USA: 250
সম্মানজনকভাবে কথা বলুন, ট্রাম্পকে কঠোর বার্তা দিল ইরানমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানি জাতির বিরুদ্ধে করা সাম্প্রতিক হুমকির কঠোর জবাব দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) সচিব মোহাম্মদ বাঘের যুলঘাদর। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তেহরান কোনো অসম্মানজনক ভাষা সহ্য করবে না এবং প্রয়োজনে যথাযথ জবাব দেবে।
সোমবার (৬ জুলাই) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধে ‘যে কোনো উপায়ে’ জিতবে।
ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ‘আমরা হয় একটি চুক্তিতে আসব, অথবা কাজটি শেষ করে দেব। কাজটি শেষ করা কঠিন হবে না।’
সোমবার জারি করা এক বিবৃতিতে, যুলঘাদর সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে, ইরানের ৯ কোটি ১০ লাখ মানুষকে হুমকি দেওয়ার জন্য ট্রাম্প এখন বিভ্রান্ত।
যুলঘাদর বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সেই বিভ্রান্ত প্রেসিডেন্টকে, যিনি আজ ৯ কোটি ১০ লাখ ইরানিকে হুমকি দিয়েছেন, আমি বলছি: এর আগে, মাত্র ২৫০ বছরের ইতিহাস সমৃদ্ধ একটি শিকড়হীন দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে, আপনি ইরানের কয়েক হাজার বছরের পুরোনো সভ্যতা মুছে ফেলার বিষয়ে একই ধরনের কথা বলেছিলেন। আপনার জন্য একমাত্র পরিণতি ছিল পরাজয়, অসহায়ত্ব এবং আলোচনা ও যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া আবেদন।’
আরও পড়ুন
ইরানের কওম শহরে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ
ইরানের কওম শহরে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানিরা বিদেশিদের হুমকির ভাষায় অভ্যস্ত নয় এবং তাতে তারা বিচলিতও হয় না।
‘ইরানিরা হুমকির ভাষায় অভ্যস্ত নয়। তাই, ইরানি জনগণের সঙ্গে সম্মানের সঙ্গে কথা বলুন; অন্যথায়, আমরা আপনাদের ভিন্ন ভাষায় জবাব দেব,’ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাটি সতর্ক করেন।
ওয়াশিংটনের বারবার ভয় দেখানোর প্রচেষ্টার সুস্পষ্ট প্রত্যাখ্যান হিসেবেই এই মন্তব্যটি এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়।
ইরানি কর্মকর্তারা ধারাবাহিকভাবে জোর দিয়ে বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র এবং এর গর্বিত জনগণ যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধমক বা অসম্মানজনক কথাবার্তার কাছে কখনো মাথা নত করবে না।তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানিরা বিদেশিদের হুমকির ভাষায় অভ্যস্ত নয় এবং তাতে তারা বিচলিতও হয় না।
‘ইরানিরা হুমকির ভাষায় অভ্যস্ত নয়। তাই, ইরানি জনগণের সঙ্গে সম্মানের সঙ্গে কথা বলুন; অন্যথায়, আমরা আপনাদের ভিন্ন ভাষায় জবাব দেব,’ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাটি সতর্ক করেন।
ওয়াশিংটনের বারবার ভয় দেখানোর প্রচেষ্টার সুস্পষ্ট প্রত্যাখ্যান হিসেবেই এই মন্তব্যটি এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়।
ইরানি কর্মকর্তারা ধারাবাহিকভাবে জোর দিয়ে বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র এবং এর গর্বিত জনগণ যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধমক বা অসম্মানজনক কথাবার্তার কাছে কখনো মাথা নত করবে না।
এসএনএসসি প্রধানের এই বিবৃতি ইরানের প্রাচীন সভ্যতা এবং জাতির অটুট ইচ্ছাশক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা তার শক্তি, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাসের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।
তেহরান বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যে কোনো আগ্রাসন বা ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জবাব একটি দৃঢ়, সুচিন্তিত এবং যথাযথ উপায়ে দেওয়া হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি
এসএনএসসি প্রধানের এই বিবৃতি ইরানের প্রাচীন সভ্যতা এবং জাতির অটুট ইচ্ছাশক্তির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা তার শক্তি, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাসের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।
তেহরান বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যে কোনো আগ্রাসন বা ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জবাব একটি দৃঢ়, সুচিন্তিত এবং যথাযথ উপায়ে দেওয়া হবে।
কমিউনিজম ফেবিয়া যুক্তরা্ট্রকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সায়ো-সাইকোসিসে আক্রান্ত করে এমন রোগাগ্রস্ত করে রেখেছিল যে, হিটলারের ভয়ে স্বদেশ ত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে অআশ্রয় নেয়া অআলবার্ট অআইনস্টাইনকে কমিউনিস্ট সন্দেহে তাঁর প্রতিদিনের জীবনাচরণে মার্কিন কর্তৃপক্ষের নজরদারীর তথ্য রয়েছে। এই কমিউনিজম ঠেকাতে ডলারে অআজও লিখিত হয়ঃ ইন গড উই ট্রাস্ট। শুধু তাই নয় কণা-পদার্থের মধ্যে গড এর অস্তিত্ব অআবিস্কার করতে গড়ে তোলা হয় বিশাল অআকারের কণা ত্বরণ সাইক্রোটন যন্ত্র। তাতে বিনিয়োগ করা হয় কোটি কোটি ডলার। যখন বিজ্ঞানীরা সাফ জানিয়ে দিলেন, এই যন্ত্রে গডের অস্তিত্ব অআবিস্কার করা যাবে না তখন সরকারীভাবে অর্থ বরাদ্দও শুধু বন্ধ হয়নি, প্রকল্পটি বন্ধ করতে ...ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়। অবশ্য সুইজার ল্যান্ডে সার্ণ কর্তৃক প্রাপ্ত কৃত্রিম কণার নামকরণ করা হয় গড'স পার্টিকেল। সয়ুজের মাধ্যমে সোভিয়েত ইনিয়ন এগিয়ে যাওয়া মানে কমিউনিজম এগিয়ে যাওয়া-এই ভেবে নাসা প্রতিষ্ঠা করে অ্যাপোলো -১১ এর মাধ্যমে চাঁদেও মানুষ পাঠানো হয়। এতসব করেও কমিউনিজমের পতন ঠেকানো যায় নি। বরং অনেকবার কম্পিউটার বিভ্রাটের কারণে সোভিয়েত রাশিয়া কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রে পারমাণবিক হামলা ছিল সময়ের ব্যাপার। রোনাল্ড রিগানের অআমলে তো পারমাণবিক যুদ্ধ প্রায় লেগেই গিয়েছিল। সোভিয়েতের পতন হয় ওসামা বিন লাদেনের মাধ্যমে অআফগান তালেবানদের হাতে। অবশ্য, লাদেনকে ডলার সহায়তা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বিন লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্র চেক মুজাহিদ নামকরণও করেছিল। অআফগানদের হাতে শোচনীয় পরাজয়ের পর সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ বলেছিলেনঃ অআফগানিস্তানে হামলা করে অআমরা পাপ করেছি। লোভে পাপ-পাপে সোভিয়েত রাশিয়ার যা হবাব তাই ঘটে ১৯৯২ সালে। অপ্রত্যাশিতভাবে একদিন সোভিয়েত সুপ্রীমে দাঁড়িয়ে গর্বাচেভ ঘোষণা দেনঃ অআজ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন অবলুপ্ত। সেদিনই পৃথিবীর সব দেশের রুশ দূতাবাসের পতাকা নামিয়ে ফেলার পর অআর সে পতাকা উড়েনি অআজও। তাতে যারপর নাই খুশি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ার, ভেট-৬৯ পান করে নৃত্য করে খুশি উদযাপন করেছিল। মুসলিম বিশ্ব বিস্ময়ে হতবাক।
কিন্তু এই অআনন্দ পেন্টাগনে বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। নতুন ফেবিয়া অনুসন্ধানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এফবিঅআই-কে (সূত্রঃ অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস)। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়ঃ গ্রীন পেরিল হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেবিয়া। পরের বছর রহস্যজনকভাবে টুইন টাওয়ারে প্রথমবারের হামলায় ঘটনার পর পর মধ্যপ্রাচ্যের চেহারার কাউকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সাক্ষ্যের মাধ্যেম ঘটনাটি গ্রীন পেরিল করণ প্রক্রিয়া শুরু হলেও বিশ্ব বিবেক খ্যাত মার্কিন ফেডারেল অআদালতের ন্যায় বিচার এই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। ফলে ২০০১ সালে সংঘটিত দ্বিতীয়বার টুইন টাওয়ার হামলার মামলা মার্কিন ফেডারেল অআদালতে তোলা হয় নি। এমনকি সন্দেহভাজনদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে না এসে কিউবা উপকূলে নির্মিত বিশেষ মার্কিন বে-ঘাটিতে বিনা বিচারে বছরের পর বছর বর্বরোচিত নির্যাতনের মাধ্যমে অআটকে রেখে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
মজার ব্যাপার হচ্ছে রুশ-মার্কিন স্মায়ুযুদ্ধের সময় বামপন্থী বাথ পার্টি প্রধান সাদ্দাম হোসেন শাসিত ইরাক এবং কর্ণেল গাদ্দাফী শাসিত লিবিয়া ব্যতিত বাকী ৫৫টি মুসলিম রাষ্ট্রই মার্কিন সমর্থিত ছিল। কিন্তু পেরিল গ্রীণ অপবাদ চাপিয়ে কেন মুসলিম দেশগুলিকে সোভিয়েত ধাচের প্রতিপক্ষ বানালো তা প্রশ্ন বটে। সম্ভবতঃ এ ধারণায় যে, বিশ্ব থেকে কমিউনিজম সমূলে উৎখাত হয়েছে। এখন মুসলিম বিশ্ব একা। এসব দেশ বশীভূতকরণের উপযুক্ত সময় এখনই। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে টুইন টাওয়ারের প্রথম এবং দ্বিতীয় ঘটনার অবতারণা বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। অথচ বাস্তবতা হচ্ছেঃ সোভিয়েত রাশিয়া শব্দদ্বয় থেকে কেবল সোভিয়েত শব্দটির পরিবর্তন হলেও রাশিয়ানামে ভূখন্ডের নড়চড় ছাড়াই সম্পূর্ণ অক্ষমভাবে অআজও রয়েছে গেছে মার্কিন প্রতিপক্ষ নিয়ে।অআরও বাস্তবতা হচ্ছেঃ চীন নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার নামে নতুন অর্থনীতির নামে মাওবাদ থেকে সরে অআসলেও কমিউনিজম থেকে চুল পরিমাণও সরে নি। মার্কিন অআধিপাত্যে ভীত হয়ে নতুন সোভিয়েত ইউনিয়নরূপে অআবির্ভূত হয় কটুর কমিউনিস্ট উত্তর কোরিয়া। পাশাপাশি ভিয়েতনাম যুদ্ধের ক্ষত নিয়ে অআবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠে ভিয়েতনামে বাম পন্থা, তার সাথে বওস-কম্বেোডিয়া রয়েছে। খোদ যুক্তরাষ্ট্রে সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি নামে মার্টিন লুথার কিংয়ের নতুন প্রজন্মের উদ্ভব ঘটে মাদানিয়ার মাধ্যমে।
শক্তিনির্ভর অআধিপাত্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক শক্তি রূপে বেছে নেয় এমন এক দুর্দান্ত জাতিকে যে জাতি খ্রীস্টান ধর্মের সরাসরি প্রতিপক্ষ। যে জাতির লাগাম টানতে এখন গলদঘর্ম হচ্ছে। যুগ যুগ ধরে পোপ-পাদরিরা যে খ্রীষ্ট ধর্মকে শান্তিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে কিনা করছেন খ্রীস্টান মিশনারীর নামে। সেই ধর্মের যদি এক রাষ্ট্র নায়ক গাজাকে পৃথিবীর প্রথম মানব নির্মিত নরকে পরিণত করার শ্রেষ্ঠ কারিগর হিসাবে প্রতিষ্ঠা পান তাহলে শত সহস্র বছরের অর্জন কোথায় ঠেকছে? প্রশ্ন বটে। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে কমিউনিজমকে জীবন্ত রেখেই এসব হচ্ছে।
মুসলিম বিশ্বকে যতই দূর্বল করা হবে কমিউনিজম ততই সবল হবে-এতে সন্দেহের অবকাশ নেই। বিংশ শতাব্দীর মত সোভিয়েত ধাচের স্মায়ুযুদ্ধকে স্তিমিত করেছে মুসলিম বিশ্ব। বলা যায় নতুন করে স্মায়ু যুদ্ধের উদ্ভবে এখনও ঢাল হিসাবে তৃতীয় পক্ষ হিসাবে বিদ্যমান মুসলিম বিশ্ব। গাজা-ইরান যুদ্ধের বাস্তবতায় মুসলিম বিশ্বের অআত্মরক্ষার একমাত্র উপায় ওঅআইসির দেশসমুহের সম্মিলিত ইসলামী বাহিনী গঠন। যাতে অআত্মরক্ষায় ওঅআইসি দেশ সমূহের অআত্মনির্ভরশীলতা অর্জন। এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভূট্টো। এই প্রস্তাব অআজ সময়ের শ্রেষ্ঠ দাবী হিসাবে মুসলিম বিশ্বে উদ্ভাসিত, সমাদৃত, প্রশংসিত এবং বাস্তবসম্মত, যুগোপযোগী।
সন্দেহ নেই বিশ্ব আপনা আপনি স্মায়ু যুদ্ধের যুগে ফিরে এসেছে। তার অর্থ যুক্তরাষ্ট্র অআবারও কমিউনিজম ফেবিয়া তথা সিয়ো সাইকোসিসে অআক্রান্ত হচ্ছে। তার প্রকাশ ঘটে ট্রাম্প কর্তৃক অআড়াইশত বছরের স্বাধীনতা পূর্তি উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে কমিউনিস্ট শব্দটি উচ্চারণ করতে ভুলেননি। এই শব্দভীতির কারণে যে যুক্তরাষ্ট্র অআইনস্টাইনের বৈজ্ঞানিক গবেষণার খসড়া কাগজ ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে মার্কিন কর্তৃক লাইন বাই লাইন পড়ে নিশ্চিত হতো কমিউনিস্টিক কোনো গোপন তথ্য রয়েছে কিনা-এই ফেবিয়া অআবার পেয়ে বসছে ক্রমে ক্রমে। তাহলে কি অআবারও রোনাল্ড রিগান অআমলের ভুল কম্পিউটার তথ্যের জন্য তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ লাগার যে অআশংকা তা অআবারও ফিরে অআসবে? মার্কিনিদের ঘুম হারাম করে?
এখনও কি সময় নেই-এই থেকে উত্তরণের। ওয়ার্ল্ড পীচ রিসার্চ সেন্টার মনে করে পরীক্ষামূলকভাবে এ থেকে উত্তরণের একটা সম্ভাবনার সন্ধান পেয়েছে গবেষণার মাধ্যমে। তা হচ্ছে জ্ঞানের অআলোকে শান্তির বৈজ্ঞানিক সূত্র উদ্ভাবন এবং সেই সূত্র কাজে লাগিয়ে লীগ অব নেশনের যে পরিণতি তা জাতিসংঘকে পেয়ে বসায় বসনিয়ার গণহত্যা থেকে শুরু করে প্যালেস্টাইন সর্বশেষে ইরান যুদ্ধ ঠেকানো যায় নি, যাচ্ছে না-বরং হুমকি অআসছে জাপানের হিরোশিমা-নাগাসাকির পু্নরাবৃত্তি ঘটিয়ে ইরানের মতো প্রাচীন জাতিকে নির্মূল করার । অথচ চরম ঝূঁকিতে রয়েছে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট। মাত্র দুইটি পারমাণবিক বোমা নাকি যথেষ্ট যুক্তরাষ্ট্রকে ছাই করে দিতে। প্রশ্ন হচ্ছেঃ যুক্তরাষ্ট্রকে ছাই করার বিনিময়ে ইরান জাতিকে নিঃশেষের হুমকি? যাতে যুক্তরাষ্ট্র অআবারও সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে চীন-উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম ছাড়াও দক্ষিণ অআমেরিকার কিউবা, ভেনেজুয়েলা, গ্রীণ ল্যান্ড। এ ক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্বের করণীয় কি? স্মায়ু যুদ্ধকালীন সময়ের অবস্থানে অর্থাৎ পেন্টাগণের পক্ষ শক্তিতে ফিরে যাবে নাকি জোট নিরপেক্ষ অআন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করবে নাকি বেনজির প্রস্তাবিত অভিন্ন মুসলিম বাহিনী গড়ে তুলে তৃতীয় পরাশক্তিরূপে অআত্ম প্রকাশ করবে-যে শক্তি হবে শান্তির জন্য শক্তি।
প্রসংগতঃ উল্লেখ্য যে, ভারতের মিসেস ইন্দিরা গান্ধি যখন পরীক্ষামূলক পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন তার জবাবে পাকিস্তানের তৎকালীন উজিরে অআজম জুলফিকার অআলী ভূট্টো দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে ঘোষণা করেছিলেনঃ ঘাস খেয়ে হলেও পাকিস্তানও পারমাণবিক বোমা বানাবে। জনাব ভূট্টো সে প্রস্তাবিত বোমার নামকরণ করেছিলেনঃ ইসলামী পারমাণবিক বোমা। সত্যিই এই বোমা যখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরীফ ভারত কর্তৃক বানানোর মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বানিয়ে ঘোষণা দেন তখন উপমহাদেশে শান্তির অআবহ সৃষ্টি হয়। কারণ, এক পক্ষীয় ভাবে কারো কাছে পারমাণবিক বোমা থাকা মানে শ্ক্তির ভারসাম্যতা নষ্ট হওয়া। যেমন সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্তির পর সে ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় মুসলিম বিশ্বের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার পরিণত খোদ মার্কিনিদের জন্য অআত্মঘাতি হয়ে দাঁঁড়ায় এ কারণে যে, তাতে অআবারও যুক্তরাষ্ট্র পুরোনো শক্তির মুখোমুখি হচ্ছে। মুসলিম বিশ্বকে হতে হবে জ্ঞ্যননির্ভর, শক্তি নির্ভর নয়। শক্তির অপব্যবহার পশু শক্তির নামান্তর। পৃথিবী পশু শক্তিতে পরিচালিত হতে পারে না, যার প্রয়োগে গাযা পরিণত হয় পৃথিবির বৃহত্তম গণ কবরে এবং মানব নির্মিত একমাত্র নরকে। ইসলাম শান্তিবাদের নাম,। শান্তিবাদীর নাম মুসলমান। তাই ইসলামী বাহিনী পৃথিবীতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শান্তি বাহিনী হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষীবাহিনীর সহায়ক শক্তিরূপে ভূমিকা পালন করতে পারে প্রস্তাবিত ইসলামী সামরিক বাহিনী। অবশ্য এ জন্য জাতি সংঘের মৌলিক সংস্কার জরুরী। জাতিসংঘ জাতিগত ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সফল নয় বিধায় এবার জাতিসংঘের পরিবর্তে ইউনাটেড ওয়াল্র্ডে উন্নীতকরণ জরুরী।
সূত্র: প্রেস টিভি
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন