Let’s build something extraordinary together — powered by creativity and intelligence. 📩 Reach out to explore how we can elevate your digital presence. Services Digital Marketing Email Marketing IT Consulting Program Management Project Management Virtual Assistance Application Development Blogging Content Strategy Engineering Design linkedin.com/in/entrepreneurdmএযে কারণে স্ট্রিং থিওরিি আছে আটকেhttps://www.linkedin.com/pulse/ইষটরণ-ইসলমক-সয়নস-টক-নউজ-৫ম-সসকরণ-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yfkec/ ইষটরণ-ইসলমক-সয়নস-টক-নউজ-৫ম-সসকরণ-muhammad-sheikh-ramzan-hossain-yfkec/ গ্র্যাভিটন আছে আটকেঃ WISTRC মনে করে গ.্যাভিটনের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের স্বীকৃতি আটকে আছে মিথ বা বদ্ধমূল ধারণার কারণে। এই ধারণার কারণে আমরা মহাকর্ষকে অপরাপর তিন বলের থেকে ভিন্ন মনে করছি। অথচ মহাকর্ষ বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়শনে থাকাকালীন সময়ে অপর তিন বলের সাথ সহাবস্থানে ছিল। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের পরও কিছুদিন চার ভাই একত্রে ছিল। পরে তিন বল অবস্থানগতভাবে পৃথক হলেও জাতে অভিন্ন থেকে যায় অর্থাৎ তিন বলই ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক চার্জধারী হলেও কেবল ভিন্ন ব্যাচেলার থেকে যায় মহাকর্ষ। তাই স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষের স্বীকৃতি নেই যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এ কারণে যে, পদার্থ বিজ্ঞানে সবচেয়ে উচ্চমার্গের অবদান দেওয়া হয়েছে মহাকর্ষকে অথচ স্ট্যান্ডার্ড মডেলল থিওরিতে এর স্বীকৃতি নেই। যেমন এনালগ থেকে ডিজিটালে পরিণতকারী বিশেষ আপেক্ষিকতা এমনকি সাধারণ আপেক্ষিকতার স্বীকৃতি নোবেল কমিটিতে না থাকায় আইনস্টাইন এই দুই আবিস্কারের জন্য নোবেবল পাননি। পেয়েছেন এমন বিষয়ে যার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিলেন স্বয়ং আইনস্টাইন। এ সব বিষয়কে বলা হয় হাইজেনবার্গর অনিশ্চয়তা তত্ত্ব। পৃথিবী তথা মহাবিশ্বের ঘটনা পরিঘটনা দেখে মনে হয় অতি স্বাভাবিক গতিতে এই পৃথিবী এই মহাবিশ্ব চলছে। বিশেষ করে নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে মনে হয় এই বিশ্ব চলছে গাণিতিক নিয়মে। এই নিয়মে একটি গাড়ীর অবস্থান জানা থাকলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে গাড়িটির ভর কত-এটাকে বলে নিশ্চয়তাবাদ।কিন্ত্ ১৯০১ কোয়ান্টাম মেকানিক্স নামে অতিপারমাণবিক জগতে যখন পদার্থ বিজ্ঞান প্রবেশ করে তখন বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়াবাদের সম্মুখীন হন- যাকে আরও উচ্চকিত করে হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদ। তাতে বলা হয়েছে ইলেকট্রন এমন এক কণা যার অবস্থান নিশ্চত করা গেলে ভর পাওয়া যায় না এবং ভর জানা গেলে অবস্থান জানা থাকে না। ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের মূল কথা ছিলঃ যা দেখা যায় না তার অস্তিত্ব নেই-এটা অনেকটা নিশ্চয়তা তত্ত্ব। পক্ষান্তরে কেআয়ান্টাম এবং অনিশচয়তাবাদে যা দেখা যায় না তা কণা ডিটেক্টরে যা কণা ডিটেক্টরে পাওয়া যায় না তা পাওয়া যেতে পারে তরঙ্গ ডিটেক্টরে। যা কণা ডিটেক্টরে পাওয়া যাবে না তা পাওয়া যেতে পারে ১০-১৮ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিরমাপক যন্ত্রে। স্ট্রিংকে দেখার জন্য বিজ্ঞানীরা শর্তারোপ করেছেন ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিরমাপক যন্ত্রে। যে যুক্তিতে পদার্থ বিজ্ঞান বস্তুগত অবকাঠামো বিবেচনায় প্রায় শত ভাগ ( পদার্থ বিজ্ঞানের দশ প্রধান অমীমাংসিত প্রশ্ন বাদে) সফল এবং মহাবিশ্বের মোট জ্ঞানের প্রায় অর্ধ শত ভাগ সাফল্যের দাবীদার সত্য অনেক সময় সরলতায় পাওয়া যায়, বক্রতা এবং দুর্বোধ্যতায় নয়-বলেছেন স্যার অআইজাক নিউটন (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)। সরলভাবে মহাবিশ্বকে জানার মাধ্যম ছিল গণিতনির্ভর নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞান যদ্বারা মহাবিশ্বের প্রায় শতভাগ সত্য আবিস্কারের দাবীদার ছিলেন স্বয়ং নিউটন। আলবার্ট আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেনঃ নিউটন প্রকৃতির সব ভাষা বুঝে ফেলেছেন। কেবল ভূমিকম্পের পূর্বাভাষ বাকী ছিল। ফলে নিশ্চয়তাবাদই হয়ে দাঁড়ায় বিজ্ঞানের মূল কথা।কটি নক্ষত্রের ভেতরে প্রচণ্ড মহাকর্ষীয় চাপ থাকতে হয়। এই চাপের ফলে ভেতরের হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো ফিউশন প্রক্রিয়ায় হিলিয়ামে পরিণত হয়। এই ফিউশন চলতে হয় একটানা অনেক দিন। এই প্রক্রিয়ার ফলেই তৈরি হয় প্রচণ্ড তাপ ও আলো, যা দেখে আমরা দূর থেকে বুঝতে পারি, ওটা একটা জ্বলজ্বলে নক্ষত্র।পৃথিবী থেকে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ আলোকবর্ষ দূরের এক নক্ষত্রজগৎ। সেখানে জ্বলজ্বল করছে টিওআই-২১৫৫ নামে একটি নক্ষত্র। সূর্যের চেয়ে এটি আকারে বেশ বড়, ভারী এবং গরমও বেশি। তবে এই নক্ষত্রটি নিয়ে বিজ্ঞানীদের খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে অন্য একটি জিনিস, যা এই নক্ষত্রটির চারপাশেই ঘুরপাক খাচ্ছে। জিনিসটার নাম দেওয়া হয়েছে টিওআই-২১৫৫বি। মজার ব্যাপার হলো, বিজ্ঞানীরা সরাসরি এই জিনিসটাকে দেখতে পাননি। যখন এই ছোট বস্তুটি তার মাতৃনক্ষত্রের সামনে দিয়ে পার হয়, তখন নক্ষত্রের আলো সামান্য একটু কমে যায়। আলোর এই সূক্ষ্ম পরিবর্তন মেপেই বিজ্ঞানীরা এর অস্তিত্ব টের পেয়েছেন। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। এটি আসলে কী? কোনো ছোট্ট নক্ষত্র, নাকি বিশাল কোনো গ্রহ? নাকি গ্রহ ও নক্ষত্রের মাঝামাঝি অদ্ভুত কোনো বস্তু? বিজ্ঞানীরা ঠিক এই জায়গায় এসেই হোঁচট খেয়েছেন! সম্প্রতি দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নাল-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই বস্তুটা আসলে কী, তা তারা এখনো নিশ্চিত নন। এটি এমন এক অদ্ভুত সীমারেখায় বসে আছে, যাকে পুরোপুরি নক্ষত্রও বলা যাচ্ছে না, আবার বাতিলও করা যাচ্ছে না। ২০২৬https://www.bigganchinta.com/space/lhtw2vge5a একটি নক্ষত্রের ভেতরে প্রচণ্ড মহাকর্ষীয় চাপ থাকতে হয়। এই চাপের ফলে ভেতরের হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো ফিউশন প্রক্রিয়ায় হিলিয়ামে পরিণত হয়। এই ফিউশন চলতে হয় একটানা অনেক দিন। এই প্রক্রিয়ার ফলেই তৈরি হয় প্রচণ্ড তাপ ও আলো, যা দেখে আমরা দূর থেকে বুঝতে পারি, ওটা একটা জ্বলজ্বলে নক্ষত্র।পৃথিবী থেকে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ আলোকবর্ষ দূরের এক নক্ষত্রজগৎ। সেখানে জ্বলজ্বল করছে টিওআই-২১৫৫ নামে একটি নক্ষত্র। সূর্যের চেয়ে এটি আকারে বেশ বড়, ভারী এবং গরমও বেশি। তবে এই নক্ষত্রটি নিয়ে বিজ্ঞানীদের খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে অন্য একটি জিনিস, যা এই নক্ষত্রটির চারপাশেই ঘুরপাক খাচ্ছে। জিনিসটার নাম দেওয়া হয়েছে টিওআই-২১৫৫বি। মজার ব্যাপার হলো, বিজ্ঞানীরা সরাসরি এই জিনিসটাকে দেখতে পাননি। যখন এই ছোট বস্তুটি তার মাতৃনক্ষত্রের সামনে দিয়ে পার হয়, তখন নক্ষত্রের আলো সামান্য একটু কমে যায়। আলোর এই সূক্ষ্ম পরিবর্তন মেপেই বিজ্ঞানীরা এর অস্তিত্ব টের পেয়েছেন। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। এটি আসলে কী? কোনো ছোট্ট নক্ষত্র, নাকি বিশাল কোনো গ্রহ? নাকি গ্রহ ও নক্ষত্রের মাঝামাঝি অদ্ভুত কোনো বস্তু? বিজ্ঞানীরা ঠিক এই জায়গায় এসেই হোঁচট খেয়েছেন!রহস্যময় টিওআই-২১৫৫বি! নাসার টেস স্যাটেলাইট এবং বিভিন্ন গ্রাউন্ড-বেজড টেলিস্কোপ ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা এর আকার ও ভর নিখুঁতভাবে মেপেছেন। পরিমাপে দেখা গেছে, এটি দেখতে প্রায় আমাদের ৌরজগতের বৃহস্পতি গ্পৃসথিবীররহের সমান। কিন্তু চমকে যাওয়ার মতো তথ্য হলো, এর ভর বৃহস্পতির চেয়ে প্রায় ৮০ গুণ বেশি। একদম নিখুঁতভাবে বললে ৮০.৬ গুণ! সম্প্রতি দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নাল-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই বস্তুটা আসলে কী, তা তারা এখনো নিশ্চিত নন। এটি এমন এক অদ্ভুত সীমারেখায় বসে আছে, যাকে পুরোপুরি নক্ষত্রও বলা যাচ্ছে না, আবার বাতিলও করা যাচ্ছে না। ২০২৬https://www.bigganchinta.com/space/lhtw2v৩২০০ পাউন্ডের মানমন্দির আছড়ে পড়বে পৃথিবীতে, শুরু হলো উদ্ধার অভিযান ০৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গল গ্রহের এক বছরের সিমুলেশনের জন্য স্বেচ্ছাসেবী নিচ্ছে নাসা ০৪ জুলাই ২০২৬ নভোচারীদের একটি স্পেসস্যুটের ওজন কত মঙ্গল গ্রহের এক বছরের সিমুলেশনের জন্য স্বেচ্ছাসেবী নিচ্ছে নাসা ০৪ জুলাই ২০২৬০৯ জুলাই ২০২৬ মৃত্যুদূতের নাম গ্রহাণু – ৮১৮ জুলাই ২০২৬ নিউজার্সির বাসিন্দার ছাদ ফুঁড়ে ঘরে পড়ল গ্রহাণু ১৬ জুলাই ২০২৬ ০৮ জুলাই ২০২৬ মহাকাশ বিজ্ঞানচিন্তা নিয়ে আরও পড়ুনMমহাকর্ষ তরঙ্গ কি ঘটনা দিগন্তের গবেষণায় নতুন দিশা দেখাবে ০৭ জুলাই নভোচারীদের একটি স্পেসস্যুটের ওজন কতodern life may be pushing human minds beyond their limits, study warns Modern life may be pushing human minds beyond their limits, study warns If it ever feels like the stresses of daily life are all getting too much to bear, you're not imagining it. Researchers claim that modern life is pushing human minds and bodies beyond their evolutionary limits. Humanity has seen staggering improvements in technology, medicine, and quality of life over the past few hundred years.However, this rapid progress has left our individual brains unable to keep up. Lead author Dr Jose Yong, of James Cook University in Singapore, told the Daily Mail: 'For more than 99 per cent of human history we lived as hunter–gatherers in small, kin–based communities surrounded by nature. 'In evolutionary terms, the shift to modern cities happened almost overnight.' Dr Yong says humans are like moths, whose instincts still haven't caught up with the invention of electric lights – sending them happily flying to their doom every evening. And according to the experts, this 'evolutionary mismatch' is responsible for everything from the epidemic of chronic anxiety to rising rates of obesity and short–sightedness.Our instinctive responses to stress, conflict, and social pressure have been fine–tuned by hundreds of thousands of years in these environments. But human society has now changed so rapidly, and so fundamentally, that our old evolutionary habits no longer help us to thrive. For example, Dr Yong and his co–authors point out that the horizons of our social landscape now stretch much further than our ancient ancestors could have ever envisioned. He says: 'Our ancestors lived in small, relatively egalitarian communities surrounded by people they knew well. 'Today, many city dwellers are surrounded by thousands of unrelated strangers while constantly being exposed to people with far greater wealth, status, or success.' At the same time, social media has allowed these interactions to 'play out to their logical extremes'. In our hunter–gatherer groups, it was easy to know where you stood in the group's social order, while competition was generally minimal and healthy.Today, the vast inequalities and uncertainty that we now face on a daily basis drive people into a constant state of comparison and competition. The researchers suggest that this has created a vicious feedback loop in which inequality drives competition that, in turn, fuels even greater inequalities. Dr Yong calls this the Social Evolutionary Mismatch and Competition Hypothesis, and claims that it could be the root of a vast array of problems facing the world today. In their paper, published in the journal Behavioural Sciences, the researchers explain how this mismatch can be linked to a rise in psychological disorders, overstimulation, cognitive overload, social disconnection, depression, and suicidality. The scientists even suggest that the mismatch could be the cause of tumbling fertility rates as people spend more time competing for status and resources rather than building families. But it isn't just the social world that has changed far faster than our brains and bodies could keep up with. Dr Yong also argues that the material world around us is now so different to our hunter–gatherer origins that it's causing serious physical and mental health problems. The natural environments that humans lived in for most of our evolutionary history have now been largely replaced by artificial habitats filled with technology. However, just like the moths that can't help but fly towards electric lights, our evolved instincts and behaviours haven't adapted to our new lives. 'People often report feeling more relaxed after spending time in nature, and we also know, for example, that childhood myopia is more common when children have less exposure to outdoor environments,' Dr Yong said. 'Artificial lighting interferes with our natural circadian rhythms, while many people working office jobs spend most of the day sitting down, despite evolving to benefit from regular movement.' At the same time, the researchers also warn of a bigger and more worrying change in our world. They argue that the world has now entered the era of the 'polycrisis', in which multiple crises entangle and spill over into one another. For example, climate change increases the frequency of droughts and crop failures, which then drives up the cost of living. That economic hardship then fuels political unrest, making governments more inward–looking and less willing to cooperate on shared challenges, such as climate change. Researchers say this 'mismatch' has been exacerbated by the ongoing 'polycrisis', an interconnected and overlapping web of crises such as climate change, droughts, food shortages, and political instability. Pictured: A farmer surveys his crops during the 2018 drought in New South Wales, Australia 'As a result, the world feels increasingly unstable, people feel like they're constantly in crisis mode, and it doesn't look like there's any single clear solution that can reverse the overall trend,' says Dr Yong. 'Perhaps the most troubling possibility is that some forms of evolutionary mismatch are pushing us towards what evolutionary biologists call an evolutionary trap. 'An evolutionary trap occurs when behaviours that were once adaptive become persistently maladaptive because the environment has changed, yet we continue responding using instincts that evolved for a different world.' An evolutionary mismatch creates a world that feels more competitive, naturally making people become more competitive in response. The problem, the researchers explain, is that when everyone does this, the world becomes much more hostile and competitive for everyone else. That may seem like a dire picture of the future, but the researchers suggest that change is still possible. For instance, they suggest that cities could be built with spaces that feel less crowded and overwhelming, while encouraging people to spend time in nature. Likewise, social media should be designed to reduce the intensity of competition between people, rather than drive it to a fever pitch. আধুনিক জীবন মানুষের মনকে তার সীমার বাইরে ঠেলে দিচ্ছে, গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে। যদি কখনও মনে হয় যে দৈনন্দিন জীবনের চাপগুলো অসহনীয় হয়ে উঠছে, তবে আপনি ভুল ভাবছেন না। গবেষকদের দাবি, আধুনিক জীবন মানুষের মন ও শরীরকে তাদের বিবর্তনগত সীমার বাইরে ঠেলে দিচ্ছে। গত কয়েকশ বছরে প্রযুক্তি, চিকিৎসা এবং জীবনযাত্রার মানের ক্ষেত্রে মানবজাতি অভাবনীয় উন্নতি দেখেছে। তবে, এই দ্রুত অগ্রগতির ফলে আমাদের প্রত্যেকের মস্তিষ্ক এর সাথে তাল মেলাতে পারছে না। সিঙ্গাপুরের জেমস কুক ইউনিভার্সিটির প্রধান গবেষক ডঃ জোসে ইয়ং ডেইলি মেইলকে বলেন: ‘মানব ইতিহাসের ৯৯ শতাংশেরও বেশি সময় ধরে আমরা প্রকৃতি দ্বারা পরিবেষ্টিত ছোট, আত্মীয়-স্বজন ভিত্তিক সম্প্রদায়ে শিকারী-সংগ্রাহক হিসেবে বাস করতাম।’ ‘বিবর্তনের দিক থেকে, আধুনিক শহরে এই পরিবর্তন প্রায় রাতারাতি ঘটেছে।’ ডঃ ইয়ং বলেন, মানুষ মথের মতো, যাদের সহজাত প্রবৃত্তি এখনও বৈদ্যুতিক আলোর আবিষ্কারের সাথে তাল মেলাতে পারেনি – যার ফলে তারা প্রতি সন্ধ্যায় আনন্দের সাথে নিজেদের ধ্বংসের দিকে উড়ে যায়। এবং বিশেষজ্ঞদের মতে, এই 'বিবর্তনীয় অমিল' দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগের মহামারী থেকে শুরু করে স্থূলতা এবং ক্ষীণদৃষ্টির ক্রমবর্ধমান হার পর্যন্ত সবকিছুর জন্য দায়ী। চাপ, সংঘাত এবং সামাজিক চাপের প্রতি আমাদের সহজাত প্রতিক্রিয়াগুলো এই পরিবেশে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে পরিমার্জিত হয়েছে। কিন্তু মানব সমাজ এখন এত দ্রুত এবং এত মৌলিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে যে, আমাদের পুরানো বিবর্তনীয় অভ্যাসগুলো আর আমাদের উন্নতিতে সাহায্য করে না। উদাহরণস্বরূপ, ডঃ ইয়ং এবং তাঁর সহ-লেখকরা উল্লেখ করেছেন যে, আমাদের সামাজিক পরিমণ্ডলের দিগন্ত এখন আমাদের প্রাচীন পূর্বপুরুষদের কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত। তিনি বলেন: 'আমাদের পূর্বপুরুষরা ছোট, তুলনামূলকভাবে সমতাভিত্তিক সমাজে বাস করতেন, যেখানে তারা ভালোভাবে পরিচিত মানুষদের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকতেন।' 'আজ, অনেক শহরবাসী হাজার হাজার অপরিচিত মানুষের দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একই সাথে তারা প্রতিনিয়ত অনেক বেশি সম্পদ, মর্যাদা বা সাফল্য সম্পন্ন মানুষের সংস্পর্শে আসছেন।' একই সময়ে, সামাজিক মাধ্যম এই মিথস্ক্রিয়াগুলোকে 'তাদের যৌক্তিক চরম সীমায়' পৌঁছানোর সুযোগ করে দিয়েছে। আমাদের শিকারী-সংগ্রাহক গোষ্ঠীগুলোতে, সামাজিক মর্যাদাক্রমে নিজের অবস্থান জানা সহজ ছিল, এবং প্রতিযোগিতাও সাধারণত ছিল নগণ্য ও স্বাস্থ্যকর। আজ, আমরা প্রতিদিন যে ব্যাপক বৈষম্য ও অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হই, তা মানুষকে অবিরাম তুলনা ও প্রতিযোগিতার এক অবস্থায় ঠেলে দেয়। গবেষকদের মতে, এটি একটি দুষ্টচক্র তৈরি করেছে, যেখানে বৈষম্য প্রতিযোগিতাকে উস্কে দেয়, যা আবার আরও বড় বৈষম্যকে ইন্ধন জোগায়।ডঃ ইয়ং একে ‘সামাজিক বিবর্তনীয় অমিল ও প্রতিযোগিতা তত্ত্ব’ (Social Evolutionary Mismatch and Competition Hypothesis) বলে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, এটিই আজকের বিশ্বের বহুবিধ সমস্যার মূল কারণ হতে পারে। ‘বিহেভিয়ারাল সায়েন্সেস’ (Behavioural Sciences) জার্নালে প্রকাশিত তাঁদের গবেষণাপত্রে গবেষকরা ব্যাখ্যা করেছেন, কীভাবে এই অমিল মানসিক ব্যাধি, অতিরিক্ত উদ্দীপনা, জ্ঞানীয় ভারাক্রান্ততা, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, বিষণ্ণতা এবং আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধির সাথে যুক্ত হতে পারে। বিজ্ঞানীরা এমনকি এও মনে করেন যে, এই অমিলই প্রজনন হার কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে, কারণ মানুষ পরিবার গঠনের পরিবর্তে মর্যাদা ও সম্পদের জন্য প্রতিযোগিতা করতে বেশি সময় ব্যয় করছে। কিন্তু শুধু সামাজিক জগৎই যে আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীরের সাথে তাল মেলানোর চেয়ে অনেক দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছে, তা নয়। ডঃ ইয়ং আরও যুক্তি দেন যে, আমাদের চারপাশের বস্তুগত জগৎ এখন আমাদের শিকারী-সংগ্রাহক উৎস থেকে এতটাই ভিন্ন যে এটি গুরুতর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমাদের বিবর্তনীয় ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় ধরে মানুষ যে প্রাকৃতিক পরিবেশে বাস করত, তা এখন মূলত প্রযুক্তিতে পরিপূর্ণ কৃত্রিম বাসস্থান দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। আধুনিক জীবন আমাদের বিবর্তনীয় অতীতের সাথে কোন কোন দিক থেকে অমিল? সামাজিক গোষ্ঠীগুলো এখন অনেক বড়। আমরা প্রতিদিন শত শত অপরিচিত মানুষের সংস্পর্শে আসি। সোশ্যাল মিডিয়া অপরিচিতদের সাথে প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দেয়। সামাজিক ব্যবস্থায় আমাদের অবস্থান কোথায়, তা জানা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রাকৃতিক কাঠামোর জায়গা নিয়েছে মনুষ্যসৃষ্ট কাঠামো। আমাদের জীবন ক্রমশ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে। প্রাকৃতিক খাবারের জায়গা নিয়েছে অতি-প্রক্রিয়াজাত বিকল্প। কৃত্রিম আলো প্রাকৃতিক দিন-রাতের চক্রের জায়গা নিয়েছে। এমনকি গত ২০০ বছরে আমাদের খাদ্যাভ্যাসও নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, যেখানে প্রাকৃতিক পণ্যের জায়গা নিয়েছে অতি-প্রক্রিয়াজাত ও উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত বিকল্প। তবে, ঠিক যেমন পতঙ্গরা বৈদ্যুতিক আলোর দিকে উড়ে না গিয়ে পারে না, তেমনি আমাদের বিবর্তিত প্রবৃত্তি এবং আচরণ আমাদের নতুন জীবনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারেনি। ডঃ ইয়ং বলেন, ‘প্রকৃতিতে সময় কাটানোর পর মানুষ প্রায়শই আরও স্বস্তি বোধ করার কথা জানান, এবং আমরা এটাও জানি, উদাহরণস্বরূপ, শিশুরা যখন বাইরের পরিবেশে কম সময় কাটায়, তখন তাদের মধ্যে মায়োপিয়া (ক্ষীণদৃষ্টি) বেশি দেখা যায়।’ ‘কৃত্রিম আলো আমাদের স্বাভাবিক সার্কাডিয়ান ছন্দে ব্যাঘাত ঘটায়, অন্যদিকে অফিসের চাকরিতে কর্মরত অনেক মানুষ দিনের বেশিরভাগ সময় বসে কাটান, যদিও নিয়মিত নড়াচড়ার উপকারের জন্যই তাদের বিবর্তন ঘটেছে।’ একই সাথে, গবেষকরা আমাদের বিশ্বে একটি বৃহত্তর এবং আরও উদ্বেগজনক পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছেন। তারা যুক্তি দেন যে বিশ্ব এখন 'বহু-সংকট' (polycrisis) বা বহু-সংকটের যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে একাধিক সংকট একে অপরের সাথে জড়িয়ে পড়ে এবং ছড়িয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, জলবায়ু পরিবর্তন খরা এবং ফসলহানির পুনরাবৃত্তি বাড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি করে। সেই অর্থনৈতিক সংকট রাজনৈতিক অস্থিরতাকে উস্কে দেয়, যা সরকারগুলোকে আরও আত্মকেন্দ্রিক করে তোলে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা করতে তাদের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। গবেষকরা বলছেন, চলমান 'বহু-সংকট' (polycrisis) এই 'অসামঞ্জস্য'কে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই বহু-সংকট হলো জলবায়ু পরিবর্তন, খরা, খাদ্য সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মতো সংকটগুলোর একটি আন্তঃসংযুক্ত ও পরস্পর-ব্যাপ্ত জাল। ছবিতে: অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে ২০১৮ সালের খরার সময় একজন কৃষক তার ফসল পরিদর্শন করছেন। ডঃ ইয়ং বলেন, 'এর ফলে, বিশ্বকে ক্রমশ অস্থিতিশীল বলে মনে হচ্ছে, মানুষ মনে করছে তারা ক্রমাগত সংকটময় পরিস্থিতিতে রয়েছে, এবং এমন কোনো একক সুস্পষ্ট সমাধান আছে বলে মনে হচ্ছে না যা এই সামগ্রিক প্রবণতাকে পাল্টে দিতে পারে।' 'সম্ভবত সবচেয়ে উদ্বেগজনক সম্ভাবনাটি হলো, বিবর্তনীয় অসামঞ্জস্যের কিছু রূপ আমাদেরকে এমন একটি পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে যাকে বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানীরা 'বিবর্তনীয় ফাঁদ' (evolutionary trap) বলে থাকেন।' 'বিবর্তনীয় ফাঁদ তখন ঘটে যখন পরিবেশ পরিবর্তিত হওয়ার কারণে একসময় অভিযোজনমূলক আচরণগুলো ক্রমাগত অ-অভিযোজনমূলক হয়ে ওঠে, অথচ আমরা এমন প্রবৃত্তি ব্যবহার করে প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকি যা একটি ভিন্ন বিশ্বের জন্য বিবর্তিত হয়েছিল।' একটি বিবর্তনীয় অসামঞ্জস্য এমন একটি বিশ্ব তৈরি করে যা আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক বলে মনে হয়, এবং স্বাভাবিকভাবেই এর প্রতিক্রিয়ায় মানুষ আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে। গবেষকরা ব্যাখ্যা করেন, সমস্যাটি হলো, যখন সবাই এমনটা করে, তখন বাকি সবার জন্য পৃথিবীটা অনেক বেশি প্রতিকূল ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে। ভবিষ্যতের এই চিত্রটি হয়তো ভয়াবহ মনে হতে পারে, কিন্তু গবেষকরা বলছেন যে পরিবর্তন এখনও সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, তারা পরামর্শ দেন যে শহরগুলোকে এমনভাবে তৈরি করা যেতে পারে যেখানে স্থানগুলো কম জনাকীর্ণ ও বিশৃঙ্খল মনে হবে এবং একই সাথে মানুষকে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে উৎসাহিত করবে। একইভাবে, সামাজিক মাধ্যমগুলোকেও মানুষের মধ্যে প্রতিযোগিতার তীব্রতা চরমে না নিয়ে গিয়ে, তা কমানোর জন্য ডিজাইন করা উচিত। https://www.msn.com/en-xl/health/general/modern-life-may-be-pushing-human-minds-beyond-their-limits-study-warns/ar-AA28ENWs?ocid=msedgntp&pc=U531&cvid=6a656ab354ec47fca8dbdc3befa8cec0&ei=29 CAMPAIGN OF THE UNITED WORLD Prime Minister of CANADA https://www.linkedin.com/feed/update/urn:li:ugcPost:7486789872217841665?commentUrn=urn%3Ali%3Acomment%3A%28ugcPost%3A7486789872217841665%2C7486797147686903808%29&dashCommentUrn=urn%3Ali%3Afsd_comment%3A%287486797147686903808%2Curn%3Ali%3AugcPost%3A7486789872217841665%29 UN Secretary General: https://www.linkedin.com/feed/update/urn:li:ugcPost:7486789872217841665?commentUrn=urn%3Ali%3Acomment%3A%28ugcPost%3A7486789872217841665%2C7486821733606555648%29&dashCommentUrn=urn%3Ali%3Afsd_comment%3A%287486821733606555648%2Curn%3Ali%3AugcPost%3A7486789872217841665%29 https://www.linkedin.com/feed/update/urn:li:ugcPost:7486789872217841665?commentUrn=urn%3Ali%3Acomment%3A%28ugcPost%3A7486789872217841665%2C7486821733606555648%29&dashCommentUrn=urn%3Ali%3Afsd_comment%3A%287486821733606555648%2Curn%3Ali%3AugcPost%3A7486789872217841665%29 জগৎ সৃষ্টির বিবরণ ১ ১ আদিতে ঈশ্বর অআকাশ মন্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টি করিলেন। অআদি পুস্তকঃ পুরাতন নিয়মঃ বাইবেল সোসাইটি বিবরণ ২ ২ পৃথিবী ঘোর ও শুন্য ছিল, এবং অন্ধকার জলধির উপরে ছিল, অআত্মা জলের ওপরে অবস্থিতি ৩ করিতেছিল। পরে ঈশ্বর কহিলেন, দীপ্তি হউক, তাহাতে দীপ্তি হইল। ৪ এবং ঈশ্বর অন্ধকার হইতে দ্বিপ্তি পৃথক ৫ করিলেন। অআর ঈশ্রর দীপ্তির নাম দিবস ও অন্ধকারের নাম রাত্রি রাখিলেন। অআর সন্ধ্যা ও প্রাতঃকাল হইলে প্রথম দিবস হইল (এ ক্ষেত্রে ইসলামের দিবস রীতি একীভূত)। ৬ পরে ঈশ্বর কহিলেন, জলের মধ্যে বিস্তান হউক ও জলকে দুই ভাগে ৭ পৃথক করুক। ঈশ্বর এইরূপে বিতান করিয়া বিতানের উর্ধ্বস্থিত জল হইতে অধ্বঃস্থিত জল পৃথক করিলেন; ৮ তাহাতে সেইরূপ হইল, পরে ঈশ্বর বিতানের নাম অআকাশ মন্ডল রাখিলেন। অআর সন্ধ্যা ও প্রাতঃকাল হইলে দ্বিতীয় দিবস হইল। ৯ পরে ঈশ্বর কহিলেন, অআকাশ মন্ডলের নীচস্থ সমস্ত জল এক স্থানে সংগৃহীত হউক ও স্থল সপ্রকাশ হউক; তাহাতে ১০ সেইরূপ হইল। তখন ঈশ্বর স্থলের নাম ভূমি ও জলরাশির নাম সমুদ্র রাখিলেন; অআর ঈশ্বর দেখিলেন যে, ১১ তাহা উত্তম। পরে ঈশ্বর কহিলেন, ভূমি, তৃণ, বীজোৎপাদক ওষধি ও সবীজ স্ব স্ব জাতি অনুযায়ী ফলের উৎপাদক ফলবৃক্ষ ভূমির উপরে উৎপন্ন করুক। ১২ তাহাতে সেইরূপ হইল। ফলতঃ ভূমি তৃণ, স্ব স্ব জাতি অনুযায়ী সবীজ ফলের উৎপাদক বৃক্ষ উৎপন্ন করিল;অআর ঈশ্বর দেখিলেন যে, সে সকল ১৩ উত্তম। মহা জ্যোতি, ক্ষুদ্র জ্যোতি ২০. পরে ঈশ্বর কহিলেন, জল নানা জাতীয় জঙ্গম প্রাণি বর্গে প্রাণিময় হউক..পক্ষীগন উড়ুক ২২ অআর ঈশ্বর সে সকলকে অআশির্বাদ করিয়া কহিলেন, তোমরা প্রজ্ঞাবন্ত ও বহু বংশ হও, সমুদ্রের জল পরিপূর্ণ কর এবং পৃথিবীকে পক্ষিগণের বাহুল্য হউক। ..২৪ পরে ঈশ্বর কহিলেন, ভূমি নানা জাতীয় প্রাণিবর্গ অর্থাৎ স্ব স্ব জাতি অনুযায়ী গ্রামা পশু, সরীসৃপ ও বন্য পশু উৎপন্ন করুক; তাহাতে সেইরূপ ২৫ হইল। ফলতঃ ঈশ্বর স্ব স্ব জাতি অনুযায়ী যাবতীয় ভূচর, সরীসৃপ নির্মাণ করিলেন। ২৬ পরে ঈশ্বর কহিলেন অআমরা অআমাদের প্রতিমূর্ততে অআমাদের সাদৃশ্য মনুষ্য নির্মাণ করি; অআর তাহারা সমুদ্রের মৎস্যদের উপরে, অআকাশের পক্ষীদের উপরে সমস্ত পৃথিবীর উপরে ও ভূমিতে গমণশীল যাবতীয় সরীসৃপের উপরে কর্তৃত্ব করুক। এইরূপে অআকাশ মন্ডল ও পৃথিবী এবং তদুভয়স্থ সমস্ত বস্তুব্যুহ সমাপ্ত হইল। অআর সদাপ্রভূ দেখিলেন পৃথিবীতে মনুষ্যের দুষ্টতা বড়, এবং তাহার অন্তকরণের চিন্তার সমস্ত কল্পনা নিরন্তর কেবল মন্দ। তাই সদা প্রভূ পৃথিবীতে মনুষ্যের নির্মাণ প্রযুক্ত অনুশোচনা প্রযুক্ত করিলেন, ও মনঃপীড়া পাইলেন। অআর সদা প্রভূ কহিলেন, অআমি যে মনুষ্যকে সৃষ্টি করিয়াছি, তাহাকে ভূমন্ডল হইতে উচ্ছিন্ন করিব ও মানুষ্যের সহিত পশু, সরীসৃপ জীব ও অআকাশের পক্ষীদিগকেও উচ্ছিন্ন করিব; কেননা তাহাদের নির্মাণ প্রযুক্ত আমার অনুশোচনা হইতেছে। কিন্তু নোহ সদা প্রভূর দৃষ্টিতে অনুগ্রহ প্রাপ্ত হইলেন। (অআদি পুস্তক, পৃষ্ঠা ৮[৬;৩-২২] এর ৬ঃ৫ অধ্যায়৬ঃ ১৭ঃ আর দেখ আকাশের নীচে প্রাণ বায়ু বিশিষ্ট যত জীব জন্তু আছে সকলকে বিনষ্ট করণার্থে আমি পৃথিবীর উপরে জল প্লাবন আনিব, পৃথিবীস্থ সকলে প্রাণ ত্যাগ করিবে, কিন্তু তোমার (নোহ) সহিত আমি আপনার নিয়ম স্থির করিব। তুমি আপন পুত্রগণ, স্ত্রী ও পুত্রবধুদিগকে সঙ্গে লইয়া সেই ৬ঃ১৯ জাহাজে প্রবেশ করিবে। নিউটনের স্মরণীয় উক্তি "ব্যাখ্যা করার চেয়ে নিজের জীবনকে একটি বিস্ময়কর আশ্চর্য (উক্তিচিহ্ন বা এক্সক্লেমেশন) হিসেবে বাঁচো।" [০.৫.৮] হোমScientistsআইজ্যাক নিউটনের কয়েকটি বিখ্যাত বাণী/উক্তি | Famous Quotes of Isaac Newton আইজ্যাক নিউটনের কয়েকটি বিখ্যাত বাণী/উক্তি | Famous Quotes of Isaac Newton আগস্ট ০৫, ২০২৩ আইজ্যাক নিউটন আইজ্যাক নিউটন বিজ্ঞানের এমন কোন শাখা নেই যেখানে স্যার আইজ্যাক নিউটনের পদচারণা ছিল না। বলা যায় যে তার পরশে বিজ্ঞানের সব জায়গাতে শুধু রত্ন আর রত্ন ফলেছে। গনিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা ও পদার্থবিদ্যায় তার গবেষণার ফলেই সারা পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছিল বিরাট আলোরন। ৬) আমি কতটুকু কি করতে পেরেছি জানি না কিন্তু পৃথিবীর এই বিপুল জ্ঞানভান্ডারের জানার ক্ষেত্রে আমি সাগরের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা এক শিশুর মত, যে শুধু সারাজীবন নুড়িই কুড়িয়ে গেল। সমুদ্রের জলরাশির মত বিশাল এই জ্ঞান আমার অজানাই থেকে গেল। ৭) মহাকর্ষ সবসময় আমাদের এটি ব্যাখা করতে পারে যে গ্রহগুলো কিভাবে ঘুরছে। কিন্তু এটি ব্যাখা করতে পারে না যে কে গ্রহগুলোকে এই অবস্থায় রেখেছেন। আজকের লেখায় দেখব মহৎ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটনের বিজ্ঞানীর বিখ্যাত কিছু বাণী। ৮) আমি জানিনা বিশ্বের কাছে আমি কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছি, কিন্তু আমার কাছে আমার নিজেকে মনে হয় এক ছোট বালক যে কেবল সমুদ্র উপত্যকায় খেলা করছে এবং একটি ক্ষুদ্র নুড়ি বা ক্ষুদ্রতর এবং খুব সাধারণ পাথর সন্ধান করছে, অথচ সত্যের মহাসমুদ্র তার সম্মুখে পড়ে রয়েছে যা অনাবিষ্কৃতই রয়ে গেল। ১০) অভিকর্ষ গ্রহসমূহের গতির বিষয়টি ব্যাখ্যা করে, কিন্তু এটি ব্যাখ্যা করতে পারেনা, কে গ্রহগুলোকে গতিশীল হিসেবে নির্দিষ্ট স্থানে স্থাপন করে দিলে। ঈশ্বর সকল কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং যা কিছু ঘটছে বা যা কিছু ঘটা সম্ভব তার সবই তিনি জানেন। আরও দেখুন ডার্ক ম্যাটার কী দিয়ে তৈরি? — বিজ্ঞানীদের শীর্ষ ধারণা | What is Dark Matter Made Of? আমাদের মহাবিশ্ব এক বিশাল রহস্যভাণ্ডার। তারই এক গভীরতম রহস্য হলো ডার্ক ম্যাটার। আমরা ডার্ক ম্যাটার দেখতে পাই না, ছুঁতে পারি না, এমনকি সরাসরি মাপতেও পারি না। কিন্তু তার অস্তিত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই — কারণ ডার্ক ম্যাটারের অদৃশ্য মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পুরো মহাবিশ্বকে প্রভাবিত করে চলেছে। গবেষকদের মতে, মহাবিশ্বের মোট ভরের প্রায় ৮৫ শতাংশই ডার্ক ম্যাটার দিয়ে গঠিত। অথচ, আমরা জানি না এটি আসলে কী। এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা নানা রকম তত্ত্ব ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন। নিচে ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কে সবচেয়ে আলোচিত ধারণাগুলো তুলে ধরা হলো: ১. উইম্পস (WIMPs) — দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়াশীল ভারী কণিকা অনেক বিজ্ঞানীর মতে, ডার্ক ম্যাটার আসলে WIMPs নামের বিশেষ কণিকা দিয়ে তৈরি। WIMPs হলো এমন কণিকা, যারা সাধারণ পদার্থের মতো নয়। এরা অন্য কণিকার সঙ্গে খুব কম পরিমাণে বা দুর্বলভাবে প্রতিক্রিয়া করে, তাই সরাসরি ধরা পড়ে না। ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বের জন্মলগ্নে এই কণিকাগুলো তৈরি হয়েছিল এবং আজও তারা মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিশেষ ধরনের পরীক্ষাগারে এদের খোঁজে প্রচেষ্টা চলছে, তবে এখনো নিশ্চিতভাবে তাদের পাওয়া যায়নি। ২. অ্যাক্সিয়ন (Axions) — অতিক্ষুদ্র ও হালকা কণিকা অন্য এক তত্ত্ব বলছে, ডার্ক ম্যাটার গঠিত হতে পারে অ্যাক্সিয়ন নামের অতিক্ষুদ্র ও হালকা কণিকা দিয়ে। অ্যাক্সিয়নরা এতটাই হালকা ও দুর্বল যে তারা মহাকাশে একেবারে শান্তভাবে ভেসে বেড়ায়। গবেষকরা মনে করেন, বিশেষ ধরনের শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রের ভেতর অ্যাক্সিয়নের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। বর্তমানে বিশ্বের নানা প্রান্তে এ নিয়ে গবেষণা চালানো হচ্ছে। স্টেরাইল নিউট্রিনো কোনো বলের সাথে প্রতিক্রিয়া করে না, শুধু মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রভাব ফেলে। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, যদি এই ধরনের কণিকা থেকে ডার্ক ম্যাটার তৈরি হয়ে থাকে, তবে তা আবিষ্কার করতে গেলে নতুন ধরনের গবেষণাপদ্ধতির প্রয়োজন হবে। ৪. ম্যাকোস (MACHOs) — অদৃশ্য মহাজাগতিক বস্তু আরেকটি ধারণা হলো, ডার্ক ম্যাটার আসলে তৈরি এমন বস্তু দিয়ে যেগুলো খুব বড় ও ভারী — কিন্তু আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। এদের বলা হয় MACHOs, পুরো নাম Massive Compact Halo Objects। এতে থাকতে পারে পুরনো মৃত নক্ষত্র, নিউট্রন তারা, ছোট ব্ল্যাক হোল ইত্যাদি।এ ধরনের বস্তু মহাকাশের গ্যালাক্সির চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে পারে এবং সম্মিলিতভাবে তাদের মাধ্যাকর্ষণ বল ডার্ক ম্যাটারের প্রভাব তৈরি করতে পারে। তবে এ ধারণারও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, কারণ পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত পর্যাপ্ত MACHOs পাওয়া যায়নি। ৫. একেবারে নতুন কোনো কণিকা বা বল? বিজ্ঞানীরা আজকাল এমন কথাও বলছেন — হতে পারে ডার্ক ম্যাটার একেবারে নতুন ধরনের কোনো কণিকা বা বল দিয়ে তৈরি। এমন কিছু, যা বর্তমান পদার্থবিজ্ঞান এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি।হয়তো ডার্ক ম্যাটার আমাদের কাছে এক নতুন বিশ্ব উন্মোচন করবে, যেখানে প্রচলিত তত্ত্বের বাইরের নতুন নিয়ম কাজ করে। এই দিক থেকে চিন্তা করলে, ডার্ক ম্যাটার খুঁজে পাওয়ার অর্থ হবে শুধু এক রহস্যের সমাধান নয়, বরং সম্পূর্ণ নতুন এক বিজ্ঞানের শুরু! উপসংহার ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণা চলছে বিশ্বজুড়ে। নানা পরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও মডেল তৈরি করা হচ্ছে — কখনো গহীন পাহাড়ের নিচে, কখনো মহাকাশের বুকে। একদিন আমরা হয়তো জানবো, এই অদৃশ্য কণিকাগুলো আসলে কী দিয়ে তৈরি। সেই দিন মহাবিশ্বের অনেক অজানা অধ্যায় উন্মুক্ত হবে — এবং হয়তো আমরা নিজেরাই মহাবিশ্বের সম্পর্কে এক নতুন চোখে দেখতে শিখবো। আপাতত, ডার্ক ম্যাটার আমাদের কল্পনা ও অনুসন্ধানের এক অসীম অনুপ্রেরণা! https://www.wisilife.com/2025/04/what-is-dark-matter-made-of-bangla.html Physics Scientists Mathematics Also read :পর্যায় সারণী: রসায়নবিদ্যার এক মাস্টারপিস | The Periodic Table স্যার আইজ্যাক নিউটনের বিখ্যাত উক্তি/বাণী ১) প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরিত প্রতিক্রিয়া আছে। ২) চাতুর্য হচ্ছে এমন একটি গুণ যেখানে আপনি নিজের বক্তব্য সহজেই উপস্থাপন করতে পারবেন এবং তা কোন শত্রু না তৈরি করেই। AI উত্তর ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ হলো একটি অনলাইন গবেষণাভিত্তিক প্রকাশনা ও নিবন্ধ সিরিজ। এটি মূলত বিজ্ঞান, মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব এবং ইসলামের দৃষ্টিতে জ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে।মূল বিষয়বস্তুপ্রকাশনা: [ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (৫ম সংস্করণ)](linkedin.com% জুলাই ২০২৬ সালে প্রকাশিত হয়।মহাবিশ্ব তত্ত্ব: বিগ ব্যাং, ডার্ক এনার্জি, এবং পদার্থের উৎস নিয়ে বৈজ্ঞানিক ও ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গির তুলনামূলক বিশ্লেষণ।জ্ঞানের উৎস: ইসলামী পরিভাষায় অন্তর্দৃষ্টি ও আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কারের পার্থক্য ও সংযোগ।আপনি কি এই প্রকাশনার নির্দিষ্ট কোনো সংস্করণ বা এর ভেতরের কোনো বিশেষ বৈজ্ঞানিক বা তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা সম্পর্কে আরও জানতে চান?5টি সাইটইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (চতুর্থ সংস্করণ)ঃ গবেষণা ...২৩ জুন, ২০২৬ — আল ইদ্রিসি কর্তৃক অঙ্কিত পৃথিবীর মানচিত্র (১২ শতক), এতে উপরের দিকে দক্ষিণ দিক নির্দেশিত হয়েছে। নীচের দিকঃ উত্তরাংশে উত্তর-দক্ষিণ ...LinkedIn·Muhammad Sheikh Ramzan Hossainইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ, বাংলাদেশ (দ্বিতীয় সংস্করণ৪ জুন, ২০২৬ — ইসলামীমতে সর্বোত্তম জ্ঞান হচ্ছেঃ দীনের সহীহ জ্ঞান। অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন জ্ঞানকে ইসলামী পরিভাষায় রুশদ, ইলহাম, ইলকা বলা হয়। অন্তর্...LinkedIn·Muhammad Sheikh Ramzan Hossainসব দেখুন উদাহরণস্বরূপ এক প্রাচীন অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন বুজুর্গ হাতে একটি সবুজ পাতা নিলেন এবং গভীর অন্তর্দৃষ্টি সহকারে দৃষ্টিপাত করলেন অতঃপর এক বিকট শব্দ করে প্রাণত্যাগ করলেন। আরেক বুজুর্গ ব্রাজিলের হয়েও খেলতে পারতেন মেসি, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার প্রতীক হয়ে আছেন। তবে নতুন এক ইতিহাস অনুসন্ধানে উঠে এসেছে অজানা তথ্য। মেসির পরিবারের শেকড় ব্রাজিলেও ছিল। অন্য পরিস্থিতিতে তার জীবনের গল্প হয়তো ভিন্ন পথে যেতে পারত। একটু এদিক-ওদিক হলে ব্রাজিলের হলুদ জার্সিও উঠতে পারত মেসির গায়ে। এই গবেষণা প্রথম প্রকাশ করে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো। গবেষণাটি করেছেন ইতালির ইতিহাসবিদ ফিওরেনজো সান্তিনি। তিনি মেসির পারিবারিক বংশতালিকা খুঁজে বের করেন। সেখানে দেখা যায়, মেসির এক প্রপিতামহ ব্রাজিলের সাও পাওলো রাজ্যে জন্ম নিয়েছিলেন। পরে বিশ শতকের শুরুর দিকে তার পরিবার আর্জেন্টিনায় চলে যায়। এই গল্প শুরু হয় মেসির প্রপিতামহের বাবা রানিয়েরো কোচেত্তিনিকে দিয়ে। তার জন্ম ইতালির সান সেভেরিনো মার্কেতে। স্ত্রী রোজা রিচেজ্জাকে নিয়ে তিনি ব্রাজিলে চলে আসেন। সে সময় ইতালি থেকে দক্ষিণ আমেরিকায় বহু মানুষ পাড়ি জমাচ্ছিলেন। এই পরিবারও সেই স্রোতের অংশ ছিল। পরিবারটি সান্তোস বন্দরে এসে পৌঁছায়। সে সময় একটা সাধারণ ঘটনা ঘটত। অভিবাসন নথিভুক্তির সময় অনেকের নাম-পদবি বদলে যেত। রানিয়েরো কোচেত্তিনির নাম নথিতে হয়ে যায় রামিয়েরো কনসেন্তিনি। পরিবারের পদবিও বছরের পর বছর ধরে নানাভাবে বদলাতে থাকে। পরে পরিবারটি সাও পাওলোর গ্রামাঞ্চলে চলে যায়। সেখানে তারা কৃষিকাজ করত। মার্তিনিও প্রাদো জুনিয়রের খামারে তারা কাজ করত। তিনি ছিলেন সেই অঞ্চলের একজন বড় কফি ব্যবসায়ী। এই সময়েই তাদের এক সন্তান জন্ম নেয় রিবেইরাও প্রেতোতে। নথিভুক্তির সময় তার নামও আবার বদলে যায়। আর্দেরিগো কোচেত্তিনি হয়ে যান ফেদেরিকো কুচ্চিতিনি। ইনিই লিওনেল মেসির প্রপিতামহ হন। ব্রাজিলে পরিবারটির অবস্থান বেশিদিন টেকেনি। ফেদেরিকো কুচ্চিতিনির বয়স যখন মাত্র এক বছর, তখন পুরো পরিবার আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে চলে যায়। এই শহরেই পরে জন্ম নেয় ফুটবল দুনিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত এক পরিবারের গল্প। এরপর থেকে পরিবারের পুরো ইতিহাস আর্জেন্টিনাতেই এগিয়েছে। ব্রাজিলের সঙ্গে সরাসরি সব সম্পর্ক প্রায় হারিয়ে যায়। বহু বছর পর রোজারিওতেই জন্ম নেন লিওনেল মেসি। তিনি হয়ে ওঠেন ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়। এই তথ্য সামনে আসার পর ফুটবলপ্রেমীদের মনে একটাই প্রশ্ন জাগে। মেসি কি তাহলে ব্রাজিলের হয়ে খেলতে পারতেন? ইতিহাসের দিক থেকে দেখলে, গবেষণাটি নিশ্চিত করে যে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের পারিবারিক শেকড় ব্রাজিলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। শুধু এই কারণে অবশ্য মেসি ব্রাজিল জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা পেতেন না। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা নির্ভর করে নাগরিকত্ব ও আইনি সম্পর্কের ওপর। দূর পূর্বপুরুষের জন্মস্থান একা এই যোগ্যতা দেয় না। মেসির ক্ষেত্রে তার জন্ম, নাগরিকত্ব, ফুটবল শিক্ষা এবং পুরো ক্রীড়া জীবন আর্জেন্টিনার সঙ্গেই যুক্ত ছিল। যুব পর্যায় থেকে শুরু করে বিশ্বকাপ জেতা পর্যন্ত তিনি এই দেশের হয়েই খেলেছেন। তবে মেসি ব্রাজিলের হয়ে খেললেও খেলতে পারতেন। যদি না তার প্রপিতামহের পিতা রানিয়েরো কোচেত্তিনি সাও পাওলো ছেড়ে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে পাড়ি জমাতেন। ফিওরেনজো সান্তিনির এই গবেষণা আট বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর পারিবারিক ইতিহাসে যোগ করেছে আরেকটি বিস্ময়কর অধ্যায়। আজ লিওনেল মেসিকে আর্জেন্টিনা ছাড়া অন্য কোনো দেশের জার্সিতে কল্পনা করাও প্রায় অসম্ভব। অথচ তিনি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা হওয়ার এক শতাব্দীরও বেশি আগে, তার পরিবারের একটি অংশ ব্রাজিলের গ্রামাঞ্চলে বসবাস করেছিল। এই ইতিহাস এখন আবার ফুটবল দুনিয়ার সামনে এসে হাজির হয়েছে।https://www.jugantor.com/sports/1131492 Indeed, practically every religion has developed misconceptions over time. These misconceptions are often based on faulty or mistaken beliefs, or they're simply the failure to understand these religions properly. Not only are these myths off base, they've also created conflicts and prejudice against believers. From the Abrahamic religions to Hinduism and Buddhism, let's debunk their biggest misconceptions. Click on for more. প্রকৃতপক্ষে, সময়ের সাথে সাথে প্রায় প্রতিটি ধর্মেই কিছু ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। এই ভুল ধারণাগুলো প্রায়শই ত্রুটিপূর্ণ বা ভ্রান্ত বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, অথবা এগুলো কেবল ধর্মগুলোকে সঠিকভাবে বুঝতে না পারার ফল। এই পৌরাণিক কাহিনীগুলো শুধু ভিত্তিহীনই নয়, এগুলো বিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে সংঘাত ও বিদ্বেষও সৃষ্টি করেছে। আব্রাহামীয় ধর্মগুলো থেকে শুরু করে হিন্দুধর্ম এবং বৌদ্ধধর্ম পর্যন্ত, আসুন তাদের সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলো খণ্ডন করা যাক। আরও জানতে ক্লিক করুন। বস্তুু থেকে যা পাওয়া যায়ঃ ১) জোরে আছাড় মারলে দুই ভাগ থেকে একাধিক ভাগ। বার বার হাতুড়ি-শাবল দিয়ে আঘাত করলে চূর্ণ-বিচূর্ণ থেকে শুরু করে গুড়া গুড়া পাউডারে পরিণত হবে যাকে আরবীতে জাররা বলা হয়। ডেমোক্রিটাস এই পাউডারকে আরও ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র-সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণ করে অ্যাটমে পরিণত করে যা কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত স্থিতি থাকার পর রাদার ফোর্ড অআর ভাঙা যাবে না-ডেমোক্রিটাসের বদ্ধমূল ধারণাকে ভেঙ্গে নিউক্লিয়াসে অতঃপর মারে গেলমান কোয়ার্ক পর্যন্ত পৌঁছার পর এ পর্যন্ত অআর কোনো বস্তুকে চাক্ষুষ সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণকরণে সমর্থ হয়নি। কোয়ার্কের সূক্ষ্ণতা হচ্ছে ১০-১৬ সেন্টিমিটার। বিজ্ঞানীদের হাতে রয়েছে ১০-১৭ সেন্টিমিটার ক্ষুদ্রতা দর্শী ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ-যদ্বারা কোয়ার্কের চাইতে ক্ষুদ্র অতিপারমাণবিক কণার সন্ধান পাওয়া গেলে তদ্বারা দেখা সম্ভবপর হতে পারে। তবে সায়েন্স ফিকশনরূপে বিজ্ঞানীরা সাধারণ কিংবা বিশেষ জ্ঞান তথা প্রচলিত পদার্থ কেন্দ্রিক বিজ্ঞানে নয়-বরং অন্তঃকরনীয় অন্তর্দৃষ্টিতে (আরবীতে কাশফ বলা হয়) এমন এক কণার অস্তিত্ব অনুভব করছেন-যার সূক্ষ্ণতার পরিমাণ হচ্ছেঃ ১০-৩৩ সেন্টিমিটার। কোয়ার্কের ক্ষুদ্রতার চাইতে দ্বিগুণেরও অধিক-যা এই মুহুর্তে বিজ্ঞানীদের জন্য অনেকটা আকাশ কুসুম কল্পনা মাত্র। AI উত্তর 'ইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ' হলো বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং ইসলামের মেলবন্ধন ও গবেষণা নিয়ে প্রকাশিত একটি অনলাইন প্রকাশনা বা নিবন্ধ ধারাবাহিক।মূল বিষয়বস্তুইসলাম ও বিজ্ঞান: বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের পারস্পরিক সম্পর্ক ও ইতিহাস।গবেষণা ও প্রকাশনা: বিভিন্ন সংখ্যায় মহাবিশ্বের রহস্য, প্রাচীন ইসলামিক সভ্যতার বিজ্ঞানীদের অবদান এবং আধুনিক প্রযুক্তির নানা দিক নিয়ে আলোচনা।আপনি কি এই প্রকাশনাটির নির্দিষ্ট কোনো সংস্করণ, লেখকের তথ্য নাকি ইসলাম ও বিজ্ঞান সম্পর্কিত কোনো বিশেষ নিবন্ধ সম্পর্কে জানতে চান?https://share.google/aimode/UtRcY45AyqUbCCpzH The Sun’s magnetic field flipped—what happens next? The Sun’s magnetic field flipped—what happens next? ©Shutterstock In an awe-inspiring yet little-known cosmic event, the Sun has once again flipped its magnetic field. This dramatic shift, where the Sun’s north and south magnetic poles swap places, is a fundamental aspect of solar dynamics and signals the peak of solar activity. While this phenomenon might seem distant and abstract, its effects extend far beyond the Sun itself. A magnetic field reversal influences many aspects of space and our planet. Scientists have been tracking this event with great interest, using advanced space observatories to study how the Sun’s evolving magnetic field influences the solar system. So, what causes the Sun’s magnetic field to reverse? How does it affect Earth, and what can we expect in the coming months and years? Click through this gallery to find out. সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র উল্টে গেছে—এরপর কী হবে? এক বিস্ময়কর অথচ স্বল্প-পরিচিত মহাজাগতিক ঘটনায়, সূর্য আবারও তার চৌম্বক ক্ষেত্র উল্টে দিয়েছে। এই নাটকীয় পরিবর্তন, যেখানে সূর্যের উত্তর ও দক্ষিণ চৌম্বক মেরু স্থান বদল করে, তা সৌর গতিবিদ্যার একটি মৌলিক দিক এবং এটি সৌর কার্যকলাপের সর্বোচ্চ পর্যায়কে নির্দেশ করে। যদিও এই ঘটনাটি দূরবর্তী এবং বিমূর্ত মনে হতে পারে, এর প্রভাব খোদ সূর্যের বাইরেও বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। চৌম্বক ক্ষেত্রের এই বিপরীতমুখী পরিবর্তন মহাকাশ এবং আমাদের গ্রহের অনেক দিককে প্রভাবিত করে। বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত আগ্রহের সাথে এই ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সূর্যের পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র কীভাবে সৌরজগতকে প্রভাবিত করে তা অধ্যয়নের জন্য উন্নত মহাকাশ পর্যবেক্ষণাগার ব্যবহার করছেন। তাহলে, কী কারণে সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র উল্টে যায়? এটি পৃথিবীকে কীভাবে প্রভাবিত করে, এবং আগামী মাস ও বছরগুলোতে আমরা কী আশা করতে পারি? জানতে এই গ্যালারিটি দেখুন। গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করবেন যেভাবে
এই অপরাধটি প্রায়ই দেখা যায়। হোটেলে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও তুলে রাখছে কেউ। অবকাশযাপন করতে গিয়ে তাতেই পড়তে হয় বিপদে। তবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোটেল রুমে গোপন ক্যামেরা আছে, সেটা সহজেই বুঝতে পারবেন। স্মার্টফোনের সাহায্যেই ধরে ফেলতে পারবেন রুমের গোপন ক্যামেরা। আয়নাতে টোকা দিন: আঙুলের গিঁট দিয়ে আয়নাতে টোকা দিন। আয়না যেহেতু দেয়ালে বসানো আছে, সুতরাং নরমাল আয়না হলে তা সাধারণ ফ্ল্যাট আওয়াজ করবে। কিন্তু টু ওয়ে মিরর হলে আয়নায় আঘাত করলে ফাঁপা শব্দ করবে। লাইট ব্যবহার করুন: কোনো ফ্লাশ লাইট বা সেলফোনের লাইট বা টর্চলাইটের আলো ফেলুন আয়নার ওপর। আয়নার খুব কাছে থেকে আলোটি ফেলুন। সম্ভব হলে ঘরের অন্য লাইট বন্ধ করে দিন, শুধু আপনার হাতের ওই আলোটি ছাড়া। এটা টু ওয়ে মিরর হলে, অন্য পাশে কী আছে যা দেখা যাবে। ফোনের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করুন: ঘরে রাখা গোপন ক্যামেরা চিহ্নিত করা সম্ভব ফ্ল্যাশলাইটের মাধ্যমে। এজন্য ঘরের আলো নিভিয়ে দিতে হবে। এরপর ঘরের যে অংশে ক্যামেরা লুকানো থাকতে পারে, সেই জায়গায় ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালাতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো এয়ার ভেন্ট, স্মোক ডিটেক্টর, অ্যালার্ম ক্লক অথবা আয়না। ছোট্ট একটি রিফ্লেক্টিভ গ্লিন্ট অথবা লেন্সের মতো সারফেস খুঁজতে হবে কিছু সন্দেহজনক বিষয় চোখে পড়লে সেই জায়গাটি খুঁটিয়ে দেখতে হবে। স্মার্টফোনের জন্য তৈরি বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করে গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করা সম্ভব। এই অ্যাপগুলো ইনফ্রারেড আলো, চৌম্বকক্ষেত্র এবং অস্বাভাবিক সংকেত শনাক্ত করতে পারে। নির্ভরযোগ্য একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে সেটির মাধ্যমে রুমের সন্দেহজনক স্থান পরীক্ষা করতে হবে। অনেক গোপন ক্যামেরা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে। স্মার্টফোন দিয়ে রুমের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত যন্ত্র শনাক্ত করা সম্ভব। স্মার্টফোনের ওয়াই-ফাই সেটিংসে গিয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত যন্ত্রগুলোর তালিকা দেখতে হবে।https://www.jugantor.com/lifestyle/1129876 ওষুধ খেয়েও কমছে না উচ্চ রক্তচাপ? জেনে নিন দৈনন্দিন ৫টি ‘নীরব’ ভুল
উচ্চ রক্তচাপকে অকারণেই ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয় না। দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন নিয়ম মেনে চিকিৎসকের দেওয়া রক্তচাপের ওষুধ খাচ্ছেন, খাবারে অতিরিক্ত কাঁচা লবণ খাওয়া বন্ধ করেছেন, তবুও ডিজিটাল মিটারে রক্তচাপের রিডিং ১৪০/৯০-এর নিচে না নামায় হতাশ হয়ে পড়ছেন। নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পরও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না এলে আমরা সাধারণত বংশগত কারণকে দায়ী করি অথবা ওষুধের ডোজ বাড়ানো দরকার বলে ধরে নিই। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, আসল অপরাধী লুকিয়ে থাকে আমাদের খুব কাছেই—দৈনন্দিন কিছু অজানা অভ্যাস ও অনভ্যাসের ভেতরেই, যা অগোচরে আমাদের হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীর স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আপনিও যদি ভেবে থাকেন যে ওষুধ খাওয়ার পরও কেন আপনার রক্তচাপ কমছে না, তবে এখনই নিজের জীবনযাত্রার দিকে নজর দেওয়ার উপযুক্ত সময়। এনডোকোক্রাইন সিস্টেম ও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য স্বাভাবিক রাখতে যে ৫টি সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি, তা নিচে আলোচনা করা হলো: ১. প্রক্রিয়াজাত খাবারের লুকানো সোডিয়ামকে অবহেলা করা অনেকেই ভাবেন খাবারের প্লেটে বা তরকারিতে কাঁচা লবণ খাওয়া বন্ধ করলেই সোডিয়ামের ঝুঁকি শেষ। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য বলছে, খাবারে ব্যবহৃত সোডিয়ামের প্রায় ৭৫ শতাংশই আসে প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার থেকে। দোকানের পাউরুটি, প্যাকেটজাত সুপ, ইনস্ট্যান্ট নুডুলস, আচার, পাপড় ও সিরিয়ালের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবারে স্থায়িত্ব ও স্বাদ বাড়ানোর জন্য প্রচুর সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। এই অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তে তরলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে রক্তনালীর দেওয়ালে অবিরাম চাপ সৃষ্টি হয়। তাই লবণের কৌটা দূর করার পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবারের উপাদানের তালিকা পড়ে সোডিয়ামের মাত্রা দেখে নেওয়া জরুরি। ২. পটাশিয়ামের গুরুত্ব না বোঝা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের আলোচনায় সোডিয়াম নজর কাড়লেও পটাশিয়াম থেকে যায় অবহেলিত। মানবদেহে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম বিপরীতমুখী হয়ে তরলের ভারসাম্য রক্ষা করে। পটাশিয়াম প্রাকৃতিক উপাদানের মতো কাজ করে, যা কিডনির মাধ্যমে অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দেয় এবং রক্তনালীর পেশিকে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি ও পূর্ণশস্যের অভাব থাকলে পটাশিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়, যা শরীরকে পানি ধরে রাখতে বাধ্য করে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। ৩. ঘরে রক্তচাপ মাপার ভুল পদ্ধতি বাড়িতে নিয়ম করে রক্তচাপ মাপা ভালো অভ্যাস হলেও ভুল পদ্ধতি আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে এসেই রক্তচাপ মাপা, পা ক্রস করে বসা কিংবা মানসিক চাপের মুহূর্তে রিডিং নিলে সিস্টোলিক রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যায়। এই ভুয়া রিডিং মানসিক উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়, যা রক্তচাপকে আরও ওপরে তোলে। সঠিক নিয়ম: রক্তচাপ মাপার আগে কমপক্ষে ৫ মিনিট শান্ত হয়ে বসুন। পা মেঝের সঙ্গে সমান্তরাল রাখুন, পিঠের পেছনে সাপোর্ট দিন এবং হাতটি হৃদপিণ্ডের সমউচ্চতায় কোনো টেবিলে রাখুন। মাপা চলার সময় কথা বলা বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকানো থেকে বিরত থাকুন। ৪. দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপকে হালকাভাবে নেওয়া মানসিক চাপ কেবল কোনো আবেগের বিষয় নয়, এটি সরাসরি শারীরিক ক্ষতি করে। কর্মক্ষেত্রের চাপ বা পারিবারিক দুশ্চিন্তার কারণে শরীরের অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে অনবরত কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনগুলো হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয় এবং রক্তনালীকে সংকুচিত করে ফেলে। দীর্ঘদিন ধরে এমনটা চলতে থাকলে রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে যায় এবং রক্তচাপ স্থায়ীভাবে উঁচুতে অবস্থান করে। ৫. রাতের পর্যাপ্ত ঘুমে ছাড় দেওয়া আজকের ব্যস্ত জীবনে ঘুম কমানো যেন এক স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। তবে ঘুম কোনো বিলাসি বস্তু নয়, এটি হৃদযন্ত্রকে পুনরায় সতেজ করার এক প্রাকৃতিক উপায়। গভীর ঘুমের সময় মানবদেহের রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমে যায়, যা রক্তনালীগুলোকে বিশ্রাম ও নিরাময়ের সুযোগ দেয়। যারা রাতে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের এই স্বয়ংক্রিয় বিশ্রামপ্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়। ফলে দিনের বেলাতেও স্নায়ুতন্ত্র অতিরিক্ত সক্রিয় থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে রক্তনালীর ক্ষতি করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাতে পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পরিশেষে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা কেবল একটি ছোট ট্যাবলেট গেলার ওপর নির্ভর করে না। দৈনন্দিন জীবনের এই সূক্ষ্ম ভুলগুলো শুধরে নিয়ে জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনলেই কেবল ওষুধ সঠিকভাবে কাজ করবে এবং হৃদযন্ত্র তার স্বাভাবিক সুস্থতা ফিরে পাবে। সূত্র: এনডিটিভি লাইফলাইন ৩. ঘরে রক্তচাপ মাপার ভুল পদ্ধতি বাড়িতে নিয়ম করে রক্তচাপ মাপা ভালো অভ্যাস হলেও ভুল পদ্ধতি আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে। সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে এসেই রক্তচাপ মাপা, পা ক্রস করে বসা কিংবা মানসিক চাপের মুহূর্তে রিডিং নিলে সিস্টোলিক রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যায়। এই ভুয়া রিডিং মানসিক উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়, যা রক্তচাপকে আরও ওপরে তোলে। সঠিক নিয়ম: রক্তচাপ মাপার আগে কমপক্ষে ৫ মিনিট শান্ত হয়ে বসুন। পা মেঝের সঙ্গে সমান্তরাল রাখুন, পিঠের পেছনে সাপোর্ট দিন এবং হাতটি হৃদপিণ্ডের সমউচ্চতায় কোনো টেবিলে রাখুন। মাপা চলার সময় কথা বলা বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকানো থেকে বিরত থাকুন। ৪. দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপকে হালকাভাবে নেওয়া মানসিক চাপ কেবল কোনো আবেগের বিষয় নয়, এটি সরাসরি শারীরিক ক্ষতি করে। কর্মক্ষেত্রের চাপ বা পারিবারিক দুশ্চিন্তার কারণে শরীরের অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে অনবরত কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনগুলো হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয় এবং রক্তনালীকে সংকুচিত করে ফেলে। দীর্ঘদিন ধরে এমনটা চলতে থাকলে রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে যায় এবং রক্তচাপ স্থায়ীভাবে উঁচুতে অবস্থান করে। ৫. রাতের পর্যাপ্ত ঘুমে ছাড় দেওয়া আজকের ব্যস্ত জীবনে ঘুম কমানো যেন এক স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। তবে ঘুম কোনো বিলাসি বস্তু নয়, এটি হৃদযন্ত্রকে পুনরায় সতেজ করার এক প্রাকৃতিক উপায়। গভীর ঘুমের সময় মানবদেহের রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমে যায়, যা রক্তনালীগুলোকে বিশ্রাম ও নিরাময়ের সুযোগ দেয়। যারা রাতে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের এই স্বয়ংক্রিয় বিশ্রামপ্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়। ফলে দিনের বেলাতেও স্নায়ুতন্ত্র অতিরিক্ত সক্রিয় থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে রক্তনালীর ক্ষতি করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাতে পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পরিশেষে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা কেবল একটি ছোট ট্যাবলেট গেলার ওপর নির্ভর করে না। দৈনন্দিন জীবনের এই সূক্ষ্ম ভুলগুলো শুধরে নিয়ে জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনলেই কেবল ওষুধ সঠিকভাবে কাজ করবে এবং হৃদযন্ত্র তার স্বাভাবিক সুস্থতা ফিরে পাবে। সূত্র: এনডিটিভি লাইফলাইন প্রত্যেক বিষয় জোড়া জেড়া স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার রয়েছে জোড়া গুণ ১) ইসমি যাত ২) ইসমি সিফাত স্বভাবগত ভাবে জামালি এবং জালালি। মহানবী স. একাধারে আহামাদ স. এবং মুহাম্মাদ সা. দিনে মুজাহিদ রাতে জাহিদ। মহাবিশ্বও জোড়া জোড়া বস্তুগত অবস্তুগত। স্থল এবং শুন্য। আকাশ এবং স্থল যথা চাঁদসহ সকল উপগ্রহ,পৃথিবীসহ সকল গ্রহ, সূর্যসহ সকল নক্ষত্র, ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে সহ সকল গ্যালাক্সি। আদি পিতা হযরত আদম আলাইহিমুস সালামের দেহ পৃথিবীর একাধিক পাহাড়ের মাটির সমন্বয়ে হিকমাত দ্বারা সৃষ্ট পক্ষান্তরে রূহ সম্পূর্ণ কুদরাতিভাবে কুন জাতীয় কুদরাতি আদেশে সৃষ্ট। মহাবিশ্বের দৃশ্যমান অস্তিত্ব বস্তুগত অবকাঠামো বিশিষ্ট এবং মহাবিশ্বের পরিচালনা-ব্যবস্থাপনা অবস্তুগত অদৃশ্যমান মহাপরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময় এবং সর্বশক্তিমান সত্বা বিশিষ্ট। মহাবিশ্ব সৃষ্টির ভিত্তি জোড়া জোড়া। ১) কুদরাত ২) হিকমাত। কুদরাত হচ্ছে সম্পূর্ণ বিনা উপকরণ-উপাদান থেকে মুক্ত সুবাহা-ন এবং অমুখাপেক্ষি অনির্ভরশীলভাবে সামাদ সৃষ্ট। যেমন জমিনের একত্রিতরূপ কুন নামক কুদরাতি শব্দে সৃষ্ট। যাকে মডার্ণ কসমালজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে বলা হয় হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েন যার বিস্ফোরণকে বলা হয় বিগ ব্যাগ যা থেকে মহাবিশ্বের উদ্ভব। রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণে রয়েছে হিকমাতের মহাপ্রকাশ। এই বিস্ফোরণ কোনো দূর্ঘটনা ছিল না, যদি নিছক দূর্ঘটনা হতো তাহলে এন্ট্রপি শীতল মুখী না হয়ে উষ্ঞমুখী হতো । উল্লেখ্য,বৈজ্ঞানিক ভাষ্যমতে Highest Energetic Radiation-এ মহাবিস্ফোরণ (big bang) ঘটার পর মুহুর্তে তাপমাত্রা 10³ºk থেকে দ্রুত 10²8-এ নেমে আসে তখন (highest energetic photon) কণিকারা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটিয়ে পদার্থ কণিকা হিসেবে প্রথম বারের মত ‘কোয়ার্ক’ এবং এন্টি কোয়ার্ক এর জন্ম দেয়। অতঃপর তাপমাত্রা যখন আরো নিচে নেমে 10¹³k কেলভিনে দাঁড়ায় তখন কোয়ার্ক এবং এন্টি কোয়ার্কের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় এর ব্যাপক ধ্বংস সাধন ঘটে এবং অবশিষ্ট থেকে যায় কিছু কোয়ার্ক। এরপর যখন তাপমাত্রা আরো কমে গিয়ে 10¹ºk কেলভিন-এ দাঁড়ায় তখন ৩টি কোয়ার্ক (১টি আপ কোয়ার্ক এবং ২টি ডাউন কোয়ার্ক মিলিত হয়ে প্রোটন কণিকা (Proton Particle) এবং ৩টি কোয়ার্ক (২টি আপ কোয়ার্ক এবং ১টি ডাউন কোয়ার্ক) মিলিত হয়ে নিউট্রন কণিকা (Neutron Particle) সৃষ্টি হতে থাকে। তারপর তাপমাত্রা যখন 10000000000 কেলভিন-এ নেমে আসে তখন পরিবেশ আরো অনুকুলে আসায় সৃষ্ট প্রোটন কণিকা ও নিউট্রন কণিকা পরষ্পর মিলিত হয়ে প্রথমবারের মত মহাবিশ্বে এটমিক নিউক্লি গঠিত হতে থাকে। এরপর তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে 1000000000 কেলভিন তখন এটমিক নিউক্লি মহাবিশ্বে বিক্ষিপ্ত ভাবে ছুটে চলা ইলেকট্রনিক কণিকাকে (Electronic Particle) চর্তুদিকের কক্ষপথে ধারণ করে। ফলে প্রথমবারের মত অণু'র (atoms) সৃষ্টি হয়। আরও পরে যখন তাপমাত্রা ৩,০০০ কেলভিনে উপনীত হয় তখন মহাবিশ্বের মূল সংগঠন গ্যালাক্সি (Galaxy) সৃষ্টি হতে থাকে। পরবর্তীতে এর ভেতর নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ ইত্যাদি সৃষ্টি হতে থাকে। অতঃপর তাপমাত্রা যখন আরো নিম্নগামী হয়ে মাত্র ৩ কেলভিনে নেমে আসে তখন সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় পৃথিবীতে গাছ-পালা, জীব-জন্তু ও প্রাণের ব্যাপক সমাবেশ সমাগম ঘটতে থাকে- ত্তাপবিশিষ্ট হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের উত্তাপ ক্রমান্বয়ে ...থেকে বেড়ে ............কিন্তু উত্তাপ ক্রমান্বয়ে কমে গিয়ে হিমাংকের নীচে নেমে আবার ক্রমান্বয়ে বেড়ে এমন স্তরে গিয়ে স্থির হয়েছে যা পৃথিবীর জীব বৈচিত্র্যের সহায়ক। ধারণা করা হচ্ছেঃ মহাবিস্ফোরণের মিশন ভিশন বা মূল লক্ষ্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে। কারণ, এন্ট্রপি এর উত্তাপের মাত্রা পৃথিবীতে পন্চাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসে স্থির হয়ে প্রাণীর প্রাণ ধারণ উপযোগিতা,চাঁদ সূর্যের সেটিংও পৃথিবী কেন্দ্রিক এবং পৃথিবীর জলবায়ুর সহায়ক। বস্তুও জোড়া জোড়া। জড় এবং প্রাণ, দেহ এবং রূহ বা আত্মা। ইসলামী সৃষ্টি তত্ত্বের পথে বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রায় ১৫০০ কোটি থেকে ২০০০ কোটি বৎসর পূর্বে Highest Energetic Radiation নামক “মহাসূক্ষ্ণ” বিন্দুটি 10³3 e.s.a তাপমাত্রায় স্থিতিশীল ছিল।পশ্চাৎপদ বিকিরণ (Back Ground Radiation) আবিস্কারের ফলে বিজ্ঞান এ সত্য মানব জাতিকে অবগত করাতে সক্ষম হয় যে, শুণ্য থেকে সৃষ্ট উক্ত Highest Energetic Radiation নামক মহাআলোক গোলকটি মহাবিস্ফোরণ (Big Bang) এর পূর্বে (১) আলো (২) শক্তি ও (৩) তাপ-এই ত্রিমাত্রিক অবস্থায় বিরাজমান ছিল অর্থাৎ় তাপমাত্রার পরিমাণ ছিল 10³3 ডিগ্রি কেলভিন অর্থাৎ ১০,০০০ কোটি, কোটি, কোটি, কোটি ডিগ্রি কেলভিন। বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই মোনাজাত ধরলেন ইয়ামাল বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই আবেগঘন এক মুহূর্তের দেখা মিলল লামিনে ইয়ামালের কাছ থেকে। ম্যাচ শেষের পরপরই তিনি মোনাজাতে স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দেন। শেষ বাঁশি যখন বেজেছে, তাকে মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। হাত জোড় করে কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে বসেছিলেন তিনি। এরপর দুই হাতে মুখ ঢেকে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকেন এই তরুণ তারকা। দীর্ঘ আর কঠিন একটা টুর্নামেন্ট শেষে শিরোপা জয়ের আবেগ তার চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল। ব্যক্তিগত জীবনে খুব বেশি ধর্ম পালন না করলেও ধর্ম সম্পর্কে একেবারে উদাসীনও নন ইয়ামাল। এই তো বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলের পরই সিজদায় অবনত হয়ে তিনি স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। এবার বিশ্বজয়ের পর মোনাজাত ধরতে দেখা গেল তাকে। ২০২৫ সালের রমজানে তিনি আলোচনায় এসেছিলেন রোজা রেখে। সে বছর বেনফিকার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রোজা রেখে খেলতে নেমেছিলেন তিনি। রোজা অবস্থাতেই করেছিলেন অ্যাসিস্ট, ইফতারের পর করেছিলেন গোল। তার জন্য বার্সেলোনায় বিশেষ ব্যবস্থাও থাকে রমজানের সময়ে। গেল মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর ছাদখোলা বাসে করে বের হওয়া উৎসব মিছিলে তিনি ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনার রাস্তায় তখন প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন দলকে অভিনন্দন জানাতে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার সমালোচনা করেন। অন্যদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়। সেই ইয়ামাল এবার স্পেনের বিশ্বজয়ের সারথী। এরপরই স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দিতে দেখা গেল তাকে।https://www.jugantor.com/sports/1129312 যে কারণে বাতিল হয়েছিল স্পেনের দুটি গোল মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালের অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের এক গোল নিয়ে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্প্যানিশ তারকা নিকো উইলিয়ামসের একটি বাতিল করা হয়। এরপর অফসাইডে বাতিল হয় আরেকটি গোল। যদিও ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দেয় স্পেন। প্রথম গোলের ঘটনার শুরু স্পেনের আক্রমণ থেকে। বলটি আর্জেন্টিনার বক্সে পৌঁছালে মিকেল মেরিনোর চাপের মুখে নিকোলাস ওতামেন্দি মাটিতে পড়ে যান। এরপর স্প্যানিশ বদলি খেলোয়াড় মেরিনো গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের সঙ্গে বলের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন। বলটি গিয়ে পড়ে নিকো উইলিয়ামসের সামনে, আর তিনি সহজেই জালে পাঠান। তবে গোলটি সঙ্গে সঙ্গেই বাতিল করে দেন ম্যাচের রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। তার সিদ্ধান্ত ছিল, গোলের আগে মিকেল মেরিনো আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ওতামেন্দির ওপর ফাউল করেছিলেন। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, মেরিনো ওতামেন্দিকে সামান্য স্পর্শ করেছিলেন। তবে রেফারি মনে করেন, বলের জন্য লড়াইয়ের সময় মেরিনোর পা ওতামেন্দির পায়ে লেগেছিল, যা ফাউল হিসেবে গণ্য হয়। অন্যদিকে স্পেনের খেলোয়াড়দের দাবি, সংস্পর্শটি খুবই সামান্য ছিল এবং ওতামেন্দি সেটিকে বাড়িয়ে দেখিয়েছেন। তাদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে খেলা থামিয়ে গোল বাতিল করার মতো কোনো কারণ ছিল না। রেফারির এই সিদ্ধান্তে স্প্যানিশ ফুটবলাররা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের বিশ্বাস, গোলটি বহাল থাকলে ম্যাচের ভাগ্য অনেক আগেই নির্ধারিত হয়ে যেতে পারত। অবশ্য এরপরে ফেররান তরেসের একটি গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে একা পেয়ে বল জালে জড়িয়ে দিয়েছিলেন তরেস। তবে এই দুটি গোলই বাতিল করে রেফারি।https://www.jugantor.com/sports/1129305 মেজাজ হারিয়ে গার্সিয়া-গাভিকে ধাক্কা দিলেন পারেদেস, দেখলেন লাল কার্ডও আর্জেন্টিনা ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে। শেষ বাঁশি বাজার পরপরই মাঠে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। মেজাজ হারিয়ে বসেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, পাবলো গাভিকে ধাক্কা দিয়ে দেখেন লাল কার্ডও। স্পেনের খেলোয়াড়রা শিরোপা জয়ের আনন্দে মাঠের মাঝখানের দিকে দৌড়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় কয়েকজন খেলোয়াড় নাহুয়েল মলিনার পাশ দিয়ে চলে যান। এতে বিরক্ত হন আর্জেন্টিনার এই ডিফেন্ডার। এরপর রদ্রি মাঝখানে এসে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন। তবে এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে মলিনার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকলে সেখানে চলে আসেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এরপরই ঘটনাটা হাতাহাতির দিকে মোড় নেয়। হারের পর নিজের মেজাজ হারিয়ে ফেলেন পারেদেস। পুরো ঘটনার কেন্দ্রে চলে আসেন তিনি। এরিক গার্সিয়াকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন তিনি। এতে দুই দলের খেলোয়াড়রাই দৌড়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি নিজে এসে গার্সিয়াকে টেনে সরিয়ে নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে এখানেই ঘটনা থামেনি। এরপর গাভিকেও জোরে ধাক্কা দেন পারেদেস। এতে আবার নতুন করে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। শেষমেশ সতীর্থ আর ম্যাচ কর্মকর্তারা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্পেনের শিরোপা উদযাপনের আনন্দ কিছুক্ষণের জন্য এই ঘটনায় ম্লান হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার জন্য এটা ছিল একটা হতাশাজনক সমাপ্তি। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি খেলোয়াড়রা। ম্যাচের মধ্যে আগেই একটা হলুদ কার্ড দেখেছিলেন পারেদেস। ম্যাচ শেষে এই ঘটনার জন্য তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়।https://www.jugantor.com/sports/1129313 AI উত্তর আপনার অনুসন্ধানকৃত 'ইস্টার্ন ইসলামিক সায়েন্স-টেক' এর নির্দিষ্ট কোনো বিশ্বব্যাপী পরিচিত নিউজ পোর্টাল নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে 'ইস্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক' নামে বিভিন্ন গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং বাংলাদেশে 'ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি' নামে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলাম ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে।গবেষণা ও প্রকাশনা: ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স-টেক রিসার্চ সেন্টার মহাবিশ্ব, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নিয়মিত বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে।নতুন বিশ্ববিদ্যালয়: আধুনিক বিজ্ঞান এবং ইসলামিক শিক্ষার সমন্বয়ে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে সাভারের বাইপাইলে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বাংলাদেশ’ কার্যক্রম শুরু করেছে।বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাম্প্রতিক সব খবর ও আপডেটের জন্য আপনি দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিজিট করতে পারেন। https://www.jugantor.com/islam-life/1131648 ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি মুসলিম’— ধর্মীয় বিদ্রূপে লামিনে ইয়ামালের দৃঢ় প্রতিবাদ ফুটবল শুধু প্রতিযোগিতার মঞ্চ নয়, এটি বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মানুষের মিলনেরও একটি বড় ক্ষেত্র। কিন্তু কখনো কখনো এই আবেগের জায়গাতেই উঠে আসে বর্ণবাদ, বিদ্বেষ ও ধর্মীয় বিদ্রূপের মতো নেতিবাচক বিষয়। এমন এক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলেন স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিনে ইয়ামাল। প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া একটি ধর্মীয় বিদ্রূপাত্মক স্লোগানের পর তিনি নিজের পরিচয় আড়াল না করে গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করেন— ‘আমি একজন মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ।’ ঘটনার সূত্রপাত গত ৩১ মার্চ ২০২৬ বার্সেলোনার আরসিডিই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্পেন ও মিশরের মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। দুই দলের পারফরম্যান্স ছিল বেশ কাছাকাছি। তবে ম্যাচকে ঘিরে স্পেনের কিছু সমর্থকের আচরণ নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। ম্যাচ দেখতে আসা কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক মিশরীয় খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে একটি স্লোগান দিতে থাকে— “El que no bote es un musulmán” যার অর্থ— ‘যে লাফাবে না বা ভালো খেলতে পারবে না, সে মুসলিম।’ স্প্যানিশ ফুটবল সংস্কৃতিতে প্রতিপক্ষকে উদ্দেশ্য করে ‘যে লাফাবে না, সে…’ ধরনের ছড়া বা স্লোগান দেওয়ার প্রচলন দীর্ঘদিনের। তবে ওই ঘটনায় সমালোচনার কারণ ছিল— মিশরের খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে বিদ্রূপ করতে তাদের মুসলিম পরিচয়কে ব্যবহার করা। সমর্থকেরা হয়তো এটিকে শুধুই প্রতিপক্ষকে খোঁচা দেওয়ার একটি পদ্ধতি হিসেবে দেখেছিল। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল, যে দলের সমর্থনে তারা এই স্লোগান দিচ্ছে, সেই স্পেন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় লামিনে ইয়ামাল নিজেই একজন গর্বিত মুসলিম। তাই ‘মুসলিম’ শব্দটিকে বিদ্রূপ হিসেবে ব্যবহার করা শুধু মিশরীয় খেলোয়াড়দের নয়, ইয়ামালের নিজের পরিচয়ের প্রতিও অসম্মান হিসেবে ধরা পড়ে। ইয়ামালের জবাব— ‘আমি একজন মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ’। ঘটনার পরদিন, অর্থাৎ ১ এপ্রিল ২০২৬, ইয়ামাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি নিজের মুসলিম পরিচয় গর্বের সঙ্গে তুলে ধরে লেখেন— ‘আমি একজন মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ।’ তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল স্টেডিয়ামে আমরা শুনেছি স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল— ‘যে লাফাবে না সে মুসলিম’। আমি জানি, এটি প্রতিপক্ষ দলকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছিল, ব্যক্তিগতভাবে আমাকে লক্ষ্য করে নয়। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে আমার কাছে এটি অত্যন্ত অসম্মানজনক। এমন আচরণ আমরা মেনে নিতে পারি না।’ ইয়ামাল আরও লেখেন, ‘আমি বুঝি, সব সমর্থক এমন নন। তবে যারা এই ধরনের স্লোগান দিয়েছেন, তাদের বলব— ফুটবল স্টেডিয়ামে মানুষকে উপহাস করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা আপনাদের অজ্ঞতা ও বর্ণবাদী মানসিকতার পরিচয় দেয়।’ তিনি ফুটবলের প্রকৃত চেতনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ফুটবল উপভোগ ও ভালোবাসার জায়গা। কার পরিচয় কী বা কে কোন বিশ্বাস ধারণ করে, তা নিয়ে অপমান করার জায়গা নয়।’ ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে একটি বার্তা লামিনে ইয়ামালের এই প্রতিক্রিয়া শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রতিবাদ ছিল না; বরং বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাড়তে থাকা ধর্মীয় বিদ্বেষ ও ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে একটি শক্ত অবস্থান হিসেবে দেখা হয়। তিনি দেখিয়েছেন, নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকিয়ে নয়, বরং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করেও একজন ক্রীড়াবিদ বিশ্বমঞ্চে সফল হতে পারেন। ইয়ামাল কখনোই তার মুসলিম পরিচয় গোপন করেননি। পেশাদার ফুটবলের কঠোর অনুশীলন, ব্যস্ত সূচি ও শারীরিক চাপের মধ্যেও তিনি রমজান মাসে রোজা পালনের বিষয়টি আগেও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। ধর্মীয় পরিচয় ও খেলাধুলার সম্মান মিশরের খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে দেওয়া ওই স্লোগান মূলত একটি নির্দিষ্ট দলকে লক্ষ্য করে হলেও এর মধ্যে থাকা ধর্মীয় বিদ্রূপ অনেকের কাছেই আপত্তিকর হয়ে ওঠে। ইয়ামাল সেই জায়গাতেই মনে করিয়ে দিয়েছেন— খেলাধুলার মাঠে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, কিন্তু ঘৃণা, বিদ্বেষ বা কোনো মানুষের বিশ্বাসকে অপমান করার স্থান সেখানে হওয়া উচিত নয়। লামিনে ইয়ামালের ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন মুসলিম’— এই বক্তব্য শুধু তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রকাশ নয়; এটি সম্মান, সহনশীলতা ও বৈচিত্র্যের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা। ফুটবল বিশ্বের কোটি মানুষের আবেগের জায়গা। এই আবেগ যেন কখনো বিদ্বেষে পরিণত না হয়, বরং পারস্পরিক সম্মান ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করে— ইয়ামালের প্রতিবাদ সেই প্রত্যাশাকেই সামনে তুলে ধরেছে। সূত্র: রিলিজিয়ন আনপ্ল্যাগড ডটকম https://www.jugantor.com/islam-life/1131648 Amb. Orji Michael Anya Subscriber No 1416 July, 2026 · 3rd Cybersecurity Enthusiast | Youth Leader | Entrepreneur | Realtor | Public Speaker | Human Right Ambassador | Virtual Assistant Uyo, Akwa Ibom State, Nigeria About My name is Amb. Orji Michael, and I am a passionate Cybersecurity enthusiast pursuing a B.Sc. in Cybersecurity with a strong interest in protecting digital systems, promoting cybersecurity awareness, and continuously developing my technical skills. Beyond technology, I am a dedicated youth leader, entrepreneur, and public speaker committed to inspiring positive change, empowering young people, and contributing to community development. I enjoy connecting with professionals, learning from industry experts, and exploring opportunities that foster innovation, leadership, and personal growth. I believe in lifelong learning, integrity, and using technology to solve real-world problems. As I continue my journey in cybersecurity, I am eager to gain hands-on experience, collaborate on impactful projects, and build meaningful professional relationships. Let's connect to share ideas, learn from one another, and create opportunities that make a difference. Top skills Customer Service • Customer Support Contact info Romaan’s profile linkedin.com/in/romaan-basit-626a5520b Address Farnham, Surrey, United Kingdom Email romaanbasit@gmail.com Connected since Jul 27, 2026

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Holy Romado-n 1445 Hijrah/2024 News

Article