https://www.youtube.com/watch?v=CSjkNJrnkRo শহীদে কারবালার ইতিহাস
ভোরের আমল কেন এত বরকতময় জানেন কি ? মাওলানা অধ্যক্ষ মাওলানা মোজাম্মেল হক বরিশাল
Contact info
Istiyaz’s profile
linkedin.com/in/istiyaz-khan-20603b304
Balochistan, Pakistan·
Contact info
Mohamed’s profile
linkedin.com/in/mohamed-elnakep-8836642ab
Website
mansoura.academia.edu (Personal)
orcid.org (Personal)
researchgate.net (Personal)
Email
mohamedelnakep@mans.edu.eg
Mohamed Elnakep
· 1st
Lecturer at Mansoura University. Early Islamic History | Shi’i Studies | German Orientalism | Sufism Studies | Middle East Studies. 🇮🇹🇨🇭🇩🇪
Cairo, Egypt
·
Contact info
German Middle East Studies (DAVO)
University of Hamburg
https://mansoura.academia.edu/MohamedElnakep
About
I am a scholar specializing in early Islamic history and intellectual traditions, with a focus on historical, philosophical, and sectarian dynamics. I hold the following academic degrees: BA in Arts (First-Class Honors, 2019). Preliminary MA in Islamic History and Civilization (2020, Excellent). MSc in History (2024, High Distinction).
My master’s thesis, titled: “The Umayyad State in the Writings of the Orientalists,” explored the works of Wellhausen, Van Vloten, and Crone, in collaboration with professors from Mansoura University and La Sapienza University in Rome. In 2021, I joined a master’s program in Early Islamic History and later completed a specialized course at La Sapienza University (Rome, 2022). This course focused on: Islamic cultures in Sub-Saharan Africa, Islamic law, The history of advanced Islamic states. I also conducted primary research at the Marco Polo Institute in Rome.
I am currently pursuing a PhD on: “The History of the Imāmī Shīʿīs in Contemporary German Orientalist Writings” (1st–3rd centuries AH). This project investigates: Early Shīʿī manuscripts, Doctrinal development, Sectarian identity formation. It is jointly supervised by scholars in Egypt and Germany, including affiliations with the Universities of Göttingen and Hamburg.
My postdoctoral project critically explores Islamic cultural heritage through the lens of modern rationalist thought.
It aims to:
• Deconstruct Western legal-philosophical categories (reason, justice, law).
• Propose alternative Islamic epistemologies grounded in traditional thought.
• Contribute to pluralistic global discourses and advocate for authentic Islamic reasoning frameworks.
Memberships:
• German Foundation for Middle Eastern Studies (DAVO), University of Mainz.
• Netherlands Interuniversity School for Islamic Studies (NISIS), University of Leiden.
Top skills
Islamic heritage analysis • Knowledge of Shiite thought and jurisprudence • Manuscript Verification (Arabic-Islamic Manuscripts) • Human Resources (HR)
https://www.youtube.com/watch?v=CSjkNJrnkRo
জ্বিন ইনসান সৃষ্টির মূলে রয়েছে একমাত্র আল্লাহকে এক একক অদ্বিতীয় জেনে তাঁরই ইবাদত করা। একমাত্র তাঁরই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা একমাত্র তাঁকেই সিজদা করা। তাই শিরক ব্যতিত ইচ্ছা করলে সব গুনাহ মাফ করা হতে পারে। শরকের বীজ নাফসানিয়াত। তাই শিরক থেকে মুক্তির জন্য নাফসানিয়াত থেকে দূরে সরে যেতে হবে। সূর্যোদয়, দ্বিপ্রহরের পূর্বে সূর্য মাথার উপর.. সূর্যাস্ত নামাজকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে সূর্য পুজারী হতে পৃথক হওয়ার জন্য। বহুত্ববাদী ইহুদী-নাসারা থেকে বৈসাদৃশ্যের জন্য অনেক তরিকা রয়েছে। ....তাই ইসলামেএ অনেক ঘটনা রয়েছে তা শিরক নয় কুফর নয় কিন্তু নাফসানিয়াত । বিভিন্ন ঘটনাবলীতে নাফসানিয়াত প্রাধান্য পেয়েছে তন্মধ্যে শহীদে কারবানা অন্যতম
শহীদে কারবালার ইতিহাস
যে কারণে আলাের রাউন্ড গতি জরুরী। আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, বস্তুর প্রকৃত ভর জানা খুব সহজ। যদি তার শক্তির মান জানা যায়। অথবা যদি জানা থাকে বস্তুর ভর, তাহলে সেটার সঙ্গে আলোর বেগের বর্গ গুণ করলে পাওয়া যাবে তার শক্তি। শক্তি আর ভরের মধ্যে স্পষ্ট একটা সম্বন্ধ দেখিয়ে দিলেন আইনস্টাইন।ভর নির্ভরশীল হয়ে উঠল বস্তুর শক্তির ওপর। আগে ভর আর শক্তির সমীকরণের আলাদা আলাদা সংরক্ষণশীলতা নীতি ছিল। আইনস্টাইন তাঁর ভরশক্তির সমীকরণে দেখালেন, ভর আর শক্তি আলাদাভাবে সংরক্ষণশীলতার আওতায় না আনলেও চলে। এরা পরস্পরের পরিপূরক। তাই দুটিকে এক করে একটা সংরক্ষণশীলতার নীতি দাঁড় করানো হয়—ভরশক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি নামে৳।
AI উত্তর বাংলাদেশসহ বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ইসলামিক চিন্তাধারা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সাম্প্রতিক বিজ্ঞান গবেষণার সমন্বয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ও খবর পাওয়া যাচ্ছে।বিশ্বের শীর্ষস্থানে ইরান: বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিশেষ করে আধুনিক বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) মোটর প্রযুক্তিতে, ইরান ইসলামী বিশ্বের মধ্যে প্রথম এবং বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে।আন্তর্জাতিক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগং (IIUC): বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন বাড়াতে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে একটি ৩-দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি ও আইটিইই (ITEE): আইসিটি (ICT) খাতে বৈশ্বিক মান অর্জনের জন্য Eastern University সম্প্রতি Bangladesh Computer Council-এর সাথে যৌথভাবে তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবীদের জন্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছে।ইসলামিক সাইন্স-টেক নিউজ পাবলিকেশন: প্রযুক্তি, মহাবিশ্বের রহস্য এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিজ্ঞানের ভূমিকা নিয়ে ইসলামিক গবেষণা সংস্থাগুলো নিয়মিত নিবন্ধ প্রকাশ করছে।উজবেকিস্তানের ইসলামিক জাদুঘর: ইসলামিক স্বর্ণযুগের জ্যোতির্বিজ্ঞান, বীজগণিত ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি প্রদর্শন ও সংরক্ষণের জন্য উজবেকিস্তানে একটি বিশাল আন্তর্জাতিক কেন্দ্র খোলা হয়েছে।আপনি কি ইসলামিক ইতিহাস ও বিজ্ঞান, বাংলাদেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্যারিয়ার, নাকি বিশ্বের সাম্প্রতিক প্রযুক্তির খবর সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চান?6টি সাইটইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ, বাংলাদেশ (প্রথম সংস্করণ: ২০২৬)৩ জুন, ২০২৬ — আইনস্টাইন তাই দাবী করতেন, তিনি জ্ঞানে নয় বরং কল্পনাশক্তিতে গবেষণা করেন। পক্ষান্তরে স্যার আইজাক নিউটন বলতেনঃ তাঁর সকল আবিস্কার হচ্...LinkedIn·Muhammad Sheikh Ramzan Hossainইষ্টার্ণ ইসলামিক সায়েন্স-টেক নিউজ (৫ম সংস্করণ)ঃ - LinkedIn৬ জুল, ২০২৬ — ওয়ার্ল্ড ইসলামিক সায়েন্স টেক রিসার্চ সেন্টারের মতে এ যাবৎ বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের প্রায় ৫০ শতাংশ সত্য অর্জন করেছেন । ডার্ক ম্যাটা...LinkedIn·Muhammad Sheikh Ramzan HossainIran leads Islamic World in EV motor research: ISCঅনুবাদ করা হয়েছে — Most notably, Iran ranks fourth globally and first in the Islamic world for scientific output regarding Switched Reluctance Motors...Mehr News Agencyসব দেখুন AI ভুল করতে পারে, তাই উত্তর ডবল-চেক করুন
https://www.google.com/search?q=ইষ্টার্ণ+ইসলামিক+সায়েন্স+টেক+নিউজ&oq=&gs_lcrp=EgZjaHJvbWUqCQgBECMYJxjqAjIJCAAQIxgnGOoCMgkIARAjGCcY6gIyCQgCECMYJxjqAjIJCAMQIxgnGOoCMgkIBBAjGCcY6gIyCQgFECMYJxjqAjIJCAYQIxgnGOoCMgkIBxAjGCcY6gLSAQ03OTgyNzMwMTdqMGo3qAIIsAIB8QVF-cpwYtAc4w&sourceid=chrome&source=chrome.ob&ie=UTF-8
নতুন দুই নদী বন্দর ঘোষণা করেছে সরকার, প্রজ্ঞাপন জারি
কেউ আহলে বাইতের জন্, কেউ সাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মিয়ারে হক জেনে ইন্নামা আমালু বিন্নিয়াত হিসাবে শহীদে কারবালার পক্ষ বিপক্ষে লিপ্ত। এর পূর্বে মা আয়িশা রা. এর সাথে হযরত আলী রা. এর এবং হযরত আলী রা. এর সাথে আমিরে মুয়াবিয়া রা. দ্বন্দ্বেও মুসলিম উম্মাহ ইত্তেফাক-ইত্তেহাদ বিভক্ত হয়ে পড়েছিল যা-ও ছিল নিছক ইজতেহাদী এবং ইন্নামা আমালু বিন্নিয়াতের কারণে উল্লেখ্য, ইজতেহাদ যদি সঠিক হয় তাহলে দুই নেকি এবং বেঠিক হলে এক নেকি। মুমিনের মতপার্থক্যে রয়েছে আল্লাহর রহমত এবং অআল্লাহ তায়ালার জন্য গৌরবেরও। কারণ, এই দ্বন্দ্ব দুনিয়াবী স্বার্থের জন্য নয় বরং দীনী স্বার্থের জন্য। নানা জনের নানা মতের কারণে এই মতভেদ সৃষ্টি হয়ে থাকে সাধারণত।
তবে সাইয়েদুশ শুহাদা আমিরে হামযা রা. এর নৃশংস হত্যাকান্ড এবং শহীদে কারবালার নৃশংস হত্যাকান্ড উভয়টি মর্মান্তিক হলেও মৌলিক পার্থক্য হচ্ছ সাইয়েদুশ শুহাদা অআমিরে হামযা রা. এর নৃশংস হত্যাকান্ড হচ্ছে ঈমান বনাম কুফর তথা তাওহীদ বনাম শিরক দ্বন্দ্বের কারণে। পক্ষান্তরে হযরত হুসেইন রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বনাম ইয়াজিদের দ্বন্দ্ব নিছক সিয়াসতগত ভ্রাতৃঘাতি দ্বন্দ্ব। এ কারণে সাইয়েদুশ শুহাদা অআমিরে হামযা রা. এর নৃশংস হত্যাকান্ডে যত না ঈমান ইসলাম, অআকিদা বিশ্বাসে প্রভাব রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি প্রভাব রয়েছে শহীদে কারবালার নৃশংস হত্যাকান্ডে। তাই এ ঘটনা প্রায় দেড় হাজার বছর অতিক্রান্ত হলেও উম্মাহর বিভক্তি লেগেই রয়েছে নিছক ইন্নামা আমালু বিন্নিয়াতের কারণে। শহীদে কারবালার ঘটনাকে এভাবে সহজ-সরলীকরণে মূল্যায়ন যেন ক্রমেই জটিল থেকে জটিল অআকার ধারণ করছে যার প্রভাব পড়ছে ঃ যথাক্রমে ওয়াতাসিমু বিহাবলিল্লাহি জামিয়াও ওয়ালা- তাফাররাক্বু এ ২) কাতাবাল্লাহু ৩) আমানতু বিল্লাহি.....ওয়াল কাদরি খয়রিহি ওয়াশাররিহি......৪) শানে আহলি বাইতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ৫) শানে মিয়ারে হক্ব জলিলুল কদর সাহাবায়ে কেরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর উপর। আর তা এমন সময় ঘটছে যখন মুসলমানরা চতুর্মুখি অমুসলিম শক্তির চরম দমননীতিতে পিষ্ঠ। মহানবী সা. বলেনঃ তোমরা তোমাদের মায়েদেরকে গালি দিও না। প্রশ্ন করা হলোঃ কেউ কি কারও মা-কে গালি দিতে পারে? প্রত্ত্যুরে মহানবী স. বলেনঃ তোমরা যদি অপরের মাকে গালি দাও, প্রত্ত্যুত্তরে তারাও তোমাদের মাকে গালি দেবে যা নিজের মাকে নিজে গালি দেওয়ার নামান্তর হবে। আমরা যদি শানে আহলে বাইতের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করি তাহলে মিয়ারে হক্ব সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি যারা বিরূপ ভাবাপন্ন তাদের জন্য যৌক্তিক হয়ে দাঁড়াবে সাহাবায়ে কেরামদের কটুক্তি করার যা মাকে গালি দেওয়ার নামান্তর হবে বৈকি। সত্যিকার আশেকে আহলে বাইতে রসূল স. সত্যিকার মিয়ারে হক্ব জানলেওয়ালা সাহাবায়ে কেরাম রা.কখনও প্রত্যাশা করেন না যে, সুযোগ সন্ধানীরা সুযোগের সদ্ব্যবহারের সুযোগ দেবেন। বিষয়টি সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করতে হবে মুসলমানদের অন্তর্দ্বন্দ্বের সুযোগ যেন লাভ না করেন। যেমন হযরত অআলী রা এবং অআমিবে মুয়াবিয়া রা এর দ্বন্দ্বের সুযোগ নিতে চেয়েছিলেন তৎকালীন রোমের সম্রাট এ মর্মে প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে, সম্রাট প্রস্তুত কোনো এক পক্ষকে অপর পক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক সহায়তার। যা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল প্রস্তাবক সম্রাটকে রোমের কুকুর সম্বোধন করে। মুসলমানদের অন্তর্কোন্দলের সুযোগ থেকে বিরত থাকার জন্য বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল একবার এ মর্মে উদাহরণ টানেন যে, দুই কুকুর একটি রুটি নিয়ে কাড়াকাড়িতে লিপ্ত । এ সুযোগে বাইরের এক কুকুর তৃতীয় পক্ষ হয়ে রুটিটি কেড়ে দৌড় দেওয়ার কসরত করলে স্থানীয় কুকুর দুইটি তা টের পেল এবং মুহুর্তে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বহিরাগত কুকুরকে তাড়া করে। চার্চিল বুঝাতে চেয়েছেন মুসলিমরা যতই অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত হোন না কেন, ঐক্যবদ্ধ হওয়া মুহুর্তের ব্যাপার যার সাম্প্রতিক জীবন্ত উদাহরণ হচ্ছে, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ। বিলম্ব হয়নি শিয়া সুন্নী এক হতে।
সুতরাং, শহীদে কারবালাকে কেন্দ্র করে বিদ্যমান যে অন্তর্দ্বন্দ্ব তার সুযোগ সন্ধানের সুযোগ ইনশাঅআল্লাহ হবে বলে মনে হয় না। অবশ্য প্রতিটি মুসলিমকে স্মরণ রাখতে হবে যে, ওয়াতাসিমু বিহাবলিল্লাহ...কুল্লু মুসলিমুন ইখওয়াতুন, আল মুসলিমু মিল্লাতুন ওয়াহিদ পক্ষান্তরে আল কুফরু মিল্লাতুন ওয়াহিদা। তামাম ইয়াহুদা-নাসারা, মুশরিক, নাস্তিক যে এক অভিন্ন।
যদি তা না হতো রোমের শাসক আমিরে মুয়াবিয়ার প্রতি সাহায্যের যে হাত বাড়িয়েছিল তা হে রোমের কুকুর বলে প্রত্যাখ্যান করতেন না হযরত মুয়াবিয়া রা.। প্রায় সকল সাহাবা ইয়াজিদের পক্ষে অবস্থান ছিল ইজতেহাদী। ইজতেহাদের পরিণাম দুটি। সত্য হলে দুই নেকি , সত্য না হলে এক নেকী। আহলে বাইতের ইশক ও মুহাব্বাতের কারণে ইয়াজিদের উপর নাখোশ। পক্ষান্তরে সাহাবায়ে কেরামদের মিয়ারে হক্ব বিশ্বাসের কারণে আমিরে মুয়াবিয়ার রা এর মর্যাদা সুরক্ষায় ইয়াজিদের প্রতি নমনীয় ভাব ।
বলা যায়, মুসলিম উম্মাহ শহীদে কারবালা নিয়ে দুই ভাগে বিভক্ত। কেহ আহলে বাইতের এশক-মহব্বতের পক্ষে কেউ মিয়ারে হক্বপন্থী সাহাবায়ে কেরামের পক্ষে। আল্লাহপাক কোন্ পক্ষে? ওয়াহী জারি থাকলে তা জানা যেত। যেমন জানা যায়, সাইয়েদুশ শুহাদা আমিরে হামজাহ রা. এর ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে। যাঁরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত অআমিরে হামযা রাদ.কে শহীদে অত্যন্ত নৃশংস কায়দায় তাদের ব্যাপাারে আল্লাহর সিদ্ধান্ত অআবু তালেবের ব্যাপারে সিদ্ধান্তের বিপরীত। আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন। দুনিয়াবী বিধি বিধাননের অধীন আল্লাহ নন, আল্লাহর অধীন এসব বিধিবিধান। হুসেইন রা.কে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তাআমাদের নিকট ক্ষমার অযোগ্য কিন্তু আমিরে হামযা রা হত্যাকারীও আমাদের মতে ক্ষমার অযোগ্য । আল্লাহর নিকট ভিন্ন। শুধু তাই নয়, ফতেহ মক্কার পর সাহাবায়ে কেরামদের ঘোষণাঃ আজ প্রতিশোধের দিন। মহানবী সাঃ বলল্লেন, আজ ক্ষমার দিন। মহানবী সা. এর জীবৎকালেে শহীদে কারবালার ঘটনা ঘটলে ইয়াজিদের পরিণতি কি দাড়াতো, কিংবা ওয়াহি চলাকালীন সময়ে আল্লাহ কি ওয়াশি, আবু সুফিয়ানের মতো হিদায়াত দিতেন নাকি আবু লাহাব, আবু জাহলের ন্যায় শোচনীয় মৃত্যু দিতেন?
ইন্নামা আমালু বিন্নিয়াত এবং ইজতেহাদী।
চুলচেরা নিরপেক্ষ বিচার করতে হলে অনেক সময় অপ্রিয় সত্য তুলে ধরতে হয়। তাতে মনে হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে, এতে কারও প্রতি প্রচছন্ন সমর্থন দেয়া হচ্ছে মনে হবে। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। যাাঁরা ইয়াজিদের প্রতি অসন্তুষ্ট তাঁদের নিয়তও আহলে বাইতের প্রতি প্রগাড় ইশক এবং মুহব্বতের দরুন আবার যাঁরা ইয়াজিদের প্রতি সহানুভূতিশীল তাঁরা সাহাবায়ে কেরাম রাঃ দের মময়ারে হক্ব মনে করে সাহাবায়ে কেরামারের প্রতি ঢালাও অভিযোগ থেকে সুরক্ষার নিয়তে করছেন তাতে সন্দেহ নেন। কিন্তু ইয়াজিদকে রদ্বিয়ল্লা আনহ বলা কতটুকুন বাস্তব যিনি রসূল স. কে স্বজ্ঞানে দেখেননি। এট অতিরিক্ত শ্রদ্ধার নামান্তর। আবার ইশকে আহলে বাইতের প্রকাশ ঘটাতে গিয়ে ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদের কৃতকর্ম ইয়াজিদের প্রতি আরোপের মধ্যে ঐতিহাসিক সত্য নেই মর্মে কারো কারো দাবী।। তাঁদের মতে, শহীদে কারবালার ঘটনায় ইয়াজিদের মাত্র একটি ক্ষেত্রে নেতিবাচক ভূমিকা দেখা যায় যা তাৎপর্যপূণ এবং তাতে রয়েছে ইসলামের ইতিহাসে শুরু থেকে ঘটে যাওয়া যতসব নেতিবাচক ঘটনার যেন ধারাবাহিকতা যাতে নিহিত রয়েছে এক চমকপ্রদ শিক্ষনীয় যা মূল্যায়নর দাবী রাখেে ।
যেমন পবিত্র শবেে বরাতে অনেক জয়ীফ এবং সহীহ হাদিসে অনেক তথ্য রয়েছে কিন্তু শবে বরাতের সমর্থনে একটি অত্যন্ত মজবুত সহীহ হাদিস অনেকে এটাকেই একমাত্র সহীহ হাদিস মর্মে উল্লেখ করেন তা হচ্ছে নেফসে সাবানের রাতে এমন দুইজন ব্যতিত সবাইকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন যাঁরা পুরো বছর ব্যাপী শিরক করেনি এবং হিংসা করেনি। যেহেতু শিরকের বীজ হচ্ছে নফসানিয়াত যা থেকে নাফরমানিয়াতের উদ্ভব আর নাফরমনিয়াতের শেষ পরিণতিত শিরক-কুফর যা শহীদে কারবালায়ও ঘটে নাফসানিয়াতের ঘটনা-এখানেই ইয়াজিদ দায়বদ্ধ তবে তা সূক্ষ্ণ নাফসানিয়াত বিধায় অনেকে এ বিষয়টি লক্ষ্য না করে কিংবা এড়িয়ে গিয়ে রদিয়াল্লাহু আনহু বলতে দ্বিধা করছেন না। হুসেইন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর খন্ডিত মাথা মুবারক ইয়াজিদের সামনে নেওয়া হলে তিনি কেবল মর্মাহতই হননি অধিকন্তু সীমারকে দিয়ে হত্যার সরাসরি নির্দেশ দাতা ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদকে ভর্ৎসনাও করেছিলেন কিন্তু ইয়াজিদের করণীয় ছিল যে এই হত্যার অপরাধে জিয়াদকে শরীয়তের আদালতে বিচারের সম্মুখীন করে হদ বা দন্ডারোপে রাজকীয় ফরমান জারি করা যা তিনি করেননি- ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ তার কৃতকর্মের সাফাইয়ের উদ্দেশ্যে ইয়াজিদকে এ মর্মে বুঝাতে সক্ষম হন যে খেলাফতের দাবীর ভবিষ্যত সম্ভাবনা মিটিয়ে দিতে এমন গর্হিত কাজটি করেছনে যা ইয়াজিদের নাফসানিয়াতকে উস্কে দেওয়ায় ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদকে হুসেইন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে হত্যার অভিযোগে।
ইসলামী শরীয়াহ আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করান নি । এই নাফসানিয়াতে যাত্রা সেদিন থেকে শুরু যেদিন মালায়ে আলা হযরত আাজাজিল আলাইহিমুস সালাম নাফসানিয়াতের কারণেে আদি পিতাকে সিজদাহ করেননি। যার ফলে তিনি পরিণত হন ইবলিশ,শায়ত্বন এবং মরদুদ খান্নাসে যে আদি পিতার নফসে আম্মারাকে এ মর্মে প্রলুদ্ধ করেছিলেন যে, গন্ধম গাছের ফল ভক্ষণ করলে জান্নাতে চিরস্থায়ী হওয়া যাবে। ফলে আদি পিতা ভুলে যান মহান আল্লাহর নির্দেশ এবং প্রলুদ্ধ হন। যার কারণে পৃথিবীতে নেমে এসে অতি দুঃখ কষ্টে নিপতিত হন।
এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, হুসেইন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে শহীদ করার ফলে ভববিষ্যত ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা ম্লান হওয়ার যে নফসানিয়াত তা প্রকাশ পেয়েছে। নফসে । এখানেই নৈতিকভাবে ইয়াজিদ ইতিহাসে দায়বদ্ধ । ৪ মাযহাবের এক মাযহাব ইয়াজিদের কৃতকর্মের উপর কুফুরী ফতোয়া দেয়ায় আহলে সুন্নাতের আকিদা মতে, ইয়াজিদ ফাসেক।........................
উপসংহারে তুলে ধরা হবে ইনশা আল্লাহ
শহীদে কারবালা মুসলিম উম্মাহর জন্য এক নতুন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে যা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বিষয়টির জট ক্রমেই গভীর থেকে গভীর হচ্ছে যা সত্যিই দুঃখজনক। একে তো চতুমুর্খী জিল্লতি অমুসলিম পক্ষ হতে তার উপর মুসলিম উম্মাহর অন্তর্দ্বন্দ্ব খুবই হতাশাব্যান্জক। তবে শহীদে কারবালা এমনই এক মুসলিম উম্মাহর ট্রাজেডিি যে শোককে শক্তিতে পরিণত করার যথেষ্ট উপাদান-উপকরণ রয়েছে মর্মে এক গবেষণায় জানা যায় যা নানান অপঘাতে জর্জরিত মুসলিম উ্ম্মহর জন্য সত্যিক স্বস্তিদায়ক বটে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে। সত্য অনেক সময় তিক্ত হতে পারে। কিন্তু তার ফলাফল সুমিষ্ট যা তাৎক্ষণিক নয় সর্বশেষে উপসংহারে পাওয়া যেতে পারে বিধায় লেখাটির পুরো অংশ পড়ার মধ্যে নিহিত। তাই পাঠকবর্গকে পুরো অংশ পড়ার একান্ত অনুরোধ রইল।
ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহঃ যে, যাতে নিরবও থাকা যায় না আবার সরবও হওয়া যায় না । কারণ কান টানলে যেমন মাথা আসে তেমনি শহীদে কারবালার ঘটনায় এমন স্পর্শ কাতর বিষয় রয়েছে তাতে একটি টানলে আরেকটি প্রসঙ্গ এসে যায় পরবর্তীতে তা ঠেকে জলিলুল কদর সাহাবী রা থেকে শুরু করে মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহিহ ওয়াসাল্লাম এমনকি স্বয়ং আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ইয়াজিদ সাহাবা নন ইয়াজিদের পিতা হযরত আমিরে মুয়াবিয়া রাঃ জলিলুল কদর সাহাবী যাকেঁ কাতেব ওয়াহী নিয়োগ নেন স্বয়ং রসুল স.। আমরা যারা সাহাবায়ে কেরামদের মিয়ারে হক আকিদা রাখি তাঁদের জন্য ইয়াজিদ উভয় সংকট হিসাবে দেখা দেয়। একদিকে ইশকে হাবিব সা অন্যদিকে মিয়ারে হক বিশ্বাস তাতে দোটানায় পড়েন। কারণ একমাত্র আবদুর রহমান ইবনে আু বকর রাঃ ব্যতিত সবাই ইয়াজিদের পক্ষে ছিলেন এই কারণে যে, মুয়াবিয়া রাঃ সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ে শাসনের তাওফিক আল্লাহ এনায়েত করেছেন যদ্বারা ইসলাম ভূখন্ডগতভাবে আজকের যে অবস্থানে এসেছে যার ফলে সাতান্নটি মুসলিম দেশের উদ্ভব ঘটে পর্যায়ক্রমে উমাইয়া, ফাতেমী, আব্বাসী, উসমানী খেলাফতের নামে। আমিরে মুয়াবিয়ার সহকারী কমন্ডার ইন চীফ ছিলেন ইয়াজিদ। এ কারণে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার জন্য প্রায় সব সাহাবী রাঃ ইয়াজিদকে উত্তরাধিকারী রূপে ....বেছে নেন। এই সময় ইয়াজিদ একজন চরিত্রবান রাজকুমার ছিলেন। পোয়া বারো যারা মিয়ারে হক এর বাপার আন্তরিক নন ফলে ইয়াজিদকে সুযোগের সদ্ব্যবহার হিসাবে আমিরে মুয়াবিয়াকে কটাক্ষ করার সুযোগ বয়ে আনে যাতে খুলে যায় সাহাবায়ে কেরামদের সমালোচনার যৌক্তিকতা।
আমিরে মুয়াবিয়ার প্রতি অভিযোগ তিনি ইয়াজিদকে খলিফা করে রাজতন্ত্র কায়েম করেছেন। এর জবাবে কারো অভিমতঃ ইসলামে রাজতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র বলতে কিছু নেই। হাদিসে বলা হয়েছে ন্যায়পরায়ন বাদশাহ আরশের ছায়া পাবেন। আদল বা ন্যায় বিচারই ইসলামি সিয়াসতের ভিত্তি চাই তা গণতন্ত্র হোক রাজতন্ত্র হোক ভিত্তি হতে হবে ন্যায় বিচার। হযরত আলী রা এর পরবর্তী হযরত হাসান রা এর খেলাফত তাই অগণান্ত্রিক আখ্যা দেওয়া যাবেনা। হুসেন রা এর খেলাফতের দাবীকেও ইতিবাচক ধরা হবে। কারণ, হযরত হুসেইন রাঃ ক্ষমতা পেলে হতেন শ্রেষ্ঠ ন্যায় বিচারক। হযরত সুলাইমান আঃ নেক্কার বাদশাহ ছিলেন যার প্রসঙ্গ পবিত্র কুরআনে এসেছে।
ইসলামী ধারা দ্বিবিধ যথা ১) কিতাব এবং ২) হিকমাহ। একদিকে মূসা অঃ অন্যদিকে খিজির আঃ এক দিকে ওমর-আলী রা অপর দিকে ওয়ায়েজ করণী রহঃ। একদিকে আমিরে মুয়াবিয়া রাঃ-ইয়াজিদ অপর দিকে হাসনান -হুসেইন রাঃ । হাসান রা. স্বেচ্ছায় খেলাফত আমিরে মুয়াবিয়ার ইনকট অর্পন করেন কারণ তিনি ছিলেন বেলায়তী চিন্তাধারার যা হুসেসইন রাঃ এর মধ্যে যা প্রভাবিত হয় হযরত জয়নুল আবেদিনের মধ্যে যা থেকে আনুষ্ঠানিক বেলয়াতের ধারা শুরু হয় এবং শেষ হয় হযরত জাফর সাদেক রহঃ এর মাধ্যমে এর পর হাসান বসরী, রাবেয়া বশরী রহ.............................যার ধারা আজও চলছে।
হুসেইন রাদঃ চুক্তির কারণে এবং কুফাবাসীর শতাধিক পত্রেঅনুরোধক্রমে নিরস্ত্র, গর্ভবতী পরিবার নিয়ে , দুধপান করলনেওয়ালা শিশু আজগর নিয়ে কুফা যান। যদি সাড়া না দিয়ে বেলায়তি জিন্দেগী যাপন করতে মদীনা মুনওয়ারায় খানকাহয় বসে তাহলে বিশেষ করে কুফাবাসী ইয়াজিদের উপর বর্তিত সকল অপবাদের জন্য হুসেইন রাঃ পরোক্ষ ভূমিকার দায় বর্তানোহতো বৈকি। একই কারণে ইয়াজিদের হাতে বায়েত না হওয়ার কারণ হচ্ছে তাহলে হুসেসেই রাদ হতেন প্রত্যক্ষ মদদত দাতা। কারণ, ইয়াইদদের দ্বিতীয় বছররের শাসনকালে কিছুটা অনৈতিক কর্মের দায় স্বীকার করেন যারা ইইয়াজিদর প্রতি কিছুটা হলেও সহানুভূতিশীল। তিন মাযহাব এ ব্যাপারে নীরব হলেওও এক মাযহাবে ইয়াজিদকে কূফুরী ফতওয়া দেওয়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়েতের আকিদায় ইয়াজিদের উপর ফাসেকীর তঘমা আরোপ করা হয়েছে। তাই ইয়াজিদকে কে নিয়ে মধ্যপন্থা হচ্ছেঃ ইয়াজিদ নিঃসন্দেহে ফাসেক। রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলা সংগত নয়। কাফেরও নন মুত্তাকীও নন বরং ফাসেক।
কারবালার ঘটনাটি ঘটে দামেস্ক থেকে অনেক দূরে কারবালায়। নেওওয়ার্ক বিহীন এনালগ যুগে বলা যায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন । ফলে দূরদেশে উবায়দুল্লাহ জিয়াদ কি অঘটন ঘটাচ্ছেন দূরত্বের কারণে ইয়াজিদের তা জানার কথা নয়। কুফাবাসীর ডাকে সাড়া না দিয়ে সসন্মানে দরবারে ডেকে পাঠানোর হুকুম দিয়েছিলেন ইয়াজিদ। কিন্তু ধরে আনতে গিয়ে বেধে আনার মধ্যে স্বার্থ জড়িত থাকে। ওয়াবায়দুল্লাহ তা-ই করেছিলেন। আমিরের নেক নজরের লোভে ক্ষমতার পথের কাঁটা দূর করতে এই নৃশংস কাজটি করেছিলেন। যার কারণে ইঔয়াজিদ ভর্ৎসনা করেছিলেন ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদকে। এখানেই রয়েছে শহীদে কারবালার সূক্ষ্ণতম রহস্- যাতে নিহিত রয়েছে আদি পিতার গন্ধম গাছের কাছে যাওয়ার কারণ, কাবিলের নাফরমানি, আবু লাহাবের ইসলামি বিদ্বেষের রহস্য। অনেক ঘটনা নিয়মে চলে অনেক ঘটনা অনিয়মে চলে। এও আল্লাহর বিধান। জাগতিক বিধানেসবচেয়ে বেশি হেদায়েত পাওায়ার হকদার আবু তালেবের যার ইসলাম গ্রহণ নিয়ে নেই নির্ভরযোগ্য দলিলপক্ষান্তরে আবু সুফিয়ান হিন্দা এবং ওয়াশির ইসলাম গ্রহণ দুনিয়াবী নিয়ম নীতির সাথে অসামন্জস্যপূর্ণ।
নিরব থাকলে এশক ও মহব্বতের ঘাটতি দেখা যায় সরব হলে অনৈক্য বিভেদ কেবল মাথা চাড়া দেয় না বরং অনেক ক্ষেত্রে নিজের ঈমান আমলেও দেখা দেয় বিচ্যুতি।
যেমন ইমানের অপরিহার্যতা অঙ্গ হচ্ছে খয়রিহি ওয়াশাররিহি-তে ঈমান আনা যা সূরা....এর ...নং আয়াতের কাতাবাল্লাহু....... এর সমার্থক। তাকদিরের কারণে আদম আঃ গন্ধম গাছের কাছে গিয়েছেন-ইবলিশের এমন নিরংকুশ শক্তি নেই যে, স্বয়ং আল্লাহর কুদরতি হাতের স্পর্শে নির্মিত আদম আঃকে বিভ্রান্ত করে। তাছাড়া আল্লাহ পাক ফেরেশ্তাদেরকে ডেকে বলেন নি, আমি জান্নাতে আমার প্রতিনিধি পাঠাতে চাই। বরং বলেছেন পৃথিবীতে... এর হাকিক
হচ্ছেঃ মানুষের দেহকে বানানেআ হয়েছে জান্নাতের উপযেগী করে যাতে মৃত্যু পরবর্তী আজীবনের জন্য জান্নাতে বসবাসের অভিযোজন ক্ষমতা লাভ করতে পারে। পৃথিবীর জীবন, কবরের জীবন অস্থায়ী জীবন। এই জীবনে জান্নাত উপযেগী সুখ শান্তি নেও এ কারণে যে, জান্নাতের সুখ অনুভব করার বৈজ্ঞানিক উপায় হচ্ছে অপেক্ষাকৃত কম সুখকর স্থানে অবস্থান করা। এ কারণে জান্নাতে যাওয়ার আগে জান্নাতিদেরকে জাহান্নামের দুঃখ উপভোগ করাবেন অতি সাময়িক সময়ের জন্য যাতে জান্নাতের নাজ নেয়ামতের সাথে জাহান্নামের দুঃখ তুলনা করা যায়। অনুরূপ জাহান্নামীদেরকেও জাহান্নামের নেওয়ার পূূর্বে জান্নাতের নেয়ামত ভোগ করাবেন অতিই অল্লপ সময়ের জন্য এ কারণে যে, যাতে জান্নামের ভয়াবহতা অনুভব করতে পারন জাহান্নামীরা। এই হচ্ছে আদি পিতাকে পৃথিবীর খলিফা ঘোষণা সত্ত্বও জান্নাতে জন্ম গ্রহণ করানে হেকমাত। তবে এখন থেকে এমন এক শিক্ষা পাওয়া যায় যাতে রয়েছে ইমান, ইসলাম এবং মুসলমানিত্বের মূল আকিদা বিশ্বাস। তা হচ্ছে, জান্নাতে স্থায়িত্বের জন্য গন্ধম গাছের কাছে যাওয়ার জন্য ইবলিশের যে অনুপ্রেরণা তা নফসে আম্মারাফসানিয়াতের ব্যাপার যাতে আদম আঃ এর নফসে অ সায় দেয়। নফসে আম্মারা দুনিয়ার জীবনকে সুদৃশ্যময় করে তোলে নফসে লাওয়ামাআখেরাতের জীবনকে। নফসে আম্মারা হচ্ছে সকল শিরকের মূল। লাত উযযা হুবল মানতের পুজার কারণে দুনিয়াবী অর্জন। এমন নয় যে, লাতের পূজা করলে মৃত্যু যন্ত্রনা কম হবে, উযযার পুজা করলে কবরের অআজাম কম হবেব , হুবলের পুজা করলে পুলসিরাত বিজলির মতেআ পার হওয়া যাবে বরং অনমুক মুর্তির পূজা করলে ধন সম্পদ অমুকেমূতির পুজা করলে বিদ্যা অর্জন,.......অর্থাৎ দুনিয়ানাবী লাভালাভ। মুর্তির খাদেমদের অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। ভকক্ত দের নাজ নেওয়ায়াজ, উপহার খাদেরমদের পার্থিব লাভের উৎস। অর্থাৎ মূর্তিি পুজারয় রতে শতভাগ পার্থবি অর্জন। কাবিল মানব জীবনে সর্বপ্রথম দুনিয়াতে নাফসানিয়াতের পরিচয় দেন। নূহ অআঃ এর অআমল থেকে যে শিরকের প্রচলন তাও দুনিয়াবী লাভালাভের কারণে।
উআইদুল্লাহহ ইবনে জিয়াদ রাজকীয় ফআয়দা হাসিইলের জন্য ধরে অআনার নির্দেশকে বেধে অআনার নামান্তর করেছেন।https://www.jugantor.com/national/1125001?utm_source=izooto&utm_medium=push_notifications
তাকদিরে বিশ্বাস বিশেষ করে কাতাবাল্লাহ..এ ই অআয়াত, ওয়াতিসিমু বিহাব......এর ক্ষেত্রে শহীদে কারবালা এক কঠিন পরীক্ষা। অআমির হামযার ঘটনা কম বেদনা দায়ক নয় স্বয়ং রসূল সাঃ ওয়াশির ইওসলাম গ্রহণের পরও উনার ধারে কাছে না অআসার র্নিেশে প্রতীয়মান হয় যে, তিনি কতখানি মর্মাহত হয়েছিলেন। সত্যিককার অআশেকে রসূলের উচিত আমিরে হামযার প্রতি মহবব্ত প্রকাশ করা। এ ক্ষেত্র আল্লাহর সিদ্ধানত্ বড়ও বিস্য়কর। আল্লাহ বেপরেআয়া যা ইচ্ছা তাই করেন। যার ফলে আবু তালেবের পক্ষে প্রকাশে্য মুসলিম হওয়ার সুভাগ্য হয়নি পক্ষান্তরে আবু সুফিয়ান ওয়াশরির হয়েছে। জাগতিকক নিয়মেম তাদের পরিণতি হওয়া দরকার ছিল আবু লাহাব আবু জাহলের ন্যা। আবু লাহার ছিল ঈমান আনার ক্ষেত্র সবচেয়ে হক দার। কারণ , রসুল সাঃ এর জম্ম সংবাদ পাওয়া মাত্র খুশিতে দামী বাদী আজাদ করেছিলেন অথচ সেই আবু লাহাবের তাকদীরের ফসালা ছিল ভিন্নরূপ। শহীদে কারবাবালকে তাকদীরের ফয়সালা, কাতাবাল্লাহ.. এর আলোকে বিবেচনা করলে তাতে হাসান বসরীর উক্তিই প্রণিধানযোগ্য তা হচ্ছে হযরত মা আয়েশা রা এবং হযরত আলী রা এর যে দ্বন্দ্ব তাতে মুসলিমরা কোন পক্ষে? এখানে নীরব থাকার উপদেশ হাসান রাঃ এর পরামর্শ। অনুরূপ আমিরে মুয়াবিয়া রা এবং আলী রাঃ এর দ্বন্দ্বেরও অনুরূপ হওয়া চাই। কারণ নিছক ক্ষমতার জন্য হলে রোম বাদশাহর প্রস্তাবে সায় দিতেন আমিরে মুয়াবিয়া রা. । এতে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, পক্ষ-বিপক্ষ প্রত্যেকের নিয়ত সহীহ ছিল।
একমাত্র আবদুর রহমান ইবনে আবুকর ছাড়া বাকী সব জলিললুল কদর সাহাবী ইয়াজিদকে ইন্নামা আমালু বিন্নিয়াতের কারণে সমর্থন দিয়েছিলেন। তাই ইয়াজিদের পথ ভ্রষ্টতার যে অভিযোগ তা থেকে উনারা দায় মুক্ত।। যুগের শ্রেষ্ঠ আশেরকে রসুল সাঃ আল্লামা ইকবাল রহঃ এর ক্ষোভ কুফাবাসীর উপর, কেউ ইয়াজিদের প্রতি। খুব কম সংখ্যক ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ, কেউ খোদ আল্লাহর প্রতি এই বলেঃ মহররমের দশ তারিখে কি ঘটাইলেন রব্বানা কলিজা ফাটিয়া যায় করিতে বর্ণনা।
ঘটনার মর্মমূলে পৌছা ছাড়া এ ঘটনার কূল কিনারা খুবই অস্পষ্ট, খুবও অমসৃণ। এর মূল আদি পিতার গন্ধম গাছের কাজে যাওয়া ,কাবিলেলর ঘটনা, আবু লাহাবের বিরুদ্ধাচারণ তদুরি আল্লাহ পাকের নির্ধরিত তাকদীর পর্যন্ত গড়ায়।তবে গবেষকদের মতে, ইবলিশ যেমন গন্ধম গাছের নিকটা আদম আঃ যেতে যে সাফল্য অর্জন করেছে তার সুদুরপ্রসারী প্রভাব ইবলিশের বিপক্ষ যায়। তদুপরি শহীদে কারবালার মূল ঘটনার উৎসও একই প্রবণতাকে ধারণ করে যাতে রয়েছে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত মানব জাতির জন্য অনন্য শিক্ষা। তা হচ্ছে নাফসানিয়াত মুক্ত জীবন ধারণ। কারণ শিরকের মূল কারণ নাফসানিয়াত। ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়তে অর্থাৎ রাজকীয় মর্যাদা বাড়াতে এমনটি করেছেন তাও শতভাগ নাফসানিয়াত। নবাব সিরাজ উদ্দৌলা ধৃত হন মুসলিম নামধারীর হাতে যা নিছক রাজকীয় বদন্যতার আশায়। ওসামা বিন লাদেন ধৃত হয় দেশীয় চরের হাতে যে কিনা মুসলিম। তাও আর্থিক অর্জনের জন্য। চিরকালের জন্য এসব ঘটনা এ শিক্ষা দেয় যে, নাফসানিয়াতই শিরক কুফরের উৎসমূল। তা থেকে নিরাপত্তা বিধানই মুসলিলম উ্ম্মহর প্রথম কররণীয় কর্তব্য।
যে কারণে স্ট্রিং থিওরিি আছে আটকে
গ্র্যাভিটন আছে আটকেঃ WISTRC মনে করে গ.্যাভিটনের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের স্বীকৃতি আটকে আছে মিথ বা বদ্ধমূল ধারণার কারণে। এই ধারণার কারণে আমরা মহাকর্ষকে অপরাপর তিন বলের থেকে ভিন্ন মনে করছি। অথচ মহাকর্ষ বিগ ব্যাংয়ের পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়শনে থাকাকালীন সময়ে অপর তিন বলের সাথ সহাবস্থানে ছিল। এমনকি বিগ ব্যাংয়ের পরও কিছুদিন চার ভাই একত্রে ছিল। পরে তিন বল অবস্থানগতভাবে পৃথক হলেও জাতে অভিন্ন থেকে যায় অর্থাৎ তিন বলই ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক চার্জধারী হলেও কেবল ভিন্ন ব্যাচেলার থেকে যায় মহাকর্ষ। তাই স্ট্যান্ডার্ড মডেলে মহাকর্ষের স্বীকৃতি নেই যা অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এ কারণে যে, পদার্থ বিজ্ঞানে সবচেয়ে উচ্চমার্গের অবদান দেওয়া হয়েছে মহাকর্ষকে অথচ স্ট্যান্ডার্ড মডেলল থিওরিতে এর স্বীকৃতি নেই। যেমন এনালগ থেকে ডিজিটালে পরিণতকারী বিশেষ আপেক্ষিকতা এমনকি সাধারণ আপেক্ষিকতার স্বীকৃতি নোবেল কমিটিতে না থাকায় আইনস্টাইন এই দুই আবিস্কারের জন্য নোবেবল পাননি। পেয়েছেন এমন বিষয়ে যার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিলেন স্বয়ং আইনস্টাইন। এ সব বিষয়কে বলা হয় হাইজেনবার্গর অনিশ্চয়তা তত্ত্ব।
পৃথিব তথা মহাবি্শর ঘটনা পরিঘটনা দেখে মনে হয় অতি স্বাভাবিক গতিতে এই পৃথিবী এই মহাবিশ্ব চলছে। বিশেষ করে নিউটনীয় ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানে মনে হয় এই বিশ্ব চলছে গাণিতিক নিয়মে। এই নিয়মে একটি গাড়ীর অবস্থান জানা থাকলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে গাড়িটির ভর কত-এটাকে বলে নিশ্চয়তাবাদ।কিন্ত্ ১৯০১ কেআয়ান্টাম মেকানিক্স নামে অতিপারমাণবিক জগতে যখন পদার্থ বিজ্ঞান প্রবেশ করে তখন বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো অনিশ্চয়াবাদে প্রবেশ করে যাকে আরও উচ্চকিত করে হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তাবাদ। তাতে বলা হয়েছে ইলেকট্রন এমন এক কণা যার অবস্থান নিশ্চত করা গেলে ভর পাওয়া যাও না এবং ভর জানা গেলে অবস্থান জানা থাকে না।
ক্ল্যাসিকাল বল বিজ্ঞানের মূল কথা ছিলঃ যা দেখা যায় না তার অস্তিত্ব নেই-এটা অনেকটা নিশচ্য়তাবাদী তত্ত্ব। পক্ষান্তরে কেআয়ান্টাম এবং অনিশচয়তাবাদে যা দেখা যায় না তা কণা ডিটেক্টরে যা কণা ডিটেক্টরে পাওয়া যায় না তা পাওয়া যেতে পারে তরঙ্গ ডিটেক্টরে। যা কণা ডিটেক্টরে পাওয়া যাবে না তা পাওয়া যেতে পারে ১০-১৮ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিরমাপক যন্ত্রে। স্ট্রিংকে দেখার জন্য বিজ্ঞানীরা শর্তারোপ করেছেন ১০-৩৩ সেন্টিমিটার সূক্ষ্ণতা পরিরমাপক যন্ত্রে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন